চতুরঙ্গ

কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে বলছি...

 প্রকাশ : ২৮ এপ্রিল ২০১৮      

 ইঞ্জি. এস. এম. তারিকুজ্জামান

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্থাপিত 'ফিইকাল স্লাজ ম্যানেজমেন্ট ইউনিট'

সময়টা গতবছরের অক্টোবর; কিছু বুঝে উঠতে না উঠতেই অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত কয়েক লাখ মানুষে কয়েকদিনেই জনারণ্যে পরিণত হয় কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং, বালুখালিসহ আশেপাশের পাহাড়ি জঙ্গলগুলো। কীভাবে এরা এলো, তাদের ওপর কী ধরনের নির্যাতন চলেছে বা তারা এখন কেমন আছে— গণমাধ্যমের সুবাদে সে বিষয়ে কমবেশি আমাদের জানা। কিন্তু আজ বলবো এক না জানা গল্প।

বেঁচে থাকতে হলে আমাদের খাবার খেতে হয়। এতগুলো মানুষের খাবারের যোগান দেয়া সহজ নয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, '১৬ কোটি মানুষের খাবার যেহেতেু আমরা যোগাড় করতে পারছি, অতিরিক্ত দুই-চার-পাঁচ লাখ লোককেও আমরা খাবার দিতে পারবো।' বাংলাদেশের মানুষ, বাংলাদেশ সরকার এবং পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন দেশি-বিদেশি উন্নয়ন সংস্থার সহায়তায় এক্ষেত্রে খুব বেশি বেগ পেতে হয়নি। খাবারের বন্দোবস্ত হওয়ার পর  স্বাভাবিক ও সুস্থ জীবনের জন্য এরপরই আসে নিরাপদ ল্যাট্রিনের ব্যবস্থার বিষয়টি।

প্রথমদিকে স্থানীয় ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর উদ্যোগে এবং পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে জরুরি ভিত্তিতে স্থাপিত হয় হাজার হাজার ল্যট্রিন, যেগুলোর বেশিরভাগই পাঁচ থেকে ছয় রিংয়ের। ল্যাট্রিনগুলো এত বেশি মানুষ ব্যবহার করে যে, এক সপ্তাহের মধ্যেই এক-একটা ল্যাট্রিন ভরে যায়। ফলে উপরের প্যান সরিয়ে মলগুলো মাটিচাপা দিয়ে পাশেই আবার ল্যাট্রিন করা হচ্ছে। একদিকে মিয়ানমার থেকে মানুষ আসা থেমে নেই, অন্যদিকে ল্যাট্রিন করা আর ছয়-সাতদিনের মধ্যে ভর্তি হয়ে যাওয়ায় মাটি চাপা দিয়ে নতুন জায়গা খোঁজার যুদ্ধ এমন পর্যায়ে দাঁড়াচ্ছিল যে, মনে হচ্ছিল— কিছুদিন পর পাহাড়গুলো পরিণত হবে ল্যাট্রিনের ভাগাড়ে, যেখান থেকে নানা রোগের জীবাণুর মাধ্যমে রোগব্যাধি ছড়িয়ে পড়া হবে সময়ের ব্যাপার! এ ছিল আগস্ট থেকে শুরু করে অক্টোবর পর্যন্ত, কোথাও কোথাও নভেম্বর-ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের চিত্র।

এখানে মলের কঠিন ও তরল অংশ পৃথকীকরণ এবং কঠিন অংশকে গাছের শিকড়ের সাহায্যে বিশোধন করা হয়

সেই সময়ে আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম সমস্যাটির স্থায়ী সমাধানের, যাতে বারবার পুরোনো টয়লেট বন্ধ করে দিয়ে নতুন টয়লেট বানাতে না হয়। এখানে কোনো সুয়ারেজ সিস্টেম নেই যে আপনার-আমার বাড়ির মত সেফটিক ট্যাঙ্কি বা টয়লেটের মল পরিষ্কারকর্মীদের দিয়ে খালি করে সেখানে ফেলবে। আর সুয়ারেজ সিস্টেমে মল ফেলাও যে পরিবেশের জন্য বিশাল এক হুমকি, সে কথা না হয় আর একদিন বলব। সে যাই হোক, স্থায়ী সমাধানের কথা চিন্তা করতে গিয়ে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত নানা রকম প্রযুক্তির কথা মাথায় আসে। কিন্তু সমস্যা একটাই— কুতুপালং উখিয়া ক্যাম্প বা অন্যান্য শরণার্থী ক্যাম্পগুলোর অবস্থা আর ১০টা সাধারণ অঞ্চলের মত না। এখানে জায়গার স¦ল্পতা আছে, নেই রাস্তাঘাট, উঁচু উঁচু পাহাড়গুলো বসবাস উপযোগী করতে কেটে ফেলা হয়েছে সমস্ত গাছপালা। তার ওপরে আছে নানা রকম সরকারি নিষেধাজ্ঞা। যেখানে আমাদের রাজধানী ঢাকাতেই সুষ্ঠু পয়নিষ্কাশন ব্যবস্থা নেই সেখানে শরণার্থী ক্যাম্পের মত জায়গায় সেটা করা কতোটা দুরূহ তা সহজেই অনুমেয়। ঢাকা শহরে মনুষ্যবর্জ্য স্ট্রম সুয়ার লাইন ও খাল হয়ে নদীতে পড়ছে। খাল নদী দূষিত হলেও লোকালয় ও মানুষের সংস্পর্শের বাইরে চলে যাচ্ছে। কিন্তু শরণার্থী ক্যাম্পগুলোতে সেই সুযোগও নেই। তাই 'কনটেক্সট স্পেসিফিক' এবং সহজে পরিচালনযোগ্য নিরাপদ মনুষ্যবর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য আমরা একটা মডেল দাঁড় করালাম। ততোদিনে হাজার হাজার ল্যাটিন ভর্তি হয়ে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে গেছে। আমাদের হাতে সময় ছিল না। প্রাথমিকভাবে আমরা এখানে মল ব্যবস্থাপনার জন্য ২০টি ইউনিট বানালাম, যেগুলোর মাধ্যমে গাছের শিকড়ের সহায়তায় পুরোপুরি প্রাকৃতিকভাবে মনুষ্যবর্জ্যের নিরাপদ বন্দোবস্ত করা হবে। এর প্রতিটি ইউনিট একসঙ্গে ১৫০টির বেশি ল্যাট্রিনকে নিয়মিত খালি করে ব্যবহার উপযোগী রাখতে পারবে। অর্থাৎ ২০টি ইউনিটের মাধ্যমে তিন হাজার ল্যাট্রিন এবং প্রকারান্তে দেড় লাখ মানুষকে সেবা দেয়া সম্ভব। মনুষ্যবর্জ্য ব্যবস্থাপনার এই পদ্ধতিটি পুরোপুরি নতুন এবং শুধু মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পের জন্যই বিশেষভাবে নকশা করা, যাতে সহজেই বসবাসকারী শরণার্থীদের দিয়েই এটি চালানো যায় এবং নিরাপদ ও রোগবালাইমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত হয়। এই অসাধারণ ইউনিটগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত বলার আগে মনুষ্যবর্জ্য ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রাথমিক একটা ধারণা দিয়ে রাখি। 

আসন্ন বর্ষাকালের কথা মাথায় রেখে বানানো 'ফিইকাল স্লাজ ম্যানেজমেন্ট ইউনিট'

ইংরেজিতে বলা হয় 'ফিইকাল স্লাজ ম্যানেজমেন্ট' আর বাংলায় একে মনুষ্যবর্জ্যের নিরাপদ বন্দোবস্ত বলতে পারি। মল বা মনুষ্যবর্জ্যকে সুয়ারেজ লাইনে, সেফটিক ট্যাঙ্কি থেকে পরিষ্কার করে যেখানে সেখানে না ফেলে বা সরাসরি মাটি চাপা না দিয়ে, সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সেগুলোকে সংগ্রহ করে কোনো এক জায়গায় বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্যে তরল ও কঠিন অংশ পৃথক করে এবং ক্ষতিকর জীবাণুমুক্ত করে পরিবেশে অবমুক্ত করা বা পুনরায় ব্যবহার (জৈব সার বা সয়েল কন্ডিশনার হিসেবে) করার পদ্ধতিই ফিইকাল স্লাজ ম্যানেজমেন্ট। অনেকক্ষেত্রে ব্যবস্থাপনার সময় এখান থেকে গ্যাসও উৎপাদন করা হয়। সংরক্ষণ, সংগ্রহ, পরিবহন, ব্যবস্থাপনা ও নিরাপদ বন্দোবস্তসহ প্রতিটি ধাপে সতর্কতার সঙ্গে কাজগুলো করা হয়, যাতে এখান থেকে কোনো রোগের সংক্রমণ ঘটতে না পারে।

ফিরে আসি মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত মানুষগুলোর শিবিরে। সেখানে স্থান, কাল ও চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতেই আমাদের এমন একটা পদ্ধতি নকশা করতে হয়েছিল যার ব্যবহার দ্রুততম সময়ে শুরু করা যায় এবং খুব অল্প খরচ ও রক্ষণাবেক্ষণে অনেক বেশি মানুষকে সেবা দেয়া যায়। প্রতিটি 'ফিইকাল স্লাজ ম্যানেজমেন্ট ইউনিট'- 'ট্রান্সফার স্টেশন' (ল্যাট্রিনগুলো থেকে যেখানে মল জমা হয়) ও 'স্লাজ ম্যানেজমেন্ট ইউনিট' (যেখানে মলের তরল ও কঠিন অংশ পৃথকীকরণ, জীবাণুমুক্ত ও বিশোধন করা হয়) নামে দু'টি ভাগে বিভক্ত। ট্রান্সফার স্টেশনটি সাধারণত পাহাড়ের ওপরের দিকে এবং স্লাজ ম্যানেজমেন্ট ইউনিটটি পাহাড়ের নিচের দিকে অবস্থিত, যাতে করে কোনো রকম মোটরের সাহায্য বা পরিবহনের ঝামেলা ছাড়াই সরাসরি পাইপের মাধ্যমে ট্রান্সফার স্টেশন থেকে মল স্লাজ ম্যানেজমেন্ট ইউনিটে চলে যায়। স্লাজ ম্যানেজমেন্ট ইউনিট আবার দুই ভাগে বিভক্ত, যার প্রথম অংশে মলের কঠিন ও তরল অংশ পৃথকীকরণ এবং কঠিন অংশকে গাছের শিকড়ের সাহায্যে বিশোধন করা হয়। আর দ্বিতীয় অংশটি বালুর মাধ্যমে তরল অংশকে ফিল্টার করে এবং পরিশোধিত তরল অংশ পরিবেশে অবমুক্ত করার আগে পরিমিত পরিমাণ ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করে ক্ষতিকর জীবাণুমুক্তি নিশ্চিত করা হয়।
কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্থাপিত 'ফিইকাল স্লাজ ম্যানেজমেন্ট ইউনিট' পরিদর্শন করে বিদেশি একটি প্রতিনিধিদল

মূল কাজটি হয় স্লাজ ম্যানেজমেন্ট ইউনিটের প্রথম অংশে। এখানে থাকা গাছের (সাধারণত লিলি, কলাবতী এই জাতীয়) শিকড়ে থাকা বিশেষ ধরনের ব্যকটেরিয়ার মাধ্যমে মলকে পুনরায় মাটিতে পরিণত করা হয়। অক্সিজেনের উপস্থিতিতে (অ্যারোবিক কন্ডিশনে) এরা মলের উপাদানগুলোকে আলাদা করে ফেলে এবং একটি অংশ খাবার হিসেবে গ্রহণ করে নিজেদের বংশবৃদ্ধি করে। পাশাপাশি রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুও (প্যাথোজেন) ধ্বংস করে। পুরোপুরি প্রাকৃতিক হওয়ায় এখানে কোনো রাসায়নিক পদার্থ যোগ করার প্রয়োজন নেই। গাছ যত বড় হবে শিকড়ে পরিশোধনকারী বিশেষ ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যাও তত বাড়বে এবং পরিশোধনও তত ভালো হবে। যেহেতু গাছের শিকড়ে থাকা ব্যাকটেরিয়াগুলোর বেঁচে থাকার জন্য অক্সিজেনের প্রয়োজন, তাই অক্সিজেন সরবরাহের জন্য স্লাজ ম্যানেজমেন্ট ইউনিটের প্রথম অংশে ব্যবহার করা হয়েছে ছিদ্রযুক্ত পাইপ। তরল অংশ যাতে অপরিশোধিত অবস্থায় মাটির গভীরে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য পুরো স্লাজ ম্যানেজমেন্ট ইউনিটজুড়ে শুরুতেই বিশেষ ধরনের মাটির আস্তর দেয়া হয়েছে। যেহেতু পুরো প্রক্রিয়াটিই প্রাকৃতিক, তাই এটি পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কোনো বিশেষজ্ঞ বা টেকনিশিয়ানের প্রয়োজন নেই। ২০টি ইউনিট পরিচালনার জন্য স্থানীয় ১০ জন রোহিঙ্গাকে ট্রেনিং দেয়া হয়েছে, যারা পুরো জিনিসগুলো এখন নিজেরাই পরিচালনা করে। কোনো টয়লেট ভর্তি হয়ে গেলে স্থানীয় 'মাঝি' (কয়েকঘর রোহিঙ্গার নেতৃত্বে থাকা একজনকে 'মাঝি' ডাকা হয়) ট্রেনিংপ্রাপ্ত পরিষ্কারকর্মীকে ফোন করে জানায়। পরিষ্কারকর্মীরা বিশেষ প্রক্রিয়ায় ফিটকিরি ব্যবহার করে, যার ফলে বেশিরভাগ কঠিন অংশ ল্যাট্রিনের নিচের দিকে জমা পড়ে এবং তরল অংশ ওপরে উঠে আসে। এরপর একটি মোটরের সাহায্যে অর্ধেকের মত (যার বেশিরভাগই তরল) অংশ ট্রান্সফার স্টেশনে নেয়া হয়। এতে করে অনেকগুলো সুবিধা পাওয়া যায়, যেমন— সম্পূর্ণ ল্যাট্রিন খালি করলে যে পরিমাণ মল পরিশোধন করে একটি টয়লেটকে ব্যবহার উপযোগী করা যায় অর্ধেক খালি করলে সমপরিমাণ মল পরিশোধন করে দুইটি টয়লেটকে ব্যবহার উপযোগী করা যায়। অর্থাৎ একই পরিমাণ মল পরিশোধন করে দ্বিগুণ পরিমাণ মানুষকে সুবিধা দেয়া যায়। এছাড়াও অর্ধেক নিলে বেশিরভাগ তরল অংশ উঠে আসে যাতে করে স্লাজ ম্যানেজমেন্ট ইউনিটে অনেক বেশি পরিমাণ পরিশোধন সম্ভব হয়। সে যাই হোক, একবার মোটর দিয়ে মল ট্রান্সফার স্টেশনে নিয়ে আসলে তা নিচের দিকে থাকা স্লাজ ম্যানেজমেন্ট ইউনিটে পাইপের মাধ্যমে সরাসরি চলে যায়। তারপর বাকিটা প্রাকৃতিকভাবে পরিশোধন হয় বলে শুধুমাত্র গাছগুলোর যত্ন নেয়া আর অক্সিজেনের যোগান বাড়ানোর জন্য সপ্তাহে একবার প্রথম ইউনিটে (যেখানে ট্রান্সফার স্টেশন থেকে মল আসে) থাকা পাথরের অংশ আচড়ে এলোমেলো করে দেয়া ছাড়া পরিচ্ছন্নকর্মীদের কোনো কাজ থাকে না।

এখন পর্যন্ত ২০টি ইউনিটের মাধ্যমে সাড়ে আট লাখ লিটার মল পরিশোধন করা হয়েছে এবং প্রায় দুই হাজার দুইশ'র বেশি ল্যাট্রিন ব্যবহার উপযোগী রাখা হয়েছে। তৈরি করা হচ্ছে আরও নতুন সাতটি ইউনিট। বৃষ্টির সময় পাহাড় ধসে যাতে ইউনিটগুলো ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেজন্যও নেয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। এখন পর্যন্ত ধারণা করা হচ্ছে, প্রতিটি ইউনিট আগামী তিন বছরে প্রায় সাড়ে তিন লাখ লিটার অর্থাৎ ২৭টি ইউনিট মিলে প্রায় এক কোটি লিটার মলের নিরাপদ বন্দোবস্ত করতে সফল হবে। ইউনিটগুলোর সফলতা দেখে কারিগরি সহায়তা নিয়ে বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থা তাদের অংশগুলোতে বাস্তবায়ন করছে একই মডেল। তবুও চাহিদার চেয়ে আমরা এখনও পিছিয়ে। এ জন্য এগিয়ে আসতে হবে সবাইকে। একবার কোনো রোগ এখানে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়লে কী হবে এখানে তা আমরা ভাবতেও চাই না। আশা করি, তার আগেই চাহিদা অনুযায়ী আমরা সবাই মিলে 'স্লাজ ম্যানেজমেন্ট ইউনিট' স্থাপনে সক্ষম হব। আশা করি, দ্রুতই মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত শরণার্থীরা আবার ফিরে পাবে তাদের আবাস।


লেখক: প্রোগ্রাম অফিসার-ইঞ্জিনিয়ার ওয়াটার এইড, বাংলাদেশ



নাগরিকপঞ্জি বোঝাতে চায় বাংলাভাষী মানেই অনুপ্রবেশকারী!‌

 সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

আসামে নাগরিক বাছাইয়ের নামে যে কাজটি সরকারের নেতৃত্বে চলছে, সেটি ...

০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮

বঙ্গবন্ধুর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে

 অজয় দাশগুপ্ত

১৫ আগস্ট, ১৯৭৬। আমরা দৃঢ়সংকল্প ছিলাম— বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ...

১৫ আগস্ট ২০১৮

প্রিয় সারওয়ার ভাই, এই ঘুম আপনার পাওনা!

  অজয় দাশগুপ্ত

প্রিয় সারওয়ার ভাই, পাঁচ দশকেরও বেশি সময়ে সাংবাদিকতা জীবনে কত ...

১৪ আগস্ট ২০১৮

অভিশাপ

 সুমন্ত আসলাম

রোববার দুপুর ১টা ৫৮ মিনিট।বনলতা সুইটসের সামনে এসে গাড়িটা থামতেই একগাদা ...

৩০ জুলাই ২০১৮