চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামে বিএনপি অফিসে ছাত্রদলের ভাংচুর

প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮      

চট্টগ্রাম ব্যুরো

কমিটি নিয়ে বিরোধের জেরে বুধবার বিএনপি কার্যালয়ে ভাংচুর চালায় ছাত্রদলের পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা- সমকাল

চট্টগ্রামে বিএনপি কার্যালয়ে ভাংচুর চালিয়েছে ছাত্রদল। কমিটি নিয়ে বিরোধের জেরে বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর নিউ মার্কেট সংলগ্ন দোস্ত বিল্ডিংয়ে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির কার্যালয়ে ভাংচুর চালায় ছাত্রদলের পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা। বিএনপি কার্যালয়টি দক্ষিণ ছাত্রদলও তাদের দলীয় কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করে। ভাংচুরের পর জেলা বিএনপির সভাপতি জাফরুল ইসলাম চৌধুরীসহ সিনিয়র নেতারা দলীয় কার্যালয় পরিদর্শন করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। 

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে এদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কেন্দ্রঘোষিত প্রতীকী অনশন কর্মসূচি ছিল। চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি নেতাকর্মীরা নগরীর চাক্তাইয়ের শাহ আমানত সেতুর কাছে অনশন কর্মসূচি পালন করছিলেন। এতে বিএনপি ছাড়াও ছাত্রদল, যুবদলসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। কর্মসূচির জায়গা থেকে দলীয় কার্যালয়ের দূরত্ব দুই কিলোমিটার। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে একদল যুবক দলীয় কার্যালয়ে যায়। তারা কার্যালয়ের তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে চেয়ার-টেবিল ভাংচুর করে। কিছু সময় পর তারা দলীয় কার্যালয় ত্যাগ করে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাফরুল ইসলাম চৌধুরী সমকালকে বলেন, 'যখন অপ্রীতিকর ঘটনাটি ঘটে, তখন আমরা দলীয় কার্যালয়ে ছিলাম না। খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে চাক্তাই এলাকায় মান্নান ভবনের পাশে প্রতীকী অনশন কর্মসূচিতে ছিলাম। তবে বিএনপি কার্যালয়ে ভাংচুরের ঘটনায় যারাই জড়িত থাকুক না কেন, তারা দুস্কৃতকারী।'

দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শহীদুল আলম বলেন, 'খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে নেতাকর্মীরা যখন প্রতীকী অনশনে ছিলেন, তখন দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক জসিম উদ্দিন, দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি থেকে অব্যাহতি পাওয়া সিনিয়র সহসভাপতি ইকবাল হায়দার ও পটিয়া থানা ছাত্রদল সভাপতি জমির উদ্দিন মানিকের নেতৃত্বে একদল দুস্কতকারী-সন্ত্রাসী বিএনপি কার্যালয়ে ভাংচুর চালায়। তারা কখনও কোনো আন্দোলন-সংগ্রামে ছিল না। কর্মসূচি চলাকালে বিএনপি কার্যালয়ে ভাংচুরের মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে, তারা সরকারের এজেন্ট।'

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পটিয়া থানা ছাত্রদলের সভাপতি জমির উদ্দিন মানিক। তিনি জানান, ভাংচুরের সময় তারা দলের প্রতীকী অনশনে ছিলেন। এ ধরনের কোনো ঘটনার সঙ্গে তারা জড়িত নন। প্রতীকী অনশনে থাকার ছবি ও ভিডিও তাদের কাছে আছে। 

এ ব্যাপারে কোতোয়ালি থানার ওসি মহসিন জানান, তারা এ ধরনের কোনো ঘটনার খবর পাননি। কেউ তাদের কাছে অভিযোগও করেননি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে চট্টগ্রামে প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালন করেছে মহানগর বিএনপিও। বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত নগরীর কাজীর দেউড়িসংলগ্ন নাসিমন ভবনের দলীয় কার্যালয়ের সামনে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনগুলোর বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। 

প্রতীকী অনশনে বক্তব্য দেন নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাৎ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, সিনিয়র সহসভাপতি আবু সুফিয়ান প্রমুখ। 

আরও পড়ুন

তপ্ত মরুতে 'জল ঢালল' ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ

তপ্ত মরুতে 'জল ঢালল' ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ

‘সামনের ম্যাচে দেখা হবে। এই আসরে। একই মাঠে।’ পাকিস্তানের কোন ...

সড়ক দুর্ঘটনায় সর্বোচ্চ সাজা ৫ বছর

সড়ক দুর্ঘটনায় সর্বোচ্চ সাজা ৫ বছর

বেপরোয়া মোটরযানের কবলে পড়ে দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের সাজার ...

বাংলাদেশ দলে কয় পরিবর্তন?

বাংলাদেশ দলে কয় পরিবর্তন?

আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য নিয়ম রক্ষার। শ্রীলংকাকে বড় ব্যবধানে ...

অস্ত্র নিয়ে চট্টগ্রামে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মহড়া

অস্ত্র নিয়ে চট্টগ্রামে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মহড়া

চট্টগ্রাম কলেজে ছাত্রলীগের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়া ...

সরকারি অর্থে বিদেশ ভ্রমণে বিমানের ফ্লাইট বাধ্যতামূলক

সরকারি অর্থে বিদেশ ভ্রমণে বিমানের ফ্লাইট বাধ্যতামূলক

সরকারি অর্থে বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট ব্যবহার ...

খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে নির্বাচনী পরিবেশ তৈরি করুন: ফখরুল

খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে নির্বাচনী পরিবেশ তৈরি করুন: ফখরুল

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে নির্বাচনের পরিবেশ তৈরির আহ্বান ...

'কলকাতা আর ঢাকায় কাজে কোন ফারাক দেখি না'

'কলকাতা আর ঢাকায় কাজে কোন ফারাক দেখি না'

টালিউড ও বলিউডে সমানতালে কাজ করছেন অভিনেতা ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত। বাংলাদেশেও রয়েছে ...

ডিজিটাল নিরাপত্তা বিল পাস

ডিজিটাল নিরাপত্তা বিল পাস

সাইবার তথা ডিজিটাল অপরাধের কবল থেকে রাষ্ট্র এবং জনগণের জান-মাল ...