বাটি চালানের রাজনীতি

সময়ের কথা

প্রকাশ: ৩০ আগস্ট ২০১৮      

অজয় দাশগুপ্ত

বরেণ্য রাজনীতিক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ রাজনীতি, রাজনৈতিক দল ও রাজনীতিকদের পরিণতি প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে 'বাটি চালান' শব্দযুগল ব্যবহার করেছেন। বুধবার সমকালে একটি প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল 'নির্বাচনে না এলে বিএনপিকে বাটি চালান দিয়েও খুঁজে পাওয়া যাবে না'। আওয়ামী লীগ এবং বর্তমান মহাজোট সরকারের একাধিক শরিক দলের শীর্ষস্থানীয় কেউ কেউ গত কয়েক মাসে যেসব মন্তব্য করছেন, তা থেকে ধারণা করা চলে, তারা চাইছেন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপিসহ সব দল অংশগ্রহণ করুক। তবে সেটা অবশ্যই হতে হবে মহাজোট এবং বিশেষ করে আওয়ামী লীগের শর্তে। রাজনীতির অঙ্গনে সরাসরি যুক্ত কিংবা রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ যারা খানিকটা দূর থেকে পর্যবেক্ষণ করেন অথবা যারা বিশ্নেষণ-মূল্যায়ন করেন তারা সবাই একবাক্যে বলবেন- এ ধরনের অবস্থানে দোষের কিছু নেই। ২০০৭ সালের জানুয়ারিতে নির্ধারিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপি ঠিক এ ধরনের অবস্থানই গ্রহণ করেছিল। তারা যাকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে বেছে নিয়েছিল, তিনি বিচার বিভাগে দায়িত্ব পালনকালেই বরিশালের একটি আসন থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে প্রার্থী হওয়ার জন্য 'জনসংযোগ' শুরু করেছিলেন। একবার এ ধরনের সফরকালে বিএনপির প্রভাবশালী স্থানীয় এক নেতা দলীয় কর্মীদের নিয়ে তাকে এমন তাড়া দিয়েছিলেন যে, তিনি আর ওই এলাকামুখী হতে দুঃসাহস দেখাননি। তবে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী তাদের ছক অনুযায়ী নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন করতে পারেনি আওয়ামী লীগের সফল আন্দোলনের কারণে। তারা রাজপথে সহিংসতার জোরে নয়, জনসমাবেশের জোরেই বিএনপিকে পিছু হটতে বাধ্য করেছিল।

আওয়ামী লীগ নেতারা যেভাবে বিএনপিকে নির্বাচনে আসতে 'উৎসাহিত' করছেন এবং নির্বাচনে না এলে সম্ভাব্য করুণ পরিণতির কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন, তাতে কেউ বলতেই পারেন- বিএনপি ক্রমশ দুর্বল হয়ে গেলেই তো আওয়ামী লীগের সুবিধা। তাহলে তারা কেন বিএনপি যেন নির্বাচনে আসে সে জন্য বহুবিধ পরামর্শ-উপদেশ দিচ্ছেন? এটা ঠিক যে বিএনপির অনেক নেতা এখন একান্তে বলছেন- ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম সাধারণ নির্বাচনে অংশ না নিয়ে তারা ভুল করেছেন। কেউ কেউ একটু সাহসী হয়ে প্রকাশ্যেই সেটা বলছেন। কিন্তু যেহেতু নির্বাচন শুধু বয়কট নয়, প্রতিহত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলেন খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান, তাই এ বিষয়ে সরব হওয়া আদৌ সম্ভব নয়। যদি ২০১৪ ও ২০১৫ সালে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী শেখ হাসিনার সরকারকে রাজপথে সহিংসতার মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করার যে চেষ্টা চালিয়েছিল তা সফল হতো, তাহলে ওই দুই নেতার জয়ধ্বনি শোনা যেত সর্বত্র। কিন্তু রাজনীতি ভিন্ন পথে প্রবাহিত হয়েছে। দশম জাতীয় সংসদ তার মেয়াদ পূর্ণ করেছে। শেখ হাসিনার সরকার প্রায় নির্বিঘ্নে দায়িত্ব পালন করে গেছে। তবে বিএনপি এখনও যথেষ্ট বড় দল। তারা নির্বাচন বয়কট করলে 'গ্রহণযোগ্যতার' প্রশ্নটি ফের উঠতেই পারে। এখানে সঙ্গত কারণেই একটি প্রশ্ন তোলা যায়- বিএনপি কি আওয়ামী লীগের মতো রাজনীতির মাঠে সহিংসতার ঝড় নয়, জনজোয়ার তৈরি করতে পারবে? যদি তাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে কিন্তু আরও কয়েকটি বছর তাদের অপর শক্তিশালী প্রতিপক্ষের উপদেশ-নসিহত শুনতে হবে।

শেখ হাসিনার সরকার গত প্রায় এক দশকে দীর্ঘ ও স্বল্প মেয়াদের বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে এবং তার বাস্তবায়নে দৃঢ় অঙ্গীকার-সংকল্প প্রদর্শন করছে। এ ক্ষেত্রে বিশেষভাবে বলতে হয় পদ্মা সেতুর কথা। বিশ্বব্যাংক সেতুর জন্য একটি পয়সাও ছাড় করার আগেই অভিযোগ করেছিল- 'দুর্নীতির ষড়যন্ত্র হচ্ছে'। বাংলাদেশে তখন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ছিলেন ড্যান মজিনা। তিনি শেখ হাসিনার সরকারকে পছন্দ করেন না এবং বিএনপি-জামায়াতে ইসলামী জোটের প্রতি কিছুটা সহানুভূতিশীল- এমন ধারণা জনমনে তৈরি হয়েছিল। পদ্মা সেতু নির্মাণের জন্য যে বিপুল ব্যয় হবে, তার বড় একটি অংশ নয়ছয় হয়ে যাবে- এ প্রচার দেশে এবং দেশের বাইরে এমনভাবে চলতে থাকে যে জনমনে ধারণা হয়- 'যা রটে তার কিছুটা তো ঘটেই'। কিন্তু শেখ হাসিনা চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত বিশ্বব্যাংকের শীর্ষ পর্যায় থেকেই স্বীকার করে নেওয়া হয়- পদ্মা সেতুর জন্য বরাদ্দ অর্থ প্রত্যাহার করে নেওয়া তাদের গুরুতর ভুল ছিল। পরে তারা বাংলাদেশের বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে যে ঋণ বরাদ্দ করে তার পরিমাণ পদ্মা সেতু প্রকল্প থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া ঋণের চেয়ে কয়েক গুণ। অথচ বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতু থেকে সরে যাওয়ার পর বাংলাদেশে তাদের 'সুহৃদদের' অনেকেই বলছিলেন- নিজস্ব অর্থে পদ্মা সেতু নির্মাণের চেষ্টা হবে আত্মঘাতী। তাদের কেউ কেউ ব্যক্তিগতভাবে আমাকেও বলেছেন, বিশ্বব্যাংক ঋণ দেয় নামমাত্র সুদে এবং দীর্ঘ মেয়াদে (১ শতাংশেরও কম সুদের হার, পরিশোধের মেয়াদ ৪০ বছর বা এমনকি তারও বেশি)। অন্যদিকে, সরকার যে অর্থ ব্যয় করবে তার উৎস জনগণের মাথায় ট্যাক্সের বোঝা চাপানো বৈ কিছু নয়। এ কারণে বিশ্বব্যাংকের ঋণ পদ্মা সেতুর জন্য না নেওয়া হলে দেশের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের জন্য যে অর্থ ব্যয় হওয়ার কথা তা ডাইভার্ট করতে হবে। বাস্তবে কিন্তু বিশ্বব্যাংক সেটা করেনি। তারাই এগিয়ে এসেছে এসব খাতে অর্থ বরাদ্দের জন্য।

আমার মনে হয়, বাংলাদেশে রাজনীতি এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিষয়ে যেসব থিঙ্ক ট্যাঙ্ক রয়েছে, তারা 'পদ্মা সেতু' বিষয়ে গবেষণা কাজ হাতে নিতে পারে। এ ক্ষেত্রে অর্থায়ন কি সমস্যা হবে? সেটা হতে পারে, কারণ বহু বছর বিশ্বব্যাংক ও ইউরোপ-আমেরিকার ডোনারদের তরফে এমন অনেক গবেষণা কাজের জন্য অর্থ দেওয়া হয়েছে, যা বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের নয়, তাদের স্বার্থের জন্য অপরিহার্য। আমার মনে আছে, সত্তরের দশকের শেষদিকে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের কৃষি খাতে সরকারি ব্যাংকের ঋণ প্রদানের জন্য সুদের হার কী হবে, সেটা জানার জন্য ঋণ দেওয়া হয়েছিল। প্রকৃতপক্ষে যুক্তরাষ্ট্র সরকার তখন চেয়েছে বাংলাদেশের কৃষকদের ৩৬ শতাংশ হারে ঋণ দেওয়ার সম্ভাব্যতা যাচাই করে দেখতে। আর এ গবেষণা কাজ পরিচালনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের যে বিশেষজ্ঞ দল এনেছিল বাংলাদেশ সরকার, তাদের পেছনেই রুরাল ফাইন্যান্স ক্রেডিট নামের ওই প্রকল্পের বরাদ্দ অর্থের সিংহ ভাগ ব্যয় হয়ে গিয়েছিল। বলা যায়, বাংলাদেশ বিদেশিদের পেছনে ঋণ করে অর্থ ঢেলেছে আমাদের কৃষকদের কীভাবে সর্বনাশ করা যায়, তার উপায় জানার জন্য।

আমার সংশয় রয়েছে, 'বাটি চালান' দিয়েও বিশ্বব্যাংকের একটি ভুল পদক্ষেপের বিরুদ্ধে পরিণতি বিষয়ে গবেষণা কাজ পরিচালনা করতে খুব বেশি প্রতিষ্ঠান রাজি হবে কি-না।

এ লেখার শিরোনাম অবশ্য রাজনীতি নিয়ে। গ্রামে বাটি চালান দিয়ে চোর ধরা হয়। অপারাধী বা চোর ধরার জন্য কলাপড়া, চালপড়া- এসবের ব্যবহারও দেখেছি। একবার এক 'ওঝা' আয়না পড়ার আয়োজন করেছিল এক অসহায় বৃদ্ধার ফলবতী লাউ গাছ রাতের আঁধারে কে কেটে ফেলেছে তা খুঁজে বের করার জন্য। তবে ওঝা যে আয়না তার ঝুলি থেকে বের করে দিয়েছিল তাতে অপরাধীকে কেবল তুলা রাশির জাতকই দেখতে পেত। এক বালককে পাওয়া গেল, যার তুলা রাশি। কিন্তু তার বিবরণ মতো কোনো অপরাধীকে সেই গ্রামে পাওয়া গেল না!

একটি রাজনৈতিক সমাবেশে এক ছাত্রনেতা হাস্য-কৌতুক মিশিয়ে বলেছিলেন, রাজনীতিকদের মধ্যে বাটি চালান দিয়েও তিনি একজন সৎ মানুষ খুঁজে পাননি। অন্যরা যে পাবে না- সে চ্যালেঞ্জও তিনি দিয়েছিলেন। মজার ব্যাপার, তিনি যে রাজনৈতিক দলকে কটাক্ষ করে বাটি চালান দিয়েও একটি সৎ মানুষের সন্ধান পাননি; কিছু দিন পর সেখানেই নিজের ভবিষ্যৎ খুঁজে পেয়েছিলেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর প্রায় চার যুগ অতিক্রান্ত হয়েছে। কেউ বলবেন, এ সময়টি যথেষ্ট দীর্ঘ এবং এখনও যে বাংলাদেশ অথনৈতিকভাবে যথেষ্ট পিছিয়ে, তার পেছনে এ সময়ে ক্ষমতায় থাকা বিভিন্ন দল এবং তাদের নেতাদের দায় রয়েছে। আমার নিজের একটি পর্যবেক্ষণ রয়েছে রাজনৈতিক দলগুলোর অনেক নেতা সম্পর্কে এভাবে- তারা দেশের অর্থনীতি কোন পথ ধরে চলবে, কৃষি-শিল্প-বাণিজ্যনীতি কী হবে, ট্যাক্স আদায়ে কারা ছাড় পাবে কিংবা কাদের কাঁধে বাড়তি বোঝা চাপানো হবে- এসব বিষয়ে খুব একটা মাথা ঘামাতে চান না। কিন্তু ব্যক্তিগত অর্থনীতিতে পরিবর্তন আনার বিষয়টি খুব ভালোভাবেই বোঝেন। দলের কিংবা ঘনিষ্ঠদের কাকে কোন ব্যবসা পাইয়ে দেওয়া উচিত, একেবারে নিকটজনের জন্য কোন ব্যবসাটি সংরক্ষিত রাখা উচিত; সে বিষয়ে তাদের বিবেচনা টনটনে। শুধু দেশের মধ্যে নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তারা নিজের ব্যবসায়িক বা অর্থনৈতিক স্বার্থ কীভাবে সুরক্ষিত রাখা যায়, সেটা কোনো কনসাল্ট্যান্টের দ্বারস্থ না হয়েই তারা উপলব্ধি করতে পারেন।

কিন্তু উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশের জন্য প্রকৃতই যে উদ্ভাবনী ক্ষমতাসম্পন্ন মানুষ চাই এবং একজন নয়, চাই অনেক অনেককে। এদের চাই রাজনৈতিক দলে, সমাজের বিভিন্ন স্থানে। এদের অনুসন্ধানের জন্যও কি আমাদের বাটি চালান দিতে হবে? একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জন বা প্রতিহত করার চেষ্টা করলে বিএনপির নাম নিয়ে রাজনীতির অঙ্গনে সক্রিয় ব্যক্তিদের খুঁজে পেতে বাটি চালান দিতে হবে- এমনটি হতেই পারে। সন্দেহ নেই যে বিএনপি নামের দলটিতে এখনও অনেক কর্মী-সমর্থক রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ তো কেবল এ দলটির ওপর নির্ভর করে না। দলের অনেক সমর্থক থাকলেই কিংবা দলের ক্যারিশমাটিক কোনো নেতার সমাবেশে অনেক শ্রোতা হাজির হলেই সে দলটি একটি পিছিয়ে পড়া দেশকে সমৃদ্ধির সোপানে তুলে দিতে পারে না। বাংলাদেশ যাতে প্রকৃতই বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে, ১৯৭১ সালে যে মহান চেতনা নিয়ে তাদের এ ভূখণ্ডের নবযাত্রা শুরু হয়েছিল, তার বাস্তবায়নে রাজনীতির অঙ্গনে, বিভিন্ন পেশাজীবী মহলে, শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি অঙ্গনে যে সক্রিয় বিপুল মানুষ দরকার, তাদের বাটি চালান দিয়ে খুঁজতে হবে না, বরং তাদের উপস্থিতি চোখে পড়বে সর্বত্র- এটাই তো প্রত্যাশা।

সাংবাদিক
ajoydg@gmail.com

এবার ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় টাইগারদের

এবার ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় টাইগারদের

গল্পে পড়া উঠের পিঠে চড়া সেই বেদুইনরা নাকি এখন শুধুই ...

বালুখেকোরা খুবলে খাচ্ছে সুরমা

বালুখেকোরা খুবলে খাচ্ছে সুরমা

সিলেটের প্রাণ সুরমা নদীকে খুবলে খাচ্ছে বালুখেকোরা। অথচ এই নদী ...

বরিশালেও প্রকাশ্যে অবৈধ বালু উত্তোলন

বরিশালেও প্রকাশ্যে অবৈধ বালু উত্তোলন

হিজলা ও মুলাদী উপজেলার মধ্যবর্তী নয়াভাঙ্গুলী নদীর ৮-১০টি পয়েন্টে এবং ...

জাতিসংঘে রোহিঙ্গা নিয়ে বিশ্বের সমর্থন চাইবেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘে রোহিঙ্গা নিয়ে বিশ্বের সমর্থন চাইবেন প্রধানমন্ত্রী

রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় বিশ্ব সম্প্রদায়কে সহযোগিতার জন্য ফের আহ্বান জানাবেন ...

সালাহ ফিরেছেন, জিতেছে লিভারপুল

সালাহ ফিরেছেন, জিতেছে লিভারপুল

'ফর্মে নেই সালাহ।' কথাটা উঠে গিয়েছিল। কারণ মিসর তারকা মোহামেদ ...

২০ হাজার টাকা ঘুষের জন্য ওসির রাতভর নাটক

২০ হাজার টাকা ঘুষের জন্য ওসির রাতভর নাটক

একটি প্রতারণার মামলায় দুর্গাপুরের ঝালুকা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মোজাহার ...

আয়কর রিটার্ন দাখিল আরও সহজ করতে হবে: প্রধান বিচারপতি

আয়কর রিটার্ন দাখিল আরও সহজ করতে হবে: প্রধান বিচারপতি

জনগণের হয়রানি বন্ধে আয়কর রিটার্ন দাখিল আরও সহজ করার আহ্বান ...

ষড়যন্ত্রের ঐক্য কোনো ফল দেবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

ষড়যন্ত্রের ঐক্য কোনো ফল দেবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

সমাজকল্যাণমন্ত্রী ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেছেন, ...