রাজনৈতিক দল নিবন্ধনে আবেদন নিচ্ছে ইসি

প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০১৭     আপডেট: ৩০ অক্টোবর ২০১৭      

সমকাল প্রতিবেদক

একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে অনিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে নিবন্ধন আহ্বান করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

সোমবার এ বিষয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) থেকে আগ্রহী দলগুলো নির্ধারিত শর্ত মেনে আবেদন জমা দিতে পারবে। ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদন জমা নেওয়া হবে।

আগামী বছর অর্থাৎ ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে এসব আবেদন যাচাই-বাছাই করে মার্চে নিবন্ধনের জন্য অনুমোদিত দলের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। এ বিষয়ে ইসি সচিবালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ বলেন, নতুন রাজনৈতিক দলগুলোকে নিবন্ধন দিতে নির্বাচন কমিশন গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।

এবার অনিবন্ধিত দলের পাশাপাশি বর্তমানে নিবন্ধিত ৪০ দলের কাছেও হালনাগাদ তথ্য চাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ কারণে মঙ্গলবার আরেকটি প্রজ্ঞাপন জারি করবে ইসি। এর আগে কাজী রকিব উদ্দীন আহমেদের নেতৃত্বাধীন কমিশনের সময় দশম সংসদ নির্বাচনের আগে অনিবন্ধিত ৪৩টি রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের আবেদন করেছিল।

সেগুলোর মধ্যে মাত্র দু'টি দল নিবন্ধনের সুযোগ পায়। দল দু'টি হলো বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) ও বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট। ওই সময় বিএনএফের নিবন্ধন নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক বিতর্ক দেখা দেয়। পাঁচ জানুয়ারির নির্বাচনে বিএনএফ একটি আসনে জয়ী হয়ে বর্তমান সংসদে প্রতিনিধিত্ব করছে।

২০০৮ সালে নবম সংসদ নির্বাচনের আগে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২ সংশোধন করে রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়।

ওই সময় ১১৭টি দল আবেদন করে এবং পরে খসড়া গঠনতন্ত্র জমা দিয়ে ৩৯টি দল নিবদ্ধিত হয়। সংশোধিত গঠনতন্ত্র জমা না দেওয়া এবং সরকারের নিষিদ্ধ হওয়ায় ফিডম পার্টির নিবন্ধন বাতিল করে কমিশন।

উচ্চ আদালতের আদেশে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে। পরে বাংলাদেশ মুসলিম লীগকে (বিএমএ) নিবন্ধন দেওয়া হয়।

গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০০৮-এর বিধান অনুযায়ী বর্তমানে নির্বাচন কমিশনের নিবদ্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ৪০টি।  আইন অনুযায়ী, নিবদ্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর মনোনীত কিংবা সতন্ত্র প্রার্থী ছাড়া অন্য কেউ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ নেই।

নিবদ্ধিত দলগুলো শর্ত প্রতিপালন করছে কি-না তা তদারকি করবে ইসি। ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারির আগের ৯০ দিনের মধ্যে একাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সে হিসাবে ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবরের পর শুরু হবে একাদশ সংসদ নির্বাচনের সময় গণনা।

রাজনৈতিক দল নিবন্ধন আইন অনুযায়ী, নিবন্ধন কোনো দলকে স্বাধীন বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত যে কোনো নির্বাচনে অন্তত একটি সংসদীয় আসন পেতে হবে; অথবা যে কোনো একটি জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিয়ে ওই আসনে প্রদত্ত মোট ভোটের পাঁচ শতাংশ পেতে হবে; অথবা দলের একটি সক্রিয় কেন্দ্রীয় কার্যালয় থাকতে হবে, দেশের অন্তত এক-তৃতীয়াংশ ২১টি প্রশাসনিক জেলায় কার্যকর জেলা কমিটি থাকতে হবে এবং অন্তত ১০০ উপজেলা/মেট্রোপলিটন থানায় কমপক্ষে ২০০ ভোটারের সমর্থনের প্রামাণিক দলিল থাকতে হবে।

আরও পড়ুন

আন্দোলনে বিএনপি শরিকদের নজর আসনে

আন্দোলনে বিএনপি শরিকদের নজর আসনে

খালেদা জিয়া কারাগারে; নির্বাচনের চেয়ে তার মুক্তি বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে ...

এখনই ফয়সালা চায় ১৪ দলের শরিকরা

এখনই ফয়সালা চায় ১৪ দলের শরিকরা

আগামী সংসদ নির্বাচনের আসন বণ্টনের দাবিতে এখনই সোচ্চার আওয়ামী লীগ ...

নকশা পরিবর্তনে কমেছে সক্ষমতা

নকশা পরিবর্তনে কমেছে সক্ষমতা

দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল ট্রান্সমিশন লিংক স্থাপনে মূল নকশার পরিবর্তন করে ...

শিক্ষা ক্যাডারে সাড়ে ১২ হাজার নতুন পদ

শিক্ষা ক্যাডারে সাড়ে ১২ হাজার নতুন পদ

নতুন সাড়ে ১২ হাজার পদ সৃষ্টি হচ্ছে বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ...

 সক্রিয় আওয়ামী লীগ ও জাপা, নির্ভার বিএনপি

সক্রিয় আওয়ামী লীগ ও জাপা, নির্ভার বিএনপি

লালমনিরহাট-৩ (সদর) আসনে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী সরকারি দল আওয়ামী লীগ। ...

যেমন ভিড় তেমন বিক্রি

যেমন ভিড় তেমন বিক্রি

দুপুর দেড়টা :  সবেমাত্র শেষ হয়েছে শিশুপ্রহর, বেরিয়ে আসছে সবাই, ...

বিয়েবাড়ির ধুমধামে নিমেষেই বিষাদ

বিয়েবাড়ির ধুমধামে নিমেষেই বিষাদ

বিয়েবাড়িতে ধুমধাম আনন্দ-উল্লাস চলছে, গরু-খাসি জবাই করে চলছে রান্নাবান্না। বিশাল ...

ছুটির বিকেলে নাতি-নাতনির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী

ছুটির বিকেলে নাতি-নাতনির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী

ব্যস্ততার মাঝে সামান্য সময় মিললে সেটুকুই পরিবারের সঙ্গে ভাগ করে ...