৬০ মাদক কারবারির বাড়িতে যৌথ বাহিনীর অভিযান

প্রকাশ: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮      

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

কক্সবাজার সদর, রামু ও টেকনাফ উপজেলায় ৬০ শীর্ষ মাদক কারবারির বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, গোয়েন্দা পুলিশ ও থানা পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনী। গত দু'দিনের এ অভিযানে তল্লাশিকালে কয়েকটি বাড়ি থেকে ইয়াবা, দেশি অস্ত্র ও টাকা উদ্ধারের দাবি করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। অভিযান চালানো বাড়িগুলোর মধ্যে ছয়জন স্থানীয় জনপ্রতিনিধির বাড়িও রয়েছে। জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, ইয়াবা ব্যবসায়ীদের বাড়িগুলো দেখতে অনেকটা রাজপ্রাসাদের মতো।

গতকাল বুধবার দুপুরে অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে কক্সবাজার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সোমেন মণ্ডল বলেন, গত রবি ও সোমবার মাদকবিরোধী অভিযানে কক্সবাজার সদর, রামু ও টেকনাফ উপজেলার শীর্ষ মাদক ও চোরাকারবারি ৬০ জনের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে এক হাজার পাঁচ পিস ইয়াবা বড়ি, ইয়াবা বিক্রির ২৯ লাখ ১০ হাজার টাকা ও ১৮টি দেশি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও জানান, ইয়াবার বিস্তার ঠেকাতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গঠিত টাস্কফোর্সের সভাপতি ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিচালক (অপারেশন ও গোয়েন্দা) ড. এ এফ এম মাসুম রব্বানীর নেতৃত্বে যৌথ বাহিনীর এ অভিযানে উপস্থিত ছিলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগীয় অতিরিক্ত পরিচালক মুজিবুর রহমান পাটোয়ারী, বিভাগীয় গোয়েন্দা শাখার উপপরিচালক এ কে এম শওকত হোসেন, জেলা পুলিশের সিনিয়র এএসপি সাইফুল ইসলাম ও টেকনাফ মডেল থানার ওসি রণজিত কুমার বড়ূয়া।

বাড়িগুলো হচ্ছে- কক্সবাজারের রামু জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান এম এম নুরুচ ছাফা, হ্নীলার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জামাল হোসেন, একই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মোহাম্মদ নুরুল হুদা, টেকনাফ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোহাম্মদ শাহ আলম, সদর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য এনামুল হক, সাবরাং ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য রেজাউল করিম রেজু। এসব জনপ্রতিনিধি ছাড়াও রয়েছে টেকনাফ পৌরসভার দক্ষিণ জালিয়াপাড়ার রেজাউল করিম রেজা, মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক, মোহাম্মদ জোবাইর, সাবরাংয়ের শামসুল আলম মার্কিন, হ্নীলার হাসান আবদুল্লাহ, মো. সাইফুল, পুরান পল্লানপাড়ার শাহ আলম, নাজিরপাড়ার জিয়াউর রহমান, শাহপরীর দ্বীপের আনিসুর রহমান ইয়াহিয়া, কক্সবাজারের শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী লারপাড়ার মোহাম্মদ শাহাজাহান আনসারী, তার দুই ভাই রশিদ আনসারী ও আবু সুফিয়ান আনসারী। ইয়াবা ব্যবসা করে রাতারাতি তাদের অনেকে কোটিপতি বনে গেছেন। অনেকেরই রয়েছে আলিশান বাড়ি। অভিযানে দু'জনকে আটকের কথাও জানিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। তারা হলেন টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ উত্তরপাড়া ফরিদ

আহমদ ও কক্সবাজার লাহারপাড়ার লাল মোহাম্মদের স্ত্রী সায়েরা খাতুন।

এর মধ্যে সায়েরা খাতুনকে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ফরিদকে থানায় সোপর্দ করে নানা অভিযোগে সাতটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি রণজিত কুমার বড়ূয়া বলেন, অভিযানকালে কোনো শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ীকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি। তবে তাদের সবাইকে আটক করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
ভারতের শ্বাস রুদ্ধ করে ’টাই’ আফগানদের

ভারতের শ্বাস রুদ্ধ করে ’টাই’ আফগানদের

ভারত 'বধ' করেই ফেলেছিল আফগানিস্তান। কিন্তু ম্যাচটা শেষ পর্যন্ত টাই ...

১৪ দল-বিএনপি মুখোমুখি

১৪ দল-বিএনপি মুখোমুখি

রাজনীতিতে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ও কর্মসূচিকে ঘিরে উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। এবার ...

পল্টন-সোহরাওয়ার্দী কোনোটাই পাচ্ছে না বিএনপি

পল্টন-সোহরাওয়ার্দী কোনোটাই পাচ্ছে না বিএনপি

আগামীকাল বৃহস্পতিবার প্রথমে রাজধানীতে জনসভা করার ঘোষণা দিয়েছিল বিএনপি। ওইদিন ...

শীর্ষ চার রুশ ব্লগার বাংলাদেশে

শীর্ষ চার রুশ ব্লগার বাংলাদেশে

বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনাকে রাশিয়ার জনগণের সামনে তুলে ধরা এবং দ্বিপক্ষীয় ...

ভূমিহীনের জন্য বরাদ্দ জমিতে বড়লোকের পুকুর

ভূমিহীনের জন্য বরাদ্দ জমিতে বড়লোকের পুকুর

মুক্ত জলাশয়ে মাছ ধরে তা বিক্রি করে সংসার চলতো ভূমিহীন ...

জাতীয় ঐক্যকে চাপে রাখবে আ'লীগ ও ১৪ দলীয় জোট

জাতীয় ঐক্যকে চাপে রাখবে আ'লীগ ও ১৪ দলীয় জোট

শুরুতে স্বাগত জানালেও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া গঠন এবং সরকারবিরোধীদের নিয়ে ...

জিততেই হবে আজ

জিততেই হবে আজ

অতীতের ভুল তারা কখনোই স্বীকার করে না। মানতে চায় না ...

প্রশাসনে নির্বাচনী রদবদল

প্রশাসনে নির্বাচনী রদবদল

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রশাসন সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে ...