বাজেট :ভূমি ব্যবস্থাপনা ও সুশাসন

সমকালীন প্রসঙ্গ

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০১৬      

শামসুল হুদা

গত ২ জুন, ২০১৬ সংসদে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের পেশ করা ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬০৫ কোটি টাকার বিশাল উচ্চাভিলাষী বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ শিক্ষা খাতে। পরিমাণ ৪৯ হাজার ১০ কোটি টাকা। এটা প্রশংসনীয়। শিক্ষার সঙ্গে এবার বেড়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ ১৭ হাজার ৪৮৬ কোটি টাকার অঙ্কে। ১৬ কোটি মানুষের দেশে এই বরাদ্দ পর্যাপ্ত না হলেও শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে গতবারের তুলনায় বরাদ্দ বৃদ্ধি অবশ্যই একটি সুখবর। জনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা খাতে এবার ২১ হাজার ৬৩ কোটি টাকা যৌক্তিক তো বটেই, পরিস্থিতি বিবেচনায় আরও বেশি বরাদ্দকে মানুষ স্বাগত জানাবে যদি আইন-শৃঙ্খলা এজেন্সিগুলোর উন্নত কাজের ফলে জননিরাপত্তা ও জনমনে আস্থা বাড়ে। অন্য গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় হিসেবে স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়নে ২৩ হাজার ৫৩৯ কোটি টাকা এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের জন্য ২১ হাজার ৬৫৪ কোটি টাকা বরাদ্দ নিয়ে তেমন আলোচনার কিছু নেই।
কিন্তু লক্ষণীয়ভাবে বরাবরের মতো এবারও ভূমি মন্ত্রণালয়ের জন্য বরাদ্দ প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। স্মরণ করা যেতে পারে, স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার দলিল প্রণয়নকারী পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য দেশবরেণ্য অর্থনীতিবিদদের বলিষ্ঠ মতামতের কারণে ভূমি ব্যবস্থাপনা, ভূমি সংস্কার যথেষ্ট গুরুত্ব পেয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর সরকার বিষয়টিকে অগ্রাধিকারের এজেন্ডায় রেখেছিল। কিন্তু তার পর থেকে ধারাবাহিকভাবে ভূমি ব্যবস্থাপনা, ভূমি প্রশাসন, ভূমি ও কৃষি সংস্কারের মৌলিক কাজগুলো সব সরকারের আমলেই উপেক্ষিত হয়ে এসেছে। এবারের বাজেটেও ভূমি মন্ত্রণালয়ের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে মাত্র এক হাজার ৪৮৫ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের মাত্র ০.৪৩ শতাংশ। গত বছর বরাদ্দ ছিল মোট বাজেটের মাত্র ০.৩০ শতাংশ।
উল্লেখ করা যায়, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার যেসব দেশে বিগত ৩-৪ দশকের মধ্যে ভূমি ব্যবস্থা, ভূমিতে সাধারণ কৃষক ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষা কিংবা ভূমি ও কৃষিতে আমূল সংস্কারের মাধ্যমে গোটা সমাজের স্থায়িত্বশীল উন্নয়ন এবং শিল্পায়ন ও প্রযুক্তির প্রসার সুনিশ্চিত করা হয়েছে, সে দেশগুলোতে বাজেটে ভূমি ও ভূমি সংস্কার খাতে ব্যয় বরাদ্দ অনেক বছর ধরে মোট বাজেট বরাদ্দের ২ শতাংশের বেশি রয়েছে। আমাদের এখানে ভূমি ব্যবস্থাপনাকে এতটাই অবহেলার বিষয় বলে মনে করা হয়েছে যে, এই মন্ত্রণালয়ে দীর্ঘদিন ধরে পূর্ণ মন্ত্রী ছিলেন না। অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতায়ও দু'চারটি মামুলি বাক্য ছাড়া এই মন্ত্রণালয় সম্পর্কে যেন কিছু বলার থাকে না। অথচ আমাদের অর্থনীতি যে ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে আছে তা মূলত ভূমি ও কৃষি। আবার কৃষির পুরোটাই টিকে থাকে ভূমি, জলা, হাওর-বাঁওড়-জলাধারের পূর্ণ ও দক্ষ ব্যবস্থাপনার ওপর। মৎস্য সম্পদের উৎপাদন ও প্রসারে সবচেয়ে যা গুরুত্বপূর্ণ সেই বিল, হাওর-বাঁওড়, পুকুর ইত্যাদিও বহুলাংশে ভূমি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সম্পর্কিত।
দেশে ৫ হাজারের মতো সর্বনিম্ন পর্যায়ের তহশিল বা ইউনিয়ন ভূমি অফিস আছে। এই অফিসগুলোর অধিকাংশের চেহারা এতই করুণ যে, তা বর্ণনার ভাষা খুঁজে পাওয়া ভার। জরাজীর্ণ ভূমি অফিসগুলোর নিরাপত্তা বলে কিছু নেই। সম্প্রতি সহিংস রাজনৈতিক আন্দোলন চলাকালে বিশেষ স্বার্থে দুর্বৃত্তরা কয়েকটি নিরাপত্তাহীন ভূমি অফিস আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছিল। ভূমি সংক্রান্ত রেকর্ড, ফাইল ও তথ্যাদি সাধারণ মানুষের জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ ও মূল্যবান। এসব নষ্ট হলে তারা নানা ঝামেলা ও হয়রানির মধ্যে পড়ে যান। তখন প্রতিকারের দায়িত্ব কেউই নিতে আগ্রহী হয় না। প্রশাসন থেকেও কোনো সহায়তা মেলে না।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের নানা স্তরে বিশেষত জেলা-উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসে লোকবলের সংকট বহু বছরের। ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অধিকাংশের নিরাপত্তা প্রহরী নেই। ঝড়-বৃষ্টি, বন্যা, ইঁদুর, উইপোকার আক্রমণের হাত থেকে ভূমি, জলা, খাস জমি, কৃষি ও অকৃষি জমি, চর, বন ইত্যাদি এবং খাজনা, সরকারি লিজ প্রভৃতি সম্পর্কিত মূল্যবান রেকর্ড ফাইল রক্ষা করার নিরাপদ ব্যবস্থা নেই। পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ নেই বলে এ রকমই চলছে বছরের পর বছর।
দেশে উপজেলার সংখ্যা কমবেশি ৪৭০। প্রত্যেক উপজেলায় একজন সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসি (ল্যান্ড) থাকার কথা। আমাদের জানামতে, শতকরা প্রায় ৩০ ভাগ উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে পদটি শূন্য রয়েছে। সেসব উপজেলায় নির্বাহী কর্মকর্তাকেই (ইউএনও) অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে এসি ল্যান্ডের কাজ করতে হয়। ইউএনওরা নিয়মিত প্রশাসনিক দায়িত্ব, তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শত ঝক্কি-ঝামেলা, আইন-শৃঙ্খলা সমস্যা, স্কুল-কলেজের পরীক্ষাসহ অনেক দায়িত্ব পালনের পর ভূমি অফিসের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের জন্য প্রায়শ সময় দিতে পারেন না। মিউটেশনসহ ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা পেতে মানুষের দুর্ভোগের সীমা থাকে না। যেসব উপজেলায় এসি (ল্যান্ড) আছেন সেখানেও ভূমি দুর্নীতির অনেক অভিযোগ। আর ওই পদে কর্মকর্তা না থাকলে ভূমি অফিস ঘিরে রাখা দালালচক্র সে পরিস্থিতি আঠারো আনা কাজে লাগায় এবং ভূমি-দুর্নীতি ক্রমাগত প্রসার লাভ করতে থাকে।
ভূমি রেকর্ড সংরক্ষণ ও জরিপ কাজে কম্পিউটার ও ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের কথা বলা হচ্ছে অনেক বছর থেকে। একাধিক দাতা সংস্থার সহায়তায় কয়েকটি জেলায় এর পাইলটিং সম্পন্ন হয়েছে সফলভাবে। কিন্তু আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় জনগণের সেবা নিশ্চিত করার উপযোগী করে সব জেলায় ভূমি প্রশাসনের প্রতি স্তরে ভূমি রেকর্ড বিশ্বাসযোগ্যভাবে সংরক্ষণ এবং ডিজিটাল জরিপ দ্রুত সম্পন্ন করার দৃশ্যমান পরিকল্পনা প্রণীত হয়েছে বলে আমাদের জানা নেই। একটি সুনির্দিষ্ট সময়ভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা এবং পর্যাপ্ত দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনবল প্রয়োজন। সাধারণ মানুষকে এই প্রযুক্তি ব্যবহারে আগ্রহী, আস্থাশীল ও অভ্যস্ত করে তুলতে জনসচেতনতা, প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় জনসম্পৃৃক্ততা এবং জনগণের সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন। এসবের জন্য যে পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ প্রয়োজন, তা বলাই বাহুল্য।
বলা হয়, আমরা ইতিমধ্যে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে গেছি। কিন্তু এই স্বয়ংসম্পূর্ণতা ধরে রাখতে কি আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ? প্রতিদিন যে হারে কৃষি জমি হারিয়ে যাচ্ছে তা রোধ করতে কার্যকরভাবে কিছু কি আমরা করেছি? আবাসন, রাস্তাঘাট প্রশস্তকরণ, নগরায়ন, শিল্পায়ন এবং ভয়াবহ রকমের ইটভাটার উৎপাত-অত্যাচার; ইপিজেড, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, সরকারি-বেসরকারি প্রকল্প ইত্যাদির সীমাহীন চাহিদা পূরণে আবাদযোগ্য কৃষি জমি, জলাধার এমনকি খাল-বিল, নদী, বন, পাহাড় সবই বিলুপ্ত হয়ে চলেছে। কৃষি জমি সুরক্ষা ও ভূমি ব্যবহারের জোনিং পদ্ধতি কার্যকর করতে যে আইনের খসড়াটি হয়েছিল, কিছু ত্রুটিযুক্ত সেই খসড়াটিও মনে হচ্ছে ফাইলচাপা পড়ে আছে। সমাজের কোন গোষ্ঠী বা শ্রেণিস্বার্থ রক্ষা করতে এই আইনটি সংসদে এখনও কেন উত্থাপন বা পাস হলো না_ সেটাই প্রশ্ন।
তবে কৃষি জমি ধরে রাখতে শুধু একটি আইন ও বিধিমালা প্রণয়ন যথেষ্ট নয়। কৃষি জমির অনুৎপাদশীল ও অকৃষি ব্যবহার যথার্থভাবে রোধ করতে হবে; জলাধার, নদী, হাওর-বাঁওড়, বিল, পুকুর, পাহাড়, বন, জঙ্গল যেটুকু এখনও অবশিষ্ট আছে, আমাদের যে কোনো মূল্যে তা রক্ষা করতে হবে। ভূমি সংস্কারের মৌলিক কাজে হাত দিতেই হবে। তার জন্য ভূমি, বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের দক্ষ, উপযুক্ত জনবল যেমন কয়েক গুণ বাড়াতে হবে, তমনি জনগণের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণে স্তরভিত্তিক নিয়মিত পরিবীক্ষণ কাঠামো গড়ে তোলা আবশ্যক। এ জন্য বাজেটে পর্যাপ্ত বরাদ্দ রাখা তাই সময়ের দাবি। ভূমি সংস্কার বোর্ডকে মাঠ পর্যায়ের কাজের নিয়মিত নিবিড় পরিবীক্ষণের দায়িত্ব দেওয়ার কথা ছিল। বোর্ডের পর্যাপ্ত ও দক্ষ জনবল নেই। এখানে নজর দিতেও প্রয়োজনীয় বাজেট দরকার।
এখানে একটি বিষয়ের অবতারণা করতেই হবে। তা হচ্ছে অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন বাস্তবায়নের ধীরগতি। মূল আইনটি বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার ২০০১ সালে পাস করলেও তা বাস্তবায়ন করতে পারেনি। পরবর্তী বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার আইনটির বাস্তবায়ন না করতে যা যা করা দরকার মনে করেছে তা-ই করে গেছে। ২০১১ সাল এবং তার পরে কয়েকবার আইনটি সংশোধনের মধ্য দিয়ে এখন বাস্তবায়ন-উপযোগী হয়েছে। বাস্তবায়নের পথে অগ্রগতিও হয়েছে। ৬১টি জেলায় অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ ট্রাইব্যুনাল ও আপিল ট্রাইব্যুনাল আইন অনুযায়ী গঠিত হয়েছে। কিন্তু বিপুলসংখ্যক ভুক্তভোগী মানুষ এই আইনের অধীনে প্রতিকার এখনও পাচ্ছেন না। অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণের আবেদন হাজারে হাজারে জমা পড়েছে বিভিন্ন ট্রাইব্যুনালে। কিন্তু শুনানি হচ্ছে না, রায় মিলছে না। রায় পেলেও প্রশাসন তা কার্যকর করছে না। এমন নজির অনেক। এখানে প্রশাসনিক মানসিকতার পরিবর্তন ও উপযুক্ত দক্ষ জনবল প্রয়োজন। অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণে কোনো এক্সক্লুসিভ আদালত বা ট্রাইব্যুনাল নেই, যে বিচারক শুধু এ বিষয়ের শুনানি করবেন ও দ্রুত নিষ্পত্তি করবেন। এ ক্ষেত্রে সরকার অতিরিক্ত বিচারক নিয়োগ দিতে পারে। সেই বিচারককে সহায়তা করতে দক্ষ অতিরিক্ত জনবল দরকার। বিশেষ করে এ বিষয়টি যেহেতু আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারভুক্ত, তাই বাজেট বৃদ্ধির প্রসঙ্গটি আইন মন্ত্রণালয়ের।
আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে ভূমি, কৃষি জমি, জলাধার, হাওর-বাঁওড় ইত্যাদি। এর ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব যে মন্ত্রণালয়ের তাকে অবহেলা করা বা গুরুত্বহীন করে রাখার অর্থ হচ্ছে জাতীয় সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনাকে অবহেলা করা। এটা কোনোভাবেই কাম্য নয়। তাই খুব সঙ্গতভাবেই আমরা জাতীয় সংসদের সকল মাননীয় সদস্য এবং অর্থ মন্ত্রণালয়সহ সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের কাছে আবেদন করব, যাতে তারা ভূমি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত এখানে আলোচিত বিষয়গুলোর গুরুত্ব অনুধাবন করেন। আশা করব, সংসদ সদস্যরা জনস্বার্থে এসব বিষয় নিয়ে বাজেট আলোচনার সময় সোচ্চার হবেন এবং ভূমির জন্য বাজেট কমপক্ষে দুই থেকে আড়াই গুণ বৃদ্ধি নিশ্চিত করবেন। একই সঙ্গে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সর্বস্তরে দক্ষ, সৎ ও প্রশিক্ষিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদায়ন, নিয়োগ ও সংখ্যা বৃদ্ধি যাতে নিশ্চিত হয় তার পক্ষে জোরালো অবস্থান নেবেন। গোটা ভূমি প্রশাসন দক্ষ, স্বচ্ছতাপূর্ণ, দুর্নীতিমুক্ত ও গতিশীল করতে বলিষ্ঠ পদক্ষেপ নিতে তারা সরকারকে উদ্বুদ্ধ করবেন বলে আশা করি। ভূমি ব্যবস্থাপনার সময়োপযোগী ও জনমুখী সংস্কার এবং ভূমি সুশাসনের জন্য এর বিকল্প নেই।
ভূমি ব্যবস্থাপনা বিশ্লেষক; নির্বাহী
পরিচালক, এএলআরডি

পরবর্তী খবর পড়ুন : ঈদের স্মৃতি

বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবে নিখোঁজ ২১

বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবে নিখোঁজ ২১

বঙ্গোপসাগরের বাঁশখালী-কুতুবদিয়া চ্যানেলের সোনারচর এলাকায় ট্রলার ডুবে ২১ জন মাঝিমাল্লা ...

'খালেদা প্রকৃত অসুস্থ হলে হাসপাতাল ঠিক করতে এত সময় নিতেন না'

'খালেদা প্রকৃত অসুস্থ হলে হাসপাতাল ঠিক করতে এত সময় নিতেন না'

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, অনেকেই মনে করেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা ...

লুকাকুর জোড়া গোলে বড় জয় বেলজিয়ামের

লুকাকুর জোড়া গোলে বড় জয় বেলজিয়ামের

প্রথমার্ধ গোল শুন্য সমতায় শেষ হয়েছিল বেলজিয়াম-পানামার ম্যাচটি। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে ...

খালেদা ও এরশাদ নির্বাচন করলে আমিও করব: অর্থমন্ত্রী

খালেদা ও এরশাদ নির্বাচন করলে আমিও করব: অর্থমন্ত্রী

আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল ...

শেখ হাসিনার ভাণ্ডার ছোট নয়: মায়া

শেখ হাসিনার ভাণ্ডার ছোট নয়: মায়া

ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী ...

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম বন্ধের নির্দেশ

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম বন্ধের নির্দেশ

অনলাইন নিউজ পোর্টাল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম ওয়েবসাইট বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ...

দ. কোরিয়াকে পেনাল্টিতে হারালো সুইডেন

দ. কোরিয়াকে পেনাল্টিতে হারালো সুইডেন

দক্ষিণ কোরিয়া ৬৫ মিনিটের ভুলটার জন্য কপাল চাপড়াতে পারে। বিশ্বকাপে ...

রাজধানী এখনও ফাঁকা, ছুটির আমেজ

রাজধানী এখনও ফাঁকা, ছুটির আমেজ

ঈদের ছুটি শেষ; কিন্তু রাজধানীতে এখনও ছুটির আমেজ। চিরচেনা যানজটের দেখা ...