আইনি সুরক্ষার বাইরে ৭৫ ভাগ শ্রমিক

প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮      

সমকাল প্রতিবেদক

শ্রমশক্তির মাত্র ১৫ ভাগ শ্রমিককে আইনি সুরক্ষা দেয় দেশের বিদ্যমান শ্রম আইন। বাকি ৭৫ ভাগ এর বাইরে থেকে যাচ্ছে। এমনকি শ্রমশক্তির অন্যতম গৃহশ্রমিক, কৃষি শ্রমিক, স্বাস্থ্যকর্মী, ছোট যান্ত্রিক-অযান্ত্রিক পরিবহন শ্রমিক, পরিচ্ছন্নতা কর্মী, হকারসহ গ্রামীণ ও মফস্বলের দরিদ্রদের শ্রম আইনের বাইরে রাখা হয়েছে। এসব অপ্রাতিষ্ঠানিক ও অসংগঠিত শ্রমিকের জন্য  কোনো আইন নেই; নেই কোনো নীতিমালা।

গতকাল সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন জাতীয় গার্হস্থ্য নারী শ্রমিক ইউনিয়নের (এনডিডব্লিউডব্লিউইউ) নেতারা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মুর্শিদা আক্তার। এ সময় সংগঠনের উপদেষ্টা আবুল হোসেন, জাহান আরা হক, সংগঠনের সভাপতি আমেনা বেগম, সলিডারিটি সেন্টারের কান্ট্রি প্রতিনিধি কেলি ফে রডরিস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, বর্তমান সরকার গৃহশ্রমিকদের জন্য একটি নীতিমালা প্রণয়ন করলেও তার বাস্তবায়ন নেই। এমনকি নীতিমালায় নিবন্ধনের বিষয়টি উল্লেখ থাকলেও তা উপেক্ষিত। গৃহশ্রমিকরা নানাভাবে অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হলেও তারা আইনি কোনো সুরক্ষা পাচ্ছে না। যেহেতু ২০১৫ সালের গৃহশ্রমিক নীতিমালাটির কোনো আইনি ভিত্তি নেই, তাই এটি বাস্তবায়নও কঠিন হয়ে পড়েছে। গৃহশ্রমিকদের সুরক্ষায় একটি পূর্ণাঙ্গ আইন করতে হবে। আইন না থাকার কারণে গৃহশ্রমিকদের বারবার নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে। বিদ্যমান শ্রম আইনে কৃষি শ্রমিক ও গৃহশ্রমিকদের অন্তর্ভুক্ত করার দাবি করেন নেতারা।

সম্প্রতি এনডিডব্লিউডব্লিউইউ ও সলিডারিটি সেন্টার ৩৫০ জনের বেশি গৃহশ্রমিকের ওপর জরিপ চালায়। তাতে দেখা গেছে, ৯৭ শতাংশ শ্রমিক সুরক্ষার জন্য বাধ্যতামূলক আইন চায়; ৫৯ শতাংশ শ্রমিক সংগঠিত হতে ও ট্রেড ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্ত হতে চায়। ৯৬ শতাংশ গৃহশ্রমিক অন্যান্য সেক্টরের মতো নূ্যনতম মজুরি চায়; ২২ শতাংশ খ কালীন গৃহশ্রমিক কোনো না কোনো সময় তাদের কর্মস্থলে নির্যাতনের শিকার এবং ৪১ শতাংশ স্থায়ী গৃহশ্রমিক যারা বাসায় থেকে কাজ করে, কোনো না কোনো সময় তাদের কর্মস্থলে নির্যাতনের শিকার হয়েছে। যদিও তথ্য নেওয়ার সময় নিয়োগকারীর উপস্থিতির কারণে অনেক গৃহশ্রমিক উত্তর দিতে অপারগ হয়েছে।

প্রবাসী ও দেশের অভ্যন্তরে কর্মরত শ্রমিকদের সুরক্ষায় ১০ দফা দাবিও জানানো হয় সংবাদ সম্মেলন থেকে। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- ২০১৫ সালের গৃহশ্রমিক নীতিমালা শতভাগ বাস্তবায়ন, নীতি-নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা-উপজেলা, সিটি করপোরেশন এলাকায় সেল ও পরিদর্শন টিম গঠন, শিশুশ্রম বন্ধ, গৃহশ্রমিকদের নিবন্ধন, নির্যাতনের মামলাগুলোর দ্রুত বিচার, গৃহশ্রমিকদের মর্যাদা দেওয়া, প্রবাসী গৃহশ্রমিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে চাপ সৃষ্টি এবং তাদের জন্য আন্তর্জাতিক মহলের সাহায্য এবং বিদেশফেরত নির্যাতিত-ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিক বা পরিবারের জন্য (মৃত শ্রমিকদের ক্ষেত্রে) ক্ষতিপূরণ আদায়ে সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহায়তা।
ইসিকে গণসংহতি আন্দোলনের আইনি নোটিশ

ইসিকে গণসংহতি আন্দোলনের আইনি নোটিশ

রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন চেয়ে গণসংহতি আন্দোলনের করা আবেদন খারিজের ...

ভারতের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ে পাকিস্তান

ভারতের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ে পাকিস্তান

এশিয়া কাপের সুপার ফোরের ম্যাচে একটি করে ম্যাচ জিতে এগিয়ে ...

বাংলাদেশ হবে বিশ্বের অন্যতম ধনী দেশ: রাসিক মেয়র

বাংলাদেশ হবে বিশ্বের অন্যতম ধনী দেশ: রাসিক মেয়র

আগামী ৩০ থেকে ৩৫ বছর পর বাংলাদেশ বিশ্বের মধ্যে অন্যতম ...

১০ জেলায় নতুন ডিসি

১০ জেলায় নতুন ডিসি

নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) পেয়েছে দেশের ১০ জেলা।রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ...

চট্টগ্রামে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ২

চট্টগ্রামে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ২

চট্টগ্রামে প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস ও সিএনজি অটোরিকশার ত্রিমুখী সংঘর্ষে দুইজন ...

আরাধ্যকে বিব্রত করে ছবি না করার সিদ্ধান্ত অভিষেকের

আরাধ্যকে বিব্রত করে ছবি না করার সিদ্ধান্ত অভিষেকের

দুই বছর পর অভিষেক বচ্চন বলিউডে ফিরেছেন অনুরাগ কাশয়াপ পরিচালিত ...

২৬ ঘণ্টা পর বগুড়া দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু

২৬ ঘণ্টা পর বগুড়া দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু

প্রায় ২৬ ঘণ্টা বন্ধ থাকার বগুড়া দিয়ে আবারও ট্রেন চলাচল ...

বাংলাদেশ এখন রোল মডেল: স্পিকার

বাংলাদেশ এখন রোল মডেল: স্পিকার

স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, নারী উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখন ...