সাধারণ নির্বাচনে তথ্যপ্রযুক্তি

সাইবার যুদ্ধ নয়, যথাযথ ব্যবহার চাই

প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮      

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রযুক্তির ব্যবহার অনেক বাড়বে, এটা নিশ্চিত করেই বলা যায়। শনিবার যশোরে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সমাবেশে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তো 'সাইবার যুদ্ধ' কথাটিই উল্লেখ করেছেন। আমরা জানি, রাজনৈতিক প্রচার-প্রচারণায় বিশ্বের সর্বত্রই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহার হয়। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ অনেক নেতা তাদের সমর্থকদের কাছে পৌঁছাতে নিয়মিত টুইট করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে 'ডিজিটাল বাংলাদেশ' গঠনের স্লোগান তুলেছিলেন। এটা যে নিছক স্লোগান ছিল না, বরং তা বাস্তবে রূপ দিতে সরকারের আন্তরিকতা দেশবাসী প্রত্যক্ষ করেছে। এর ফলে যোগাযোগ বা কানেকটিভিটি বেড়েছে, মানুষের জীবন সহজ হচ্ছে, অর্থনীতিতে সুফল মিলছে। নির্বাচনের প্রচারে মাঠের ও রাজপথের মিছিল-সমাবেশ অবশ্যই থাকবে। একই সঙ্গে বিভিন্ন দল এবং তাদের প্রার্থী-সমর্থকরা এ মাধ্যমকে কাজে লাগাতে সচেষ্ট হবে। তাদের কাছে স্পষ্ট হয়েছে যে, বিজ্ঞানের এ সুফল ব্যবহার করে কেবল ঘরে ঘরে নয়, প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব। বিশেষ করে এ মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের অপরিসীম আগ্রহ তারা বিবেচনায় নেবেই। এমনকি যে শিশু-কিশোররা ভোটার নয়, কিন্তু শিক্ষাঙ্গনে কিংবা পরিবারে মত প্রকাশ করে মুক্তকণ্ঠে- তাদেরও পাশে পেতে চলবে তৎপরতা। আমরা এ মনোভাবকে স্বাগত জানাই। দলের কথা, নিজের যোগ্যতার কথা তারা তুলে ধরবেন। প্রতিপক্ষের দুর্বলতাও বলবেন। একই সঙ্গে যেন জোর পড়ে দেশের উন্নয়নে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর বিষয়টির প্রতি। কিন্তু সবার প্রতি অনুরোধ থাকবে, বিজ্ঞানের এ সুফলের যেন অপব্যবহার না হয়। নিকট ও দূর অতীতে ফেসবুক ও বিভিন্ন অনলাইন সুবিধা ব্যবহার করে গুজব রটিয়ে সামাজিক অশান্তি ও নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা আমরা দেখেছি। এভাবে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ছড়ানোর ঘটানোও ঘটেছে একাধিক স্থানে। কক্সবাজারের রামু, পাবনার সাঁথিয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর প্রভৃতি স্থানে ফেসবুকে মিথ্যা প্রচার করে সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং ঘরবাড়িতে হামলা চালানোর উস্কানি দেওয়া হয়েছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময়েও আধুনিক প্রযুক্তির অপব্যবহার হতে আমরা দেখেছি। এর পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে, সে জন্য সব রাজনৈতিক দল ও সামাজিক শক্তিকে সচেতন থাকতে হবে। বিশেষভাবে তৎপর হতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। নির্বাচনে ভোটারদের মনোযোগ আকর্ষণ ও প্রতিপক্ষকে দুর্বল কিংবা ঘায়েল করার জন্য এমন কোনো পদক্ষেপ যেন কেউ গ্রহণ না করে, যা দেশ ও জনগণের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে ওঠে- সেটা নিশ্চিত করায় প্রধান ভূমিকা তাদেরই নিতে হবে।

পরবর্তী খবর পড়ুন : নজর পড়ূক মনোজগতে

ছাত্রী প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখান করায় মাকে কুপিয়ে হত্যা

ছাত্রী প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখান করায় মাকে কুপিয়ে হত্যা

চট্টগ্রামে ছাত্রী প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বাসায় ঢুকে তার ...

চীনে বিড়ম্বনায় ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’

চীনে বিড়ম্বনায় ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’

মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় সেরার মুকুট করে ঐশী এখন অংশ ...

চট্টগ্রামে রেকর্ডের সামনে সাকিব-মুশফিকরা

চট্টগ্রামে রেকর্ডের সামনে সাকিব-মুশফিকরা

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির সিরিজ গেছে টাইগারদের। শুরুতে সফরকারীদের কাছে টেস্ট ...

ঢাবিতে বিআরটিসি বাসের নিচ থেকে নবজাতক উদ্ধার

ঢাবিতে বিআরটিসি বাসের নিচ থেকে নবজাতক উদ্ধার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের কার্জন হলের সামনের সড়কে পার্কিং করা বিআরটিসি ...

স্কাইপি আবার চালু

স্কাইপি আবার চালু

দেশে হঠাৎ করে বন্ধ হওয়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম স্কাইপি আবার ...

চট্টগ্রাম টেস্টে বাদ পড়ছেন কে?

চট্টগ্রাম টেস্টে বাদ পড়ছেন কে?

জিম্বাবুয়ে সিরিজের সপ্তাহখানেক বাদেই মাঠে নামছে বাংলাদেশ দল। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ...

নৌবাহিনীর ঘাঁটিতে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে নিহত ৩

নৌবাহিনীর ঘাঁটিতে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে নিহত ৩

খুলনা মহানগরীর খালিশপুরে নৌবাহিনীর তিতুমীর ঘাঁটিতে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে ...

বিয়ের প্রস্তাবের সাক্ষী একদল বেজিও!‍

বিয়ের প্রস্তাবের সাক্ষী একদল বেজিও!‍

জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা বিয়ে। সেই বিয়ের প্রস্তাবকে স্মরণীয় করে ...