দফার রাজনীতি

সমকালীন প্রসঙ্গ

প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০১৮      

আহমদ রফিক

দফার রাজনীতিতে অভ্যস্ত বাংলাদেশ। যেমন স্বাধীনতা-পূর্বকালে, তেমনি কিছুটা হলেও দেশবিভাগ-পূর্বকালে। ইংরেজ শাসনের অন্তলগ্নে ১৯৪৬-এর প্রাদেশিক নির্বাচন (স্বতন্ত্র নির্বাচন) ছিল মূলত একদফাভিত্তিক। সম্প্রদায় ভিত্তিতে ব্রিটিশ প্রবর্তিত স্বতন্ত্র নির্বাচন। মুসলমান আসনে প্রার্থীদের জন্য মুসলিম লীগের এক দফা অর্থাৎ পাকিস্তানের দাবিতে নির্বাচন। শক্ত-সমর্থ প্রতিদ্বন্দ্বী আর কোনো দলই ছিল না তাদের নির্বুদ্ধিতার কারণে। সে নির্বাচনে জিন্নাহর অলিখিত নির্দেশ- মুসলমানদের স্বার্থে মুসলিম লীগের পক্ষে ভোট চাই, গ্রামে গ্রামে কলাগাছে, শহরে লাইটপোস্টে

অর্থাৎ মার্কা বা প্রতীক যাই হোক, ভোট মুসলিম লীগের বাক্সেই দিতে হবে। দিয়েছিল বাঙালি মুসলমান অন্ধ আবেগে, পাকিস্তানের পক্ষে। সম্প্রদায়বাদী দ্বিজাতিতত্ত্বের প্রবক্তা মুসলিম লীগকে।

কিন্তু পাকিস্তান আমলের পুরো সময়টাতেই বাঙালিকে এই দফার লড়াই চালাতে হয়েছে কি নির্বাচনে, কি আন্দোলনে। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে ২১ দফা থেকে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের ৬ দফা, ছাত্রদের ১১ দফা এবং প্রতিটি রাজনৈতিক দলের দফাভিত্তিক আন্দোলনে। ১৯৭০-এর নির্বাচনেও ৬ দফা আওয়ামী লীগের। জয় এসব দফারই। স্বাধীনতার আন্দোলনও ১৯৭১-এ গিয়ে এক দফায় পরিণত।

দুই. স্বাধীন বাংলাদেশে বিষয়টি ভিন্ন ধারাতেই চলেছে। তেমন তাৎপর্যপূর্ণ দফার প্রাধান্য দেখা যায়নি, নির্বাচনী ইশতেহারে বা তার পূর্বপ্রস্তুতিতে জোটবদ্ধতা এ আমলের বৈশিষ্ট্য নানা সংখ্যায়, যেমন ১৪ দলীয় জোট। এ বছরটিকে (২০১৮) আমরা আগেও চিহ্নিত করেছি নির্বাচনের বছর হিসেবে। তৃণমূল স্তর থেকে নির্বাচন সিটি করপোরেশনে এসে পৌঁছেছে। সামনে সংসদ নির্বাচন। তার প্রস্তুতিতে রাজনৈতিক মেরুকরণ, ভাঙাগড়ার পালা।

হাতে মাত্র ক'টা মাস। এ ক্ষেত্রে ১৪ দলীয় জোট মোটামুটি সুস্থির। প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোট অস্থির অবস্থায়। তারা রাজপথে বা মাঠে নামতে পারছে না- এমনটা তাদের অভিযোগ। তাদের প্রধান দলীয় শক্তির একজন কারাগারে (দুর্নীতি মামলায়), অন্যজন বিদেশে। তাদের সমস্যা দল গোছানো নিয়ে। তাই জোটের শক্তি বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে বাইরে হাত বাড়ানো নতুন সদস্যের সন্ধানে।

এই তাগিদেরই প্রকাশ চোখে পড়ল একটি দৈনিকের প্রথম পাতার সংবাদ শিরোনামে : 'বৃহত্তর ঐক্যের জন্য বিএনপির সাত দফায় হঠাৎ করে 'দফা' শব্দটি পুরনো দিনের দফার রাজনীতির ইতিকথা স্মরণে এনে দিল। এ সাত দফা অবশ্য নির্বাচনী দফায় নয়, নির্বাচন-পূর্ব জোট গোছানোর দফা। কিন্তু রাজনৈতিক আদর্শে সমমনা না হলে কি জোটবদ্ধতায় শক্তির প্রকাশ ঘটে? শর্তসাপেক্ষে জোট?

প্রসঙ্গত, বিএনপির নির্বাচনী রাজনীতি নিয়ে দু'এক কথা বলতে হয়। সংক্ষেপে বলতে গেলে বিএনপি ইতিপূর্বে অপরিণত বুদ্ধির প্রভাবে নির্বাচন পরিচালনার শর্তাদি নিয়ে টানাপড়েনে সংলাপে অংশগ্রহণ না করে বিচক্ষণতার পরিচয় দেয়নি। বাস বা ট্রেন একবার 'মিস' করলে তাকে আর ধরা যায় না। এ ভুলটা অনেক বিশ্নেষকের মতে গুরুতর ছিল।

প্রথম কথা, নির্বাচনে প্রতিবারই জিতব, একবারও হারব না- এটা গণতান্ত্রিক রাজনীতির সাধারণ নিয়মে পড়ে না। অবশ্য 'জেতার' প্রত্যাশা তো থাকবেই। প্রত্যাশা নিয়ে জীবন। রাজনৈতিক অঙ্গনেও কথাটা সত্য। তবু প্রত্যাশা পূরণ না হওয়াটাও বাস্তবতা। তারা তাদের ভুল সংশোধন বা প্রত্যাশা পূরণ করতে গিয়ে জামায়াতকে সঙ্গী করে সরকার পতনের ডাক দিয়ে রাজপথে সহিংসতার যে আগুন জ্বেলেছিল, তা ছিল আরও মারাত্মক ভুল।

যে কোনো যুক্তিবাদী বিবেচনায় তা ছিল আত্মঘাতী। সে আগুন ছড়িয়ে গিয়েছিল দেশের সবখানে। ঘটে বিএনপির অবাঞ্ছিত জনবিচ্ছিন্নতা। শুধু তাই নয়, প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলের হাতে এটা ছিল তুরুপের তাস তুলে দেওয়া। সে তাস তো তারা ব্যবহার করবেই এবং করেছেও নানাভাবে। বিএনপিকে সে রাজনৈতিক নির্বুদ্ধিতার মাশুল গুনতে হচ্ছে দীর্ঘ সময় ধরে।

তারা কখনও ভেবে দেখেনি, জামায়াতের অন্তর্গত শক্তি যতই হোক, নির্বাচনের মাঠে তাদের জনসমর্থন কতটুকু, কত শতাংশ? স্মর্তব্য যে, নব্বইয়ের দশকের প্রথম দিকে বিএনপি এবং আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ময়দানে জনসমর্থনের ব্যবধান খুব বেশি ছিল না। তাই তখন পালাক্রমে তাদের জয়-পরাজয়। সে অবস্থান ধরে রাখার রাজনৈতিক কৌশলে বিএনপি কতটা সফল- তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। শুধু সংসদীয় রাজনীতিতেই নয়, সব মতাদর্শের রাজনীতিতেই সাফল্যের বড় শর্ত দৃঢ় জনসমর্থন এবং তা জনবান্ধব রাজনীতির মাধ্যমে। অবশ্য এর পেছনে রাজনৈতিক কলাকৌশলের কেরামতিও থাকে। সে ক্ষেত্রে যার দক্ষতা-চাতুর্য বেশি, জিত তারই। রাজনৈতিক বিশ্নেষক কারও কারও মতে, এদিক থেকে গত এক-দেড় দশকে বিএনপি পিছিয়ে পড়েছে।

তিন. কোণঠাসা বিএনপি সম্প্রতি নির্বাচন সামনে রেখে তাদের রাজনৈতিক পদক্ষেপ এবং নির্বাচন বিষয়ক নীতি ও কৌশল নির্ধারণে মনে হয়, এখনও সঠিক পথের সন্ধানে রয়েছে। এদের জনাকয় শীর্ষস্থানীয় নেতার বক্তব্য যথেষ্ট স্পষ্ট নয়। তবে তারা যে জোট শরিক বৃদ্ধির চেষ্টায় আছে, তা স্পষ্ট পূর্বোক্ত সংবাদে। কিছুদিন থেকেই লক্ষ্য করা গেছে, সাবেক বিএনপি নেতা বি. চৌধুরীর সঙ্গে সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা কামাল হোসেনের মতবিনিময়ের ঘনিষ্ঠ কথকতা।

তারা দু'জনই দলত্যাগী এবং নতুন দলের নেতা- যথাক্রমে তৃতীয় ধারা (বিকল্পধারা) ও গণফোরামের প্রধান। যে কারণেই হোক, জনসমর্থনের ক্ষেত্রে দল দুটি হালে পানি পায়নি। কিন্তু সমস্যা হলো বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের সম্ভবত বড় সংকট নেতৃত্বের প্রশ্নে বিভাজন প্রবণতা, বিশেষ করে তা বিচ্ছিন্ন নতুন দল ও ছোট দলগুলোতে (বামসহ)।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের প্রধান ও বড় দুই দলের মধ্যে এদিক থেকে আওয়ামী লীগ দৃঢ় অবস্থানে। বিএনপিও প্রায় সমঅবস্থানে এবং তৃতীয় প্রধান দল জাতীয় পার্টি কিছুটা পশ্চাৎ অবস্থানে। শেষোক্ত দুই দলে অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ ও আলোড়ন আছে, এক চিলতে ভাঙন আছে; কিন্তু বড়সড় ভাঙনের সমস্যা নেই। বিশেষ বিচারে ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে জাতীয় পার্টি জোটবদ্ধ হয়ে অস্তিত্ব সংকটে, বিশেষ করে তাদের দ্বিধাবিভক্তি (দাম্পত্য কলহে) দলটিকে দুর্বল করে ফেলেছে।

এ পরিপ্রেক্ষিতে জামায়াতসহ ইসলামী দলগুলোর হুমকি ও ঘোষণা হাঁকডাকের তুলনায় তাদের জনসমর্থন (ভোটার সমর্থন) বরাবরই অকিঞ্চিৎকর। বর্তমান রাজনৈতিক এমন এক পটভূমিতে বিএনপি জোট বৃহত্তর ঐক্যের উদ্দেশ্যে হাত বাড়িয়েছে গণফোরাম ও তৃতীয় ধারার দিকে, অংশত নাগরিক ঐক্য বা সুশীল সমাজের দিকেও নজর রেখে।

তাতে তাদের ভোটশক্তি বৃদ্ধি ও অন্তর্গত মতবিরোধ- এ দুই বিপরীত সম্ভাবনায় বিএনপি কতটা লাভবান হবে, সেটাই তাদের রাজনৈতিক বিবেচনায় গুরুত্ব পাওয়ার কথা। তাদের সদ্য গঠিত লিয়াজোঁ কমিটির তিন সদস্যই তাদের শীর্ষস্থানীয় গুরুত্বপূর্ণ নেতা। তাদের হিসাব-নিকাশ যুক্তিনিষ্ঠ হওয়ারই কথা। বিশেষ করে যখন প্রবীণ শিক্ষাবিদ-রাষ্ট্রচিন্তক তাদের প্রধান উপদেষ্টা; কিন্তু উপদেষ্টার সুপরামর্শ তারা কতটা গ্রহণ করে থাকেন (বিশেষত খালেদা জিয়া), তা আমাদের জানা নেই।

তাদের প্রস্তাবিত ৭ দফার শেষ দফাটি বাদ দিলে বাকি ৬ দফায় কিছু বিবেচনাযোগ্য বিষয় তো আছেই, যা নিয়ে সংলাপ চলতে পারে। অবশ্য বৃহত্তর ঐক্যে ৭ দফাই আলোচনার ভিত হতে পারে। কিন্তু যদি দ্বিতীয় লক্ষ্য হয় আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংলাপের দফা, তাহলে বলতে হয়- ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ তার শক্তিমান অবস্থানের কারণে এগুলোকে গুরুত্ব দিতে চাইবে না। তারা তো এখন আর সংলাপেই খুব একটা আগ্রহী নয়। যখন আগ্রহী ছিল, তখন বিএনপি এক শর্তের দাবি নিয়ে অনড় অবস্থানে ছিল।

আলোচনা যদি আওয়ামী নিরপেক্ষ বিএনপির বৃহত্তর ঐক্যের সম্ভাবনায় সীমাবদ্ধ রাখা যায়, তাহলে বলতে হয়- বিএনপির বর্তমান তাৎক্ষণিক লক্ষ্য রাজনৈতিক অঙ্গনের আওয়ামী লীগ-বহির্ভূত তারকা-নেতাদের নিজ প্রাঙ্গণে ঐক্যবদ্ধ করা। কিন্তু বাংলাদেশের রাজনৈতিক ঐতিহ্য এদিক থেকে পুরোপুরি শুভবার্তা বহন করে না- যুক্তিহীন মতভেদই রাজনৈতিক ঐতিহ্য। এ অবস্থায় কলহ ডেকে আনা লাভক্ষতির বিচারে কতটা সঙ্গত, তাও ভেবে দেখার মতো। এই বৃহত্তর ঐক্য চিন্তার মূল উদ্দেশ্য অন্তত প্রাক-নির্বাচনী দু'একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি আদায়ের লক্ষ্যে সব তারকাকে নিয়ে আন্দোলনে নামা, আওয়ামী লীগকে চাপে ফেলা। কিন্তু অবস্থাদৃষ্টে এটা স্পষ্ট যে, যতক্ষণ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে, ততক্ষণ তারা দাবি পূরণে মাথা নোয়াবে না। সে ক্ষেত্রে রাজপথে-মাঠে সহিংসতার প্রকাশ ঘটলে তা বিএনপি জোটের বিরুদ্ধেই যাবে, যদি আন্দোলনে ব্যাপক জনতার সক্রিয় অংশগ্রহণ না ঘটে।

জনসমর্থনের বিচারে মৃত বা নিস্তেজ তারকাদের নিয়ে আন্দোলন কতটা ফলপ্রসূ হবে, বাস্তবিকই তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। নাম উল্লেখ না করেই বলা যায়, এই দল প্রধানদের জনসমর্থন আকর্ষণের জাদুকরী শক্তি কতখানি? অথচ পদাধিকার নিয়ে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্বের অভাব নেই। বিএনপিকে স্বভাবতই ভেবে দেখতে হবে, তাদের নিয়ে জোটের শক্তি বৃদ্ধির তুলনায় অন্তদ্র্বন্দ্ব কতটা বাড়তে পারে। আপাতত বি. চৌধুরী ও কামাল হোসেন দ্বন্দ্ব মেটেনি, নিকট ভবিষ্যতে তা মিটে যেতেও পারে।

আপাতত বিএনপির বড় সমস্যা খালেদা জিয়া কারাগারে। তার বাইরে আসার সম্ভাবনা খুবই কম। তাকে বাদ দিয়ে নির্বাচনে না যাওয়ার ঘোষণা তাৎক্ষণিক কৌশল হতে পারে; কিন্তু দলের সবল অস্তিত্ব রক্ষার জন্য ভোটে অংশগ্রহণ অপরিহার্য বিষয়। কাজেই নির্বাচনে তাদের অংশগ্রহণ করতেই হবে। তাই তাৎপর্যহীন তারকাদের জোট-বন্ধনের চেয়েও তাদের পক্ষে জরুরি আত্মশক্তিতে আস্থা নিয়ে তৃণমূল স্তর পর্যন্ত সাংগঠনিক তৎপরতার শান্তিপূর্ণ বিকাশ ঘটানো, জনস্বার্থের ইস্যু নিয়ে প্রচারে। সেই সঙ্গে অবাধ, সুষ্ঠু, নিয়মনীতিনিষ্ঠ নির্বাচনের পক্ষে প্রচার। নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবিও জনসমর্থনের উপযোগী। নিয়মতান্ত্রিক প্রচার ও তৎপরতার কোনো বিকল্প নেই। জামায়াত-বিযুক্ত অবস্থান তাদের জনসমর্থন হ্রাস করবে না। জনসমর্থন পেছনে থাকলে কারাগারে থেকেও যে নির্বাচনে জেতা যায়, তেমন প্রমাণ এ দেশে, উপমহাদেশে বিস্তর।

কাজেই আত্মশক্তির ওপর নির্ভরতা, সে শক্তির যুক্তিবাদী, গণতান্ত্রিক ধারায় বিকশিত করা বাড়তি শক্তির চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ। সে শক্তির উদ্ভাস ঘটানোই তাদের নির্বাচনী নীতি হওয়া অধিকতর বাস্তব। ৭ দফার পাশাপাশি বিএনপির জন্য এই বিশেষ দফা বা এক দফা তাদের রাজনৈতিক স্বার্থের পক্ষে যেমন জরুরি, তেমনি সংসদীয় গণতন্ত্রের নির্বাচনী ধারা রক্ষার জন্যও জরুরি। দরকার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অবাধ নির্বাচনের পক্ষে সাহসী ভূমিকা গ্রহণ।

ভাষাসংগ্রামী, রবীন্দ্র গবেষক
কবি, প্রাবন্ধিক

পরবর্তী খবর পড়ুন : দিনটি কেমন যাবে

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নির্বাচনে যেতে চায় বিএনএ

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নির্বাচনে যেতে চায় বিএনএ

বিএনপির সাবেক মন্ত্রী ও তৃণমূল বিএনপির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার ...

কালাইয়ে বেড়েছে কিডনি বিক্রি

কালাইয়ে বেড়েছে কিডনি বিক্রি

জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় অভাবী মানুষের কিডনি বেচাকেনা আবারও বেড়েছে। অভাবের ...

চট্টগ্রামে মহড়া, অস্ত্রধারী ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

চট্টগ্রামে মহড়া, অস্ত্রধারী ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

চট্টগ্রাম কলেজে ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে গত বুধবার দু'পক্ষের ...

জেএমবিকে অর্থ জোগাচ্ছে জঙ্গি শায়খের পরিবার

জেএমবিকে অর্থ জোগাচ্ছে জঙ্গি শায়খের পরিবার

নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামা'আতুল মুজাহিদীন অব বাংলাদেশকে (জেএমবি) চাঙ্গা ...

রাত ১১টার পর ফেসবুক বন্ধ করে দেয়া উচিত: রওশন

রাত ১১টার পর ফেসবুক বন্ধ করে দেয়া উচিত: রওশন

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক রাত ১১টার পর বন্ধ করে দেয়া ...

আফগানদের কাছে বড় হার বাংলাদেশের

আফগানদের কাছে বড় হার বাংলাদেশের

আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচটা বাংলাদেশ প্রস্তুতি হিসেবে নিচ্ছে। এমন একটা কথা ...

বিশ্বে প্রতি ৫ সেকেন্ডে ১ শিশুর মৃত্যু: জাতিসংঘ

বিশ্বে প্রতি ৫ সেকেন্ডে ১ শিশুর মৃত্যু: জাতিসংঘ

ইউনিসেফ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), জাতিসংঘের জনসংখ্যা বিভাগ ও বিশ্ব ...

বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু

বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু

লিজা আক্তার। বয়স মাত্র ৬ বছর। চোখের সামনে বাবা ট্রেনে ...