ঢাবিতে বিক্ষোভ

৭ কলেজের অধিভুক্তি বাতিল না করলে কঠোর কর্মসূচি

প্রকাশ: ১১ জানুয়ারি ২০১৮      

ঢাবি সংবাদদাতা

'এক দফা এক দাবি, অধিভুক্ত মুক্ত ঢাবি' এই স্লোগানে জোরদার হয়ে উঠেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)। রাজধানীর সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিলের দাবিতে বৃহস্পতিবারও ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। দাবি পূরণ না হলে কঠোর কর্মসূচিরও ঘোষণা দেন তারা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাবির অধিভুক্ত সাত কলেজ বাতিলের দাবিতে বেলা ১১টায় ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) রাজু ভাস্কর্যের সামনে মানববন্ধন করেন শিক্ষার্থীরা। এতে প্রায় দুই হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেন। এ সময় সেখানকার সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দেড় ঘণ্টা মানববন্ধন কর্মসূচি পালনের পর একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবনে উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে এসে জড়ো হয়। সেখানে দুপুর ২টা পর্যন্ত অবস্থান নেন আন্দোলনকারীরা। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানীর নেতৃত্বে শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধি দল এসে শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানায়। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানান, অধিভুক্ত সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের শুধু শিক্ষা-সংক্রান্ত সুবিধা পাওয়ার কথা। কিন্তু তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরিচয় দিয়ে নানামুখী সুবিধা নিচ্ছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। অথচ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্যই পর্যাপ্ত পরিমাণ আবাসন ও পরিবহনের সুবিধা নেই। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ক মশিউর রহমান সাদিক দাবির পেছনে উপযুক্ত কারণ তুলে ধরে বলেন, 'গত বছর রাজধানীর সাত কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরিচয় নিয়ে বিড়ম্বনা সৃষ্টি, প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত, ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি, বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ণ ও শিক্ষার মানের অবনতি হচ্ছে।' এ সময় অধিভুক্তি বাতিল ও বহিরাগত যান চলাচল নিয়ন্ত্রণেরও দাবি জানান তিনি। অধিভুক্ত সাত কলেজের সমন্বয়ক বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম সমকালকে বলেন, 'দাবির বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই। উপাচার্য আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন তা পালন করছি।' উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো আখতারুজ্জামান সমকালকে বলেন, 'নিজেদের অধিকার আদায়ে শিক্ষার্থীরা তাদের যুক্তিক দাবি উত্থাপন করেছে। আমরা বিষয়টি দেখব।'

আরও পড়ুন

সালাহ-ফিরমিনোয় হার নেইমার-এমবাপ্পেদের

সালাহ-ফিরমিনোয় হার নেইমার-এমবাপ্পেদের

সালাহ-সাদিও মানে-ফিরমিনো বনাম নেইমার-এমবাপ্পে-কাভানি! কিংবা বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের সাবেক দুই কোচ ...

হংকংয়ের বিপক্ষে কষ্টের জয় ভারতের

হংকংয়ের বিপক্ষে কষ্টের জয় ভারতের

হংকংয়ের ইনিংসের তখন ২৯ ওভার চলছে। কোন উইকেট না হারিয়ে ...

মুশফিক বিশ্রামে খেলবেন মুমিনুল

মুশফিক বিশ্রামে খেলবেন মুমিনুল

রুটি সেঁকতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত না আবার হাতটাই পুড়ে যায়- ...

শিক্ষার্থীরা আশাবাদী, সন্দেহ যাচ্ছে না ছাত্রনেতাদের

শিক্ষার্থীরা আশাবাদী, সন্দেহ যাচ্ছে না ছাত্রনেতাদের

সাধারণ শিক্ষার্থীরা আশাবাদী। তবে কিছুটা সন্দেহ আর সংশয়ে আছে ক্যাম্পাসে ...

স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে বাড়ছে গড় আয়ু

স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে বাড়ছে গড় আয়ু

বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ক্রমশই বাড়ছে। ১০ বছর আগে ২০০৮ ...

৩০০ আসনে প্রার্থী দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য

৩০০ আসনে প্রার্থী দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য

চলমান রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য। আওয়ামী ...

'থাহনের জাগা নাই, পড়ালেহা করব ক্যামনে'

'থাহনের জাগা নাই, পড়ালেহা করব ক্যামনে'

ভিটেমাটির সঙ্গে শিশু নাসরিন আক্তারের স্কুলটিও গেছে পদ্মার গর্ভে। তীরে ...

রোগশোক ভুলে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে ওরা

রোগশোক ভুলে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে ওরা

হাটহাজারীর কাটিরহাট থেকে ছয় কিলোমিটার ইটবিছানো রাস্তার পর প্রায় এক ...