রাজধানী

মুক্তিযোদ্ধা কোটায় হস্তক্ষেপ করা হবে না: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০১৮      

সমকাল প্রতিবেদক

ফাইল ছবি

চাকরিতে কোটা সংস্কার নিয়ে আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই মুক্তিযোদ্ধা কোটায় হস্তক্ষেপ করা হবে না বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। তিনি বলেছেন, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের দেওয়া রায় অনুযায়ী ৩০ ভাগ মুক্তিযোদ্ধা কোটা সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা পরিবার বা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী জনগণের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। 

বুধবার সচিবালয়ে সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা সংরক্ষণ ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এ কথা বলেন। সচিবালয়ের তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে লিখিত বক্তব্যে উচ্চ আদালতের রায়ের বরাত দিয়ে আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে মেধা কোটা থেকে পূরণ করার সুযোগ থাকলেও ৩০ শতাংশ কোটা সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তাই এই আদেশ অগ্রাহ্য করে বা পাশ কাটিয়ে বা উপেক্ষা করে ভিন্নতর কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই। এটা করা হলে তা আদালত অবমাননার শামিল হবে। এ জন্য আদালতের আদেশের এই কপি বুধবার কোট সংস্কার নিয়ে গঠিত কমিটির প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কোটার ব্যাপারে আইনগত বাধ্যবাধকতা আছে। আদালতের আদেশ বহাল থাকা পর্যন্ত এটা পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। এখন সরকার চাইলে আদালতের আদেশ রিভিউ-এর (পুনর্বিবেচনা) জন্য আবেদন করে রায় পক্ষে পেতে হবে। নয়তো মুক্তিযোদ্ধা কোটা যেমন আছে তেমনই থাকবে।

কোটা সংস্কার কমিটির কার্যক্রম প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, আমার ধারণা, কমিটি মুক্তিযোদ্ধা কোটা ঠিক রেখে অন্য যেসব কোটা আছে, তা পুনর্বিবেচনা করে মতামত দেবে। সেখানে সরকারের বিবেচনায় যা করার সেটা করা যাবে। কমিটি এ বিষয়ে সচেতনতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নেবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। 

জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী কোটা বাতিল করার ঘোষণা দেওয়ার পর এবং কমিটির কার্যক্রম শুরুর পর এ সংবাদ সম্মেলন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, কোটা সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ার পর সংশ্নিষ্টদের বিষয়টি জানাতেই এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে, যাতে এ বিষয়ে আইনগত বাধ্যবাধকতার বিষয়টি তারা জানতে পারেন। এ জন্য আদালতের আদেশের কপিও তাদের পাঠানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন কার্যক্রম বিস্তারিত তুলে ধরেন। অন্যদের মধ্যে সংবাদ সম্মেলনে প্রধান তথ্য কর্মকর্তা কামরুন নাহার, সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা সুফি আবদুল্লাহহিল মারুফ উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রণালয়ের সরবরাহ করা নথিপত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ২০১৫ সালের ৫ নভেম্বর মুক্তিযোদ্ধা কোটা সংরক্ষণ বিষয়ে আপিল বিভাগ থেকে একটি রায় দেওয়া হয়েছে। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের চার বিচারপতির বেঞ্চ এই রায় দেন।

আরও পড়ুন

ব্যাংকের শীর্ষ ১০ খেলাপির তথ্য নিচ্ছে অর্থ মন্ত্রণালয়

ব্যাংকের শীর্ষ ১০ খেলাপির তথ্য নিচ্ছে অর্থ মন্ত্রণালয়

সরকারি-বেসরকারি সব ব্যাংকের শীর্ষ ১০ জন ঋণ খেলাপির তথ্যসহ ব্যাংকগুলোর ...

কামরানের নির্বাচনী ক্যাম্পে আগুন

কামরানের নির্বাচনী ক্যাম্পে আগুন

শান্তি, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির শহর হিসেবে হযরত শাহজালাল (রহ.), হযরত ...

বোমা হামলার অডিও ফাঁস জড়িত দুই 'ভাই'

বোমা হামলার অডিও ফাঁস জড়িত দুই 'ভাই'

বিএনপির নির্বাচনী প্রচারে বোমা হামলা নিয়ে অভিযোগ পাল্টা অভিযোগের পর ...

এগিয়ে যাচ্ছে দেশ

এগিয়ে যাচ্ছে দেশ

নানা প্রতিকূলতা ও সীমাবদ্ধতা আছে, তারপরও ইন্টারনেট ব্যবহারে প্রতিদিনই এগিয়ে ...

চলন্তিকা হাতিয়ে নিয়েছে একশ' কোটি টাকা

চলন্তিকা হাতিয়ে নিয়েছে একশ' কোটি টাকা

খুলনার রূপসা উপজেলার ডোবা মায়েরাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ...

মঙ্গলের 'জোছনা'

মঙ্গলের 'জোছনা'

জোছনার সৌন্দর্য নিয়ে যুগে যুগে কত যে কবি-সাহিত্যিক সাহিত্যকর্ম রচনা ...

জার্মানিকে বিদায় বলে দিলেন ওজিল

জার্মানিকে বিদায় বলে দিলেন ওজিল

ধকলটা আর নিতে পারলেন না ওজিল। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ ...

কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর আবারও হামলা

কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর আবারও হামলা

কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা-মামলা এবং বিভিন্ন ক্যাম্পাসে ছাত্র-শিক্ষক নিপীড়নের ...