চিঠিপত্র

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮      

ট্রাফিক আইন মেনে চলুন
ট্রাফিক সপ্তাহ চলাকালীন কৌতূহলবশত ঢাকা শহরের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট পরিদর্শন করেছিলাম। এর মধ্যে অন্যতম ব্যস্ত এলাকা ফার্মগেট। লক্ষ্য করি, পথচারীদের মাঝে সচেতনতার বিন্দুমাত্র রেশ নেই। যে যার মতো চলন্ত গাড়ির সামনে দিয়ে বানরের মতো লাফিয়ে লাফিয়ে রাস্তা পার হচ্ছে। ওভারব্রিজের অধিকাংশ জায়গা হকারদের দখলে। ব্রিজের সিঁড়িগুলো ক্ষয়ে একেবারে মসৃণ হয়ে গেছে। যে কেউ পিছলে পড়লে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। আরেকটি ব্যস্ততম স্থান কারওয়ান বাজার। অজস্র টাকা ব্যয়ে আন্ডারপাস তৈরি হলেও যেন পুরোটাই বৃথা। বিশেষ করে কারওয়ান বাজারের শ্রমিকরা দিনের মধ্যে কমপক্ষে শ'খানেকবার রাস্তা পারাপার হচ্ছে সরাসরি ঝুঁকি নিয়ে। এছাড়া শাহবাগ, সায়েন্স ল্যাবসহ গুরুত্বপূর্ণ ট্রাফিক পয়েন্টগুলোতে দেখা গেল, সিগন্যাল বাতি ঠিকমতো কাজ করছে না। কোথাও কোথাও ট্রাফিক বাতি নেই অথবা ভেঙে ঝুলে আছে। পুলিশের হাতের ইশারায় চলছে বাস-ট্রাকসহ অন্যান্য যানাবাহন। মোটরবাইক আরোহীদের অধিকাংশের মাথায় হেলমেট নেই। পাল্লা দিয়ে এখনও বাস চলে; একে অপরকে চাপা দেয়। ট্রাফিক সপ্তাহ শেষ হলো, কিন্তু সড়কে মৃত্যুর মিছিল থামেনি। যেহেতু এ সমস্যা দীর্ঘদিনের, তাই হঠাৎ এর মূলোৎপাটন সম্ভব নয়। এ জন্য প্রয়োজন সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। স্কুলের পাঠ্যবইয়ে ট্রাফিকের নিয়মকানুন সম্পর্কিত পাঠদানের ব্যবস্থা করলে শিক্ষার্থীরা সচেতন হবে। সর্বোপরি সার্বিক ব্যবস্থাপনাই পারে নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে। অন্যথায় সড়কের কান্না সার্বজনীন হয়ে থাকবে, যার বলি হবো আমরাই।

শফিউল আল শামীম
শিক্ষার্থী, ঢাকা কলেজ

মাদকসেবীদের দৌরাত্ম্য
রাজধানীর ধানমণ্ডি লেক এলাকায় মাদকসেবীদের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এই লেককে ঘিরে একটি সংঘবদ্ধ মাদক ব্যবসায়ী চক্র তৎপর। সন্ধ্যা হলেই লেক ও এর আশপাশে বসে মাদকসেবীদের হাট। প্রকাশ্যেই তারা মাদক সেবন করে। এতে প্রতিনিয়ত লেকে আসা দর্শনার্থী কিংবা পরিবারের সঙ্গে আসা ব্যক্তিরা বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে। লেকে নিরাপত্তা কর্মীরা থাকলেও তাদের সংখ্যা সীমিত। তাদের একজনের সঙ্গে কথা হলে জানান, মাদকসেবীরা একটি সংঘবদ্ধ দল। তাদের বিরুদ্ধে কথা বলা ঝামেলার ব্যাপার।

নজরদারির অভাবে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীদের অভয়ারণ্য হয়ে উঠছে ধানমণ্ডি লেক এলাকা। প্রকাশ্যে গাঁজা সেবন করে অশ্নীল কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে কিশোর ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বাংলাদেশ সরকার মাদকবিরোধী জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। গত কয়েক মাস ধরে মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তারপরও নির্বিঘ্নে ধানমণ্ডি লেক এলাকায় মাদক ব্যবসা ও মাদক সেবন চলছে। এ ব্যাপারে প্রশাসনের সুনজর আশা করছি।

খালিদ জামান সেজান
ঢাকা

পরবর্তী খবর পড়ুন : এক ঘটনায় কত ব্যাখ্যা

বিবিসি’র অনুপ্রেরণাদায়ী নারীর তালিকায় হৃদয়ের মা

বিবিসি’র অনুপ্রেরণাদায়ী নারীর তালিকায় হৃদয়ের মা

বিবিসি’র অনুপ্রেরণাদায়ী ও প্রভাবশালী একশ নারীর তালিকায় স্থান পেয়েছেন সেই ...

মা-বাবা এমন নিষ্ঠুরও হয়!

মা-বাবা এমন নিষ্ঠুরও হয়!

নির্যাতিত শিশুর কথা শুনে তার বাড়ির রাস্তায় দাঁড়াতেই প্রতিবেশী শিরিনা ...

নিউইয়র্কে ডাকাত ধরতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ বাংলাদেশি

নিউইয়র্কে ডাকাত ধরতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ বাংলাদেশি

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ডাকাত ধরতে গিয়ে গুলি খেলেন বাংলাদেশি যুবক মোহাম্মদ ...

যশোরের বিএনপি নেতা আবু ঢাকায় 'অপহৃত'

যশোরের বিএনপি নেতা আবু ঢাকায় 'অপহৃত'

যশোর জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও কেশবপুর উপজেলার মজিদপুর ইউনিয়ন পরিষদ ...

দেশে হঠাৎ বন্ধ স্কাইপি

দেশে হঠাৎ বন্ধ স্কাইপি

দেশে হঠাৎ করে সোমবার বিকেল থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম স্কাইপি ...

জেনে-শুনে মন্তব্য করা উচিত: দুদক চেয়ারম্যান

জেনে-শুনে মন্তব্য করা উচিত: দুদক চেয়ারম্যান

'তদন্ত করলে দুদকেও দুর্নীতি বেরুবে'- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যানের ওই ...

আগাম প্রচার সামগ্রী সরানো না হলে জরিমানা: ইসি

আগাম প্রচার সামগ্রী সরানো না হলে জরিমানা: ইসি

জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে আগাম প্রচার সামগ্রী যারা সরাননি, তাদের জরিমানা ...

পুরুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবি

পুরুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবি

'বৈষম্য নয় পুরুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠিত হোক' প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ...