সম্ভাবনার আলোয় আলোকিত দেশ

প্রকাশ: ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭      

২০১৭ সাল ছিল বাংলাদেশের জন্য সম্ভাবনা ও অনেক প্রাপ্তির। সাফল্য ছিল সব ক্ষেত্রে।

বছরের একেবারে শেষে এসে অনূর্ধ্ব-১৫ সার্ক নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে দেশের কিশোরীরা প্রবল প্রতিপক্ষ ভারতকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়ে পুরো জাতিকে এক অনন্য মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছে। শ্রীলংকাকে পরাজিত করে শততম টেস্ট জেতার স্বাদ নিয়েছে বাঙালি জাতি এ বছরে। আর ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য আইসিসি ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে প্রথমবারের মতো সেমিফাইনাল খেলে টিম টাইগার।

চিকিৎসাক্ষেত্রে এসেছে সাফল্য। মাতৃগর্ভে জোড়া লাগানো ১০ মাস বয়সী তোফা আর তহুরা ছিল আলোচনায়। বাংলাদেশি বিশেষজ্ঞ শল্যচিকিৎসকরা সফলভাবে তাদের আলাদা করতে সক্ষম হন। এ যেন গরিব একটি পরিবারের মুখে হাসি নয়, সমগ্র জাতির মুখে ফুটে উঠেছে এক অকৃত্রিম হাসি।

ডেনমার্কের এক রোবট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান  বাংলাদেশে রোবটিক হাত বাজারজাত শুরু করেছে। শিল্প-কলকারখানায় হালকা পণ্য সরাতে রোবটিক হাত ভারত ও শ্রীলংকার পর এ দেশে তার যাত্রা শুরু করল। আর বছরের শেষে ডিজিটাল মেলায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন সোফিয়ার বাংলাদেশ সফর ছিল সবার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে। এ দেশের তরুণ প্রজন্ম এখন সোফিয়ার মতো রোবট তৈরির স্বপ্ন দেখছে।

অর্থনীতিতে একটি সুখকর সংবাদ এসেছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক থেকে। তাদের প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদন থেকে জানা গেল, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এখন ৭.১ শতাংশ, যা দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষে।

রফতানি বাণিজ্যে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে বাংলাদেশ। গার্মেন্টে রফতানি প্রবৃদ্ধি ১০ শতাংশ। বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর দুই নারী বৈমানিক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট নাঈমা হক ও ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহমিনা-ই-লুতফি জাতিসংঘ শান্তি মিশনে যোগ দিয়েছেন এ বছর। তারা পেশাগত ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ-সংক্রান্ত সব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েই নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে শান্তি মিশনে অংশ নিয়ে বিশ্বে প্রথম নারী বৈমানিক হিসেবে জাতিসংঘ শান্তি মিশন যোগ দিলেন।

এ বছরই বাংলাদেশি গবেষকদের একটি দল স্বল্পমূল্যে মরণব্যাধি ক্যান্সার রোগ শনাক্তের উপায় উদ্ভাবন করে সাফল্য দেখিয়েছেন। তারা অস্ট্রেলিয়ার ওলনগং ও গ্রিফিথ ইউনিভার্সিটিতে গবেষণা করে দ্রুততর ও কম খরচে ক্যান্সার রোগ শনাক্তের উপায় উদ্ভাবন করে ক্যান্সার নিরাময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেন।

রাজশাহীর আড়ানীতে ছয় বছরের সিহাবুর রহমান আর সাত বছরের টিটন আলীর বুদ্ধিমত্তায় রক্ষা পেলেন কয়েকশ' রেলযাত্রী। একটি রেল যাওয়ার পর বিকট শব্দ পেয়ে কাছেই থাকা দুই শিশু রেললাইনের কাছে গিয়ে তা ভাঙা দেখতে পায়। আর সে সময় একটি ট্রেন আসতে দেখে তারা দু'জন রেললাইনের ওপর মাফলার টেনে ধরে। তা দেখে রেলগাড়ির চালক দ্রুত ব্রেক কষেন। এভাবেই বেঁচে যায় অসংখ্য ট্রেনযাত্রীর প্রাণ।

এ রকম অনেক আশাজাগানিয়া সংবাদ ছিল বছরজুড়ে। এসব ছোট আশা আর সম্ভাবনাই সামনের দিকে এগিয়ে নেবে বাংলাদেশকে। আলো আসবেই।

ব্যাংকের শীর্ষ ১০ খেলাপির তথ্য নিচ্ছে অর্থ মন্ত্রণালয়

ব্যাংকের শীর্ষ ১০ খেলাপির তথ্য নিচ্ছে অর্থ মন্ত্রণালয়

সরকারি-বেসরকারি সব ব্যাংকের শীর্ষ ১০ জন ঋণ খেলাপির তথ্যসহ ব্যাংকগুলোর ...

কামরানের নির্বাচনী ক্যাম্পে আগুন

কামরানের নির্বাচনী ক্যাম্পে আগুন

শান্তি, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির শহর হিসেবে হযরত শাহজালাল (রহ.), হযরত ...

বোমা হামলার অডিও ফাঁস জড়িত দুই 'ভাই'

বোমা হামলার অডিও ফাঁস জড়িত দুই 'ভাই'

বিএনপির নির্বাচনী প্রচারে বোমা হামলা নিয়ে অভিযোগ পাল্টা অভিযোগের পর ...

এগিয়ে যাচ্ছে দেশ

এগিয়ে যাচ্ছে দেশ

নানা প্রতিকূলতা ও সীমাবদ্ধতা আছে, তারপরও ইন্টারনেট ব্যবহারে প্রতিদিনই এগিয়ে ...

চলন্তিকা হাতিয়ে নিয়েছে একশ' কোটি টাকা

চলন্তিকা হাতিয়ে নিয়েছে একশ' কোটি টাকা

খুলনার রূপসা উপজেলার ডোবা মায়েরাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ...

মঙ্গলের 'জোছনা'

মঙ্গলের 'জোছনা'

জোছনার সৌন্দর্য নিয়ে যুগে যুগে কত যে কবি-সাহিত্যিক সাহিত্যকর্ম রচনা ...

জার্মানিকে বিদায় বলে দিলেন ওজিল

জার্মানিকে বিদায় বলে দিলেন ওজিল

ধকলটা আর নিতে পারলেন না ওজিল। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ ...

কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর আবারও হামলা

কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর আবারও হামলা

কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা-মামলা এবং বিভিন্ন ক্যাম্পাসে ছাত্র-শিক্ষক নিপীড়নের ...