শিক্ষার্থী গ্রেফতার

স্বচ্ছতা থাকতেই হবে

প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮      

সেই ১২ শিক্ষার্থীকে গ্রেফতার দেখাল পুলিশ- মঙ্গলবার সমকালে প্রকাশিত এ শিরোনামের প্রতিবেদন থেকে ধারণা মেলে, গোটা প্রক্রিয়ায় আইনি বিধিবিধান যথাযথ অনুসরণ করা হয়নি। এক কথায়, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পদক্ষেপে স্বচ্ছতার ঘাটতি রয়েছে। গত ৬ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সমকালে বাসা থেকে হঠাৎ 'উধাও' ছয় তরুণ শিরোনামের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলের একটি বাসা থেকে তাদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। তারা মেসে বসবাস করত। পুলিশের সঙ্গে এদের পরিবারের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করলে গ্রেফতারের কথা অস্বীকার করা হয়। কিন্তু সোমবার ডিএমপির পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে যে ১২ জনকে গ্রেফতারের কথা স্বীকার করা হয়েছে, তাদের মধ্যে এই ছয়জন রয়েছে। আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে নিখোঁজদের পরিবারের পক্ষ থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছিল, যার জবাবে পুলিশ বলেছে- 'তারা পরিবারের সঙ্গে বসবাস করেন না। কোথায় কী করেন, তাও জানে না পরিবার। তারা শিবিরের কর্মী।' সংবাদ সম্মেলন শুরুর আগে পুলিশের তরফে কয়েকটি ভিডিও ক্লিপ দেখানো হয়, যাতে গ্রেফতারকৃত একজনকে এক মন্ত্রীর গাড়িতে কার্টুন আঁকতে দেখা যায়। পুলিশের দাবি, নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের সাম্প্রতিক আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়ায় গ্রেফতারকৃতরা। অভিযোগ গুরুতর- সন্দেহ নেই এবং তাতে সত্যতাও থাকতে পারে। সন্তান কী করছে, সে বিষয়ে পরিবারও দায় এড়াতে পারে না। তারা বিভ্রান্ত হতে পারে, দুষ্টচক্রের খপ্পরেও পড়তে পারে। কিন্তু দেশের যে কোনো নাগরিকের মতো আইনি সুরক্ষা পাওয়ার অধিকারও তাদের রয়েছে। এ ক্ষেত্রে তার ব্যত্যয় ঘটেছে- তাতে সন্দেহ নেই। যে কাউকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গ্রেফতার করলে দ্রুততম সময়ে তাকে আদালতে হাজির করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে লুকোচুরির আশ্রয় নেওয়া উচিত নয়। ফলে জনমনে শুধু বিভ্রান্তিই সৃষ্টি হয় না, গোলযোগ ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য প্রকৃতই দায়ী ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের জন্য সহানুভূতিও দেখা দিতে পারে। 'অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি বা ব্যক্তিরা তুলে নিয়ে গেছে'- এমন অভিযোগ বিভিন্ন সময়ে উঠছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীই এ কাজ করে- এমন ধারণা বদ্ধমূল হতে থাকলে ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরেও এমনটি ঘটতে পারে। অপরাধীচক্রও কাউকে 'তুলে নিয়ে' তার দায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর চাপিয়ে দিলে পুলিশের জন্য সেটা নিশ্চয় সুখকর হবে না। আটক তরুণদের ১১ জনকে দু'দিন এবং একজনকে চার দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। প্রকৃতই তারা শিক্ষার্থীদের নিরাপদ সড়কের আন্দোলনকে বিপথগামী করার মতো শক্তি-সামর্থ্য রাখে কিনা, সেটা নিশ্চয় এ প্রক্রিয়ায় জানা যাবে। তবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এটা মনে রাখতে অনুরোধ জানাব যে, তাদের প্রকৃত উদ্দেশ্য বিষধর সাপটিকে ধরা; কোনোভাবেই রশি দেখে বিভ্রম সৃষ্টি যেন না হয়।
নিয়ম রক্ষার ম্যাচে বিকেলে মুখোমুখি ভারত-আফগানিস্তান

নিয়ম রক্ষার ম্যাচে বিকেলে মুখোমুখি ভারত-আফগানিস্তান

এশিয়া কাপের সুপার ফোরে ভারত-আফগানিস্তানের আজ মঙ্গলবারের ম্যাচটি শুধুই নিয়ম ...

গভীর সমুদ্রে ৪৯ দিন ভেসে থেকে বেঁচে ফিরলেন যিনি

গভীর সমুদ্রে ৪৯ দিন ভেসে থেকে বেঁচে ফিরলেন যিনি

গভীর সমুদ্রে টানা ৪৯ দিন ভেসে ছিলেন ইন্দোনেশিয়ার আলদি নোভেল ...

ফিফার ‘দ্য বেস্ট’ মডরিচ

ফিফার ‘দ্য বেস্ট’ মডরিচ

রোনালদো ফিফার বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে যান নি। তাতেই ...

ঐক্যের চাপে বিএনপি

ঐক্যের চাপে বিএনপি

সব দলের অংশগ্রহণে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে 'বৃহত্তর জাতীয় ...

কোটি টাকায় কেনা দীর্ঘশ্বাস

কোটি টাকায় কেনা দীর্ঘশ্বাস

ধানমণ্ডিতে সুপরিসর একটি ফ্ল্যাট কেনার উদ্যোগ নিয়েছিলেন ব্যবসায়ী আহাদুল ইসলাম। ...

বিএনপির জনসভায় আমন্ত্রণ পাচ্ছে না জামায়াত

বিএনপির জনসভায় আমন্ত্রণ পাচ্ছে না জামায়াত

বিএনপির বৃহস্পতিবারের সম্ভাব্য জনসভায় ২০ দলের শরিক জামায়াতে ইসলামীকে কৌশলগত ...

প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটের ক্রুর মাদক সেবন

প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটের ক্রুর মাদক সেবন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফ্লাইটের এক কেবিন ক্রুর মাদক সেবন ও ...

দুদককে পঙ্গু করতে চায় একটি মহল

দুদককে পঙ্গু করতে চায় একটি মহল

দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) একটি অথর্ব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে অপতৎপরতা ...