সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

হৃদয়ে শিক্ষা চাই

প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮      

আমরা একটা বৈষম্যহীন সমাজের স্বপ্ন দেখছিলাম; কিন্তু সেটা হয়নি। আমি যে বৈষম্যের কথা বললাম, তার আগ্রাসী নমুনা আমরা দেখতে পাব শিক্ষাক্ষেত্রের দিকে তাকালে। শিক্ষাক্ষেত্রের যে তিন ধারা; এই তিন ধারা ওই বৈষম্যের ওপর ভিত্তি করেই দাঁড়িয়ে আছে। এবং এই তিন ধারা আবার ওই বৈষম্যকে বাড়িয়ে চলেছে দিনের পর দিন।

বৈষম্য ক্রমাগত বাড়ছে নানাভাবে। তার ফল আমরা নানা জায়গায় দেখছি। এখন আগামী দিনগুলোতে এটা আমরা দেখব যে, ধনীরা আরও ধনী হচ্ছে আমাদের সমাজে। ধনী হওয়ার এই অস্বাভাবিক প্রক্রিয়াটা যাতে অব্যাহত না থাকে। এরা কীভাবে ধনী হচ্ছে? তারা ধনী হচ্ছে উৎপাদনে তাদের অবদানের মধ্য দিয়ে নয়। তারা ধনী হচ্ছে অন্যের উপার্জিত সম্পদের ওপর ভর করে; কোনো কোনো ক্ষেত্রে সম্পদ লুট করে। সরাসরি লুণ্ঠন করছে এরা। উন্নয়নের নামে বিদেশে পাচার হচ্ছে আমাদের সম্পদ।

এখন দুঃখের ব্যাপার হচ্ছে, এই সমস্যাগুলো আমরা সরাসরি সামনে আনতে পারছি না। আর এ বিষয়গুলো সামনে আনার বা এই কথাগুলো বলার কাজটা হচ্ছে বুদ্ধিজীবীদের। সব সমাজেই বুদ্ধিজীবীরা এই দায়িত্ব নেন। বিদ্যমান ব্যবস্থার যে ত্রুটি এবং তা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার যে পথ- এ দুটোই বুদ্ধিজীবীরা দেখান বা দেখানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু আমাদের দেশে বুদ্ধিজীবীরা যে কাজটা করছেন, সেটা হচ্ছে তারা উল্টো এ ব্যবস্থারই সহযোগিতা করছেন। এসব বিষয়ে বুদ্ধিজীবীরা তাদের ভূমিকা রাখতে পারছেন না। আর রাজনীতিকদের কাছ থেকে এখনও এটা আমরা আশা করতে পারছি না। কারণ, রাজনীতিকরা কেবল ক্ষমতার কথা ভাবছেন। তারা মানুষের কথা ভাবছেন না, কেবল নিজেদের কথাই ভাবছেন। যারা প্রতিষ্ঠিত বড় রাজনীতিক, তারা অধিকাংশই ব্যবসায়ী। তারা নিজেরা মনে করেন, এ দেশের ভবিষ্যৎ নেই। কাজেই তারা তাদের ভবিষ্যৎ বাইরে গড়ে তুলছেন। তাদের সন্তান-সন্ততি, শিক্ষা-দীক্ষা, বাড়ি-ঘর তারা বাইরে তৈরি করছেন। দেশকে নিঃশেষ করে তারা চলে যাবেন। এ অবস্থায় বুদ্ধিজীবীদের দায়িত্বটা অনেক বড়। কিন্তু আমাদের বুদ্ধিজীবীরা কেবল জনবিচ্ছিন্ন- তা-ই নন, তারা জনবিরোধীও।

দেশের স্বাধীনতার জন্য যে অসামান্য মূল্য দিতে হয়েছে, আমরা তার প্রকৃত অর্থ খুঁজব কোথায়? খুঁজতে যদি হয় তবে খুঁজতে হবে স্বাধীনতার মধ্য দিয়ে নতুন জীবনের পথে অগ্রসর হওয়ার যে-সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে, সেই সম্ভাবনার মধ্যে। অগ্রসর হওয়ার পথে অন্তরায় আছে অনেক, দুস্তর অন্তরায় আছে দারিদ্র্যে ও শোষণে; কিন্তু তার চেয়েও নিকটবর্তী অন্তরায় বোধ করি যথার্থ শিক্ষার অভাব।

শিক্ষার উদ্দেশ্য হতে পারে তিনটি- চাকরিজীবী সৃষ্টি করা, সংস্কৃতিবান ভদ্রলোক সৃষ্টি করা এবং বিবেকবান ও সৃজনশীল মানুষ সৃষ্টি করা। দেশের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থাটি পত্তন করা হয়েছিল চাকরিজীবী সৃষ্টির উদ্দেশ্যে। কিন্তু সেইসঙ্গে উপরি পাওনা হিসেবে সংস্কৃতিবান ভদ্রলোকও পাওয়া গেছে কিছু কিছু। চাকরি এলে ভদ্রতাও আসে, না এসে পারে না। কিন্তু শিক্ষার তৃতীয় প্রয়োজনীয়তা কতটা মিটবে; বিবেকবান ও সৃজনশীল মানুষ এই ব্যবস্থায় তৈরি হয়েছে কি-না, হলে কয়জন হয়েছে, জিজ্ঞাসা সেটাই।

চাকুরে নয়, ভদ্রলোকও নয়, মানুষ সৃষ্টি করাই যে শিক্ষার মূলকথা হওয়া উচিত, এ সত্যটা সকলেই মান্য করেন। কিন্তু ওই সত্য মান্য করা আর সত্যিকার মানুষ সৃষ্টি করা এককথা নয়। দারিদ্র্যের যে-হৃদয়হীন বন্ধনে আমরা আটকা পড়েছি, তা থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য আজ ভীষণভাবে দরকার কারিগরি কৌশলের; দরকার দক্ষ, কর্মনিপুণ, বুদ্ধিমান মানুষের। এ প্রয়োজনের সত্যটি আমাদের চোখের সামনে রাখতে হবে অবশ্যই। কিন্তু রাখতে গিয়ে খেয়াল রাখা আবশ্যক হবে, যাতে মুহূর্তের জন্যও চোখ ফিরিয়ে না নিই অন্য একটি সত্য থেকে। সেটি হলো এই যে- কৌশলজ্ঞান, দক্ষতা, কর্মনিপুণতা এসব ব্যাপার চালু রাখার ব্যাপার, সৃষ্টিশীলতার ব্যাপার নয়।

কিন্তু শুধু সৃষ্টি নয়, হৃদয়ের চর্চার মধ্য দিয়ে একাকিত্বের বোধ কেটে যায় মানুষের। এক হৃদয়ের সঙ্গে অন্য হৃদয়ের মমত্ব যখন গড়ে ওঠে, তখন আর আমরা ক্ষুদ্র থাকি না, সামান্য থাকি না- তখন ব্যাপ্ত, বিস্তৃত, বৃহৎ হয়ে পড়ি। তখন শুধু মানুষ নয়, যুক্ত হই প্রতিপার্শ্বের সঙ্গেও। যখন বুঝি আমরা একা নই তখন হতাশা আসে না সহজে, বিষণ্ণতা আসে না স্বল্পসুযোগে।

এই বাংলাদেশে মানুষে মানুষে দূরত্ব সৃষ্টির কাজে যত কায়দা-কৌশল চালু আছে, অন্য কোনো কিছু সৃষ্টির ক্ষেত্রে তেমন আছে বলে মনে হয় না। বিচ্ছিন্নতার জায়গা মিলনকে প্রতিষ্ঠার জন্য হৃদয়ের পরিচর্যা করা খুব বেশি করে প্রয়োজন।

অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কারের বন্ধন থেকে মুক্তি চাই, ভাগ্য পরিবর্তনের বিপুল-প্রবল উদ্যম, আর সে জন্যই হৃদয়ের শিক্ষাকে গুরুত্ব দিতে চাই বুদ্ধির শিক্ষার সঙ্গে সঙ্গে, যাতে করে অনুভব ও ধারণা, আবেগ ও জ্ঞান, কল্পনা, বুদ্ধি একত্রে কাজ করতে পারে, যাতে করে হৃদয় ও মস্তিস্কের সুবর্ণসংযোগে আমরা নতুন জীবনের পথে অগ্রসর হতে পারি সবল ও সমর্থ পদক্ষেপে। পানির প্রবল স্রোতকে বশ করে যেমন আমরা বিদ্যুৎশক্তি এনেছি, তেমনি করে আবেগ থেকে অনুপ্রেরণা ও উদ্দীপনা আনতে হবে, নইলে বন্যা আসবে দুর্গতিকে মাথায় নিয়ে।

তথাকথিত আদর্শবাদের আমরা বিস্তর প্রশংসা করি, কিন্তু এই আদর্শবাদের মধ্যে অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কার যদি থাকে, তবে সেই আদর্শবাদে হৃদয়ের অপকার ভিন্ন উপকার হয় না। আমাদের দেশে হৃদয়কে অবজ্ঞা করার অভ্যাস অতিশয় পুরাতন। শুধু অবজ্ঞা নয়, শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যেই ব্যবস্থা আছে অতিশৈশবে আমাদের হৃদয়কে ক্ষীণপ্রাণ করার। শিশুকে আমরা প্রায় কখনোই শিশু হিসেবে বিবেচনা করি না। শিশু যাতে শৈশবে শিশু থাকে, তার ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দার্শনিক রুশো দিয়েছেন। পৃথিবীর অনেক দেশের মানুষ সেই পরামর্শ মেনে নিয়েছে, আমরা পারিনি। শিশুর জগৎ কাচের চেয়েও ভঙ্গুর। এই অতিভঙ্গুর জগতের ওপর সমাজ ও সংসারের দোর্দণ্ড প্রতাপেরা এমন বিক্রমে ও নিষ্ঠুরতায় ঘা দিতে থাকে যে জগৎটা ভেঙে খানখান হয়ে যায় অচিরে, আনন্দ ও কল্পনার মূল্যবান উপকরণগুলো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে থাকে এখানে-সেখানে। শত বছরের বঞ্চনা ও দুর্গতির বোঝা শিশুর দুর্বল হৃদয়ের ওপর চেপে বসে- দয়ামায়া না করে। পিতামাতার দুর্বহ দুঃখ, সংসারের দুঃসহ বীভৎসতা, চারপাশের মর্মভেদী ক্রন্দন- এইসবের শক্ত বোঝা বইতে গিয়ে সামান্য শিশুর ছোট্ট হৃদয়টি একেবারে পঙ্গু হয়ে পড়ে। হৃদয়ের বাকি জীবনটা কাটে পঙ্গুত্বের ভেতরই। জীবন মানে তখন ক্ষয়রোগীর মতো ধুঁকতে থাকা, ধুঁকতে ধুঁকতে অকালমৃত্যুর দিকে এগোতে থাকা, যতটা পারা যায় বিলম্বিত করা অন্তিম মুহূর্তের আগমনকে। হৃদয়হীন সংসার হৃদরোগের খোঁজও করে না। অথচ হৃদরোগই আসল রোগ- ব্যক্তির জীবনে যেমন, সমাজের জীবনেও তেমনি। সংসারে যাদের অনেক আছে, তাদের সন্তানরা আদর-যত্ন যথেষ্ট পায়, দেহের খাদ্য পায় প্রচুর পরিমাণে, কিন্তু সেখানেও শিশুর শৈশব মারা যায় শৈশবেই। দেখা যায় প্রাপ্তবয়স্কদের ঈর্ষা, বিদ্বেষ ও ঘৃণার চাপে সেখানেও শিশু তার সারল্যকে রক্ষা করতে পারছে না কোনোমতেই। বাস্তুহারা শিশু আশ্রয় খুঁজছে বয়স্কদের স্বাস্থ্যহীন জগতে।

ফলে প্রায় কোনো শিশুই শিশু থাকে না শৈশবে; বয়স্ক মানুষের অপ্রাপ্তবয়স্ক সংস্করণ হয়ে ওঠে, প্রাপ্তবয়স্কদের দুঃখ ও দুশ্চিন্তা, ঘৃণা ও ভয় তার ভেতরটাকে লোলচর্ম বৃদ্ধে পরিণত করে। বয়স যখন বাড়ে, তখন এই নিরীহ ও অপমানিত শৈশব স্বভাবই বড় রকমের প্রতিশোধ নেয় প্রাপ্তবয়স্কদের জীবনের নানান জায়গায় হানা দিয়ে সে যখন তখন, যা তা উৎপাত উপদ্রবের সৃষ্টি করে। এই জন্যই বয়স্ক শিশুর এত বেশি প্রাদুর্ভাব আমাদের দেশে। যতই চেষ্টা করুক, শিক্ষাব্যবস্থা কিছুতেই পরিণত, প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তৈরি করে উঠতে পারে না। গলদ থেকে যায় একেবারে গোড়াতেই। নাজুক প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার ভিত্তির ওপর উচ্চশিক্ষার যে নিতান্ত নড়বড়ে ব্যবস্থাটি আমরা গড়ে তুলেছি, তা খুব একটা কাজে লাগে না। তার চেয়েও বড় কথা, সমস্ত শিক্ষাব্যবস্থার সব মহল ঘুরে এসেও প্রাণের খোঁজ পাওয়া যায় না।

শিক্ষা তো শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাপার নয়, ব্যাপার পরিবার ও সমাজেরও। সমাজই শেষ পর্যন্ত নিয়ন্ত্রিত করে সবকিছুকে। শিক্ষক যখন পড়াতে বাধ্য হন যে রাজনীতি মহাপাপ, তখন দেখা যায় যে সমাজে কল্যাণকর পরিবর্তন যা আসছে তা ওই মহাপাপের পথ ধরেই। শিক্ষা ও সমাজের মাঝখানে এ রকমের ফাঁক থাকলে সেই ফাঁকে শিক্ষাদানের সমুদ্দেশ্য তলিয়ে যেতে বাধ্য। অন্যদিকে আবার এও সত্য যে, বিদ্যালয়ের শিক্ষাকে ফলপ্রসূ করার জন্য সমাজের শিক্ষাকে ভুলে যাওয়া আবশ্যক। সমাজ যদি মানুষে মানুষে অসাম্য শেখায়, তাহলে বিদ্যালয়ে সাম্যের শিক্ষা পত্তনের আগে প্রয়োজন হবে সামাজিক কুশিক্ষার দুষ্ট চারা উপড়ে ফেলা। এটা একটা অতিরিক্ত কর্তব্য। চারুকলা বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষককে একবার তার দায়িত্বের কথা জিজ্ঞেস করেছিলাম। তিনি বললেন, ছাত্রদের আঁকতে শেখানোর আগে তার কাজ হয় যে- ভুল আঁকা তারা বাইরে থেকে শিখেছে, সেটা ভুলতে শেখানো। এই দায়িত্বটা সকল শিক্ষকেরই। সমাজ প্রতিনিয়ত ভুল শিক্ষা দিচ্ছে, বিশেষ করে হৃদয়কে-শিক্ষা দিচ্ছে স্বার্থপরতা, সংকীর্ণতা, ঈর্ষা, ভীতি।

আমরা বলি শিক্ষকরা আদর্শ নাগরিক তৈরি করবেন। কথাটার তাৎপর্য বিবেচনা করে দেখার মতো। আদর্শ নাগরিক বলতে আমরা বুঝি যোগ্য, দক্ষ, প্রশংসাভাজন মানুষ। অর্থাৎ কি না এমন মানুষ, যার সঙ্গে সমাজের কোনো বিরোধ বাধবে না, সমাজের ব্যবস্থাটাকে যে মেনে নেবে, মেনে নিয়ে খারাপ স্কুলের ভালো ছাত্রের মতো দেদীপ্যমান হয়ে উঠবে। তাই এ কথা বলা দরকার যে এটা পর্যাপ্ত নয়। আমরা শুধু আদর্শ নাগরিক চাই না, চাই উপযুক্ত মানুষও। মানুষের অভাব বলেই কেবল নাগরিকদের দিয়ে কাজ হবে না। এমন মানুষ চাই, যার বুদ্ধির বিকাশের সঙ্গে সুশিক্ষা ঘটেছে হৃদয়ের, যার জ্ঞান আছে আর আছে প্রয়োজন হলে সাহস-একা দাঁড়ানোর।

মস্তিস্কের কথা, বুদ্ধির কথা অনেক শোনা গেছে, আরও শোনা যাবে, যাবেই; সেই জন্যই অবহেলিত ও অশিক্ষায় জর্জরিত হৃদয়ের কথা বলতে হবে জোর দিয়ে।

লেখক



শিক্ষাবিদ

প্রাবন্ধিক

কূটনীতিকদের অসন্তোষের কথা জানাল বিএনপি

কূটনীতিকদের অসন্তোষের কথা জানাল বিএনপি

একাদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে বাংলাদেশে কর্মরত কূটনীতিকদের কাছে নিজেদের অসন্তোষের ...

দেশের মানুষ এখন পরির্তন চায়: এরশাদ

দেশের মানুষ এখন পরির্তন চায়: এরশাদ

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, দেশের মানুষ এখন ...

তফসিলের পরই নির্বাচনকালীন সরকার শুরু হয়ে গেছে: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

তফসিলের পরই নির্বাচনকালীন সরকার শুরু হয়ে গেছে: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে কোনো ঘোষণা ...

ইভিএম থেকে পেছানোর সুযোগ নেই: সিইসি

ইভিএম থেকে পেছানোর সুযোগ নেই: সিইসি

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে. এম. নুরুল হুদা বলেছেন, একাদশ ...

লাঙ্গলের মনোনয়নপত্র কিনলেন হিরো আলম

লাঙ্গলের মনোনয়নপত্র কিনলেন হিরো আলম

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে বগুড়া-৪ আসন থেকে জাতীয় ...

খালেদা জিয়া ঐক্য নিয়ে এগিয়ে যেতে বলেছেন: ফখরুল

খালেদা জিয়া ঐক্য নিয়ে এগিয়ে যেতে বলেছেন: ফখরুল

'জনগণের জন্য যে ঐক্য করা হয়েছে, তা নিয়ে এগিয়ে যেতে ...

চীনে মিস ওয়ার্ল্ডের গ্রুমিংয়ে বাংলাদেশের ঐশী

চীনে মিস ওয়ার্ল্ডের গ্রুমিংয়ে বাংলাদেশের ঐশী

চীনে মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় এবার বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন সদ্য মিস ...

দ্বিতীয় দিন শেষে চালকের আসনে বাংলাদেশ

দ্বিতীয় দিন শেষে চালকের আসনে বাংলাদেশ

অনেকদিন বাদে ইনিংস ঘোষণার স্বাদ নিল বাংলাদেশ। শেষ তিন বছরে ...