বারমুডা নয়, ড্রাগন ট্রায়াঙ্গল

প্রকাশ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮      

সমকাল ডেস্ক

এই সমুদ্রপথ দিয়ে গেলে আর কোনো জাহাজ নাকি ফিরে আসে না। উড়ন্ত বিমানও নাকি উধাও হয়ে যায়। বারমুডা ট্রায়াঙ্গল নয়; এটি হলো জাপানের ড্রাগন ট্রায়াঙ্গল। এখানে নাকি অশুভ শক্তি বাসা বেঁধেছে! তাই একে 'ডেভিল সি'ও বলা হয়ে থাকে।

প্রশান্ত মহাসাগরে জাপানের উপকূলের কাছেই এই 'ডেভিল সি'র ভৌগোলিক অবস্থান। বারমুডা ট্রায়াঙ্গল উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের পশ্চিমে। এটি জাপানের দক্ষিণে। জাপানের রাজধানী টোকিও থেকে ১০০ কি.মি. দূরে মিয়াকের কাছেই নাকি আজব সব ঘটনা ঘটে। সেই পঞ্চাশের দশক থেকেই নাকি এখানে অসংখ্য জাহাজ উধাও হয়ে গেছে। খোঁজ করতে গিয়েও আর কেউ ফিরে আসেননি। তাই এশিয়ার বারমুডা ট্রায়াঙ্গলও বলা হয়ে থাকে জাপানের এই 'ডেভিল সি'কে।

১৯৫২-১৯৫৪ সাল নাগাদ নাকি পরপর বেশ কয়েকটি জাহাজ হারিয়ে যাওয়ার সময় প্রায় ৭০০ সৈন্যও গায়েব হয়ে যায়। কারও নাকি আর খোঁজ মেলেনি। এ ছাড়া দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়েও নাকি ৫০০টি বিমান, ১০টি যুদ্ধজাহাজ, ১০টি নৌযান ওই এলাকাতেই ধ্বংস হয় বা হারিয়ে যায়।

ড্রাগন ট্রায়াঙ্গলের রহস্য নিয়ে চলেছে বিস্তর আলোচনা, নানা ব্যাখ্যা। পক্ষে-বিপক্ষে রয়েছে নানা যুক্তি। ৩১ জন বিজ্ঞানীর খোঁজ না মেলার কথা রটে যাওয়ার পর থেকেই অনেকে বলতে থাকেন, সমুদ্রের তলদেশে নাকি ড্রাগন রয়েছে। সেই থেকে নাম 'ড্রাগন ট্রায়াঙ্গল'। তবে ঠিক কবে থেকে 'ডেভিল সি'র এই অংশকে 'ড্রাগনস ট্রায়াঙ্গল' বলা শুরু হলো, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়।

এমনটাও বলা হয়, কুবলাই খাঁ ১২০০ সালে ওই এলাকা দিয়ে জাহাজ নিয়ে যাচ্ছিলেন। তারপর নাকি জাহাজের ৪০ হাজার আরোহী সমুদ্রেই নিখোঁজ হয়ে যায়। ১৮০০ সালে এক রহস্যময়ী নারীকে নাকি ওই এলাকায় জাহাজ চালিয়ে নিয়ে যেতে দেখা গেছে। এর পর আরও নানা 'মিথ' রটতে থাকে কয়েক দশক ধরে।

১৯৮৯ সালে চার্লস বার্লিৎজ নামে এক লেখক 'দ্য ড্রাগনস ট্রায়াঙ্গল' বইয়ে লেখেন পঞ্চাশের দশকে জাহাজডুবি ও সৈন্য নিখোঁজের কথা। ১৯৯৫ সালে ল্যারি কুশে নামে এক লেখক বলেন, কায়ো মারু ১৯৫২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর ধ্বংস হয়। পরে ধ্বংসাবশেষ মিলেছিল। ল্যারিই বলেন, এ অঞ্চলে মৎস্যজীবীদের নৌকা নিখোঁজ হয়েছিল; জাহাজ নয়। তিনি আরও বলেন, অগ্ন্যুৎপাত ছাড়াও ভূমিকম্পের প্রবণতা রয়েছে এসব এলাকায়। সব মিলিয়ে 'অশুভ আত্মা'র কথা রটে গিয়েছিল। আর ছোট মাছ ধরার নৌকা গভীর সমুদ্রে হারিয়ে যাওয়ার ঘটনা খুবই স্বাভাবিক।

সায়েন্টিফিক আমেরিকানের তথ্য অনুযায়ী, ড্রাগন ট্রায়াঙ্গলের এই স্থানে প্রায় ৩৭ হাজার মাইল এলাকাজুড়ে গভীর সামুদ্রিক খাদ রয়েছে এবং এখানে প্রচুর পরিমাণে গরম লাভা ও কার্বন ডাই অক্সাইড রয়েছে। পরিবেশবিদদের একাংশের মত, এমন অগ্ন্যুৎপাত বা ভূমিকম্পের কারণে সেখানকার প্রাকৃতিক পরিবেশ প্রতিনিয়ত বদলায়। সূত্র :আনন্দবাজার পত্রিকা।





ম্যানইউয়ের জয়ের দিনে হোঁচট ম্যানসিটির

ম্যানইউয়ের জয়ের দিনে হোঁচট ম্যানসিটির

প্রতিপক্ষের মাঠে যেয়ে ৩-০ গোলের বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে মরিনহোর ...

পেনাল্টিতে জয় জুভদের, লাল কার্ড রোনালদোর

পেনাল্টিতে জয় জুভদের, লাল কার্ড রোনালদোর

স্প্যানিশ ক্লাব ভ্যালেন্সিয়ার মাঠ থেকে ২-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ...

রোমাকে সহজে হারাল রিয়াল

রোমাকে সহজে হারাল রিয়াল

রিয়াল মাদ্রিদ চ্যাম্পিয়নস লিগের ফেবারিট। রোনালদোকে নিয়ে পরপর তিনটি চ্যাম্পিয়নস ...

রোনালদোর চ্যাম্পিয়নস লিগ শুরু লাল কার্ডে

রোনালদোর চ্যাম্পিয়নস লিগ শুরু লাল কার্ডে

ঘর্মাক্ত মুখ-চোখ-কপাল। তাতে এক ফোন চোখের পানি পড়লে কি সহজে ...

নির্ভার টাইগারদের সামনে আফগান

নির্ভার টাইগারদের সামনে আফগান

হোটেল থেকে মাঠের দূরত্ব ১৩৯.৫ কিলোমিটার! ঢাকা থেকে এই দূরত্বে ...

বাস্তুচ্যুত শব্দে আপত্তি মিয়ানমারের নিবন্ধন কার্যক্রম বন্ধ

বাস্তুচ্যুত শব্দে আপত্তি মিয়ানমারের নিবন্ধন কার্যক্রম বন্ধ

নিবন্ধন সম্পন্ন করার পর রোহিঙ্গাদের দেওয়া স্মার্টকার্ডের নাগরিক পরিচিতি কলামে ...

রক্ষা পাক জাম্বুরি পার্ক

রক্ষা পাক জাম্বুরি পার্ক

চট্টগ্রামে প্রথমবারের মতো সাড়ে আট একর জায়গায় নির্মাণ করা হয়েছে ...

ক্ষমতার সঙ্গে থাকার দৌড়ে ধর্মভিত্তিক দলও

ক্ষমতার সঙ্গে থাকার দৌড়ে ধর্মভিত্তিক দলও

সংসদে প্রবেশের দৌড়ে নেমেছে ধর্মভিত্তিক দলগুলোও। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির ...