খালেদা জিয়ার নিরাপত্তার স্বার্থেই কারাগারে আদালত: আইনমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮      

সমকাল প্রতিবেদক

বৃহস্পতিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সমকাল কার্যালয়ে আয়োজিত 'সমতলের ক্ষুদ্র জাতিসত্তা ও দলিত জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষা : প্রাতিষ্ঠানিক নীতি কাঠামোর দাবি' শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তব্য দিচ্ছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক -সমকাল

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই কারাগারে আদালত বসানো হয়েছে। এটা ক্যামেরা ট্রায়াল নয়।

তিনি বলেন, একটি কথা উঠেছে- এটা ক্যামেরা ট্রায়াল। যে প্রজ্ঞাপনটি জারি করা হয়েছে, সেখানে কারণ স্পষ্ট করে বলা আছে। ক্যামেরা ট্রায়ালের সংজ্ঞা হচ্ছে, যেখানে জনগণ বা গণমাধ্যমকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না। যেখানে শুধু বিচারক, আসামি আর প্রয়োজন হলে তার আইনজীবীকে রাখা হয়। এমনকি তার কোনো তথ্যাদি প্রকাশও করা হয় না। এমন যদি হয় তাহলে সেটা ক্যামেরা ট্রায়াল।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সমকাল কার্যালয়ে আয়োজিত 'সমতলের ক্ষুদ্র জাতিসত্তা ও দলিত জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষা : প্রাতিষ্ঠানিক নীতি কাঠামোর দাবি' শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, গত সাত মাস যাবত এই আদালত বসছে। এই সাত মাসে মামলার প্রধান আসামি আদালতে হাজিরা দিচ্ছেন না। নিরাপত্তাজনিত কারণ বা অন্য কোনো কারণে তিনি হাজিরা দিচ্ছেন না। তাই তার সুবিধার্থে নিরাপত্তা আরও সুনিশ্চিত করার জন্য সেখানে আদালত বসানো হয়েছে। এতে কারও অধিকার খর্ব করা হয়নি। নিজেদের নির্দোষ প্রমাণ করার চেষ্টা না করে বিচারকে কীভাবে বয়কট করা যায়, বিএনপির আইনজীবীরা সেই চেষ্টাই করছেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, এতে এটাই প্রমাণিত হয় যে, তারা নিজেরাই নিজেদের দোষী সাব্যস্ত করছেন। এ কারণে তারা বিচারের সম্মুখীন হতে চান না। তারা যদি নিজেদের নির্দোষ প্রমাণিত করতে পারেন, তাতে কোনো অসুবিধা নেই। বিচার সুষ্ঠু হচ্ছে এবং সুষ্ঠু হবে। ন্যায়বিচার তারা পাবেন।

তিনি বলেন, চ্যারিটেবল মামলার আসামি খালেদা জিয়া সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাহলে এটা প্রমাণিত হয় যে, এই আদালত সকলের জন্য উন্মুক্ত ছিল। যেখানে আদালত বসানো হয়েছে, সেখানে কারও প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ নয়।

নির্বাচনকালীন সরকারের ব্যাপারে আইনমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীই একমাত্র ঘোষণা দিতে পারেন কখন তিনি নির্বাচনকালীন সরকার করবেন। তিনি বলেন, নির্বাচনকালীন সরকার বলে সংবিধানে কিছু নেই, এটাও ঠিক। আবার নির্বাচনকালীন সরকার হতে পারবে না এমন কথাও কিন্তু সংবিধানে নেই। নির্বাচনকালীন সময়ে নীতিনির্ধারণ হয় না। সেই সময়ে দেশের জনগণের অর্থ যাতে নষ্ট না হয়, সেজন্য তিনি মন্ত্রিপরিষদের আকার ছোট করে আনবেন। সেটাকেই তিনি বলছেন নির্বাচনকালীন সরকার।

আরও পড়ুন

বুকে কফ জমা প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

বুকে কফ জমা প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

একটু একটু করে এগিয়ে আসছে শীত। ঋতু পরিবর্তনের এ সময়টাতে ...

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্বামী হত্যার দায়ে স্ত্রীসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্বামী হত্যার দায়ে স্ত্রীসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্বামী হত্যার দায়ে স্ত্রীসহ ৩ জনকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন ...

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা গণভবনে

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা গণভবনে

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রতাশীরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ...

আবার প্রমাণ হলো বিএনপি সন্ত্রাসী দল: ওবায়দুল কাদের

আবার প্রমাণ হলো বিএনপি সন্ত্রাসী দল: ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নয়াপল্টনে বিএনপি পরিকল্পিতভাবে ...

যেসব অভ্যাসে ওজন কমে

যেসব অভ্যাসে ওজন কমে

ওজন কমানো বেশ কঠিন। খাদ্য তালিকা পরিবর্তন কিংবা ব্যায়ামের পরেও ...

বাংলাদেশ সফরে নেই হোল্ডার

বাংলাদেশ সফরে নেই হোল্ডার

খবরটা বাংলাদেশ দলের জন্য যতটা স্বস্তির। ততটাই চিন্তার ওয়েস্ট ইন্ডিজ ...

সব প্রার্থী সমান: সিইসি

সব প্রার্থী সমান: সিইসি

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা নির্বাচন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেছেন, ...

আজ বিয়ে, ২৮ নভেম্বর রিসেপশন

আজ বিয়ে, ২৮ নভেম্বর রিসেপশন

অবসান হচ্ছে সব জল্পনাকল্পনা। ‘স্রেফ বন্ধু’ এই বাক্য থেকে রণবীর ...