খুলনা

শতবর্ষী গাছগুলো রেখেই অক্টোবরে শুরু হচ্ছে যশোর রোডের উন্নয়ন

প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮     আপডেট: ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮      

যশোর অফিস

যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের দুই পাশে গাছের সারি- ফাইল ছবি

দুই পাশের ‘শতবর্ষী’ গাছগুলো না কেটেই অক্টোবর মাসের শেষের দিকে শুরু হচ্ছে যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের পুননির্মাণ কাজ। দুই লেনের এ মহাসড়কের কাজ শুরুর প্রায় সব প্রক্রিয়া এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত এই মহাসড়ক এক সময় যশোর রোড নামে পরিচিত ছিল। এই সড়ক ধরেই ভারতে যান হাজার হাজার বাংলাদেশি শরণার্থী। এ সড়কে শরণার্থীদের ঢল নিয়ে ‘সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড’ কবিতা লিখেছিলেন মার্কিন কবি অ্যালান গিন্সবার্গ।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের যশোরের নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম মোয়াজ্জেম হোসেন সমকালকে জানান, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি রক্ষায় এ মহাসড়কের পাশের প্রাচীন গাছ রেখেই উন্নয়ন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

তিনি আরো জানান, যশোর শহরের দড়াটানা থেকে বেনাপোল বন্দরের বাংলাদেশ অংশের নো-ম্যান্স ল্যান্ড পর্যন্ত ৩৮ কিলোমিটারের এ মহাসড়কটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে তিন শ’ ২৮ কোটি টাকা। দুটি প্যাকেজের মাধ্যমে কাজ চলবে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্র জানায়, ইতিমধ্যে এ মহাসড়কের পুননির্মাণ কাজের দরপত্রপ্রাপ্তির পর তা মূল্যায়নের জন্যে ক্রয় কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। এবার অনুমোদন পেলেই কাজ শুরু হবে। এ প্রক্রিয়া শেষ হয়ে কাজ শুরু হতে অক্টোবরের প্রায় শেষ সময় পর্যন্ত লেগে যাবে। ২০১৯ সালের শেষে এ মহাসড়কের পুননির্মাণ কাজ শেষ হবে বলে আশা করছে সড়ক বিভাগ।

উল্লেখ্য, গত বছরের মাঝামাঝি দেশের গুরত্বপূর্ণ এ মহাসড়কটি পুননির্মাণের কাজ শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সড়ক পাশের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত শতবর্ষী গাছগুলো কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত হওয়ায় এ নিয়ে আন্দোলন হয়। এক সময় তা আদালত পর্যন্ত গড়ায়। ফলে পেরিয়ে যায় অনেক সময়। অবশেষে গাছ রেখেই সড়ক উন্নয়নের সিদ্ধান্ত হয়। তারপর এ নিয়ে দরপত্র আহ্বান করা হয়।

সড়ক বিভাগ জানায়, দুই লেনের এ মহাসড়কের প্রস্থ হবে সর্বোচ্চ ৩৪ ফুট। গাছ থাকার কারণে কোথাও কোথাও তা কমবে। সাড়ে চার থেকে পাঁচ ফুট গর্ত করে তা প্রথমে বালি এবং পরে বালি ও খোয়া, পাথর-বালি ও তারপর বিটুমিনাস সারফেস হবে। বিটুমিনাস সারফেসের পুরত্ব হবে ১২০ মিলিমিটার বা প্রায় ৫ ইঞ্চি।

জয়ের পথ এগিয়ে রাখল স্পিনাররা

জয়ের পথ এগিয়ে রাখল স্পিনাররা

মনে একটু ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। দুই ওপেনার হ্যামিলটন মাসাকাদজা ...

বুকে কফ জমা প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

বুকে কফ জমা প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

একটু একটু করে এগিয়ে আসছে শীত। ঋতু পরিবর্তনের এ সময়টাতে ...

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্বামী হত্যার দায়ে স্ত্রীসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্বামী হত্যার দায়ে স্ত্রীসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্বামী হত্যার দায়ে স্ত্রীসহ ৩ জনকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন ...

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা গণভবনে

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা গণভবনে

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রতাশীরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ...

আবার প্রমাণ হলো বিএনপি সন্ত্রাসী দল: ওবায়দুল কাদের

আবার প্রমাণ হলো বিএনপি সন্ত্রাসী দল: ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নয়াপল্টনে বিএনপি পরিকল্পিতভাবে ...

যেসব অভ্যাসে ওজন কমে

যেসব অভ্যাসে ওজন কমে

ওজন কমানো বেশ কঠিন। খাদ্য তালিকা পরিবর্তন কিংবা ব্যায়ামের পরেও ...

বাংলাদেশ সফরে নেই হোল্ডার

বাংলাদেশ সফরে নেই হোল্ডার

খবরটা বাংলাদেশ দলের জন্য যতটা স্বস্তির। ততটাই চিন্তার ওয়েস্ট ইন্ডিজ ...

সব প্রার্থী সমান: সিইসি

সব প্রার্থী সমান: সিইসি

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা নির্বাচন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেছেন, ...