মাইনাস-প্লাসের রাজনীতি

সময়ের কথা

প্রকাশ: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮      

অজয় দাশগুপ্ত

একটি টেলিভিশন আলোচনায় বিএনপির প্রতি সহানুভূতিশীল এক সাংবাদিক বলছিলেন, ড. কামাল হোসেন ও ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরীর সঙ্গে বিএনপির যে আলোচনা চলছে তার মূল টার্গেট হচ্ছে 'মাইনাস-হাসিনা'। এটা কি নির্বাচনের আগে, না পরে- সে প্রশ্ন সঙ্গতভাবেই ওঠে। ধরে নিতে পারি, প্রকাশ্যে এবং পর্দার আড়ালে এ ধরনের একটি ইস্যু বিবেচনায় রয়েছে। এ উদ্দেশ্য সফল হবে কিনা, সেটা অবশ্য ভিন্ন প্রসঙ্গ।

নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্ধারিত ছিল ২০০৭ সালের জানুয়ারিতে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গঠিত ১৪ দল ও মহাজোটের ধারাবাহিক আন্দোলনের কারণে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারেনি। এর পরিবর্তে দুই বছরের জন্য ক্ষমতা চলে গিয়েছিল ড. ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন বিশেষ ধরনের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে। আমাদের দেশে 'সুশীল সমাজ' হিসেবে যাদের পরিচয়, তাদের অনেকে এ সরকারের প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন জানিয়েছিল। আমাদের জানা আছে, সে সময়ে 'মাইনাস-টু' ফর্মুলা মুখে মুখে। জনপ্রিয় পত্রিকা প্রথম আলোর একটি প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল- 'হাসিনা-খালেদাকে যেতেই হবে'। বলা হয়ে থাকে, এটা ছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং তাদের পেছনে প্রবল সমর্থন জোগানো বিভিন্ন মহলের আকাঙ্ক্ষা। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি, এই দুই বড় দলের প্রধান নেতা তারা। দু'জনেই প্রধানমন্ত্রীর পদে ছিলেন। দুই দলের অনেক গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে জেলে পাঠানো হয়। শীর্ষ ব্যবসায়ীদের অনেকেই গ্রেফতার হন। খালেদা জিয়ার দুই পুত্র তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোর স্থান হয় জেলে। শেষ পর্যন্ত অবশ্য মাইনাস-টু ফর্মুলা কার্যকর করা যায়নি। তাদের নিজ নিজ দলের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া যায়নি। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে শেখ হাসিনা 'ডিজিটাল বাংলাদেশ' এবং ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্তদের বিচারের স্লোগান সামনে এনে বিপুলভাবে জয়ী হন। ২০০১-০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াতে ইসলামীর শাসনামলে যে ব্যাপক দুর্নীতি-অনিয়ম ঘটেছে, সেটাও বিএনপির পরাজয়ের অন্যতম কারণ ছিল বলে ধারণা করা হয়। তারেক রহমানের 'হাওয়া ভবন' এবং 'এক্সট্রা-কনস্টিটিউশনাল' ক্ষমতাও ছিল আওয়ামী লীগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। নির্বাচনে বিএনপি ৩০টির মতো আসন পায়, যা তাদের সাংগঠনিক শক্তি ও জনসমর্থনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। এরপর বিএনপি ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে টার্গেট করে রাজপথে সক্রিয় হয়। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ যুদ্ধাপরাধের ইস্যুকে সামনে নিয়ে আসে এবং নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বিচারকাজ পরিচালনা করতে পারে। বিচারে জামায়াতে ইসলামীর কয়েকজন শীর্ষ নেতার (যারা ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর গণহত্যা, ধর্ষণ-লুটপাটসহ যাবতীয় দুস্কর্মের সহযোগী ছিলেন) ফাঁসি কিংবা যাবজ্জীবন দণ্ড হয়। বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী রাজপথের শক্তির লড়াইয়ে আওয়ামী লীগ ও তার মিত্রদের কাছে হেরে যায়। ফলে ৫ জানুয়ারির নির্বাচন পরিণত হয় নিছক আনুষ্ঠানিকতায়। ১৯৯১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত জাতীয় সংসদের (১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বাদে) নির্বাচনে দেখা গিয়েছিল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা। কিন্তু ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এটা ছিল না। অর্ধেকের বেশি আসনে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্ব্বিতায় আওয়ামী লীগ ও তার সমর্থিত প্রার্থীরা জয়ী হন। বাকি আসনগুলোতেও ভোট পড়ে নামমাত্র।

তবে এটা বিস্ময়ের ছিল যে, শেখ হাসিনা দ্রুতই তার নতুন সরকারের প্রতি যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ভারত, ব্রিটেনসহ গুরুত্বপূর্ণ অনেক দেশ এবং জাতিসংঘ, বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন বিশ্বসংস্থার সমর্থন আদায় করতে সক্ষম হন। জাতীয় সংসদ পুরো পাঁচ বছর টিকে থাকে। এ সময়ের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও লক্ষণীয়- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি। বাংলাদেশ চিরকাল পরনির্ভর ও দরিদ্র থাকবে, যুগ যুগ ধরে প্রচলিত এ ধারণা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনেকটাই ভেঙে দিতে পেরেছেন। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের মতো হয়তো উন্নত হবে না; কিন্তু বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে, এমন বিশ্বাস এখন দেশ-বিদেশের অনেকেই করতে শুরু করেছেন। ৩০ লাখ নারী-পুরুষ-শিশুর আত্মদানে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য এটা গুরুত্বপূর্ণ বৈকি।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার বিএনপিকে সাংগঠনিকভাবে দুর্বল করার প্রতিও মনোযোগী হয়। ২০১৫ সালের প্রথম তিন মাস বিএনপি এ সরকারকে সহিংস হরতাল-অবরোধের মাধ্যমে উৎখাতের চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়ার পর এ কাজ অনেকটাই সহজ হয়ে যায়। পরবর্তী সময়ে বিএনপির এমনকি রুটিন সভা-সমাবেশ কর্মসূচিতেও বাধা দেওয়া হতে থাকে। দুর্নীতির একটি মামলায় খালেদা জিয়ার জেল হয় এবং সাত মাসেরও বেশি সময় ধরে তিনি জেলে। বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের জন্য এটা ছিল অভাবনীয়। কিন্তু তাই বলে বিএনপিকে একেবারে শক্তিহীন মনে করা গুরুতর ভুল হবে। বছরের পর বছর আওয়ামী লীগের নেতারা এ দলকেই টার্গেট করে যে বক্তব্য রাখছেন, সেটা অকারণ নয়। এই পাঁচ বছরে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভা এবং সিটি করপোরেশনের যেসব নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তার বেশিরভাগেও বিরোধীপক্ষকে স্পেস না দেওয়ার কৌশল অনুসৃত হতে আমরা দেখি। আওয়ামী লীগের মতো তৃণমূলে শক্ত ভিত থাকা একটি দল কেন এমন গণতন্ত্র-পরিপন্থী পথ বেছে নিচ্ছে, সে প্রশ্ন উঠছে। এমনকি দলের প্রতি সহানুভূতিশীল মহল থেকেও এটা প্রকাশ্যে বা একান্তে বলা হচ্ছে।

এই পাঁচ বছর শেখ হাসিনার সরকারের জন্য কেবল দুটি ঘটনা কিছুটা অস্বস্তির কারণ হয়েছে- কোটা সংস্কার এবং নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন। কোনো একক ছাত্র সংগঠন কিংবা তাদের জোট নয়, একেবারেই সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের বিপুল অংশগ্রহণে এ আন্দোলন গড়ে উঠেছিল। শেখ হাসিনা রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতায় এ আন্দোলন সামাল দেন। কিন্তু এ সময়ে আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ যে সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে অনেকটাই বিচ্ছিন্ন, সেটা প্রকটভাবে ধরা পড়ে। এমনকি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় দলের প্রতি অনুগত যাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তারাও ছাত্রছাত্রীদের মনোভাব বুঝতে ব্যর্থ হয়েছেন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তরফে বলা হতে থাকে, আন্দোলনের সুযোগে মতলববাজরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু সব বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ ক্যাম্পাসে একক আধিপত্য বিস্তার করে থাকা ছাত্রলীগকে দেখা যায় অনেকটা অসহায় অবস্থানে। একটানা ১০ বছর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রদল এমনকি বামপন্থি ছাত্র সংগঠনকেও সক্রিয় হতে দেয়নি তারা। তারপরও কেন দলে দলে ছাত্রছাত্রী তাদের পাশে থাকল না, সেটা নিশ্চয়ই সংগঠনের নেতারা ভেবে দেখবেন। আওয়ামী লীগের নেতাদের জন্যও কিন্তু বিষয়টি উদ্বেগের।

নির্বাচন ডিসেম্বরের শেষ দিকে হবে, এটাই বলছে নির্বাচন কমিশন। বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি থেকে সরে এসে সহায়ক সরকারের দাবি তুলেছিল। সেটাও এখন জোরেশোরে শোনা যায় না। তারা ভরসা রাখতে চাইছে ড. কামাল হোসেনের উদ্যোগে। আওয়ামী লীগ এবং তাদের মিত্ররা শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী পদে রেখেই নির্বাচনকালীন সরকার গঠনে দৃঢ়সংকল্প। সঙ্গত কারণেই বিএনপিসহ ২০ দলীয় জোট এটা চাইছে না। ড. কামাল হোসেন, ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরীও এটা চাইছেন না। তাদের জনসমর্থন নিয়ে প্রশ্ন তোলা যেতেই পারে। কিন্তু তাদের অবস্থান যদি বিএনপির সঙ্গে মিলে যায়, তাহলে একটি 'শক্ত ভিত' তৈরি হয় বৈকি। আওয়ামী লীগ ও তার মিত্ররা কী করে তার মোকাবেলা করবে, সেটাই দেখার বিষয়। ড. কামাল হোসেন বলছেন, জামায়াতে ইসলামী থাকলে বিএনপির সঙ্গে ঐক্য নয়। বিএনপি এখানে কুশলী অবস্থান নিয়েছে। তারা একদিকে বলছে, জামায়াতে ইসলামী রয়েছে ২০ দলীয় জোটে। কিন্তু ড. কামাল ও তার সঙ্গীদের সঙ্গে ঐক্য হচ্ছে বিএনপির। জামায়াতে ইসলামী এ ঐক্যে নেই। আবার তারা বলছে, জামায়াতে ইসলামী নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল নয়। তারা তো এমনিতেই 'বাদ'। দেখা যাক, এ ঐক্য প্রক্রিয়ার পরিণতি কী হয়। প্রধানমন্ত্রী শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। দল ও জোটে তার অবস্থান প্রশ্নাতীত। বিরোধীদের ক্ষেত্রে এটা বলা যাবে না। যারা শেখ হাসিনাকে সরিয়ে কিংবা তাকে একেবারেই 'ক্ষমতাহীন করে' নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের রূপরেখা নিয়ে অগ্রসর হচ্ছেন, তাদের নিজেদের মধ্যে অনৈক্য রয়েছে। তারা শেখ হাসিনাকে মাইনাস করার প্রশ্নে একমত; কিন্তু নির্বাচনের পরে কী হবে- সে প্রশ্নে অভিন্ন মতে নেই। খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানকেও কি তারা মাইনাস করতে চাইছেন? এ প্রশ্ন কিন্তু বিএনপির মধ্যেও উঠছে। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম কয়েকদিন আগে বলেছেন, ঐক্য নিয়ে যে আলোচনা চলছে, তাতে এ ধরনের মাইনাসের প্রশ্ন ওঠেনি। কিন্তু বিষয়টি যে এজেন্ডায়, তাতে সন্দেহ নেই। ড. কামাল হোসেন ও তার সহযোগীরা জামায়াতে ইসলামীকে মাইনাস করতে চাইছেন। কিন্তু এ দলটিসহ ধর্মান্ধ যেসব রাজনৈতিক দল সক্রিয় তাদের ভিত দুর্বল করার জন্য কখনও উদ্যোগী হননি। আওয়ামী লীগ দুর্বল এবং বিএনপি সবল হলে ধর্মীয় চরমপন্থি শক্তি যে ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে, সেটাও তারা প্রায়ই ভুলে থাকেন বলে মনে হয়।

এত সব ইস্যু নিয়েই বাংলাদেশ একাদশ জাতীয় সংসদের মুখোমুখি। আওয়ামী লীগ চালকের আসনে থেকেই নির্বাচন সম্পন্ন করতে চাইছে। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের গোটা নেতৃত্বকে হত্যার চেষ্টার জন্য যে মামলা চলছে, তার রায় দ্রুত হতে পারে বলে শোনা যায়। এ মামলার প্রধান আসামি তারেক রহমান। তার কী শাস্তি হবে, সেটা বড় প্রশ্ন। নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি ও তার মিত্ররা ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া। তাদের পরামর্শদাতা হিসেবে পরিচিত অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ সম্প্রতি বলেছেন, বিএনপিকে একাদশ সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় ফিরে আসার চেষ্টা চালাতে হবে। না হয় অন্তত উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আসন নিয়ে বিরোধী দলে বসতে হবে। কোনোভাবেই নির্বাচন বর্জন করা চলবে না। এটা ইঙ্গিতবহ মত। আওয়ামী লীগের কাছে এটা উৎসাহব্যঞ্জক সংকেত মনে হতে পারে। কিন্তু রাজনীতির অঙ্গনে এখন অনেক মহল সক্রিয়, এত মাইনাস-প্লাসের ফর্মুলা ঘুরপাক খাচ্ছে। আরও অনেকে এ ধারায় যুক্ত হতে চাইছে। সবকিছু কি চেনা সাজানো ছক মতে চলবে? সরকারের সঙ্গে কি বিরোধী পক্ষের কোনো সমঝোতা হবে? জাতীয় সংসদ অধিবেশন অক্টোবরেও বসবে, এ সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ। এই অক্টোবরেই যে নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের কথা।

সাংবাদিক
ajoydg@gmail.com

সালাহ ফিরেছেন, জিতেছে লিভারপুল

সালাহ ফিরেছেন, জিতেছে লিভারপুল

'ফর্মে নেই সালাহ।' কথাটা উঠে গিয়েছিল। কারণ মিসর তারকা মোহামেদ ...

২০ হাজার টাকা ঘুষের জন্য ওসির রাতভর নাটক

২০ হাজার টাকা ঘুষের জন্য ওসির রাতভর নাটক

একটি প্রতারণার মামলায় দুর্গাপুরের ঝালুকা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মোজাহার ...

আয়কর রিটার্ন দাখিল আরও সহজ করতে হবে: প্রধান বিচারপতি

আয়কর রিটার্ন দাখিল আরও সহজ করতে হবে: প্রধান বিচারপতি

জনগণের হয়রানি বন্ধে আয়কর রিটার্ন দাখিল আরও সহজ করার আহ্বান ...

ষড়যন্ত্রের ঐক্য কোনো ফল দেবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

ষড়যন্ত্রের ঐক্য কোনো ফল দেবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

সমাজকল্যাণমন্ত্রী ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেছেন, ...

ভারত-পাকিস্তান লড়াই কি জমবে?

ভারত-পাকিস্তান লড়াই কি জমবে?

ক্রিকেটে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই নতুন কিছুর স্বাদ। নতুন দৃশ্যপট। নতুন ...

সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ দ্রুতগতি আর ওভারটেকিং: ইলিয়াস কাঞ্চন

সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ দ্রুতগতি আর ওভারটেকিং: ইলিয়াস কাঞ্চন

দ্রুতগতি ও ওভারটেকিং সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ বলে মন্তব্য করেছেন ...

মালয়েশিয়ায় ৫৫ অবৈধ বাংলাদেশি আটক

মালয়েশিয়ায় ৫৫ অবৈধ বাংলাদেশি আটক

মালয়েশিয়ায় ৩৩৮ জন বিদেশি অবৈধ শ্রমিককে আটক করেছে অভিবাসন দপ্তর। ...

স্বামীকে ভিডিওকলে রেখে শিক্ষিকার আত্মহত্যা

স্বামীকে ভিডিওকলে রেখে শিক্ষিকার আত্মহত্যা

'আমি আর বাঁচতে চাই না, এখনই আত্মহত্যা করব। এই দেখ ...