রাজনীতি

৬০ আসনের বেশি দেবে না বিএনপি

প্রকাশ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮       প্রিন্ট সংস্করণ     

রাজীব আহাম্মদ ও কামরুল হাসান

ভোট সামনে রেখে জোটের রাজনীতিতে যত ব্যস্ততা এখন আসন ভাগাভাগির হিসাব-নিকাশে। নির্বাচন দুয়ারে। দিন যত গড়াচ্ছে ততই আলোচনার তুঙ্গে ঠাঁই নিচ্ছে বিষয়টি। বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট এখনও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দিলেও, শরিকরা আসনের দাবি জানানো শুরু করেছে আরও আগে থেকে। আসনের ভাগ চায় 'জাতীয় ঐক্য'র ব্যানারে বিএনপির সঙ্গী হওয়ার প্রক্রিয়ায় থাকা দলগুলোও। ভোটের মাঠে অবস্থান নেই, এমন দলও পাঁচ-দশটি করে আসন দাবি করছে। বিএনপি সূত্র নিশ্চিত করেছে, চাহিদা যার যতই হোক শরিকদের জন্য ৬০টির বেশি আসন ছাড়া হবে না।

২০০৮ সালে ২৬০ আসনে প্রার্থী ছিল বিএনপির। ৪০টি আসন শরিকদের ছেড়ে দেওয়া হয়। জামায়াতকে দেওয়া ৩৩ আসনে 'ধানের শীষ' প্রতীক ছিল না। বিজেপি, ইসলামী ঐক্যজোট, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামকে দুটি করে এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টিকে (জাগপা) একটিসহ মোট সাতটি আসন ছেড়েছিল বিএনপি। তবে এসব দলের প্রার্থীরা 'ধানের শীষ' প্রতীক নিয়ে ভোটে অংশ নেন। ২০১২ সালে জোট সম্প্রসারণের কারণে বিএনপির শরিক আগের চেয়ে বেড়েছে। ১৪টি দল কয়েক বছরে বিএনপির

জোটে এসেছে। সবাইকে ধরে রাখা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে বিএনপি আগের চেয়ে এবার কয়েকটি আসন বেশি ছাড়তে পারে- এমন সম্ভাবনার কথা শোনা যাচ্ছে। তবে তা কোনোভাবেই ৬০-এর বেশি হবে না বলে নিশ্চিত করেছেন বিএনপি নেতারা। এর মধ্যে জামায়াতকে সর্বোচ্চ ৩০, এলডিপিকে ৫, জাতীয় পার্টিকে (জাফর) ৫, বিজেপিকে ২ এবং জাগপা, কল্যাণ পার্টি ও ন্যাপকে একটি করে আসন ছাড়া হতে পারে। বাকি ১২ দলের কমবেশি দাবি থাকলেও, সবাই আসন পাবে না। জাতীয় ঐক্য হলে তাদের সর্বোচ্চ সাত থেকে আটটি আসন ছাড়া হতে পারে।

শরিকদের বিপুল চাহিদার এ চাপের বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন গত বুধবার সমকালকে বলেছেন, নির্বাচন নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু করার দাবিতে ২০ দলীয় জোট আন্দোলন করে যাচ্ছে। বিএনপি চেয়ারপারসন ও জোটনেত্রী খালেদা জিয়া মিথ্যা মামলায় কারাগারে রয়েছেন। তার মুক্তির পর আসন ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনা হবে।

জাতীয় ঐক্য :এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর বিকল্পধারা, আ স ম আবদুর রবের জেএসডি এবং মাহমুদুর রহমান মান্নার নাগরিক ঐক্যের জোট যুক্তফ্রন্ট এবং ড. কামাল হোসেনের গণফোরামের সঙ্গে 'জাতীয় ঐক্যের' ব্যানারে জোট গঠনের প্রক্রিয়া চলছে বিএনপির। এ দলগুলোর দাবি ১৫০ আসন।

২০০৮ সালের নির্বাচনে এ দলগুলো একটি আসনেও জয়ী হতে পারেনি। বিকল্পধারা ৬৩ আসনে প্রার্থী দিয়ে পেয়েছিল এক লাখ ৪৬ হাজার ৮২৭ ভোট। ৪৫ আসনে প্রার্থী দিয়ে গণফোরামের অর্জন ছিল ৭২ হাজার ৯১১ ভোট। জেএসডি সমানসংখ্যক আসনে প্রার্থী দিয়ে পায় ৩৭ হাজার ৩৫০ ভোট। তিন দলের তিনটি ছাড়া বাকি আসনে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছিল।

মাহমুদুর রহমান মান্না সম্প্রতি বলেছেন, তাদের ১৫০ আসন দিতে হবে। এমন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষুব্ধ বিএনপি জোটের শরিকরা। তারা এ দাবিকে বাড়াবাড়ি বলে মনে করছেন। তবে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জাতীয় ঐক্যের স্বার্থে কিছু ছাড় দেওয়া হবে।

বিএনপি সূত্র জানিয়েছে, 'জাতীয় ঐক্যের' দাবির বহর যতই দীর্ঘ হোক তাদের সাতটির বেশি আসন দেওয়া হবে না। এর বেশি আসনে ভোট করার মতো প্রার্থীও তাদের নেই। বিকল্পধারাকে সর্বোচ্চ তিনটি আসন দেওয়া হতে পারে। দলটির চেয়ারম্যান বদরুদ্দোজা চৌধুরী ও মহাসচিব মেজর (অব.) আবদুল মান্নানকে ঢাকায় ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাহি বি চৌধুরীকে মুন্সীগঞ্জের একটি আসনে জোটের মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে। এ ছাড়া গণফোরামকে সর্বোচ্চ দুটি আসন দেওয়া হবে। সে ক্ষেত্রে ড. কামাল হোসেন এবং তার দলের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টু জোটের প্রার্থী হতে পারেন। জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব এবং সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন ছাড়া অন্য কাউকে জোটের মনোনয়ন দিতে রাজি নয় বিএনপি। মাহমুদুর রহমান মান্না বগুড়া-৬ আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী। কিন্তু সেটি জিয়া পরিবারের আসন। ফলে তাকে অন্য কোথাও মনোনয়ন দেওয়ার কথা ভাবা হতে পারে।

জামায়াত :১৯৯৯ সালে জাতীয় পার্টি, জামায়াত ও ইসলামী ঐক্যজোটকে নিয়ে চারদলীয় জোট করে বিএনপি। পরের বছর হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ চার দল ছাড়লেও নাজিউর রহমান মঞ্জু এবং কাজী ফিরোজ রশীদের নেতৃত্বে বিজেপি নামে জাতীয় পার্টির একাংশ জোটে থেকে যায়। ২০০১ সালের নির্বাচনে জামায়াতকে ৩০টি, বিজেপিকে ছয়টি এবং ইসলামী ঐক্যজোটকে চারটি আসন ছেড়ে দেওয়া হয়। ইসলামী ঐক্যজোট ও বিজেপির প্রার্থীরা 'ধানের শীষ' প্রতীকে ভোটে অংশ নেন।

২০০৮ সালের নির্বাচনে জামায়াতকে ৩৩টি আসন দিয়েছিল বিএনপি। দলটি ৩৯ আসনে প্রার্থী দেয়। তবে দুটিতে ভোটের আগে বিএনপিকে সমর্থন দিয়ে সরে দাঁড়ায়। আদালতের রায়ে নিবন্ধন হারানো জামায়াত যুদ্ধাপরাধের বিচারে এবার কোণঠাসা অবস্থায় রয়েছে। দলটির শীর্ষ নেতাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। প্রকাশ্য রাজনীতিতে না থাকলেও জামায়াতের দাবি, আগামী নির্বাচনে তাদের ৬০টি আসন দিতেই হবে। দলীয় নেতাদের যুক্তি, আওয়ামী লীগের শাসনামলে তারাই সবচেয়ে বেশি 'নির্যাতিত' হয়েছে। অসংখ্য নেতাকর্মীকে কারাগারে যেতে হয়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তিসহ জোটের যে কোনো কর্মসূচিতে তাদের সর্বাত্মক অংশগ্রহণ ছিল। সরকারের চাপ সহ্য করেছে; কিন্তু জোট ভাঙেনি।

জামায়াতের নায়েবে আমির মিয়া গোলাম পরওয়ার সমকালকে বলেন, নির্বাচনের সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা। আসনভিত্তিক প্রার্থী ঠিক করা হয়েছে। জামায়াত জোটের কাছে কত আসন চায় তা এখনই প্রকাশ করতে চান না। তিনি বলেন, ২০০৮ সালে ৩৮ আসনে প্রার্থী ছিল জামায়াতের। আগামীতে এর চেয়ে বেশি আসনেই প্রার্থী থাকবে। তফসিল ঘোষণা হওয়ার পর জোটসঙ্গীদের আলোচনায় তা চূড়ান্ত হবে।

নিবন্ধনহীন জামায়াত দলীয় প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। বিএনপির প্রতীকেও অংশ নিতে আগ্রহী নয় তারা। জামায়াত নেতাদের দাবি, নিবন্ধন হাইকোর্ট বাতিল করলেও সুপ্রিম কোর্টে আপিল চলছে। ভোটের আগেই এর ফয়সালা হয়ে যাবে। জামায়াত সূত্র জানিয়েছে, ৬০ আসনের দাবি জানালেও তারা ৪০ আসনের কম হলে মানবে না। তবে বিএনপি সূত্র জানিয়েছে, জামায়াতকে সর্বোচ্চ ৩০টি আসন দেওয়া হবে।

২০০৮ সালে রংপুর-১, ২, ফরিদপুর-২, শেরপুর-১ আসনে জোটের মনোনয়ন পেলেও এবার সেখানে নির্বাচনে আগ্রহী নয় জামায়াত। ২০০৮ সালে ফরিদুপর-২ আসনে আলী আহসান মুজাহিদ ও শেরপুর-১ আসনে মুহাম্মদ কামারুজ্জামান জোটের প্রার্থী ছিলেন। একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। পাবনা-১ আসনের প্রার্থী মতিউর রহমান নিজামীরও একই অপরাধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। এ আসনে নিজামীর পরিবার থেকে না হলে প্রার্থী হবেন বেড়া উপজেলা আমির বাসেত খান। পাবনা-৫ আসনে তিনবার জামায়াতের মনোনয়নে নির্বাচিত আবদুস সোবহানেরও মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়েছে। এ আসনে তার ছেলে নেছার আহমেদ মনোনয়ন চাইলেও জামায়াত প্রার্থী হিসেবে ঠিক করেছে জেলার সাবেক আমির আবদুর রহীমকে। এবার ঢাকায়ও আসন চায় জামায়াত। ঢাকা-১৫ আসনে দলের সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমানের নাম ঘোষণা করে ভোটের প্রচার শুরু হয়েছে। গতবার যে আসনগুলোতে নির্বাচন করেছিল, এর বাইরে ময়মনসিংহ-৬, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২, রাজশাহী-১, পটুয়াখালী-২ আসনে জোটের মনোনয়ন চায় জামায়াত। পিরোজপুর-১ আসনে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে প্রার্থী হবেন এমন প্রচার থাকলেও মাসুদ সাঈদী সমকালকে জানিয়েছেন, তিনি নির্বাচন করতে আগ্রহী নন।

জাতীয় পার্টি (জাফর) :দলটির দাবি অন্তত ২০ আসন। কিন্তু বিএনপি সূত্র জানিয়েছে, পাঁচটির বেশি আসন দেওয়া হবে না। জাতীয় পার্টিতে (জাফর) ২০০৮ সালের সংসদের তিনজন এমপি রয়েছেন। গাইবান্ধা-৩ আসন থেকে ছয়বার নির্বাচিত হয়েছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ড. টি আই ফজলে রাব্বী। মৌলভীবাজার-২ আসনের দুইবারের এমপি দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য নওয়াব আলী আব্বাস খান। সাতক্ষীরা-২ আসনের সাবেক এমপি গোলাম রেজাও জোটের মনোনয়ন চাইবেন। এর বাইরেও কাজী জাফর আহমেদের মেয়ে কাজী জয়া আহমেদ কুমিল্লা-১১, দলের মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দার পিরোজপুর-২ আসন থেকে প্রার্থী হতে চান।

মোস্তফা জামাল হায়দার বলেছেন, তাদের দলে ১২ জন সাবেক এমপি রয়েছেন। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার মতো আরও যোগ্য নেতা রয়েছেন।

এলডিপি :কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীরবিক্রমের নেতৃত্বাধীন এলডিপির চাওয়া ৩০ আসন। দলটিতে বিএনপির মনোনয়নে নির্বাচিত কয়েকজন সাবেক এমপি রয়েছেন। বিএনপি সূত্র জানিয়েছে, এলডিপিকেও এবার সর্বোচ্চ পাঁচটি আসন দেওয়া হতে পারে। চট্টগ্রাম-১৪ আসনে অলি আহমেদ, কুমিল্লা-৭ আসনে এলডিপি মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদের মনোনয়ন নিশ্চিত। প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুল করিম আব্বাসী নেত্রকোনা-১, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম লক্ষ্মীপুর-১, কামালউদ্দিন মোস্তফা মাগুরা-১, ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল আলম চট্টগ্রাম-৭ আসনে মনোনয়ন চান। এ ছাড়াও ২৪টি আসনে দলটি প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে।

শাহাদত হোসেন সেলিম সমকালকে বলেন, সব প্রলোভন ও ভয়ভীতি উপেক্ষা করে তারা ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন বর্জন করেছিলেন। এবার বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট নির্বাচনে অংশ নিলে সেই ত্যাগের মূল্যায়ন চায় এলপিডি। তিনি বলেন, এলডিপির অনেক নেতা সাবেক এমপি। তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী মূল্যায়ন করা হবে বলে তিনি আশাবাদী।

বিজেপি :২০০৮ সালের নির্বাচনে ভোলা-১ ও ২ আসনে জোটের মনোনয়ন পেয়েছিল আন্দালিব রহমান পার্থর নেতৃত্বাধীন বিজেপি। ভোলা-১ আসনে আগামীতেও পার্থর মনোনয়ন নিশ্চিত। তিনি ঢাকায় একটি আসনেও নির্বাচন করতে চান। তবে দলটি নিশ্চিত করেনি আগামী নির্বাচনে তারা কয়টি আসন চায়।

জমিয়ত :২০০৮ সালের নির্বাচনে দুটি আসনে জোটের মনোনয়নে 'ধানের শীষ' প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছিল তারা। কিন্তু সম্প্রতি দলটি ভেঙে গেছে। একাংশের সভাপতি সাবেক এমপি মুফতি মুহম্মদ ওয়াক্কাস এবারও যশোর-৫ থেকে মনোনয়ন চান। সাবেক এমপি শাহীনুর পাশা সুনামগঞ্জ-২ থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী। অপরাংশের নির্বাহী সভাপতি আবদুর রব ইউসুফি, মহাসচিব মহীউদ্দিন ইকরামও জোটের মনোনয়ন চান।

ইসলামী ঐক্যজোট (রাকিব) :ইসলামী ঐক্যজোটের মূলধারা বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ছেড়ে গেছে। আবদুর রকিবের নেতৃত্বে ছোট একটি অনিবন্ধিত অংশ রয়ে গেছে। ২০০৮ সালে ইসলামী ঐক্যজোট দুটি আসনে জোটের মনোনয়ন পেয়েছিল। এবার দলের চেয়ারম্যান আবদুর রাকিব ও মহাসচিব মাওলানা আবদুল করিম প্রার্থী হতে চান।

জাগপা :দলের প্রয়াত সভাপতি শফিউল আলম প্রধান ২০০৮ সালে দিনাজপুর-২ থেকে জোটের মনোনয়নে 'ধানের শীষ' প্রতীকে নির্বাচন করেন। এবার তার মেয়ে দলের সিনিয়র সহসভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান প্রার্থী হতে পারেন।

কল্যাণ পার্টি :নিবন্ধিত এ দলের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহম্মদ ইবরাহিম বীরপ্রতীক চট্টগ্রাম-৪ আসন থেকে জোটের মনোনয়ন পাচ্ছেন; এমন দাবি দলটির নেতাদের। তাদের দাবি আটটি আসন।

খেলাফত মজলিস :জোটে থাকলেও আগেরবার কোনো আসনে ছাড় পায়নি নিবন্ধিত এ দলটি। এবার তাদের চাওয়া ১০ আসন। দলের একমাত্র উল্লেখযোগ্য প্রার্থী মহাসচিব ড. আহমেদ আবদুল কাদের হবিগঞ্জ-৪ আসনে মনোনয়ন চান।

ন্যাপ :নিবন্ধিত এ দলটিরও দাবি তাদের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি নীলফামারী-১ আসন থেকে জোটের মনোনয়ন পাচ্ছেন। ১০টি আসন চান তারা। নিবন্ধিত দল মুসলীম লীগ চায় একটি আসন। অনিবন্ধিত এনপিপি, এনডিপি, ডেমোক্রেটিক লীগ, সাম্যবাদী দল, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, লেবার পার্টি, বাংলাদেশ পিপলস লীগ, বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টি, ন্যাপ ভাসানীর শীর্ষ নেতারাও জোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নের দাবি জানাচ্ছেন।


বিষয় : বিএনপি

পরবর্তী খবর পড়ুন : অবহেলায় নিশ্চিহ্ন জনপদ

আরও পড়ুন

সারা বিশ্বে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে ত্রুটি

সারা বিশ্বে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে ত্রুটি

বাংলাদেশসহ বিশ্বের কয়েকটি দেশে মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে প্রবেশ ...

ঢালাও অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই: ইসি সচিব

ঢালাও অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই: ইসি সচিব

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে সরকারবিরোধী জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রধান ...

নির্বাচনে কোনো প্রার্থীকে সমর্থন দেবে না হেফাজত: শফী

নির্বাচনে কোনো প্রার্থীকে সমর্থন দেবে না হেফাজত: শফী

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো প্রার্থীকে সমর্থন দেবে না হেফাজতে ...

ভোটযুদ্ধের সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিন: ফখরুল

ভোটযুদ্ধের সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিন: ফখরুল

ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আন্দোলনেই দেশে স্বাধীন মানুষের পতাকা উড়বে বলে জানিয়েছেন ...

বর্ণচোরাদের ভোটে জবাব দেবে জনগণ: নাসিম

বর্ণচোরাদের ভোটে জবাব দেবে জনগণ: নাসিম

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও ১৪ দলের মুখপাত্র স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ ...

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বি চৌধুরীর বৈঠক

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বি চৌধুরীর বৈঠক

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করেছেন ...

২২৪ আসনে জাসদের প্রার্থী চূড়ান্ত

২২৪ আসনে জাসদের প্রার্থী চূড়ান্ত

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) ২২৪ আসনে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে। ...

বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম মিয়া গ্রেফতার

বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম মিয়া গ্রেফতার

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে গ্রেফতার করা ...