মোটরসাইকেল নিয়ে উদ্বেগ

সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ

প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮      

ড. মো. মিজানুর রহমান

গত ২৯ জুলাই বিমানবন্দর সড়কে শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র রাজু ও একই কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী মীমের বাসচাপায় মৃত্যুর পর দেশজুড়ে শিক্ষার্থীরা নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৬ আগস্ট মন্ত্রিসভার বৈঠকে 'সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮'-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের সাজা ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রেখে সড়ক পরিবহন আইনের এ খসড়ায় অনুমোদন দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে ৫ আগস্ট থেকে ১৪ আগস্ট পর্যন্ত জনগণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ পালন করে ১০ দিনব্যাপী 'ট্রাফিক সপ্তাহ-২০১৮'। চলমান ট্রাফিক আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে অভিযানকে আরও বেগবান করতে মাসব্যাপী ট্রাফিক আইন প্রয়োগ ও ট্রাফিক সচেতনমূলক কর্মসূচি শুরু করেছে ডিএমপি। সেপ্টেম্বর ২০১৮ পুরো মাস এই ট্রাফিক সচেতনমূলক কর্মসূচি পালিত হবে। সরকারের নানামুখী পদক্ষেপ এবং শিক্ষার্থীদের এত বড় আন্দোলনের পরও সাধারণ মানুষ এখনও ট্রাফিক আইন অমান্য করে যাতায়াত করছে। ফলে নিত্যদিন দুর্ঘটনা ঘটছে। তাই আইন মেনে রাস্তায় যাতায়াত করতে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য সময়োপযোগী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

সম্প্রতি সড়ক-মহাসড়কে মোটরসাইকেলের সংখ্যাধিক্য লক্ষ্য করা যায়। বিআরটিএ থেকে প্রাপ্ত তথ্যসূত্র থেকে দেখা যায়, মার্চ ২০১৮ পর্যন্ত বাংলাদেশে বিভিন্ন ক্যাটাগরির নিবন্ধনকৃত যানবাহন ৩৪ লাখ ১৯ হাজার ৮৮৪টি। এর মধ্যে মোটরসাইকেলের সংখ্যা ২১ লাখ ৪৫ হাজার ৬৫৯ অর্থাৎ মোট নিবন্ধনকৃত যানবাহনের ৬৩ শতাংশই মোটরসাইকেল। এর বাইরেও অনিবন্ধিত মোটরসাইকেলের সংখ্যা কম নয়। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী শহর এবং উপজেলাগুলোতে। ২০১৫, ১৬, ১৭ ও ১৮ সালে মোট নিবন্ধিত যানবাহনের মধ্যে মোটরসাইকেলের সংখ্যা যথাক্রমে ৭৫, ৮০, ৭৮ ও ৭৯ শতাংশ। ২০১৪ সাল পর্যন্ত নিবন্ধিত মোটরসাইকেল ছিল ১১ লাখ ৫১ হাজার ৯৫৪টি, যা ২০১৮ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১ লাখ ৪৫ হাজার ৬৫৯টি। মোটরসাইকেলের নিবন্ধন কিছুদিন বন্ধ রাখা যায় কি-না; এ ব্যাপারে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি ভেবে দেখা দরকার। অনুসন্ধানে প্রতীয়মান- ২০১৫ সালে পুলিশ কর্তৃক গাড়ির নিবন্ধন ও লাইসেন্স নিরীক্ষা শুরু হওয়ার পর থেকে মোটরসাইকেলের নিবন্ধন বাড়তে শুরু করে। মোটরসাইকেল তুলনামূলক ছোট আকৃতির এবং অধিক গতিসম্পন্ন হওয়ায় চালকরা যানজটের মধ্যেও ফাঁকা জায়গার মধ্য দিয়ে চালিয়ে কম সময়ে গন্তব্যে পৌঁছতে পারেন। তরুণ সমাজের মধ্যে মোটরসাইকেল চালানোর প্রতি এক ধরনের ঝোঁকও দেখা যায়। তা ছাড়া রাইড শেয়ারিংয়ের প্রচলনের পর থেকে মোটরসাইকেলের জনপ্রিয়তা বেড়ে চলেছে, যার মাধ্যমে অনেকে অর্থোপার্জনের চেষ্টা করছে।

অ্যাক্সিডেন্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এআরআই) দেশব্যাপী সড়ক দুর্ঘটনার তথ্য সংগ্রহ ও অনুসন্ধান করে থাকে। এক অনুসন্ধানে দেখা যায়, মোটরসাইকেলচালকরা প্রতিনিয়ত ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করছে। যার ফলে সড়কে ঘটছে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। ঢাকা শহরে সড়কের উল্টোদিক দিয়ে চলাচলকারী যানবাহনের মধ্যে মোটরসাইকেলের সংখ্যা সর্বাধিক। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৪ সালে ২৫৮৫টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে, যার মধ্যে ২৪১টি হচ্ছে মোটরসাইকেলের। ওই বছর শুধু মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয় ১৪১ জন; আহত হয় ৯০ জন। পরবর্তী বছরগুলোতে দুর্ঘটনার সংখ্যা কমলেও ২০১৭ সালে তা বেড়ে উদ্বেগজনক পর্যায়ে চলে যায়। সে বছর সংঘটিত ২৯১৭টি দুর্ঘটনার মধ্যে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ছিল ৬৩৭টি। শুধু মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় গত বছর প্রাণ হারায় ৭৪৪ জন এবং আহতের সংখ্যা ৪০৫। রাজধানী ঢাকায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। গত বছর ৪৮টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ৫৩ জন নিহত হয় এবং ১৯ জন আহত হয়। এর বাইরেও গ্রাম ও উপজেলা পর্যায়ে, বিশেষ করে এলজিইডির সড়কে সংঘটিত অনেক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার খবর পরিসংখ্যানে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে না। মোটরসাইকেল চালক যারা হতাহত হচ্ছে তাদের বয়স ১৫ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যেই বেশি। প্রতি বছর আমরা কর্মক্ষম দক্ষ জনগোষ্ঠী সড়ক

দুর্ঘটনার কারণে হারাচ্ছি, জাতির জন্য যা বড় ধরনের ক্ষতি।

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার কারণ বিশদভাবে পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, অধিকাংশ মোটরসাইকেলচালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই। আবার অনেকে যোগ্যতা অর্জন না করেও অসদুপায় অবলম্বন করে ড্রাইভিং লাইসেন্স পেয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে অপেক্ষাকৃত কম বয়সী ছেলেদের কাছে মোটরসাইকেলের সহজলভ্যতা সড়ক দুর্ঘটনার হার বাড়াচ্ছে। গ্রামে যানবাহন সংকটের কারণে যাতায়াতের সুবিধার্থে মোটরসাইকেলের ব্যবহার জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কিন্তু নিয়ম-কানুন না জানার কারণে অনেক অনভিজ্ঞ ও অদক্ষ চালক দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। আমাদের দেশে লেন অনুসরণ করে গাড়ি না চালানোর কারণে মোটরসাইকেল চালকরা যেদিকে ফাঁকা পায়, সেদিকেই মোটরসাইকেল চালিয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে অনেক সময় পাল্লা দিতে গিয়ে দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়। আবার আকারে ছোট হওয়ায় অধিক গতিতে মোটরসাইকেল এলে সামনের গাড়ি, বিশেষ করে ট্রাক লুকিং গ্লাসের মধ্য দিয়ে মোটরসাইকেলের আগমন শনাক্ত করতে পারে না। তাই ওভারটেকিং করার সময় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার শিকার হয়। কম বয়সী চালকরা অনেক সময় স্নায়বিক তাড়নায় দুরন্ত গতিতে মোটরসাইকেল চালাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। ফলে দুর্ঘটনা ঘটে। অনেক সময় যানজট এড়াতে চালকরা ফুটপাতের ওপর মোটরসাইকেল চালায়, যা পথচারীদের ফুটপাতে চলাচলে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। বেশ কিছুদিন আগে ঢাকা শহরে ফুটপাতের ওপর মোটরসাইকেলের আঘাতে একজন বয়স্ক পথচারীর মৃত্যু হয়। এখনই কঠোর পদক্ষেপ না নিলে এ ধরনের ঘটনা আরও ঘটতে থাকবে। ফুটপাতে মোটরসাইকেল চালালে সর্বোচ্চ তিন মাসের কারাদণ্ড এবং ৩৫ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে প্রাবিত সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮-তে।

জেব্রা ক্রসিং ব্যবহার করে পথচারীদের রাস্তা পারাপারের নিয়ম থাকলেও মোটরসাইকেল চালকরা ট্রাফিক সিগন্যালের সময় জেব্রা ক্রসিংয়ের ওপর মোটরসাইকেল থামায়, যাতে সবুজ সংকেত দিলে আগেই রাস্তার মোড় পার হতে পারে। এতে পথচারীদের রাস্তা পার হতে পোহাতে হয় বিড়ম্বনা। সামনে থাকা যানবাহনকে ওভারটেকিং করার সুযোগ না থাকলেও মোটরসাইকেল যাওয়ার জায়গা করে দেওয়ার জন্য অযথা হর্ন বাজিয়ে সংকেত দেওয়ার যে মানসিকতা সৃষ্টি হয়েছে, তা ভয়াবহ শব্দদূষণ ঘটাচ্ছে। চালক ও আরোহী উভয়ের হেলমেট পরার বিধান থাকলেও অনেকেই তা মানছে না। এ কারণে দুর্ঘটনার সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এক অনুসন্ধানে দেখা যায়, মোটরসাইকেলচালক হেলমেট পরিধান করলে দুর্ঘটনায় নিহত হওয়ার আশঙ্কা ৪০ শতাংশ হ্রাস পায় এবং মারাত্মক আহত হওয়ার আশঙ্কা ২৫ থেকে ৭৫ শতাংশ হ্রাস পায়। এ কারণে মোটরসাইকেলচালক ও আরোহীদের নিজেদের জীবন বাঁচাতেই হেলমেট পরিধান আবশ্যক। আবার চালকরা মোটরসাইকেল চালানোর সময় মোবাইল ফোনে কথা বলার কারণে মনোসংযোগের বিঘ্ন ঘটায় মারাত্মক দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে। অন্যদিকে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করলে যে অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে, তা অপ্রতুল হওয়ার কারণে মোটরসাইকেলচালকরা খুব সহজে আইন অমান্য করে পার পেয়ে যাচ্ছে। তাই নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা কমিয়ে আনতে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া এখন সময়ের দাবি। সবার আগে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। ফুটপাতে মোটরসাইকেল চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা, নির্ধারিত গতিসীমা ছাড়িয়ে মোটরসাইকেল না চালানো, ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে রাস্তার মোড় পার হওয়া, যত্রতত্র হর্ন না বাজানো, সর্বোপরি ট্রাফিক আইন মেনে চলা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জনমত গঠন করতে হবে। সেই সঙ্গে জেব্রা ক্রসিং ও ফুট ওভারব্রিজ ব্যতীত রাস্তা পারাপারে পথচারীদের নিরুৎসাহিত করতে হবে।

জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ, সড়ক ব্যবস্থাপনা ও ব্যবহারকারী সবাইকে সংযুক্ত করে দেশব্যাপী নিরাপদ সড়কের জন্য ক্যাম্পেইন চালাতে হবে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্পিড রাডার বসানোর মাধ্যমে নির্দিষ্ট সীমার তুলনায় অধিক গতিতে মোটরসাইকেলসহ সব যানবাহন চালানো নিরুৎসাহিত করা দরকার। রাস্তায় চলাচলের ক্ষেত্রে আলাদা মোটরসাইকেল লেন তৈরির উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। সেই সঙ্গে অন্যান্য গাড়ি দ্বারা নির্দিষ্ট স্থান ব্যতীত যাত্রী ওঠানামা করা এবং গাড়ি থামানো বন্ধ করতে হবে, যাতে মোটরসাইকেলচালকরা লেনের বাইরে গিয়ে গাড়ি চালানো পরিহার করতে উৎসাহিত হয়। ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রে বিআরটিএর কর্মকর্তাদের আরও দায়িত্বশীল ও সতর্ক থাকতে হবে, যেন অসদুপায় অবলম্বন করে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া না যায়। ট্রাফিক পুলিশকে আইন ভঙ্গকারীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। সরকার ২০২০ সালের মধ্যে দুর্ঘটনার হার অর্ধেকে নামিয়ে আনার ব্যাপারে বদ্ধপরিকর। সড়ক দুর্ঘটনা কমানোর বিভিন্ন উদ্যোগের পাশাপাশি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা রোধে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হলে ইতিবাচক ফল আশা করা যায়। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার

সহনীয় মাত্রায় নামিয়ে আনা সম্ভব বলে আমরা মনে করি।

অধ্যাপক ও পরিচালক, অ্যাক্সিডেন্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এআরআই), বুয়েট

পরবর্তী খবর পড়ুন : বিজ্ঞানের টুকিটাকি

ভরসার প্রতীক সেই নৌকা-ধানের শীষ

ভরসার প্রতীক সেই নৌকা-ধানের শীষ

নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে নিজের প্রতীক ছেড়ে আওয়ামী লীগের নৌকা ...

রংপুর বিভাগের ১১ আসনে আ'লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত

রংপুর বিভাগের ১১ আসনে আ'লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত

আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ...

চট্টগ্রামে জাপা শরিকদের স্বপ্নভঙ্গ

চট্টগ্রামে জাপা শরিকদের স্বপ্নভঙ্গ

বিএনপি ভোটে না এলে ১০০ আসন ছেড়ে দেবে আওয়ামী লীগ- ...

ভোটের মাঠে একঝাঁক তারকা

ভোটের মাঠে একঝাঁক তারকা

বিভিন্ন অঙ্গনের তারকাদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণ নতুন নয়। বিশেষত উপমহাদেশে এই ...

সুফি গান আমার কাছে ঈশ্বরবন্দনার মতো

সুফি গান আমার কাছে ঈশ্বরবন্দনার মতো

'সঙ্গীতের আলাদা কোনো ভাষা নেই। কোনো মানচিত্রের মধ্যেও একে বন্দি ...

কুলাউড়ার সাবেক তিন এমপির ডিগবাজি

কুলাউড়ার সাবেক তিন এমপির ডিগবাজি

নির্বাচন দুয়ারে। মনোনয়ন নিশ্চিতে চলছে দল ও জোট বদলের মৌসুম। ...

হৃদয় ছুঁয়েছে 'হাসিনা :অ্যা ডটার'স টেল'

হৃদয় ছুঁয়েছে 'হাসিনা :অ্যা ডটার'স টেল'

কেউ রাজনীতি পছন্দ করুক, আর না করুক- 'হাসিনা :অ্যা ডটার'স ...

ফৌজদারি অপরাধ ছাড়া গ্রেফতার করবে না পুলিশ: মনিরুল

ফৌজদারি অপরাধ ছাড়া গ্রেফতার করবে না পুলিশ: মনিরুল

ফৌজদারি অপরাধে জড়িত না হলে জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কাউকে পুলিশ ...