'পাগলে কিনা বলে ...'

কালের আয়নায়

প্রকাশ: ১৩ জানুয়ারি ২০১৮      

আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী

আজকের লেখাটি শুরু করার আগে ঢাকায় আমার এক তরুণ সাংবাদিক বন্ধুকে জিজ্ঞেস করেছি, পদ্মা সেতু প্রকল্প নিয়ে খালেদা জিয়ার বক্রোক্তির জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে বলেছেন, 'পাগলে কিনা বলে, ছাগলে কিনা খায়'- এ সম্পর্কে বিএনপি ও বিএনপির সমর্থক মহলের প্রতিক্রিয়া কী? তরুণ সাংবাদিক বললেন, 'এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া চোখে পড়েনি। হয়তো তারা দিয়েছেন। আমার নজরে আসেনি।' বলেছি, সেকি মির্জা ফখরুল ও রিজভী সাহেব এখনও নীরব? তা হতে পারে না। তাছাড়া অনুগত সুশীল সমাজের দু'একজন প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যের প্রতিবাদ জানানোর এমন একটি মওকা কি ছেড়ে দেবেন?

হয়তো আরও দু'একদিন অপেক্ষা করলে জানা যাবে, প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য সম্পর্কে তার বিরোধী মহলের প্রতিক্রিয়া কী? তবে প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য ঢাকার সব দৈনিকে সঠিকভাবে প্রকাশিত হয়নি। কোনো কোনো কাগজে মন্তব্যটির শিরোনাম দেওয়া হয়েছে- 'প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে পাগল বলেছেন'; কিন্তু পার্লামেন্টে দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সবটা পাঠ করে আমার মনে হয়েছে, তিনি খালেদা জিয়াকে সরাসরি পাগল বলেননি। একটি বহুল প্রচলিত প্রবাদবাক্য উল্লেখ করে খালেদা জিয়ার কথাবার্তাকে পাগলামির সমতুল্য বলতে চেয়েছেন।

কারণ, নির্মীয়মাণ পদ্মা সেতু নিয়ে সম্প্রতি খালেদা জিয়া যে মন্তব্য করেছেন, তা শুধু হঠকারিতাপূর্ণ নয়, তার মধ্যে যে দেশপ্রেমবোধের কিছু মাত্র নেই তা স্পষ্ট বোঝা যায়। তিনি বলেছেন, 'পদ্মা সেতু জোড়াতালি দিয়ে করা হচ্ছে। তাতে কেউ যেন আরোহণ না করে।' তা বিপজ্জনক হবে, এটাই তিনি বোঝাতে চেয়েছেন। কাকে বোঝাতে চেয়েছেন? দেশবাসীকে নয় কি? এবং তা ক্ষুদ্র দলীয় স্বার্থে করতে চেয়েছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের এত বড় একটি পরিকল্পনা, যা জাতির বৃহত্তর স্বার্থ বহন করে, তাকে হেয় করার জন্য এই মন্তব্য শুধু হঠকারিতা নয়, তা দেশপ্রেম-বর্জিত, জাতীয় স্বার্থ উপেক্ষা করার পাগলামিও এবং এই পাগলামি ছোটখাটো ধরনের নয়।

প্রত্যেক গণতান্ত্রিক দেশেই ছোট-বড় বিরোধী দল আছে। তারা ক্ষমতাসীন দলের রাজনৈতিক ও দলীয় কর্মসূচির বিরোধিতা করে। কিন্তু বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থের বেলায় সরকারি ও বিরোধী দল এক হয়ে যায়। টনি ব্লেয়ারের অবৈধ ইরাক যুদ্ধের সময়ও দেখা গেল, বিরোধী টরি দল তাকে সমর্থন জানাচ্ছে। এমনকি ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখছে; ভারতে কংগ্রেস ও বিজেপি দলের মধ্যে এত ক্ষমতার লড়াই। কিন্তু বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থের ইস্যুতে দেখা যায়, তারা এক। একমাত্র বাংলাদেশের বিএনপির বেলাতেই দেখা যায়, বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থ জড়িত আওয়ামী লীগ সরকারের কোনো কর্মসূচিতেই তারা সমর্থন দিতে পারে না। এমনকি আওয়ামী লীগের বিরোধিতা করার লক্ষ্যে স্বাধীনতার যুদ্ধ এবং তার মূল আদর্শের বিরোধিতা করতেও তাদের বিবেকে বাধে না।

পদ্মা সেতু আওয়ামী লীগের দলীয় স্বার্থে নয়, বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থে নির্মাণ প্রয়োজন। বিশ্বব্যাংক থেকে শুরু করে পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলো এই নির্মাণকাজে বাধা সৃষ্টির নানা চক্রান্ত করেছে। হাসিনা সরকার এই সেতু নির্মাণের জন্য অসম সাহসিক লড়াই চালিয়েছেন এবং দেশ-বিদেশে প্রশংসা অর্জন করেছেন। কিন্তু এ ক্ষেত্রেও বিএনপির গাত্র-জ্বালা। দেশের এত বড় উন্নয়ন কর্মযজ্ঞে কোথায় তারা আওয়ামী লীগ সরকারকে সমর্থন জানাবেন, না, তার বিরোধিতায় রাতের ঘুম, দিনের বিশ্রাম হারাম করেছেন। এ ব্যাপারে আমাদের নোবেল লরিয়েট ড. ইউনূস এবং তার 'মুরিদরাও' কম চক্রান্ত করেননি।

এসব চক্রান্ত ব্যর্থ করে আজ যখন পদ্মা সেতু প্রকল্প বাস্তবায়িত হতে চলেছে, তখন দেশের একটি বৃহত্তম রাজনৈতিক দলের নেতা হওয়া সত্ত্বেও খালেদা জিয়া দেশবাসীকে ভয় দেখাচ্ছেন। এই সেতুতে কেউ চড়তে যাবেন না। কারণ এটা জোড়াতালি দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে (অর্থাৎ ভেঙে পড়বে)। প্রধানমন্ত্রী এই পাগলামির চমৎকার জবাব দিয়েছেন। বলেছেন, 'সব সেতুই ভিন্ন ভিন্ন পার্টস জোড়া লাগিয়ে তৈরি করা হয়। আস্ত সেতু এনে কেউ নদীর ওপর বসায় না।' প্রধানমন্ত্রীর উক্তির সূত্র ধরেই বলা চলে, খালেদা জিয়া একাধিকবার দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তখন তিনি পদ্মা নদীর ওপর একটি আস্ত সেতু বসাননি কেন? যদি বসাতে পারতেন, তাহলে বোঝা যেত, তিনি কত বড় সেতু বিশেষজ্ঞ!

বঙ্গবন্ধু যমুনা সেতুর উদ্বোধন হয়েছে হাসিনা সরকারের আমলেই। দীর্ঘ কয়েক বছরে সেই সেতুতে ছোটখাটো মেরামত করতে হয়েছে। সেতুটি ভেঙে পড়েনি। আর পদ্মা সেতু নির্মিত না হতেই ভেঙে পড়তে যাবে? বিএনপি-জামায়াতের শাসনামলে দেশের কোন বড় কাজটি হয়েছে? তারেক রহমানের দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের দুর্গ হাওয়া ভবন তৈরি করা ছাড়া? এই হাওয়া ভবন এখন লন্ডনে স্থানান্তরিত হয়েছে। তবে এই হাওয়া ভবনের অঢেল সম্পদ দেশে নেই। বিদেশি পত্রপত্রিকার মতে, তা সৌদি আরব, কুয়েত, দুবাই, মালয়েশিয়া প্রভৃতি দেশে স্থানান্তরিত হয়ে গেছে।

সম্প্রতি আমেরিকায় প্রকাশিত একটি বই সারাবিশ্বে আলোড়ন তুলেছে। বইটির নাম 'ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি'। লেখক মাইকেল উলফ। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার হোয়াইট হাউসের কীর্তিকলাপ সম্পর্কে তিনি যে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন, তা সত্য হলে বলতে হবে, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট পদে বসার অযোগ্যতা, মানসিক অসুস্থতা, কাণ্ডজ্ঞানহীনতা ও পাগলামি সম্পর্কে ইতিপূর্বে তার ঘনিষ্ঠ মহলের কেউ কেউ যেসব কথা বলেছেন, তা হয়তো সঠিক। কিছুদিন আগে উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেছেন, 'অ্যাটম বোমা ছোড়ার বাটনটি তার টেবিলেই রয়েছে।' অমনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, 'তার হাতে আণবিক বোমার আরও বড় বাটন রয়েছে।' এই উক্তি শুনে আমেরিকার মাটিতেও ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধিক্কার ধ্বনি উঠেছে। অনেকেই বলেছেন, লোকটির মাথা ঠিক নেই অর্থাৎ তিনি পাগল।

বিশ্বের একটি সুপারপাওয়ারের নেতা সম্পর্কে যদি প্রকাশ্যে এসব কথা বলা যায়, তাহলে খালেদা জিয়ার অতীত ও বর্তমানের কথাবার্তা এবং কার্যকলাপ লক্ষ্য করে কেউ যদি তাকে একই অভিধায় ভূষিত করেন, তা কি অন্যায় হবে? প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তবু তাকে পাগল বলেননি। তার কথাবার্তাকে পাগলামির নামান্তর বলেছেন। এটা যে অসত্য নয়, তার একটা সাম্প্রতিক উদাহরণ দেই। মার্কিন পত্রপত্রিকাতেই খবর বেরিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পরিকল্পনা আঁটছেন, যাতে হিলারি ক্লিনটন পরবর্তী পর্যায়েও আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হতে না পারেন এবং তিনি চান, তার কন্যা ইভাঙ্কা যাতে তার পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হন।

হোয়াইট হাউসে এখন প্রেসিডেন্টের চেয়েও ইভাঙ্কার দাপট বেশি। লন্ডনের সানডে টাইমসের মতে, হোয়াইট হাউসের স্টাফরা মনে করেন, ইভাঙ্কাই ট্রাম্পের 'আসল পত্নী'  (Staffsee Ivanka as Tramps Ôreal wife) অর্থাৎ ট্রাম্পের স্ত্রী নয়, তার কন্যাই পিতার ওপর সব ব্যাপারে খবরদারি করছে।

খালেদা জিয়ার ব্যাপারেও এ রকম একটি খবর জানা যায় গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সামরিক প্রধান জেনারেল মইনের এক সাম্প্রতিক উক্তিতে। তিনি নিউইয়র্কে প্রকাশ করেছেন, ২০০৬ সালে প্রধানমন্ত্রী থাকার শেষ পর্যায়ে (জেনারেল মইন তখন প্রধান সেনাপতি) খালেদা জিয়া প্রধান সেনাপতিকে ডেকে পাঠান এবং আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে জয়ী হতে না দিয়ে বিএনপিকে ক্ষমতায় রাখার কাজে সহযোগিতা চান। খালেদা জিয়ার পরিকল্পনা ছিল, পরবর্তী নির্বাচনের পর তিনি দেশের প্রেসিডেন্ট হবেন এবং তারেক রহমান হবেন প্রধানমন্ত্রী। দেরিতে হলেও খালেদা জিয়ার এই পরিকল্পনার কথা এখন ফাঁস হয়ে গেছে। অবশ্য এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তিনি এখনও কাজ করছেন। এ ব্যাপারে কেউ যদি মনে করেন, ট্রাম্পের মানসিকতার সঙ্গে খালেদা জিয়ার মানসিকতার মিল আছে, তাকে দোষ দেওয়া যাবে কি? এটা কি সুস্থ, না অসুস্থ মানসিকতা?

বাংলাদেশে আমেরিকার মাইকেল উলফের মতো একজন সাহসী ব্যক্তির দরকার ছিল। যিনি খালেদা জিয়ার শাসনামল নিয়ে 'ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি'র মতো একটি বই লিখতে পারেন, তাহলে দেখা যেত, এই শাসনামলে যে অসংলগ্ন, অসঙ্গত, সততা ও সৎ-উদ্দেশ্যবিহীন কথাবার্তা বলা হয়েছে এবং কাজকর্ম করা হয়েছে, তা কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রতিহিংসাপরায়ণতা, মানসিক অসুস্থতা ও পাগলামির পর্যায়ে পড়ে।

জাতির জনক, তার পত্নী, দশ বছরের শিশুপুত্র, আরও দুই পুত্র, তাদের দুই স্ত্রী, যাদের হাতে সদ্য বিয়ের মেহেদির রঙ ঘোচেনি, তাদের নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ডের দিনটিকে কেউ সুস্থ মাথায় নিজের জন্মদিন বানিয়ে কি নিলর্জ্জ উৎসবে মেতে উঠতে পারেন? স্বাধীনতা যুদ্ধের চিহ্নিত ও প্রমাণিত শত্রুদের এনে ক্ষমতার ভাগীদার করতে পারেন? এ কথা বলতে পারেন, পার্বত্য শান্তিচুক্তির ফলে ভারত বাংলাদেশের এক-দশমাংশ দখল করে নিয়েছে? বলতে পারেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে মসজিদে আজানের পরিবর্তে উলুধ্বনি শোনা যাবে? নিজেদের গণতান্ত্রিক দল বলে দাবি করে কেউ কি বলতে পারেন, আওয়ামী লীগ আগামী ৫০ বছরেও ক্ষমতায় আসতে পারবে না অর্থাৎ ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হবে না? এগুলো কি সুস্থ রাজনৈতিক বক্তব্য, না অসুস্থ মস্তিস্কপ্রসূত উক্তি?

শেখ হাসিনা ভালো হোক, মন্দ হোক, জাতির সামনে একটা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন তুলে ধরেছেন। তার সাফল্য ও ব্যর্থতা নিয়ে অবশ্যই বিতর্ক চলতে পারে। কিন্তু খালেদা জিয়া বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক চরিত্র বদল করে, তার মুক্তিযুদ্ধের সমস্ত ফসল বিনষ্ট করে কোন বাংলাদেশ গড়তে চেয়েছিলেন? একটি তালেবানি বাংলাদেশ নয় কি? কোন গণতান্ত্রিক দল রাষ্ট্রক্ষমতায় বসে নিজেদের মনোনীত রাষ্ট্রপতিকে অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে বঙ্গভবনে তার অবস্থানের সময়ই আরেক ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি পদে বসিয়ে ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটনায়? আমি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ রাষ্ট্রপতি থাকাকালে তাকে অসুস্থ ঘোষণা করে জমিরউদ্দিন সরকারকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি পদে বসানোর কথা পাঠকদের স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি। এ সময় ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ বিশ্বাসভাজন রাষ্ট্রপতি ছিলেন না।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যেমন হোয়াইট হাউসে উচ্চপদে তারই নিযুক্ত একাধিক কর্মকর্তাকে কন্যা-জামাতার ইচ্ছায় পদচ্যুত করেছেন, বাংলাদেশে তেমনি পুত্র তারেক রহমানের ইচ্ছায় দলের মনোনীত রাষ্ট্রপতি পদ থেকে ড. বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে প্রায় ঘাড় ধাক্কা দিয়ে অপসারণ করা হয়। এর কোনো নজির সভ্য গণতান্ত্রিক দুনিয়ায় আছে কি? ভারতীয় গণতন্ত্রে নেহরু প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্রপ্রসাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিরোধ চরমে পৌঁছেছিল। কেউ কেউ বলেন, রাজেন্দ্রপ্রসাদ নেহরুকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে অপসারণের উপায়ের কথা ভাবছিলেন। কিন্তু সে কাজে তিনি অগ্রসর হননি। আবার নেহরুও রাজেন্দ্রপ্রসাদের ইচ্ছার কথা জেনেও তাকে রাষ্ট্রপতি পদ থেকে অপসারণের কথা ভাবেননি। তাকে তার পদে থাকার মেয়াদ পূর্ণ করতে দিয়েছেন।

একমাত্র বাংলাদেশে বিএনপির শাসনামলে দলের ভেতরে ও বাইরে মাতা ও পুত্র যাদেরই অপছন্দ করেছেন, তাদের নির্মমভাবে রাজনীতি থেকে উৎখাতের জন্য চেষ্টা করেছেন। বিরোধী দলের নেত্রী থাকাকালে শেখ হাসিনাকে তার দলের সব নেতাসহ গ্রেনেড হামলায় হত্যা করার চেষ্টা করেছেন। খালেদা জিয়া তার মন্ত্রিসভায় তার পুত্রের মনোনয়নে এমন এক ব্যক্তিকে এনে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী করেছিলেন, যে পুলিশের খাতায় একজন দাগি-চোরাচালানি হিসেবে চিহ্নিত ও অভিযুক্ত ছিল। বিএনপির রাজত্ব শেষ হওয়ার পর সে এখন জেলে।

তালিকা দীর্ঘ করে লাভ নেই। সংবাদপত্রে 'ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি' বইটির যেটুকু অংশ প্রকাশিত হয়েছে, তাতে পড়তে পড়তে ভাবছিলাম, বিএনপির শাসনামলের কাহিনী নিয়ে কেউ এমন বই লিখলে অবশ্যই সেই বইটিও বেস্ট সেলার হতো। এই বই লিখতে পারতেন আমার দুই বন্ধু সাংবাদিক ফয়েজ আহ্‌মদ এবং এবিএম মূসা। আমাদের দুর্ভাগ্য, দু'জনেই এখন বেঁচে নেই।

লন্ডন, ১২ জানুয়ারি শুক্রবার, ২০১৮

রাত ১১টার পর ফেসবুক বন্ধ করে দেয়া উচিত: রওশন

রাত ১১টার পর ফেসবুক বন্ধ করে দেয়া উচিত: রওশন

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক রাত ১১টার পর বন্ধ করে দেয়া ...

বিশ্বে প্রতি ৫ সেকেন্ডে ১ শিশুর মৃত্যু: জাতিসংঘ

বিশ্বে প্রতি ৫ সেকেন্ডে ১ শিশুর মৃত্যু: জাতিসংঘ

ইউনিসেফ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), জাতিসংঘের জনসংখ্যা বিভাগ ও বিশ্ব ...

বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু

বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু

লিজা আক্তার। বয়স মাত্র ৬ বছর। চোখের সামনে বাবা ট্রেনে ...

বন্যা পরিস্থিতি উন্নতির সম্ভাবনা

বন্যা পরিস্থিতি উন্নতির সম্ভাবনা

ব্রহ্মপুত্র, আপার মেঘনা ও গঙ্গা অববাহিকার পানি কমা অব্যাহত রয়েছে। ...

স্ত্রীসহ ডিআইজি মিজানুরকে দুদকে তলব

স্ত্রীসহ ডিআইজি মিজানুরকে দুদকে তলব

ক্ষমতার অপব্যবহার করে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পুলিশ সদর দপ্তরের ...

'গ্রিন টি'র ঘোষণা দিয়ে ইথিওপিয়া থেকে আনা ২০৮ কেজি খাথ জব্দ

'গ্রিন টি'র ঘোষণা দিয়ে ইথিওপিয়া থেকে আনা ২০৮ কেজি খাথ জব্দ

চট্টগ্রামে 'গ্রিন টি' হিসেবে ঘোষণা দিয়ে বাংলাদেশে আনা নতুন ধরনের ...

সেই দুই কিশোরীর লাশের পরিচয় মিলেছে

সেই দুই কিশোরীর লাশের পরিচয় মিলেছে

সাভারের আশুলিয়া ব্রিজ সংলগ্ন তুরাগ নদ থেকে বুধবার উদ্ধার করা ...

ভোট ছাড়া ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা করবেন না: কাদের সিদ্দিকী

ভোট ছাড়া ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা করবেন না: কাদের সিদ্দিকী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্দেশ্যে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর ...