বন্ধন এক্সপ্রেস চলছে আসন খালি রেখেই

খুলনা-কলকাতা রুটে যাত্রী বাড়েনি

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮      

মামুন রেজা, খুলনা

দশ মাসেও যাত্রী বাড়েনি খুলনা-কলকাতা রুটের 'বন্ধন এক্সপ্রেস' ট্রেনে। ভাড়া বেশি, বেনাপোলে নেমে ইমিগ্রেশনের ঝক্কি, কলকাতায় টিকিট পেতে ভোগান্তিসহ বিভিন্ন কারণে এ ট্রেনের প্রতি আগ্রহ কম যাত্রীদের।

তাই প্রত্যেক বৃহস্পতিবার অর্ধেকের বেশি আসন খালি রেখেই চলাচল করছে এ ট্রেন।

খুলনা-কলকাতা রুটে গত বছর ১৬ নভেম্বর আটটি বগি নিয়ে 'বন্ধন এক্সপ্রেস' ট্রেন চালু হয়। এ রুটের দূরত্ব ১৭৫ কিলোমিটার। ট্রেনটিতে এসি চেয়ারের ভাড়া এক হাজার ৫০০ টাকা। এসি কেবিনের ভাড়া দুই হাজার টাকা। এ ট্রেনে আসন আছে মোট ৪৫৬টি। এর মধ্যে এসি কেবিন ১৪৪টি এবং এসি চেয়ারে ৩১২টি আসন রয়েছে।

গত ৮ মার্চ এ ট্রেনে খুলনা থেকে কলকাতা গিয়েছিল ১৪৬ জন যাত্রী এবং এসেছিল ১১৭ জন। সবশেষ গত ৬ সেপ্টেম্বর এ ট্রেনে খুলনা থেকে কলকাতা যায় ১২১ জন যাত্রী এবং ওই দিন কলকাতা থেকে খুলনায় আসে ১৫৯ জন যাত্রী। অর্থাৎ প্রত্যেক বৃহস্পতিবার যাত্রী যাওয়া-আসার সংখ্যা প্রায়

একই রকম থাকছে। অথচ বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে প্রতিদিন ৪-৫ হাজার মানুষ ভারতে যাওয়া-আসা করছে। যার একটি বড় অংশই খুলনা ও যশোরের। তারা খুলনা থেকে অন্য কোনো ট্রেন অথবা বাসে  চলাচল করছে।

যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ট্রেনটিতে নন-এসি কোনো বগি না থাকায় কলকাতাগামী দরিদ্র নিম্নমধ্যবিত্ত লোকজন আগ্রহী হচ্ছে না। বাসে কিংবা বেনাপোল রুটের কমিউটার ট্রেনে গেলে অনেক কম খরচ হয়। কমিউটার ট্রেনে খুলনা থেকে বেনাপোলের ভাড়া মাত্র ৫০ টাকা। বন্ধন এক্সপ্রেসে বেনাপোলে পৌঁছানোর যাত্রীদের বিশেষ করে শিশু, প্রবীণ ও নারীদের নিয়ে ইমিগ্রেশনের ঝামেলা পোহাতে হয়।

যশোরের নওয়াপাড়ার সার ব্যবসায়ী আবুল বাশার ভূঁইয়া বলেন, বন্ধন এক্সপ্রেস নওয়াপাড়া ও যশোর হয়ে কলকাতায় গেলেও নওয়াপাড়া বা যশোরে থামে না। অথচ দুটির যে কোনো একটিতে ট্রেনটি থামলে যাত্রীদের সুবিধা হতো, যাত্রী সংখ্যাও বাড়ত।

যাত্রীরা অভিযোগ করেন, কলকাতার চিৎপুর স্টেশনে টিকিট পেতে দুর্ভোগে পড়তে হয় যাত্রীদের। ট্রেনটি খুলনা থেকে দুপুর দেড়টায় ছেড়ে কলকাতার চিৎপুর স্টেশনে পৌঁছায় সন্ধ্যা ৭টায়। সেখান থেকে কলকাতা মেইন শহরে গিয়ে আবাসিক হোটেল পেতে বিড়ম্বনায় পড়েন যাত্রীরা।

কয়েকজন যাত্রী বলেন, খুলনা বা বেনাপোলে টাকা পরিবর্তন করে ভারতীয় রুপি নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ফলে ট্রেনটি ভারতের সীমানায় ঢুকলে বাংলাদেশি টাকা দিয়ে ট্রেনের মধ্য থেকে কোনো খাবার কেনার সুযোগ থাকে না।

এসব ব্যাপারে খুলনা রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মানিক চন্দ্র সরকার সমকালকে বলেন, খুলনায় নতুন আধুনিক রেলস্টেশন ভবনের নির্মাণ কাজ চলছে। সেটি হলে এখানে ইমিগ্রেশন চালু হওয়ার কথা রয়েছে। তবে  ভাড়া কমানোর কোনো সম্ভাবনা নেই। তিনি বলেন, যেসব ছোটখাটো সমস্যা রয়েছে তা দুই দেশের রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাই  অবগত আছেন।
সালাহ-ফিরমিনোয় হার নেইমার-এমবাপ্পেদের

সালাহ-ফিরমিনোয় হার নেইমার-এমবাপ্পেদের

সালাহ-সাদিও মানে-ফিরমিনো বনাম নেইমার-এমবাপ্পে-কাভানি! কিংবা বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের সাবেক দুই কোচ ...

হংকংয়ের বিপক্ষে কষ্টের জয় ভারতের

হংকংয়ের বিপক্ষে কষ্টের জয় ভারতের

হংকংয়ের ইনিংসের তখন ২৯ ওভার চলছে। কোন উইকেট না হারিয়ে ...

মুশফিক বিশ্রামে খেলবেন মুমিনুল

মুশফিক বিশ্রামে খেলবেন মুমিনুল

রুটি সেঁকতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত না আবার হাতটাই পুড়ে যায়- ...

শিক্ষার্থীরা আশাবাদী, সন্দেহ যাচ্ছে না ছাত্রনেতাদের

শিক্ষার্থীরা আশাবাদী, সন্দেহ যাচ্ছে না ছাত্রনেতাদের

সাধারণ শিক্ষার্থীরা আশাবাদী। তবে কিছুটা সন্দেহ আর সংশয়ে আছে ক্যাম্পাসে ...

স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে বাড়ছে গড় আয়ু

স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে বাড়ছে গড় আয়ু

বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ক্রমশই বাড়ছে। ১০ বছর আগে ২০০৮ ...

৩০০ আসনে প্রার্থী দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য

৩০০ আসনে প্রার্থী দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য

চলমান রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য। আওয়ামী ...

'থাহনের জাগা নাই, পড়ালেহা করব ক্যামনে'

'থাহনের জাগা নাই, পড়ালেহা করব ক্যামনে'

ভিটেমাটির সঙ্গে শিশু নাসরিন আক্তারের স্কুলটিও গেছে পদ্মার গর্ভে। তীরে ...

রোগশোক ভুলে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে ওরা

রোগশোক ভুলে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে ওরা

হাটহাজারীর কাটিরহাট থেকে ছয় কিলোমিটার ইটবিছানো রাস্তার পর প্রায় এক ...