রাজনীতি

বিশেষ লেখা

যখন আওয়ামী লীগ জেতে কিংবা হারে

প্রকাশ: ১২ জানুয়ারি ২০১৮     আপডেট: ১২ জানুয়ারি ২০১৮      

ড. এম এম আকাশ

২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি শেখ হাসিনা টানা দ্বিতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছিল এক সপ্তাহ আগে, ৫ জানুয়ারি। তবে একটি মত হচ্ছে, এ নির্বাচন যেহেতু অর্ধেকের বেশি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন ও ভোটারবিহীন, অতএব গ্রহণযোগ্য নয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাৎক্ষণিক উত্তরে বলেছিলেন, নির্বাচনের আয়োজন করা না হলে সাংবিধানিক শূন্যতার সৃষ্টি হতো; বিরোধী দল না এলে আমি কী করতে পারি ইত্যাদি।। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দ্রুত কিংবা আরও স্পষ্ট করে বলা যায়, নির্ধারিত সময়ের আগেই আয়োজন হতে পারে। তবে অস্পষ্ট শর্ত জুড়েছিলেন এভাবে- বিএনপি-জামায়াতে ইসলামী ও তাদের মিত্রদের সহিংস রাজনীতি ছাড়তে হবে। লক্ষণীয়, নতুন নির্বাচন আর হয়নি।

পরে দেখা গেল, যত হুঙ্কারই বিএনপি দিক না কেন, প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে এমনকি বিএনপিও শেখ হাসিনার সরকারকে বৈধ সরকার হিসেবে মেনে নিয়েই গত চার বছর তাদের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে এসেছে। উন্নত ও উন্নয়নশীল বিশ্ব এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর তরফেও সরকারের সঙ্গে একযোগে কাজ চালাতে তেমন আপত্তি দেখা গেল না। ইতিমধ্যে অবশ্য ২০১৫ সালের শুরুর দিকে তারা ফের রাজপথের আন্দোলনে শেখ হাসিনার সরকারকে ফেলে দেওয়ার একটা চেষ্টা করে। তবে তাতে সফলতা আসেনি। অবরোধ-হরতাল টানা তিন মাস চলে। সহিংসতা ছিল রাজধানী ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন স্থানে। শতাধিক মানুষের প্রাণ যায়। কিন্তু এই সর্বোচ্চ চেষ্টার পরও সরকার টিকে থাকে।

৫ জানুয়ারির নির্বাচন সম্পর্কে রাজনৈতিক মহল এবং সাধারণ মহলে এমন ধারণা রয়েছে যে, বিএনপি এ নির্বাচনে অংশ না নিয়ে ভুল করেছে। কেউ কেউ ভুলকে গুরুতর বলেও মনে করেন। তারা নির্বাচন বর্জন ও প্রতিহতের সিদ্ধান্তকে স্রেফ বোকামি বলেও অভিহিত করেন। এ ধারণাও রয়েছে, বিএনপি যদি নির্বাচনে অংশ নিয়ে সন্ত্রাস-অর্থের কাছে পরাজিত হতো, তাহলেও জনগণের কাছে নির্বাচন বাতিলের ইস্যু নিয়ে আন্দোলন করার সুযোগ পেত। এ ধরনের পদক্ষেপ বরং অধিকতর ফলপ্রসূ হতো। কিন্তু এখন বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বক্তব্য থেকে ধারণা করা যায়, তারা ২০১৪ সালের তুলনায় অনেক নিম্নতম শর্তে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে রাজি হচ্ছে। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম তো সম্প্রতি এক আলোচনায় সরকারের সঙ্গে নিঃশর্ত সংলাপের প্রস্তাব দিয়েছেন। এটা এক ধরনের রাজনৈতিক পরাজয় বা কৌশলগত জবঃৎবধঃ. কিন্তু বাস্তবে বিএনপি এখন উপায়ান্তরহীন। নির্বাচনে তাকে যেতেই হচ্ছে। অন্যথায় নির্বাচনের সময় দলটির ঐক্য টিকিয়ে রাখাই কঠিন হয়ে যাবে।

কিন্তু আওয়ামী লীগ যদি মনে করে থাকে, তারা বিরোধী দলহীন কিংবা অনুগত বিরোধী দল নিয়ে পরবর্তী ৫ বছরও রাজত্ব্ব করবে, তাহলে পরিণতিতে তাদের জন্যই এটা ক্ষতিকর হওয়ার আশঙ্কা বেশি। আমরা বিগত চার বছরের রাজনৈতিক দৃশ্যপট থেকে লক্ষ্য করি, বিরোধী দলকে সম্পূর্ণ দমন ও উইনার টেকস অল রাজনীতির পরিণতিতে আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরেই দ্বন্দ্ব, বিভেদ ও অনৈক্য বৃদ্ধি পেয়েছে। উপরন্তু, সরকারের অন্যায্য কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ-প্রতিরোধ না থাকায় দুর্নীতি-স্বজনপ্রীতি-লুটপাট বেড়েছে। আওয়ামী লীগ এটা বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে যে, শক্তিশালী বিরোধী দল সুশাসন কায়েমের জন্য অপরিহার্য শর্ত। কেউ যুক্তি দিতে পারে, চীনে বিরোধী দল নেই, বরং কমিউনিস্ট পার্টি এককভাবেই প্রায় সাত দশক ধরে ক্ষমতাসীন থেকেও সুশাসন বজায় রাখতে পেরেছে। সেটা কীভাবে সম্ভব হচ্ছে? কেউ কেউ মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়ার উদাহরণ টানেন। ওই সব দেশে বেনোভোলেন্ট একনায়করা দীর্ঘকাল ক্ষমতায় ছিলেন। আবার আর্থ-সামাজিক উন্নম্নয়নও ঘটেছে। ধারণা করি, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বের মধ্যে এ ধরনের প্রচ্ছন্নম্ন স্বপ্নম্ন লুক্কায়িত। কিন্তু এখন দেশের পরিস্থিতি ও ৫৬ হাজার বর্গমাইলে ১৬ কোটি মানুষের দেশ বাংলাদেশের পরিস্থিতি এক রকম নয়।

আমরা জানি, এই আওয়ামী লীগ ১৯৪৯ সালে গণতন্ত্র কায়েমের লক্ষ্য সামনে রেখে পাকিস্তানে প্রথম শক্তিশালী বিরোধী দল হিসেবে যাত্রা শুরু করেছিল। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বকে বুঝতে হবে যে হার্ড স্টেট (শক্ত রাষ্ট্র) বা ইল-লিবারেল ডেমোক্রেসির প্যারাডাইম তাদের প্যারাডাইম নয়। এ প্যারাডাইম তখনই কার্যকর হয় যখন দলের ভেতরে গণতান্ত্রিক কেন্দ্রিকতাভিত্তিক সুশৃঙ্খল গণতন্ত্রের চর্চা হয়। শুধু কেন্দ্রিকতা ও একনায়কতন্ত্র দিয়ে দেশ চালানো ইন্টারনেটের এ যুগে অসম্ভব। তা ছাড়া সব রকম সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনে মেরিটোক্রেসি বজায় না থাকলে- অর্থাৎ নিয়োগ, পদোন্নম্নতির ক্ষেত্রে দক্ষতা ও মেধার স্বীকৃতি না থাকলে, বৈষম্য না কমালে, সর্বোপরি নীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে সংশ্নিষ্ট পক্ষগুলো বা স্টেকহোল্ডারদের মতামত গ্রহণ করা না হলে. বিশেষত জনগণের বা ভিন্নমতাবলম্বীদের কাছে বিষয়টি স্বচ্ছ আকারে উপস্থাপন করা না হলে আর্থাৎ সংবাদপত্র, টেলিভিশনসহ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত না করা গেলে ঐধৎফ ঝঃধঃব প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আওয়ামী লীগ যদি এসব শর্তের অধিকাংশই পূরণ না করে শর্টকাটে ফের নির্বাচনে জয়ী হতে ও ক্ষমতায় থাকতে চায়, তাহলে ভুল করবে।

এ কথা ঠিক যে ২০১৪ সালের নির্বাচন নিয়ে যত প্রশ্নই থাকুক, গত কয়েকটি বছর বিশ্বের অন্যান্য উন্নম্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশের তুলনায় বাংলাদেশের বিভিন্নম্ন উন্নম্নয়ন সূচকে কিছু ঈর্ষণীয় উন্নতি পরিলক্ষিত হয়েছে। উচ্চ প্রবৃদ্ধি হার বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে। দারিদ্র্য ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে, শিক্ষার প্রসার হচ্ছে। কমিউনিটি ক্লিনিক গঠন ও অন্যান্য পদক্ষেপের মাধ্যমে সরকারি স্বাস্থ্যসেবার কিছু প্রসার ঘটানো সম্ভব হচ্ছে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বাংলাদেশের অর্জন ভারতের চেয়েও ভালো- এমন ভূয়সী প্রশংসা নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক অমর্ত্য সেন একাধিকবার করেছেন। বাংলাদেশের যশস্বী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ উন্নয়ন সাহিত্যে নতুন একটি শব্দের অবতারণা করেছেন- উন্নয়ন সারপ্রাইজ বা উন্নয়ন বিস্ময়। তবে বিনয়ের সঙ্গে বলতে চাই, এ বিস্ময়ের মূল চালিকাশক্তি সরকার নয়, প্রধানত:বাংলাদেশের জনগণ। আরও সুনির্দিষ্ট করে বলা চলে যে কৃষক, প্রবাসে কর্মরত লাখ লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক- গার্মেন্টসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এগিয়ে আসা নারী কর্মী এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা। দুর্ভাগ্যের বিষয়, এই শ্রেণিগুলোকে সরকার যথাযথভাবে পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করতে পারেনি। এটা করা গেলে উন্নয়ন আরও ভালো হতো।

আমাদের এটাও মনে রাখতে হবে, আওয়ামী লীগের এ মেয়াদের শাসনকালে ক্ষমতাসীন দল এবং ছাত্রলীগ-যুবলীগসহ দলীয় বিভিন্ন সংগঠনের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কলহ-বিবাদের পাশাপাশি দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অনেক ঘটনা ঘটেছে, যার কোনো কোনোটি রীতিমতো চাঞ্চল্যকর। উদাহরণ হিসেবে আমরা কুমিল্লার তনু ধর্ষণ ও হত্যা, নারায়ণগঞ্জে সাত খুনের ঘটনার কথা বলতে পারি। ই-টেন্ডার চালুর কথা বলা হলেও টেন্ডার-সন্ত্রাস অব্যাহত রয়েছে। অন্যদিকে, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে আমরা দেখি যে উন্নয়ন প্রকল্পে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের ঘটনা ঘটছে। ব্যক্তিগত বিনিয়োগকারীরা কাঙ্ক্ষিতভাবে এগিয়ে না আসায় সরকারি বিনিয়োগ দিয়ে তার স্থান পূরণর চেষ্টা চলছে। তাই বর্তমান উন্নয়ন ধারাকে বৈষম্যহীন, নৈতিকতা রক্ষাকারী ও পরিবেশবান্ধব বলা যাবে না।

তবে এটাও মনে রাখতে হবে, আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে যে পরিবর্তন ঘটছে তাতে শ্রমজীবী শক্তিগুলোর প্রতিবাদ-প্রতিরোধ সংগ্রাম ব্যতিরেকে আওয়ামী লীগের মূল নেতৃত্বের পক্ষে দলের ভেতরের এই বিপরীত প্রবণতার শক্তিকে ঠেকানো বা দল থেকে এদেরকে বের করে দেওয়া সম্ভব হবে না- মুখে যতই 'জিরো টলারেন্স'-এর কথা বলা হোক না কেন! তাই আওয়ামী লীগের বেপরোয়া মনোভাবকে বদলানোর জন্যই দরকার হবে একটি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী শক্তিশালী বিরোধী শক্তির।

অনেকে বলেন, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর জোট এবার রাষ্ট্র ক্ষমতায় এলে দেশে রক্তের গঙ্গা বয়ে যাবে, উন্নম্নয়নের ধারা বজায় রাখা সম্ভব হবে না, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মুছে ফেলা হবে ইত্যাদি। এটা স্বীকার করতেই হবে, ওই শক্তি ক্ষমতায় এলে উন্নম্নয়ন নয়, বরং অর্থনীতি ও সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবনতি হবে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, তাদের ঠেকানোর রাস্তা কি বল প্রয়োগ, নাকি আত্মস্খলন বন্ধ করা এবং দেশব্যাপী একটি উন্নত চেতনাভিত্তিক সাংস্কৃতিক বিপ্লব? সমাজে যে ইসলামী চেতনার বিস্ম্ফোরণ ঘটছে, তার পাল্টা ধর্মনিরপেক্ষ লোকজ ইসলামের ধারণার বহুল প্রচার আবশ্যক। এ জন্য লালন ফকির ও জাতীয় কবি নজরুল ইসলামকে আমরা বিশেষভাবে কাজে লাগাতে পারি। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় অতি সম্প্রতি অবশেষে এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনের তুলনায় অতি সামান্য কিছু উদ্যোগ নিচ্ছে বলে আমরা লক্ষ্য করি। আবার পাঠ্যপুস্তক ও সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে আপস ও পশ্চাদপসরণের প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এসব বিষয় অজানা নয়। সুতরাং এসব অসঙ্গতি দূর করে এ নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রকৃত শক্তিকে নিজেদের আস্থায় ফিরিয়ে আনা ও গণতন্ত্রকে নূ্যনতমভাবে হলেও বজায় রাখাই হচ্ছে এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জন্য প্রধান দুটি চ্যালেঞ্জ বলে মনে করি। এতে জেতা সম্ভব না হলে পরিণতি হবে ভয়াবহ।

কথিত আছে- 'আওয়ামী লীগ যখন জেতে তখন সে একাই জেতে, কিন্তু যখন সে হারে, তখন সে একা হারে না; তার সঙ্গে বা বাইরের অনেককেও হারতে হয়!'

অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজনৈতিক বিশ্নেষক

আরও পড়ুন

এক মাসের মধ্যেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

এক মাসের মধ্যেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে মো. আবদুল হামিদের ৫ বছর মেয়াদ পূর্ণ হচ্ছে ...

পরিবেশের সর্বনাশ

পরিবেশের সর্বনাশ

'ত্রিশ বছর আগেও চার-পাঁচটি জেলেপল্লী ছিল সাভারের সাধাপুর থেকে ধামরাই ...

একই সুতোয় দুই বাংলা

একই সুতোয় দুই বাংলা

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাঞ্চল আর বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গ- এ দুই এলাকায় যেসব ...

আওয়ামী লীগে একক প্রার্থী বিএনপিতে অস্থিরতা

আওয়ামী লীগে একক প্রার্থী বিএনপিতে অস্থিরতা

একক প্রার্থী নিশ্চিত থাকায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ...

মেয়ে হয়ে জন্মানোই ছিল অপরাধ!

মেয়ে হয়ে জন্মানোই ছিল অপরাধ!

প্রথম সন্তান মেয়ে হওয়ায় বাবার চাওয়া ছিল পরেরটি ছেলে হোক। ...

ভালো হওয়ার সুযোগ পাবে 'বিপথগামীরা'

ভালো হওয়ার সুযোগ পাবে 'বিপথগামীরা'

জঙ্গিবাদে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জ থেকে এক তরুণকে ...

রিয়ালের স্বস্তির জয়

রিয়ালের স্বস্তির জয়

সবশেষ গত বছরের ডিসেম্বরে সেভিয়াকে বিধ্বস্ত করে লা লীগায় জয়ের ...

পদবঞ্চিতদের বিক্ষোভের মুখে ওবায়দুল কাদের

পদবঞ্চিতদের বিক্ষোভের মুখে ওবায়দুল কাদের

গঠন প্রক্রিয়ায় থাকা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহসম্পাদক পদ নিয়ে ...