রাজনীতি

বিশেষ সাক্ষাৎকার :ড. কামাল হোসেন

ঠেকানো নয়, চাই সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন

চলমান রাজনীতি

প্রকাশ: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮       প্রিন্ট সংস্করণ     

সাক্ষাৎকার নিয়েছেন লোটন একরাম

সংবিধানের অন্যতম প্রণেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, ঠেকানো নয়, সবাই চায় অংশগ্রহণমূলক একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। সব দল যাতে নির্বাচনে অংশ নিতে পারে, সেজন্য 'লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড' তৈরি করতে হবে। চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে গত সোমবার সমকালকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন লোটন একরাম।

বাংলাদেশের প্রথম পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন বলেন, সরকার সংবিধান মেনে চললেই একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব। সঠিকভাবে জনমত যাচাই করে দেখলেই বোঝা যাবে, জনগণ পরিবর্তন চায়। কার্যকর সংসদীয় গণতন্ত্র চায়।

নেপাল সফর শেষে গত রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, নির্বাচন ঠেকানোর শক্তি কারও নেই। পরদিন দেওয়া এ সাক্ষাৎকারে সে বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ড. কামাল বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে নির্বাচন ব্যবস্থা ও নির্বাচনী আইনের মৌলিক সংস্কারসহ নির্বাহী বিভাগের প্রভাবমুক্ত এবং কার্যকর ক্ষমতাসম্পন্ন একটি স্বাধীন নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠন করতে হবে।

স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আইনমন্ত্রী এবং ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কামাল হোসেন। ১৯৯১ সালের নির্বাচনের পর রাজনৈতিক মতবিরোধের জের ধরে আওয়ামী লীগ ছেড়ে নতুন রাজনৈতিক দল গণফোরাম গঠন করেন তিনি।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে ড. কামাল সমকালকে বলেন, দেশে গত কয়েক বছর ধরে গণতন্ত্র অনুপস্থিত। জনগণ জনপ্রতিনিধিত্ব ও জবাবদিহিমূলক সরকার পায়নি। মনোনীত লোকজনদের নিয়ে বানানো এ সংসদে সত্যিকার সংসদীয় গণতন্ত্রের নাম-গন্ধও নেই। আগামী ডিসেম্বরে নির্বাচনের কথা বলা হচ্ছে। কার্যকর নির্বাচনের মাধ্যমে একটি কার্যকর সংসদ গঠন হোক- এটাই সবার প্রত্যাশা।

প্রবীণ এ নেতা বলেন, একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। যে ঐক্যের ফলে জনপ্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, স্থানীয় সরকারসহ শাসন ব্যবস্থার মৌলিক সংস্কারের মাধ্যমে সুষ্ঠু নির্বাচন, কার্যকর গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হবে। কার্যকর গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও নিরপেক্ষ প্রয়োগের মাধ্যমে রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও আর্থিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব। এর জন্য প্রয়োজন গণতান্ত্রিক রাজনীতির প্রতি অঙ্গীকার।

সবার অংশগ্রহণে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব কি-না- জানতে চাইলে ড. কামাল হোসেন বলেন, সরকার সংবিধান মেনে চললে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব। তবে নির্বাচনকালীন দলীয় সরকার আইন, সংবিধান এবং নৈতিকতা মানে না বলেই অবাধ নির্বাচনের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, বিরোধী দলের সঙ্গে নির্বাচনের আগে কোনো সংলাপ করবেন না। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. কামাল শুধু বলেন, 'আমিন ...!'

সরকার দাবি না মানলে কী করবেন? নির্বাচন বর্জন নাকি প্রতিহত করতে আন্দোলনে নামবেন?- এমন প্রশ্নের উত্তরে গণফোরামের সভাপতি বলেন, এখনও সময় আছে। শেষ পর্যন্ত দাবি না মানলে পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি জানান, তাদের শক্তি শূন্য বলে ধরে নিলেও জনগণের সেই শক্তি আছে। জনগণের কাছে তারা তাদের বক্তব্য নিয়ে যাচ্ছেন। সত্যিকারভাবে জনমত যাচাই করে দেখলে দেখা যাবে, জনগণ পরিবর্তন চাচ্ছেন।

বিএনপির সঙ্গে 'বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য' করলে কবে নাগাদ তা আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করবে- জানতে চাইলে ড. কামাল হোসেন বলেন, এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট দিন-তারিখ এখনও বলার সময় হয়নি। কারণ একটি নীতিগত ইস্যুতে আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে।

ঐক্যের রূপরেখা তৈরিতে কোন বিষয়টিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন?- এ প্রশ্নের জবাবে ঐক্য প্রক্রিয়ার এ শীর্ষ নেতা বলেন, তারা নূ্যনতম অভিন্ন সাতটি দাবির ভিত্তিতে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছেন। দাবিগুলো হলো- এক, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন হিসেবে সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদে বর্ণিত 'সংবিধানের প্রাধান্য'কে সমুন্নত রেখেই রাষ্ট্র পরিচালনা করতে হবে। দুই, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যে নির্বাচন ব্যবস্থা ও নির্বাচনী আইনের মৌলিক সংস্কারসহ নির্বাহী বিভাগের প্রভাবমুক্ত এবং কার্যকর ক্ষমতাসম্পন্ন একটি স্বাধীন নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে।

তিন, জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে 'প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ'- সংবিধানের এ ঘোষণার কার্যকর বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংসদ সদস্যদের বিবেকের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ; রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য আনয়ন এবং বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা সুনিশ্চিত করে বর্তমান সংবিধানের যুগোপযোগী সংশোধন করতে হবে। সংবিধানের বিধান অনুযায়ী ন্যায়পাল নিয়োগ করতে হবে।

চার, কেন্দ্রীভূত আমলাতান্ত্রিক প্রশাসনের পরিবর্তে বিকেন্দ্রীকৃত গণমুখী প্রশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জনপ্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, ভূমি প্রশাসন, স্থানীয় সরকার, প্রচার মাধ্যমসহ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মৌলিক সংস্কারের মাধ্যমে কার্যকর গণতন্ত্র ও আইনের শাসন নিশ্চিত করতে হবে। পাঁচ, রাষ্ট্রের আর্থিক শৃঙ্খলা ও জনগণের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ রাষ্ট্রের সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে ব্যাংকিং খাতের আইন, ব্যবস্থাপনা ও কাঠামোগত সংস্কার করতে হবে।

ছয়, জাতীয় স্বার্থে তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ-বন্দরসহ জাতীয় সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত এবং রাজনীতিতে ধর্মের অপব্যবহার ও সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন ও নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে।

সাত, বিশ্বের সব নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত অধিকার ও সংগ্রামের প্রতি পূর্ণ সমর্থন; মিয়ানমারের রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবর্তন ও পুনর্বাসনে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার এবং প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে জাতীয় অর্থনীতি বিকাশের উদ্যোগ নিতে হবে।

ঐক্য গড়ার পথে কী কী অন্তরায় কাজ করছে?- জানতে চাইলে গণফোরাম নেতা ড. কামাল বলেন, অগণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা, আইনের শাসন না থাকা এবং প্রধান বিরোধী দলকে সভা-সমাবেশে বাধাবিঘ্ন দেওয়া ঐক্য গড়ার পথে বড় অন্তরায়। গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অংশ সভা-সমাবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও সরকারি দলের ছাত্র সংগঠনকে পেশিশক্তি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে- এসব কারণে স্বাভাবিক রাজনৈতিক কার্যক্রম চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

গুঞ্জন রয়েছে, ঐক্যের পথে জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে বিকল্পধারার এবং মাহমুদুর রহমান মান্নাকে নিয়ে গণফোরামের আপত্তি রয়েছে। এ সম্পর্কে জানতে চাইলে ড. কামাল হোসেন দাবি করেন, জামায়াত-বিকল্পধারার বিষয়টি সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন না। তবে মাহমুদুর রহমান মান্নাকে নিয়ে তার কোনো আপত্তি নেই।

বিএনপির সঙ্গে শেষ পর্যন্ত ঐক্য হলে শীর্ষ নেতা কে হবেন?- এ প্রশ্নের উত্তরে ঐক্য প্রক্রিয়ার শীর্ষ এ নেতা বলেন, বিষয়টি নিয়ে এখনও চিন্তা করা হয়নি। সময় হলে ঐকমত্যের ভিত্তিতে শীর্ষ নেতা নির্ধারিত হবে।

বৃহত্তর ঐক্যের মাধ্যমে রাজনৈতিক গুণগত মান উন্নয়ন হবে কি?- এমন প্রশ্নের জবাবে গণফোরাম সভাপতি বলেন, ইনশাআল্লাহ। রাজনীতির গুণগত মান বাড়ানোর জন্যই জাতীয় ঐক্য গড়ছেন তারা।

ঐক্য হলে বিএনপির কাছে ক'টি নির্বাচনী আসন চাইবেন- জানতে চাইলে ড. কামাল বলেন, এখনও সেই পর্যায় আসেনি। সময় হলে তারা বিষয়টি নিয়ে হিসাব-নিকাশ করবেন।

সম্ভাব্য 'বৃহত্তর ঐক্য জোট'কে সংবাদ সম্মেলনে স্বাগত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে টিপ্পনিও কেটেছেন তিনি। এ সম্পর্কে ড. কামাল বলেন, সম্ভাব্য নতুন জোটকে স্বাগত জানানোর বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন তারা।

নতুন জোটের 'অগণতান্ত্রিক পথে ক্ষমতায় যাওয়ার ইচ্ছা' রয়েছে- প্রধানমন্ত্রীর এ ধরনের বক্তব্য সম্পর্কে সাবেক এই পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অগণতান্ত্রিক পথে ক্ষমতায় যাওয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যের কোনো ভিত্তি নেই। এ বক্তব্য তাদের ব্যাপারে প্রযোজ্য নয়।

জোটের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর তোলা প্রশ্নের ব্যাপারে ড. কামাল হোসেন জানান, তারা তো প্রধানমন্ত্রীর সমর্থনে কিছু করেননি। যা কিছু করেছেন তা স্বাধীনভাবে করেছেন। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন তুলতেই পারেন। তবে দেশের মানুষও ভালোভাবেই জানে, ২০০৮ সালে তারা কী করেছিলেন। ২০০৮ সালের নির্বাচন হওয়ার ক্ষেত্রে তাদের জোটে আছেন এমন রাজনীতিকদের অবদান কী, সেটাও সবাই জানেন।

এ সময় ড. কামাল হোসেন বলেন, তখন ভোটার তালিকা বাতিল করার জন্য তিনি নিজেই মামলা করেছিলেন। এক কোটি ৪৪ লাখ ভুয়া ভোট বাতিল করা হয়েছিল। তখন ইসি পুনর্গঠন করতে বাধ্য করেন তারা। ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধানের পদ থেকে সরাতেও তারা ভূমিকা রাখেন। তখন তাদের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহের মামলা হয়েছিল। এসব অবদানের কথা তো অনস্বীকার্য। স্বাধীনতা-উত্তর দেশ গড়ার ক্ষেত্রে অবদানের কথা নাই-বা তোলা হলো।

ঐক্য জোটের এই শীর্ষ নেতা বলেন, তাদের নতুন জোট চাচ্ছে বাংলাদেশে সত্যিকার অর্থে কার্যকর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে। যদি জনমত নেওয়া হয়, তাহলে দেখা যাবে, শতভাগ সমর্থন এর পক্ষে রয়েছে।

ড. কামাল হোসেন সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী তার সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, যখন গরম বক্তৃতা দেবেন, তখন ধরে নেবেন তার প্লেন রেডি। এ বক্তব্যের প্রক্রিয়ায় ড. কামাল বলেন, এ বিষয়ে তিনি কিছু বলতে চান না।

কামাল হোসেনরা আদৌ নির্বাচন চান কি-না, এ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রশ্ন তুলেছেন। এ অভিযোগের জবাবে গণফোরাম সভাপতি বলেন, উনি (প্রধানমন্ত্রী) যে অবস্থানে আছেন, সেখানে থেকে যা বলেন- সবই ঠিক! তবে তারা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চাচ্ছেন। তিনি এও বলেন, ২০০৮ সালে তারা যা করেছেন, সেটা তো গোপনে করেননি। তিনি মামলা করে সব ভুয়া ভোটার বাতিল করেছেন, ইসি পুনর্গঠন করিয়েছেন- এসব উত্তরপাড়ার ব্যাপার নয়। তাদের সঙ্গে অতীতেও কোনো সম্পর্ক ছিল না, এখনও নেই।

প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটের ক্রুর মাদক সেবন

প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটের ক্রুর মাদক সেবন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফ্লাইটের এক কেবিন ক্রুর মাদক সেবন ও ...

ইয়াবা কারবারিরা তবু বেপরোয়া

ইয়াবা কারবারিরা তবু বেপরোয়া

মিয়ানমার থেকে নানা কৌশলে ভিন্ন ভিন্ন রুট ব্যবহার করে সারা ...

দুদককে পঙ্গু করতে চায় একটি মহল

দুদককে পঙ্গু করতে চায় একটি মহল

দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) একটি অথর্ব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে অপতৎপরতা ...

বিপিএলের কারণে রশিদকে চেনা ইমরুলের

বিপিএলের কারণে রশিদকে চেনা ইমরুলের

হুট করেই ইমরুল কায়েস এশিয়া কাপের দলে ডাক পান। এরপর ...

মৃত ব্যক্তিকে জীবিত দেখিয়ে ব্যাংক ঋণ!

মৃত ব্যক্তিকে জীবিত দেখিয়ে ব্যাংক ঋণ!

বরিশালে মৃত ব্যক্তিকে জীবিত দেখিয়ে ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার অভিযোগ ...

'প্রমাণ ছাড়া ব্যবস্থা নেবে না দুদক'

'প্রমাণ ছাড়া ব্যবস্থা নেবে না দুদক'

সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার বিরুদ্ধে প্রমাণ ছাড়া আইনী ...

'বার্সার প্রস্তাব ঘুম হারাম করে দিয়েছিল'

'বার্সার প্রস্তাব ঘুম হারাম করে দিয়েছিল'

ফ্রান্স তারকা অ্যান্তোনিও গ্রিজম্যান বার্সেলোনায় আসছেন বলে জোর গুঞ্জন ছিল। ...

দুর্নীতিমুক্ত সৎ প্রার্থীকে নির্বাচিত করুন: রাষ্ট্রপতি

দুর্নীতিমুক্ত সৎ প্রার্থীকে নির্বাচিত করুন: রাষ্ট্রপতি

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুর্নীতিমুক্ত ও সৎ জনবান্ধব প্রার্থীকে ভোট ...