সরকারের চাল কেনা

এ যে কৈয়ের তেলে কৈ ভাজা

প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮      

রোববার সমকালের প্রথম পৃষ্ঠায় একটি প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল- সরকারি গুদামে 'সরকারি' চাল বিক্রি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মহাজোট সরকার হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীর একটি অংশকে কিছুটা স্বস্তি দেওয়ার জন্য ১০ টাকা কেজি দরে যে চাল দিচ্ছে, তারই একটি অংশ কিছুটা বাড়তি দামে কিনে নিয়ে ফের সরকারের কাছে বিক্রি করতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে একটি অসাধু চক্র। এর বাইরেও কাজের বিনিময়ে খাদ্যসহ সামাজিক নিরাপত্তার বিভিন্ন কর্মসূচিতে যে চাল বিতরণ করা হয়, তা সংগ্রহ করেও সরকারের খাদ্যশস্য সংগ্রহ কর্মসূচি 'সফল করে তোলায় অবদান' রাখায় উৎসাহী লোক কম নেই বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। খাদ্য মন্ত্রণালয় সদ্য সমাপ্ত বোরো মৌসুমে চার লাখ টন চাল সংগ্রহ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। উদ্দেশ্য মহৎ- কৃষকদের উৎসাহ প্রদান। এ জন্য প্রতি কেজি চালের মূল্য স্থির হয় ৩৮ টাকা। ধানের জন্য মূল্য ধরা হয় প্রতি কেজি ২৬ টাকা। ইতিমধ্যে বোরোর পর আউশের মৌসুমও প্রায় শেষ। কৃষকরা ব্যস্ত আমন ধান চাষে। কিন্তু খাদ্য মন্ত্রণালয় বোরো চাল সংগ্রহের জন্য সময়সীমা বাড়িয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিয়ে গেছে। খাদ্য মন্ত্রণালয় বোরো ধান-চাল কেনার যে টার্গেট নির্ধারণ করেছে, তা পূরণের ধারেকাছে নেই। তাহলে কি নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করা সরকারি ভাণ্ডারের চাল কিছুটা বাড়তি দরে কিনেই এ টার্গেট পূরণ করা হবে? তাদের স্বার্থেই কি বোরো চাল সংগ্রহের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে? খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব এ আশঙ্কা একেবারে নাকচ করে দেননি। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে- বিড়ালের গলায় ঘণ্টা কে বাঁধবে? বছরের পর বছর সরকারের খাদ্যশস্য সংগ্রহ অভিযান ভণ্ডুল করে দিচ্ছে খাদ্য মন্ত্রণালয় ও ব্যবসায়ীদের একটি অসাধু চক্র। তাদের সঙ্গে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীদের একটি অংশের যোগসাজশের অভিযোগও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এ ধরনের আঁতাতের পরিণতিতে খাদ্য গুদামে নিম্নমানের চাল ও গম বিভিন্ন সময়ে ঢুকেছে। রাজধানীর তেজগাঁও খাদ্য গুদাম থেকে শনিবার রাতের আঁধারে ১১৫ টন চাল-গম পাচারের অপচেষ্টার সঙ্গে সরকারের খাদ্যশস্য সংগ্রহের সময়সীমা বাড়ানোর কোনো সম্পর্ক রয়েছে কিনা, সেটা নিয়েও এখন তদন্ত হতে পারে। কৈয়ের তেলে কৈ ভাজা- এটা প্রবাদ। সরকারের অর্থ আত্মসাতের জন্য যারা সরকারেরই সস্তায় বিতরণ করা চাল কিনে খাদ্য গুদামে বিক্রি করতে চাইছে, তাদের উদ্দেশ্য ভিন্ন কিছু নয়। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য, এই অপচেষ্টা রোখার কাজ যাদের করার কথা, তাদের সম্পর্কেও যে অভিযোগের অন্ত নেই। কেউ কেউ হয়তো দাবি তুলবেন দুর্নীতি দমন কমিশন বা দুদকের হস্তক্ষেপের। তারা কি তৎপর হবে? তবে তাদের আগে তো এ অভিযোগ নিয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয়েই তোলপাড় পড়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু তাদের টনক নড়ছে কোথায়!
সালাহ-ফিরমিনোয় হার নেইমার-এমবাপ্পেদের

সালাহ-ফিরমিনোয় হার নেইমার-এমবাপ্পেদের

সালাহ-সাদিও মানে-ফিরমিনো বনাম নেইমার-এমবাপ্পে-কাভানি! কিংবা সাবেক বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের দুই কোচ ...

হংকংয়ের বিপক্ষে কষ্টের জয় ভারতের

হংকংয়ের বিপক্ষে কষ্টের জয় ভারতের

হংকংয়ের ইনিংসের তখন ২৯ ওভার চলছে। কোন উইকেট না হারিয়ে ...

মুশফিক বিশ্রামে খেলবেন মুমিনুল

মুশফিক বিশ্রামে খেলবেন মুমিনুল

রুটি সেঁকতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত না আবার হাতটাই পুড়ে যায়- ...

শিক্ষার্থীরা আশাবাদী, সন্দেহ যাচ্ছে না ছাত্রনেতাদের

শিক্ষার্থীরা আশাবাদী, সন্দেহ যাচ্ছে না ছাত্রনেতাদের

সাধারণ শিক্ষার্থীরা আশাবাদী। তবে কিছুটা সন্দেহ আর সংশয়ে আছে ক্যাম্পাসে ...

স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে বাড়ছে গড় আয়ু

স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে বাড়ছে গড় আয়ু

বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ক্রমশই বাড়ছে। ১০ বছর আগে ২০০৮ ...

৩০০ আসনে প্রার্থী দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য

৩০০ আসনে প্রার্থী দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য

চলমান রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য। আওয়ামী ...

'থাহনের জাগা নাই, পড়ালেহা করব ক্যামনে'

'থাহনের জাগা নাই, পড়ালেহা করব ক্যামনে'

ভিটেমাটির সঙ্গে শিশু নাসরিন আক্তারের স্কুলটিও গেছে পদ্মার গর্ভে। তীরে ...

রোগশোক ভুলে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে ওরা

রোগশোক ভুলে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে ওরা

হাটহাজারীর কাটিরহাট থেকে ছয় কিলোমিটার ইটবিছানো রাস্তার পর প্রায় এক ...