রাজনীতি

ছাড় দেবে না আ'লীগ

প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮     আপডেট: ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮       প্রিন্ট সংস্করণ     

সমকাল প্রতিবেদক

নির্বাচনকালীন সরকার প্রশ্নে নিজেদের অবস্থান থেকে কোনোরকম ছাড় দেবে না আওয়ামী লীগ। কয়েকজন টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী অন্তর্ভুক্ত করে নির্দলীয় 'নির্বাচনকালীন সরকার' গঠনের দাবি জানিয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে রূপরেখা প্রণয়নের উদ্যোগের কথা জানানো হলেও ক্ষমতাসীন দলের পক্ষ থেকে তা নাকচ করা হয়েছে। সংসদে নেই- এমন কোনো দলের প্রতিনিধিত্বও নির্বাচনকালীন সরকারে থাকবে না বলেই সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ক্ষমতাসীন দল ও সরকারের নীতিনির্ধারকরা।

গতকাল মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যেও সরকার ও সরকারি দলের এমন অনমনীয় মনোভাব আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সচিবালয়ে সমসাময়িক ইস্যুতে আয়োজিত ওই সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের বলেছেন, একাদশ জাতীয় সংসদের জন্য অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করা হলেও ওই সরকারে বাইরের কেউ আসবেন না। ওবায়দুল কাদের জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার আলাপ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তাকে জানিয়েছেন, নির্বাচনকালীন সরকারে টেকনোক্র্যাট কেউ আসবেন না। মন্ত্রিসভার আকারও ছোট হবে।

এদিকে, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গতকাল সমকালকে বলেছেন, নির্বাচনকালীন ছোট বা বড় কোনো সরকারকেই মেনে নেবে না বিএনপি। 

কেননা, দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে দলীয় সরকারের অধীনে কোনো অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। এরই মধ্যে সব নির্বাচনেই তা প্রমাণ হয়েছে। 

সংসদের বাইরে থাকা রাজপথের প্রধান বিরোধী দল বিএনপি দীর্ঘদিন থেকেই নির্বাচনকালীন 'সহায়ক সরকারে'র দাবি জানিয়ে আসছে। যদিও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সরকার ও ক্ষমতাসীন দলের নীতিনির্ধারক নেতারা এই দাবি নাকচ করে দিয়ে আসছেন। গত ২ সেপ্টেম্বরের সংবাদ সম্মেলনসহ একাধিক বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও জানিয়েছেন, সংসদে প্রতিনিধিত্ব না থাকায় বিএনপির নির্বাচনকালীন সরকারে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ নেই। 

অবশ্য রাজনৈতিক বিশ্নেষক ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্ষমতাসীন মহলের এমন অনমনীয় মনোভাবে আলোচনার সুযোগ নষ্ট হচ্ছে। একটি গ্রহণযোগ্য ও সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে সরকার বিরোধীদের ওই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার পথ খোলা রাখা উচিত। কিন্তু আগেই যদি বলে দেওয়া হয়, দাবি মানা হবে না, তাহলে তো সব দলের অংশগ্রহণে সুষ্ঠু নির্বাচনের সম্ভাবনা কিছুটা হলেও নষ্ট হয়ে যায়। 

নির্বাচনকালীন সরকার প্রসঙ্গে আলোচনার ওপর গুরুত্ব দিয়ে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এম হাফিজ উদ্দিন খান বলেছেন, সব দলের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি করলে ভালো হয়। 

সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, নির্বাচনকালীন সরকারের বিধান সংবিধানে নেই। বর্তমান সরকারের অধীনে যে নির্বাচন হবে, সেটি তো দলীয় সরকার। আমাদের দেশে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের অভিজ্ঞতা সুখকর নয়।

বিএনপির সূত্রগুলো বলছে, বিএনপি নির্দলীয় 'সহায়ক সরকার' গঠনের প্রস্তাবসংবলিত রূপরেখা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে, যা রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের কাছে তুলে দেওয়া হবে। বিএনপির প্রস্তাবে, সংবিধান সংশোধন করে গঠন এবং সংশোধন ছাড়া ওই সরকার গঠনের কথা থাকবে। দুই প্রস্তাবেই হয় প্রধানমন্ত্রী পদে নিরপেক্ষ কেউ অথবা প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা খর্ব করার বিষয়টি থাকছে। এই সহায়ক সরকার হবে তিন মাস মেয়াদের। রাষ্ট্রপতির অধীনে নির্বাচনকালীন এই সরকারের মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট কোটায় স্বরাষ্ট্র ও সংস্থাপনসহ গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে নির্দলীয়-নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব থাকবে। রাষ্ট্রপতি নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের এসব মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ দেবেন। রাষ্ট্রপতি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে নির্বাচনকালীন 'সহায়ক সরকারের' কাঠামো চূড়ান্ত করতে পারেন। 

তবে আওয়ামী লীগ নীতিনির্ধারকদের সূত্রে বলা হচ্ছে, বিএনপির এমন প্রস্তাব কোনো অবস্থায়ই মানা হবে না। অর্থাৎ সংসদের বাইরে থাকায় বিএনপি কিংবা অন্য কোনো দলের কাউকে টেকনোক্র্যাট কোটায় নির্বাচনকালীন সরকারে অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ দেওয়া হবে না। 

এ প্রসঙ্গে সরকার ও দলের নীতিনির্ধারকদের তরফে গত নির্বাচনের আগে গঠিত সর্বদলীয় নির্বাচনকালীন সরকারের উদাহরণও টেনে আনা হচ্ছে। তারা বলছেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে ২০১৩ সালের ১৮ নভেম্বর ২৯ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী নিয়ে সর্বদলীয় ওই সরকার গঠন করা হয়েছিল। সেখানে টেকনোক্র্যাট কেউই ছিলেন না। যারা মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হয়েছিলেন, তাদের সবাই ছিলেন নবম সংসদের এমপি। এর মধ্যে মহাজোট শরিক জাতীয় পার্টি থেকে ছয়জন এবং ওয়ার্কার্স পার্টি ও জাসদ থেকে একজন করে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বাকি ২১ জনই ছিলেন আওয়ামী লীগের। অবশ্য নির্বাচনকালীন সরকারে থাকা ১১ সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদের একজনও এমপি ছিলেন না। ওই সময় বিএনপি সংসদে থাকায় দলটিকেও ওই সরকারে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই। তবে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ দলটি ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। ওই সময়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংলাপের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। 

অবশ্য সংবিধানে জাতীয় নির্বাচনের আগে নির্বাচনকালীন সর্বদলীয় সরকার গঠনের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। এ বিষয়ে সংবিধানে সুস্পষ্ট কোনো বিধানও নেই। আবার কেবল নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়েই যে ওই সরকার গঠিত হতে হবে- এমন কোনো বাধ্যবাধকতাও নেই। তবে ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে নির্বাচন নিয়ে সমঝোতা প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রস্তাবেই এমন সরকার গঠন করা হয়েছিল। ২০১৩ সালের ২৫ অক্টোবর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ওই প্রস্তাব দেন প্রধানমন্ত্রী। পরে বিএনপি এ প্রস্তাব না মানায় দলটিকে ছাড়াই সর্বদলীয় নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করা হয়। শেষ পর্যন্ত বিএনপি ও তার মিত্ররা দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জনও করে।

সূত্রমতে, নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে এবারও একই ধরনের অবস্থান রয়েছে সরকারি দলের। নীতিনির্ধারকরাও বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছার ওপর ছেড়ে দিচ্ছেন। তারা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছানুযায়ী নির্বাচনকালীন সরকার গঠিত হবে। এই সরকারের আকার ছোট, না বড় হবে- সে বিষয়েও প্রধানমন্ত্রীই সিদ্ধান্ত নেবেন। 

নির্বাচনকালীন সরকার আলাপ-আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে- ওবায়দুল কাদের :মঙ্গলবারের সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেছেন, অক্টোবরের মাঝামাঝি সময় যে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করা হবে, তার আকার গতবারের কাছাকাছি হবে। এই সরকারে জাতীয় পার্টি তাদের আরও দু-একজন অন্তর্ভুক্ত করতে বলেছে, অনুরোধ করেছে। সেটাও প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার, তিনি কতটা বিবেচনা করবেন, সেটা এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি। এগুলো আলাপ-আলোচনার পর্যায়ে আছে।

আওয়ামী লীগ গতবারের মতো এবারও জোটগত নির্বাচন করবে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিএনপি যদি নির্বাচনে না আসে, তাহলে জাতীয় পার্টি আলাদা নির্বাচন করবে। বিএনপি যদি আসে, তাহলে জাতীয় পার্টির সঙ্গে আসন বণ্টন ও সমঝোতা হবে। সবকিছু নির্ভর করছে মেরুকরণ কীভাবে হবে! সেভাবে অ্যালায়েন্সের সমীকরণও হবে।

আগামী নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী হিসেবে এ কে এম শামীম ওসমানের নাম চূড়ান্ত হয়েছে বলে নৌমন্ত্রী শাজাহান খানের দেওয়া বক্তব্যের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, এ ধরনের তালিকা শেখ হাসিনা ছাড়া আর কেউ জানেন না।

বিএনপির নেতৃত্বের মধ্যে ঐক্য নেই দাবি করে তিনি বলেন, বিএনপির ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের কথা বলে। তাদের নিজের ঘরেই তো ঐক্য নেই। তারা নিজেদের অফিসেই একে অন্যকে সরকারের এজেন্ট বলে। যারা নিজেরা ঘরেই ঐক্যবদ্ধ নয়, তারা কীভাবে জাতীয় ঐক্য গড়বে?

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আওয়ামী লীগ দেশের সবচেয়ে বড় দল। আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে এ দেশে জাতীয় ঐক্য কীভাবে হয়? আর আওয়ামী লীগ না থাকলে অন্য অনেক দলও তাদের সঙ্গে যাবে না। বিএনপির আন্দোলন গত ১০ বছরে হয়নি, আর আগামী দুই মাসেও হবে না।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসার নামে বিএনপি রাজনীতি করার চেষ্টা করছে অভিযোগ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, এর আগে খালেদা জিয়ার গ্রেফতার নিয়ে তারা রাজনীতি করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে। এখন তারা বলছে, খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চাই। তার অসুস্থতা নিয়ে রাজনীতি হচ্ছে।

গণমাধ্যমের একটি অংশ সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন কাজে উসকানি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, কোটাবিরোধী আন্দোলনে দেখেছি, নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনে দেখেছি। বিএনপি মাঠে না থাকলেও মিডিয়ার একটা অংশ আন্দোলন করছে অথবা আন্দোলনে উসকানি দিচ্ছে।

'নীলসাগর এক্সপ্রেস' ট্রেনে নিজের উত্তরবঙ্গ সফর নিয়ে 'কিছু মিডিয়া' উদ্দেশ্যমূলকভাবে সমালোচনা করেছে বলে অভিযোগ করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, নীলসাগর এক্সপ্রেস চিলাহাটি পর্যন্ত যায়। ওই ট্রেনে যাত্রী ছিল সাড়ে ছয়শ'। আমরা ছিলাম সত্তরজনের মতো। পথে পথে যেসব স্টেশনে থামে, সেখানে যাত্রী নেমে গেছেন; আবার উঠেছেন। যখনই রাস্তায় রেলস্টেশনে নেমেছি, তখন যাত্রীরাও অনেকে গিয়ে শামিল হয়েছেন। এই যে দুর্ভোগ বলেন, কয়জন যাত্রীর দুর্ভোগ হয়েছে?

তিনি বলেন, অথচ পল্টনে তিনটি রাস্তা বন্ধ করে বিএনপির যে সমাবেশ হয়েছে, তাতে কয় লাখ লোকের দুর্ভোগ হয়েছে? সেখানে যে দুর্ভোগ হয়েছে, তা তো মিডিয়াগুলো বলেনি। আওয়ামী লীগকে দেখতে পারেন না, তাই যারে দেখতে নারি তার চলন বাঁকা।

আরও পড়ুন

শনিবার আধাবেলা বন্ধ দূরপাল্লার বাস

শনিবার আধাবেলা বন্ধ দূরপাল্লার বাস

আগামী শনিবার বাংলাদেশ আন্তঃজেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যকরী কমিটির ...

এ কেমন শিক্ষক!

এ কেমন শিক্ষক!

নারায়ণগঞ্জে এক কলেজ শিক্ষকের ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণে স্তম্ভিত সবাই। তিনি মোবাইল ...

নয়া পল্টনে সংঘর্ষের ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি আ. লীগের

নয়া পল্টনে সংঘর্ষের ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি আ. লীগের

রাজধানীর নয়া পল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনাকে ...

বিমানে আরেকটি ড্রিমলাইনার যুক্ত হচ্ছে পহেলা ডিসেম্বর

বিমানে আরেকটি ড্রিমলাইনার যুক্ত হচ্ছে পহেলা ডিসেম্বর

দিন দিন বড় হচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের আকাশপথ। বিমানের বহরে ...

সবাই নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত, সেখানে আমাদের আটকে রাখা হয়েছে: খালেদা

সবাই নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত, সেখানে আমাদের আটকে রাখা হয়েছে: খালেদা

আদালতকে উদ্দেশ্য করে বিএনপি চেয়ারপারসন খলেদা জিয়া বলেছেন, একদল নির্বাচন ...

হেলমেটধারী এজেন্টরা পুলিশের গাড়িতে আগুন দিয়েছে: রিজভী

হেলমেটধারী এজেন্টরা পুলিশের গাড়িতে আগুন দিয়েছে: রিজভী

বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশের গাড়িতে হেলমেটধারী এজেন্টরা আগুন লাগিয়েছে ...

রাস্তায় চানাচুর বিক্রেতা থেকে এমপি প্রার্থী!

রাস্তায় চানাচুর বিক্রেতা থেকে এমপি প্রার্থী!

স্যোসাল মিডিয়ায় ভাইরাল তিনি। সেখান থেকে এখন হচ্ছেন খবরের শিরোনাম। ...

দাবিগুলো বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে ইসি: ড. কামাল

দাবিগুলো বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে ইসি: ড. কামাল

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে করা বিভিন্ন দাবি পূরণের জন্য ...