চিঠিপত্র

১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮

ছিনতাই রোধে ব্যবস্থা নিন

বরিশাল নগরীর বিএম কলেজ রোড, বগুড়া রোড, বান্দ রোড, কাউনিয়া, বটতলা এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে ছিনতাই বেড়ে গেছে। ভোররাতে ঢাকা থেকে বরিশালে লঞ্চ এসে পৌঁছে। দূরপাল্লার বাসগুলো এসে থাকে। তখন গলির মোড়ে ছিনতাইকারীরা ওত পেতে থেকে যাত্রীদের মালপত্র লুটে নিতে ছুরিকাঘাতও করে। এ সময় টহল পুলিশের দেখা পাওয়া যায় না। গত সপ্তাহে একই দিনে তিনটি ছিনতাইয়ের ঘটনায় দু'জন আহত হয়। স্থানীয় মাদকাসক্ত বখাটেরা এসব ঘটনা ঘটাচ্ছে বলে মনে করা হয়। প্রশাসনকে জানালেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ছিনতাই রোধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি বরিশালবাসীর।

মুহাম্মদ শফিকুর রহমান
বিএম কলেজ রোড, বরিশাল

পাসপোর্ট অফিসে দালাল চাই না

বহির্গমনের জন্য আমরা পাসপোর্ট নিতে আবেদন করে থাকি সংশ্নিষ্ট আঞ্চলিক অফিসে। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, কিছু অসচেতন নাগরিক অসাধু দালালের মাধ্যমে বাড়তি অঙ্কের বিনিময়ে পাসপোর্ট নিয়ে থাকে এবং পাসপোর্ট আবেদন পর্যন্ত নিজে না করে দালালের মাধ্যমে করার ফলে অনেক ভুলভ্রান্তিসহ নানা ধরনের সমস্যায় পড়তে হয় পরবর্তী সময়ে। মুখে মুখে প্রচলিত- দালাল ছাড়া পাসপোর্ট মেলে অনেক দেরিতে। কিন্তু এ কথা কতটুকু সত্য, তা আমরা খতিয়ে দেখিনি। যদি আমরা সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দালালহীন নিজের পাসপোর্ট নিজে আবেদন করে পাসপোর্ট অফিসে নিয়ে যাই, তাহলে দালালের দৌরাত্ম্যও কমবে এবং পাসপোর্ট অফিসের ওই সংক্রান্ত শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।

আলতাফ হোসেন হৃদয় খান
অক্সিজেন, চট্টগ্রাম


ডাক বিভাগ আধুনিক হোক

সেবাই যার আদর্শ, সেই ডাক বিভাগ আজ মুখ থুবড়ে পড়েছে। প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে সম্ভাবনাময় এই খাতটিকে। বিপরীতে মানুষ নির্ভরশীল হচ্ছে বিভিন্ন বেসরকারি কুরিয়ার সার্ভিসের ওপর। সেবার মান দুর্বল হওয়ার কারণে আন্তর্জাতিক মানি অর্ডার নেমে এসেছে অর্ধেকে। আধুনিক প্রযুক্তির দাপটের মাঝেও পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এখনও সরকারি ডাক ব্যবস্থাই যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম। প্রতিবেশী দেশ ভারতেও নাগরিকদের আস্থা সরকারি ডাক ব্যবস্থায়। অথচ আমাদের ডাক ব্যবস্থা দিন দিন তলিয়ে যাচ্ছে অতলে। তাই অতীতের জনপ্রিয় এই খাতকে উদ্ধারে সরকারকে জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে এখনই। অবহেলিত ডাক ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজিয়ে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে পারলে এ খাতে বিপুল সম্ভাবনা আশা করা যায়। দক্ষ জনবল নিয়োগ, অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ ডাক বিভাগে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগাতে হবে। অন্যথায় মানুষ এ ব্যবস্থা থেকে পুরোপুরি বিমুখ হয়ে পড়বে। যার ফলে বর্তমান এবং অদূর ভবিষ্যতে রাষ্ট্রকেই এর মাশুল দিতে হবে।

শফিউল আল শামীম
পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা কলেজ

জীববৈচিত্র্য রক্ষা করুন

কচ্ছপ একধরনের সরীসৃপ, যারা পানি এবং ডাঙা দুই জায়গাতেই বাস করে। এদের শরীরের উপরিভাগ শক্ত খোলসে আবৃত থাকে, যা তাদের শরীরকে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে রক্ষা করে। পৃথিবীতে এখনও কচ্ছপ প্রাণীটি বর্তমান। এটি প্রাচীন প্রাণীদের মধ্যে অন্যতম। বর্তমানে কচ্ছপের প্রায় ৩০০ প্রজাতি পৃথিবীতে রয়েছে। এদের মধ্যে কিছু প্রজাতি মারাত্মকভাবে বিলুপ্তির পথে। মানুষের খাদ্য হিসেবে কচ্ছপের ব্যবহার দিন দিন বাড়তে থাকায় অতিরিক্ত আহরণ ও পরিবেশের বিপর্যয়ের দরুন বাংলাদেশে কচ্ছপের জীববৈচিত্র্য আজ হুমকির সম্মুখীন। তাছাড়াও কচ্ছপ রফতানি পণ্য বিধায় বছর বছর এর সংখ্যা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাচ্ছে। দেশে রয়েছে ২৮ প্রজাতির কচ্ছপ। জীববৈচিত্র্যের দিক থেকে যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ অর্থ বহন করে। সচেতনতার অভাবে আমরা ইতিমধ্যেই অনেক প্রজাতির বন্যপ্রাণী প্রকৃতি থেকে হারিয়ে ফেলেছি। এভাবে চলতে থাকলে অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশ থেকে সব প্রজাতির কচ্ছপ বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

জোবায়ের মাছুম
ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন সায়েন্স বিভাগ
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

© সমকাল 2005 - 2018

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মুস্তাফিজ শফি । প্রকাশক : এ কে আজাদ

১৩৬ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৮৮৭০১৭৯-৮৫, ৮৮৭০১৯৫, ফ্যাক্স : ৮৮৭০১৯১, ৮৮৭৭০১৯৬, বিজ্ঞাপন : ৮৮৭০১৯০ । ইমেইল: info@samakal.com