মন্তব্য

'ইংরেজি ও গণিত নিয়ে আলাদা পরিকল্পনা দরকার'

 প্রকাশ : ০৭ মে ২০১৮ | আপডেট : ০৭ মে ২০১৮      

 অনলাইন ডেস্ক

সৈয়দ আনোয়ার হোসেন

মাধ্যমিক পর্যায়ে ৯ বছরের মধ্যে এবারই সবচেয়ে কম শিক্ষার্থী পাস করেছে। ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ইংরেজি ও গণিতে তুলনামূলক বেশি খারাপ করেছে পরীক্ষার্থীরা। কেউ কেউ মনে করেন, শহরের তুলনায় গ্রাম পর্যায়ে যোগ্য শিক্ষকের সংকট রয়েছে। এবারে এসএসসিতে কম পাস করার সেটিও একটি কারণ। সার্বিকভাবে এবারের এসএসসির ফল নিয়ে সমকাল অনলাইনের সঙ্গে কথা বলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ও শিক্ষাবিদ সৈয়দ আনোয়ার হোসেন

আসলে প্রতি বছর পাশের হার এত বেশি থাকে যে, এবারের ফল দেখে মনে হচ্ছে পাশের হার কম। কিন্তু সার্বিকভাবে আমার মনে হয়, ফল ভালোই হয়েছে। তবে ইংরেজি ও গণিতে শিক্ষার্থীরা খারাপ করার কিছু কারণ আছে। প্রথম সমস্যা হলো, স্কুল পর্যায়ে আমরা সেরকম মানসস্মত শিক্ষক পাচ্ছি না। দ্বিতীয়ত, শিক্ষকরা সেভাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তও নন। এ কারণে তারা শিক্ষার্থীদের যোগ্য করে তুলতে পারছেন না। ইংরেজি ও গণিতে যেহেতু শিক্ষার্থীরা খারাপ করছে তাই এ ব্যাপারে সরকারের আলাদা পরিকল্পনা দরকার। এ দুটি বিষয়ে শিক্ষকদেরও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। তবে ইংরেজি, গণিতের সঙ্গে বিজ্ঞান যুক্ত করা দরকার। কারণ শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্ক করে তোলার প্রয়োজন রয়েছে।

গ্রাম ও শহরের শিক্ষার মধ্যে বৈষম্য তৈরির একটি বিষয় রয়েছে। এর অন্যতম কারণ হলো, বেশিরভাগ শিক্ষক গ্রামে থাকতে চান না। ফলে গ্রামের শিক্ষার্থীরা ভালো পাঠদান থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তবে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শহরেও কিন্তু নেই! শহরেও স্কুল শেষে ছাত্রছাত্রীরা ছোটে কোচিংয়ের দিকে। প্রায়ই বলা হয়, প্রাইভেট, কোচিং বন্ধ করে দেওয়া হবে। হয়তো সরকারি উদ্যোগে সাময়িক কোচিং বন্ধ হয়; কিন্তু আবার তা চালু হয় কিছুদিন পর। এ ব্যাপারে সরকারকেই আরও কঠোর উদ্যোগ নিতে হবে। শিক্ষকরা পড়াবেন শ্রেণি কক্ষেই। যেসব শিক্ষার্থী ক্লাসে দুর্বল তাদের জন্য আলাদা ক্লাসের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। সেজন্য শিক্ষকরা সম্মানিও নিতে পারেন। কিন্তু শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে কোচিং ব্যবসা মোটেও সমর্থনযোগ্য নয়।

গ্রামে শিক্ষকরা থাকতে না চাওয়ার অন্যতম কারণ হলো, বেতন ব্যবস্থা ও সুযোগ সুবিধার অভাব। কিছু শিক্ষক হয়তো আদর্শের কারণে গ্রামে শিক্ষকতা করাকে বেছে নেন। কিন্তু তাদেরও তো পরিবার পরিজন আছে। তাদের অবস্থাটাও বিবেচনা করা দরকার। ভারতের পশ্চিমবঙ্গে কোনো শিক্ষক যদি পিএইচডি ডিগ্রীধারী হন এবং তিনি গ্রামে শিক্ষকতা করতে চান তাহলে যোগ্যতা অনুযায়ী তার বেতনভাতা নির্ধারণ হয়। আমাদের দেশেও এমন ব্যবস্থা চালু করা গেলে গ্রামীণ শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চয় আরও উন্নত হতো।  



তফসিল পেছানোর দাবি ইসির মানা উচিত: বদিউল আলম

 অনলাইন ডেস্ক

নির্বাচন কমিশন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এক সপ্তাহ পেছানোর ঘোষণা ...

১৩ নভেম্বর ২০১৮

আইন করে ফেলে রাখলে সূচকে অগ্রগতি হবে না: ড. জাহিদ হোসেন

 অনলাইন ডেস্ক

কোনো দেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের নিয়ম-কানুন ও তার বাস্তবায়ন কতটুকু সহজ বা ...

০৫ নভেম্বর ২০১৮

চিঠি দেব না, ডাকলে সংলাপে যাব: সেলিম

 অনলাইন ডেস্ক

একাদশ সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও সুষ্ঠু করতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় ...

৩১ অক্টোবর ২০১৮

'এমন অযৌক্তিক ধর্মঘটের ওপর সরকারের কী কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই'

 অনলাইন ডেস্ক

সম্প্রতি পাস হওয়া সড়ক পরিবহন আইন সংশোধনসহ আট দফা দাবিতে ...

২৯ অক্টোবর ২০১৮