আকবর আলি খান

গণতন্ত্রের গণতন্ত্রায়ণ

প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮      

১৯৭৯ সালে সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থার দ্রবীভবনের পর মার্কিন বুদ্ধিজীবী ফ্রান্সিস ফুকোইয়ামা 'The End of History' শীর্ষক একটি প্রবন্ধ লেখেন। এ প্রবন্ধের বক্তব্য হলো, স্নায়ুযুদ্ধের শেষে ইতিহাস তার পূর্ণতা লাভ করেছে। স্নায়ুযুদ্ধের সময় সমাজতন্ত্র বনাম উদার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্যে একটি প্রতিযোগিতামূলক দ্বন্দ্ব চলছিল। স্নায়ুযুদ্ধের অবসানে উদার গণতন্ত্র জয়লাভ করে। তিনি বলেছেন : What we may be witnessing is not just the end of the Cold War, or the passing of a particular period of post-war history, but the end of histry as such : that is, the end point of mankind’s ideological evolution and the universalization of Western liberal democracy as the final form of human government.


ফুকোইয়ামার বক্তব্যের দুটি অংশ রয়েছে। প্রথমত, প্রতিযোগিতামূলক দ্বন্দ্বে সমাজতন্ত্র ধোপে টেকেনি। এ বক্তব্যের সঙ্গে ভিন্নমত হওয়ার কোনো কারণ নেই। তার দ্বিতীয় বক্তব্য হলো, পশ্চিমা জগতের উদার গণতন্ত্র সারাবিশ্বে গৃহীত হয়েছে। এই বক্তব্য নিয়ে অনেক প্রশ্ন রয়েছে।গণতন্ত্রের কোনো সার্বজনীন রূপ নেই। রাষ্ট্রভেদে গণতন্ত্রের প্রকার, আচার ও আচরণে ভিন্নতা ঘটে। সব দেশই সমানভাবে গণতান্ত্রিক নয়। রাষ্ট্রভেদে গণতন্ত্রের হেরফের হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রাজনীতিতে সাধারণ মানুষের ভূমিকই মুখ্য। এ সম্পর্কে একটি চুটকি প্রায়ই শোনা যায়। একজন আমেরিকান পরিব্রাজক বিলেতে গিয়ে দেখতে পান যে, সেখানে অভিজাত শ্রেণির লোকেরা দেশ শাসন করছে। তিনি এক ব্রিটিশ নাগরিককে জিজ্ঞেস করলেন, তোমরা কীভাবে এ ধরনের লোকদের সরকারে নির্বাচিত করো, যারা তোমাদের মতো সাধারণ মানুষকে খাওয়ার দাওয়াত দিতে রাজি হয় না? উত্তরে ব্রিটিশ নাগরিক বলল, তোমরা কীভাবে সে ধরনের ব্যক্তিদের নির্বাচিত করো, যাদেরকে তোমাদের নিজের বাড়িতে দাওয়াত দিতে অপমানবোধ করো (অর্থাৎ মার্কিন নির্বাচিত প্রতিনিধিরা নিম্নশ্রেণির)।

পৃথিবীর অধিকাংশ উন্নয়নশীল দেশেই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পাশ্চাত্য জগৎ থেকে আমদানি করা হয়। কিন্তু পৃথিবীর কোনো কোনো দেশে প্রাচীনকাল থেকেই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রচলিত ছিল। বাংলাদেশ এ ব্যতিক্রমধর্মী রাষ্ট্রের মধ্যে একটি। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে, ভারতের পূর্বাঞ্চলে শাসকদের নির্বাচিত করা হতো। আনুমানিক ৭৫৬ খ্রিষ্টাব্দে পাল বংশের রাজা গোপাল সিংহাসনে বসেন। কিন্তু গোপাল গায়ের জোরে রাজা হননি, দেশের জনগণ তাঁকে রাজা করেছে। এই বিবরণ দুটি উৎস থেকে পাওয়া যায়। প্রথমত, খালিমপুর তাম্রশাসনে বলা হয়েছে যে, গোপালের সিংহাসনে আরোহণের পূর্বে দেশে মাৎস্যন্যায় বা অরাজকতা বিরাজ করছিল।

আইয়ুব খানের আমলে ড. মোহর আলীর নেতৃত্বে কোনো কোনো ঐতিহাসিক রমেশ মজুমদারের এই বর্ণনাকে অতিরঞ্জিত বলে দাবি করেন। তাঁদের বক্তব্য ছিল যে, অষ্টম শতাব্দীতে রাজা নির্বাচিত হওয়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। কিন্তু এই সমালোচনা সঠিক নয়। শুধু বাংলাদেশেই নয়, বাংলাদেশের পার্শ্ববর্তী প্রদেশ আসামে একটি পাল বংশ রাজত্ব করেছে। আসামের পাল বংশের ইতিহাসেও বলা হয়েছে, সেখানে গোপাল নামে এক রাজা জনগণ কর্তৃক নির্বাচিত হয়েছিলেন। ভারতের অন্যান্য অঞ্চলেও রাজা নির্বাচিত হওয়ার বিবরণ পাওয়া যায়। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হতো নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা। এ দেশে যেমন রাজতন্ত্র ছিল, তেমনি গণতান্ত্রিক ধারাও প্রচলিত ছিল। তবে এই গণতন্ত্রের উদ্দেশ্য সংখ্যাগুরুদের প্রতিনিধিদের ক্ষমতায় বসানো নয়, এর উদ্দেশ্য ছিল ঐকমত্যের সরকার প্রতিষ্ঠা। যে অর্থে পেরিক্লিস গণতান্ত্রিক সরকারকে সব নাগরিকের সরকার বলে আখ্যা দিয়েছেন, সে ধরনের সরকার প্রতিষ্ঠা করা।

পরবর্তীকালে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে বাঙালিদের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রয়েছে। ইংরেজ শাসনামলের প্রাথমিক পর্যায়ে এই অঞ্চলে বিভিন্ন প্রতিরোধমূলক আন্দোলন গড়ে উঠেছিল। যার মধ্যে রয়েছে সন্ন্যাসী বিদ্রোহ, ওয়াহাবি বিদ্রোহ, নীল বিদ্রোহ, সিপাহি বিদ্রোহ ইত্যাদি। এ আন্দোলনগুলো যদিও সরাসরি গণতান্ত্রিক আন্দোলন ছিল না, তবু এদের লক্ষ্য ছিল জনগণের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠিত করা। পরবর্তীকালে কৃষক বিদ্রোহ ও উপজাতীয়দের মধ্যেও বিদ্রোহ দেখা দেয়। বিশ শতকের প্রথম থেকে ইংরেজদের বিরুদ্ধে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনগুলো পরিচালিত হয়। ১৯০৫ সালে শুরু হয় বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলন। এরপর আসে খেলাফত আন্দোলন, আসে অসহযোগ আন্দোলন, আসে ভারত ছাড়ো আন্দোলন। এসব আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছে কংগ্রেস এবং কংগ্রেসের একটি লক্ষ্য ছিল দেশে স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করা। ১৯৪৭ সালে ভারতকে দু'ভাগে ভাগ করে স্বাধীনতা দেওয়া হয়। পাকিস্তান অঞ্চলে মুসলিম লীগের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। মুসলিম লীগ গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ক্ষমতায় এলেও তারা ক্ষমতায় যাওয়ার পর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা থেকে দূরে সরে আসে। এর ফলে বাংলাদেশ অঞ্চলে নতুন করে গণতান্ত্রিক আন্দোলন শুরু হয়। এই গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছে আওয়ামী লীগ। এ আন্দোলন ছিল ধর্মনিরপেক্ষ। এ আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল দেশে বহুদলীয় সরকার প্রতিষ্ঠা করা। মুসলিম লীগ পাকিস্তানকে একদলীয় রাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছিল। এ প্রসঙ্গে ১৯৫০ সালে তদানীন্তন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান ঘোষণা করেছিলেন I have always said, rather it has always been my firm belief, that the existence of the league not only the existence of the league, but its strength is equal to the existence and strength of Pakistan. So far, as I am concerned, I had decided in the very beginning, and I reaffirm it today, that I have always considered myself as the Prime Minister of the League. I never regarded myself as the Prime Minister chosen by the members of the Constituent Assembly.


এই বক্তব্যের প্রতিবাদ করে বঙ্গবন্ধু তাঁর অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে লিখেছেন :তিনি জনগণের প্রধানমন্ত্রী হতে চান নাই, একটা দলের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছেন। রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক দল যে এক হতে পারে না, এ কথাও তিনি ভুলে গিয়েছিলেন। একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে অনেকগুলো রাজনৈতিক দল থাকতে পারে এবং আইনে এটা থাকাই স্বাভাবিক। দুঃখের বিষয়, লিয়াকত আলী খানের উদ্দেশ্য ছিল, যাতে অন্য কোনো রাজনৈতিক দল পাকিস্তানে সৃষ্টি হতে না পারে। 'যো আওয়ামী লীগ করেগা উসকো শের কুচাল দে গা'- এ কথা একমাত্র ডিকটেটর ছাড়া কোনো গণতন্ত্রে বিশ্বাসী লোক বলতে পারে না। জিন্নাহর মৃতৃ্যর পর সমস্ত ক্ষমতার অধিকারী হয়ে তিনি ধরাকে সরা জ্ঞান করতে শুরু করেছিলেন।

একদলীয় স্বৈরাচারের বিপক্ষে বঙ্গবন্ধু সবসময়ই বহুদলীয় গণতন্ত্রের পক্ষে বক্তব্য রেখেছেন। তিনি তাঁর 'অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে' তাই লিখেছেন, 'বিরোধী দল না থাকলে গণতন্ত্র চলতে পারে না।' উপরন্তু তিনি বিশ্বাস করতেন, কোনো নেতা যদি অন্যায় কাজ করে, তবে তার প্রতিকার করার অধিকার জনগণের রয়েছে। তাঁর 'অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে' তিনি লিখেছেন, 'কোনো নেতা যদি অন্যায় কাজ করতে বলেন, তার প্রতিবাদ করা এবং তাকে বুঝিয়ে বলার অধিকার জনগণের আছে। যেমন হজরত ওমরকে (রা.) সাধারণ নাগরিকরা প্রশ্ন করেছিলেন, তিনি বড় জামা পরেছিলেন বলে।'

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে কর্তৃত্ববাদী ও গণতন্ত্রপন্থি দুটি ধারা দেখা যায়। দুর্ভাগ্যবশত কর্তৃত্ববাদী ধারার সূচনা ঘটে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে একদলীয় রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। এই ধারাকে এগিয়ে নিয়ে যান সামরিক শাসকরা- সামরিক শাসক মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান ও পরবর্তীকালে লেফটেন্যান্ট জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। কিন্তু বাংলাদেশের জনগণ এই কর্তৃত্ববাদী ধারা সহজেই মেনে নেয়নি। গত চার দশকে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক অভিজ্ঞতার মূল্যায়ন করলে নিম্নলিখিত দুর্বলতাগুলো সহজেই ধরা পড়ে।

ক. অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে ব্যর্থতা। অনেক নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি। অনেক ক্ষেত্রে নির্বাচন শাসকদলের পাতানো খেলায় পর্যবসিত হয়। শুধু যেসব নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়, সেসব নির্বাচন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গ্রহণযোগ্য বলে স্বীকৃত হয়।

খ. সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে নির্বাচিত নয় এমন সরকার কর্তৃক দেশ শাসন। বাংলাদেশে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সাংসদরা নির্বাচিত হন। আনুপাতিক ভিত্তিতে নির্বাচন না হওয়ার ফলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ৩০ শতাংশ থেকে ৪০ শতাংশ ভোটে নির্বাচিত সরকার রাষ্ট্র পরিচালনা করে। এর ফলে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের রাষ্ট্র পরিচালনায় অংশগ্রহণ সম্ভব হয় না।

গ. প্রতিনিধিত্বশীল সরকারে প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র সম্পূর্ণ অনুপস্থিত। সব গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের সমাধানের দায়িত্ব সাংসদদের। গণভোট বা referendum-এর ব্যবস্থা না থাকাতে (শুধু সামরিক শাসকরা তাঁদের শাসনকে বৈধ করার জন্য পাতানো গণভোটের ব্যবস্থা করেন) কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে জনমত যাচাই করা হয় না। রাজনীতিবিদরা সাধারণত দলীয় দৃষ্টিকোণ থেকে সিদ্ধান্ত নেন। এর ফলে বিরোধী দলের বক্তব্য কোনো কাজে লাগে না। বিরোধী দলের পক্ষে হরতাল দেওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প ব্যবস্থা নেই। গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে গণভোট অনুষ্ঠিত হলে হরতালের রাজনীতির প্রকোপ কমতে পারে।

ঘ. জনমত অগ্রাহ্য করার অনুদার মূল্যবোধ। একদিনের নির্বাচনে জয়লাভ করলে পুরো মেয়াদে দেশ শাসন করা হয়। এই ব্যবস্থার ফলে সরকার একবার নির্বাচনে জিতলে জনমতকে অগ্রাহ্য করে দেশ শাসন করতে পারে।

ঙ. বাংলাদেশে অনুদার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চালু রয়েছে। সংঘাতের রাজনীতিতে বিরোধী বক্তব্যের কোনো স্থান নেই। উদার গণতন্ত্র যেসব মূল্যবোধের ওপর প্রতিষ্ঠিত, তার বেশিরভাগই বাংলাদেশে অনুপস্থিত। এখানে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত, নির্বাহী, বিচার ও সংসদের ক্ষমতার সুস্পষ্ট বিভাজন নেই।

লেখক

অর্থনীতিবিদ

প্রাবন্ধিক

১৪ দলের বৈঠক শনিবার

১৪ দলের বৈঠক শনিবার

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের বৈঠক শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় ...

বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ

বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ

একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মানবাধিকার ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে ...

প্রতি কেন্দ্রে সেনাবাহিনী মোতায়েন সম্ভব হবে না

প্রতি কেন্দ্রে সেনাবাহিনী মোতায়েন সম্ভব হবে না

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে। বিগত নির্বাচনে ...

বিশ্ব ইজতেমা স্থগিত হয়নি, পিছিয়েছে

বিশ্ব ইজতেমা স্থগিত হয়নি, পিছিয়েছে

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, বিশ্ব ইজতেমা স্থগিত হয়নি। তাবলিগের দুই পক্ষের ...

বাবাকে হত্যার পর থানায় আত্মসমর্পণ ছেলের

বাবাকে হত্যার পর থানায় আত্মসমর্পণ ছেলের

চাঁদপুরে বাবা মুছা গাজীকে হত্যার পর থানায় আত্মসমর্পণ করেছেন মাদকাসক্ত ...

বিএনপির গ্রেফতার ৪৭২ নেতাকর্মীর তালিকা ইসিতে

বিএনপির গ্রেফতার ৪৭২ নেতাকর্মীর তালিকা ইসিতে

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে দেশব্যাপী গ্রেফতার ...

অন্যের জুতায় ইয়াবা ঢুকিয়ে নিজেই ফাঁসলেন ব্যবসায়ী

অন্যের জুতায় ইয়াবা ঢুকিয়ে নিজেই ফাঁসলেন ব্যবসায়ী

শহিদুল নামে এক ব্যবসায়ীর জুতার ভেতর ইয়াবা দিয়ে মাদক মামলায় ...

কমিউনিস্ট পার্টি রাজনীতিকে দুর্বৃত্তায়নমুক্ত করবে: সেলিম

কমিউনিস্ট পার্টি রাজনীতিকে দুর্বৃত্তায়নমুক্ত করবে: সেলিম

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেছেন, জনপ্রতিনিধির ...