সঞ্জীব দ্রং

যতদিন ভূমি ছিল...

প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮     আপডেট: ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮      

'কত ভাষা কত বর্ণ কত কথার ঢল, কান্দিলে সবার চোখে ঝরে একই জল'।

রাষ্ট্রপ্রধানের চোখের জলের রঙ আর সাঁওতাল নারীর চোখের জলের রঙ কি ভিন্ন? তার পরও আদিবাসী মানুষকে কেন হাহাকার করতে হয়, দেশ ছাড়তে হয়, তাদের বাড়িঘর কেন প্রকাশ্যে জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে ছারখার করা হয়? ঔপনিবেশিক শাসনামলের মতো কেন আদিবাসী মানুষকে নিজভূমিতে পরবাসীর মতো মর্যাদাহীন, সম্মানহীন এক আত্মপরিচয়ের সংকটে অসহায় জীবনযাপন করতে হয়? তারপরও বলব প্রথমত, দ্বিতীয়ত, তৃতীয়ত বা চতুর্থত, এমনকি শেষ পর্যন্ত আমরা সবাই মানুষ। 'আকাশসীমার এক পৃথিবী রক্ত সবার লাল, চাঁদ-সূর্যের আরতি হয় সন্ধ্যা ও সকাল' অথবা ছেলেবেলা পড়েছিলাম 'জগৎ জুড়িয়া এক জাতি আছে, সে জাতির নাম মানুষ জাতি।' পৃথিবীতে এমন কোনো মানুষ কি পাওয়া যাবে যে দেখতে কালো, যার রক্ত কালো? অথবা সাদা মানুষ কি আছে এমন যার রক্ত সাদা? ভূপেন হাজারিকা গেয়েছেন- 'এমন যদি দিতে পারো/প্রতিদান যা কিছু চাও হোক অমূল্য/পেতে পারো।

আমাদের আকাশে যখন বৃষ্টি নামে, বৃষ্টি কি বলে আজ শুধু বৃষ্টি দেব আদিবাসী মানুষের জমিতে, অথবা শুধু মুসলমানের জমিতে বা হিন্দুর জমিতে? ভোরে যখন সূর্য ওঠে, সূর্য কি বলে আজ রোদ হবে শুধু চাকমা বা বড়ূয়াদের ঘরে? বুদ্ধপূর্ণিমার রাতে আলো ঝলঝল জোছনা ঝরে, সে কি শুধু বৌদ্ধদের উঠানে স্নিগ্ধতা ছড়ায়? নদী, প্রকৃতি, ভূমি, পাহাড়-পর্বত, ফুল-পাখি কেউ মানুষের মতো বৈষম্যমূলক আচরণ ও অত্যাচার করে না। কিন্তু দুঃখের বিষয়, মানুষে মানুষে, জাতিতে জাতিতে, রাষ্ট্রে রাষ্ট্রে এখন প্রবল বৈষম্য। আজ যে কন্যাশিশু জন্ম নেবে আফগানিস্তানের কান্দাহারে বা কাবুলে, তার বেঁচে থাকা ও বেড়ে ওঠার অধিকার, আর একই দিনে মেলবোর্ন বা অসলোতে জন্ম নেওয়া কন্যাশিশুর অধিকার ও নিরাপত্তা সমান হবে না। কেন হবে না? খাসিয়া পাহাড় বা বান্দরবানের থানচির শিশু আর এই নগরের শিশু কি একই মানের শিক্ষা পাবে? পাবে না। আমি এই রকম বৈষম্যপীড়িত সমাজ, রাষ্ট্র ও পৃথিবী চাই না। আমাদের এই স্বাধীন দেশে, স্বাধীনতার ছেচল্লিশ বছরে এসে আদিবাসী মানুষ, নারী, দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী মানুষ, নৌকার মাঝি, শ্রমজীবী মানুষ, দরিদ্র প্রান্তিক কৃষক এখন চরম বৈষম্যের শিকার। এখানে দরিদ্র অসহায় মানুষের নাগরিক মর্যাদা ও সম্মান প্রতিষ্ঠা পায়নি।

নরওয়ের এক আদিবাসী কবি পাওলোস উসি এই বৈষম্য নিয়ে একটি কবিতা লিখেছেন। আমি বাংলা রূপান্তরের চেষ্টা করলাম-

'যতদিন আমাদের নদী ছিল

নদীতে নীল জল ছিল

মাছেরা সাঁতার কাটতো।

যতদিন ভূমি ছিল আমাদের, সবুজ ঘাস ছিল

পশুপাখি আনন্দে বিচরণ করতো।

যতদিন আমাদের বনে বড় বৃক্ষ ছিল

আর তাতে বনের প্রাণীরা লুকাতে পারতো,

ততদিন পৃথিবীতে আমরা নিরাপদ ছিলাম।'



কবিতাটি বেশ দীর্ঘ। পরের লাইনগুলো বিষাদে পূর্ণ। যখন নদী শুকিয়ে যায়, জল দূষিত হয়, বন উজাড় করা হয়, আদিবাসীদের ভূমি জোর করে কেড়ে নেওয়া হয়, যখন বন্যপ্রাণীরাও হারিয়ে যায়, তখন পৃথিবী কি বাসযোগ্য থাকে? এমন প্রশ্ন আছে কবিতায়। আমাদের দেশের বিলুপ্তপ্রায় আদিবাসী মানুষের জন্যও কথাগুলো প্রযোজ্য। আদিবাসীরা মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাচ্ছে। তাদের অনেকের মাতৃভাষা বিপন্ন। আদিবাসী সংস্কৃতি এখন চূড়ান্ত হুমকির মুখে। যা বেঁচে আছে তা কেবল নাচ-গান, অন্যকে বিনোদন দেওয়ার উপাদান। আদিবাসী মানুষের জীবন, মানবাধিকার, প্রথাগত ভূমির অধিকার, পরিচয়ের সম্মান ও স্বীকৃতি, আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার এলোমেলো হয়ে গেছে। নিজভূমিতে আদিবাসীরা অনেক আগেই সংখ্যালঘু হয়ে গেছে। ভারতে আদিবাসীদের অধিকার রক্ষায় বিভিন্ন আইন আছে, সেখানে জাতীয় আদিবাসী কমিশন আছে, আদিবাসী বিষয়ক মন্ত্রণালয় তো আছেই, এমনকি ভারতে আদিবাসী নীতি হয়েছে বহু বছর আগে। ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী নেহরুর পাঁচটি দর্শন এই নীতিতে প্রতিফলিত হয়েছে। ১৯৫৯ সালে স্বাধীনতার মাত্র ১২ বছরে ভারত এই আদিবাসী নীতি গ্রহণ করেছিল। নেহরুর নীতিতে আছে- এক. আদিবাসী মানুষ তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি, পরিচয়, রীতিনীতি, প্রথা নিয়ে উন্নতি ও সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাবে; দুই. আদিবাসীদের ভূমি ও অরণ্যের অধিকারকে সম্মান ও স্বীকৃতি দেওয়া হবে; তিন. তাদের মধ্য থেকে এমনভাবে শিক্ষিত ও দক্ষ একটি টিম গড়ে তোলা হবে যাতে তারা নিজেরা প্রশাসন ও উন্নয়নে চালিকাশক্তি হয়; চার. আদিবাসী অঞ্চলে অতিরিক্ত প্রশাসনিক চাপ না দিয়ে মর্মানুভূতি ও সহানুভূতির নীতি গ্রহণ করা হবে; এবং পাঁচ. পাহাড় অরণ্যের মানুষের উন্নয়নের ফলাফল পরিসংখ্যান বা অর্থ ব্যয়ের পরিমাণ দিয়ে না মেপে মানবসত্তার বিকাশ দিয়ে পরিমাপ করা হবে।

যদি ভারতে স্বাধীনতার ১২ বছরে আদিবাসী নীতি হয়, আমাদের দেশে ছেচল্লিশ বছরেও কেন একটি নীতিমালা হলো না? আমি আজ দাবি জানাচ্ছি, বাংলাদেশে শিগগিরই একটি আদিবাসী নীতি তৈরি হোক, যে নীতির মূল বক্তব্য হবে আদিবাসীদের প্রতি পক্ষপাত, যার মূল কথা হবে 'অসীম নম্রতা'। ভালোবাসা দিয়ে, মর্মানুভূতি দিয়ে, আন্তরিকতা ও হৃদয়ের শুদ্ধতা দিয়ে লিখতে হবে এই নীতিমালার প্রতিটি বাক্য। ইতিবাচক কিছু পদক্ষেপ সেখানে নিতে হবে যাতে তারা নাগরিক হিসেবে বৈষম্যের শিকার না হয়ে এগিয়ে যেতে পারে। এক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ার মতো 'ক্লোজিং দ্য গ্যাপ' জাতীয় ব্যবধান কমানোর প্রকল্প দীর্ঘমেয়াদে গ্রহণ করা যেতে পারে। এ প্রকল্প সরাসরি দেখাশোনা করবেন প্রধানমন্ত্রী নিজে। মেঘালয়সহ ভারতেও এমন প্রকল্প আছে।

আমাদের দেশে ইতিমধ্যে কিছু ভালো কাজ হয়েছে। আমাদের জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ আদিবাসীদের শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিকাশের প্রয়োজনীয়তাকে স্বীকৃতি দিয়েছে। শিক্ষানীতির ৭ নং উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, 'জাতি, ধর্ম, গোত্র-নির্বিশেষে আর্থ-সামাজিক শ্রেণিবৈষম্য ও নারী-পুরুষ বৈষম্য দূর করা, অসাম্প্রদায়িকতা, বিশ্ব-ভ্রাতৃত্ব, সৌহার্দ্য ও মানুষে মানুষে সহমর্মিতাবোধ গড়ে তোলা এবং মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল করে তোলা।' ২৩ নং লক্ষ্যে বলা আছে, 'দেশের আদিবাসীসহ সব ক্ষুদ্র জাতিসত্তার সংস্কৃতি ও ভাষার বিকাশ ঘটানো।' জাতীয় শিক্ষানীতির 'আদিবাসী শিশু' অনুচ্ছেদে আছে, 'আদিবাসী শিশুরা যাতে নিজেদের ভাষায় শিখতে পারে, সেই লক্ষ্যে তাদের জন্য আদিবাসী শিক্ষক ও পাঠ্যপুস্তকের ব্যবস্থা করা হবে। এই কাজে, বিশেষ করে পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নে, আদিবাসী সমাজকে সম্পৃক্ত করা হবে। আদিবাসী প্রান্তিক শিশুদের জন্য বিশেষ সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে।' এখন আদিবাসীদের শিক্ষা বিস্তারে শিক্ষানীতির যথাযথ বাস্তবায়ন জরুরি। নারী উন্নয়ন নীতি, ষষ্ঠ ও সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ইত্যাদিতে আদিবাসী ইস্যু অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসডিজি নিয়ে জাতীয় আলোচনাতেও আদিবাসীদের কথা আছে। মূল সমস্যা হলো, এসব ক্ষেত্রে আদিবাসীরা কীভাবে অংশগ্রহণ করবে, তাদের ভূমিকা কী হবে, সিদ্ধান্ত গ্রহণে আদিবাসীরা আদৌ ফলপ্রসূ ভূমিকা রাখতে পারবে কি-না, এসব চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।

জাতিসংঘ বলছে, বিশ্বের ৩৭ কোটি আদিবাসী আজ আধুনিক রাষ্ট্রগুলোর বৈষম্য ও নিপীড়নমূলক আচরণের শিকার। আধুনিক রাষ্ট্র এ পর্যন্ত বহুজাতিক কোম্পানি, পুঁজিপতি ও শক্তিমানদের পৃষ্ঠপোষকতা ও পরিচর্যা করে এসেছে। এই দীর্ঘ সময়ে আদিবাসীরা তাদের নিজস্ব জগৎ, বসতভূমি, বন ও প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর অধিকার হারিয়েছে। বাঁধ, সংরক্ষিত এলাকা, ন্যাশনাল পার্ক, ইকো-ট্যুরিজম, সামাজিক বনায়ন, জলবিদ্যুৎ প্রকল্প- এসব নানা প্রকল্পের দ্বারা আদিবাসীদের উন্নয়ন তো হয়ইনি বরং তারা হয়েছে এসব কারণে উচ্ছেদের শিকার। তারা গ্রাম, বসতভিটা, ফসলের ক্ষেত, বিচরণভূমি সব হারিয়েছে। এখন আদিবাসী ও বনের অধিবাসীদের বলা হয় 'পরিবেশ উদ্বাস্তু', যেখানে বিশ্ব পরিবেশ উন্নয়নের নামে নিজেই বিপন্ন।

একটি আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে একবার আমি সিয়াটল গিয়েছিলাম। আমি জেনেছিলাম, সিয়াটলের এক আদিবাসী নেতা চিঠি লিখেছিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্টকে, যেখানে আদিবাসী মানুষের জীবন চেতনা ও মূল্যবোধের ছবি প্রতিফলিত হয়েছে। সে চিঠির কথাগুলো আমাদের জীবনের সঙ্গে মিলে যায়। আদিবাসী নেতা লিখেছিলেন, 'কী করে তোমরা কেনাবেচা করবে আকাশ? ধরিত্রীর উষ্ণতা? আমরা তোমাদের চিন্তা বুঝতে পারি না। নদীরা আমাদের ভাই, তারা আমাদের তৃষ্ণা মেটায়। সুতরাং তোমরা নদীকে যত্ন করো, যেমন তোমরা তোমাদের ভাইদের যত্ন করো।' এ কথাগুলোর মধ্যে জীবন, প্রকৃতি, মানুষ ও পৃথিবী সম্পর্কে আদিবাসীদের দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় পাওয়া যায়। বাংলাদেশে আদিবাসীরা ভূমি, বন, প্রকৃতি, গাছপালা, সহায়-সম্পদ সম্পর্কে একই দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করে। এ কথাগুলোর মধ্যে আদিবাসীদের আনন্দ-বেদনা-স্বপ্ন-উন্নয়ন ও এগিয়ে যাওয়া জড়িয়ে আছে। ওদের মনকে, জীবন ভাবনার বিশ্বজনীনতাকে বুঝতে হবে। বুঝতে হবে ভালোবাসা ও মমতা দিয়ে, গায়ের জোরে, শক্তির দাপটে নয়। আদিবাসী জীবনে বহিরাগতরা প্রবল রাষ্ট্রীয় শক্তি নিয়ে ঢুকে গেছে আর সঙ্গে সঙ্গে ঝড়ের মতো চলে গেছে সব জমি, বন, পাহাড়, প্রাকৃতিক সম্পদ। ওরা এখন অধিকারহীন অসহায় মানুষ। সংবেদনশীল, বিনম্র, প্রচণ্ড ভালোবাসা ছাড়া আদিবাসীদের উন্নয়ন সম্ভব নয়। রাজনীতি, সমাজনীতি, সংস্কৃতি, অর্থনীতি- সবখানে এ ভালোবাসার প্রতিফলন দরকার। দরকার সমন্বিত উন্নয়ন উদ্যোগ এ চরম অসহায়ত্ব, দারিদ্র্য ও প্রান্তিক অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য। আদিবাসীদের উন্নয়নের জন্য মানবাধিকারকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। ওদের মনে যেন এ ধারণা না জন্মায়, ওরা অন্যের দ্বারা শাসিত হচ্ছে, শাসকগোষ্ঠী ওদের শাসন করছে। এ কাজটি করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের এবং মূল দায় সংখ্যাগরিষ্ঠ সমাজের। সবকিছুর জন্য দরকার আদিবাসীদের সঙ্গে অর্থপূর্ণ আলাপ-আলোচনা ও সংলাপ। আদিবাসীদের আস্থায় এনে এ কাজটি করতে হবে। আদিবাসীদেরও সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। ভেরিয়ার এলুইন তার আদিবাসী জগৎ বইয়ে লিখেছেন, 'পাহাড় ও সমতলের ঐক্য জাতীয় স্বার্থেও যেমন প্রয়োজন, তেমন প্রয়োজন পাহাড় ও অরণ্যের মানুষদের স্বার্থে। আমরা পরস্পর পরস্পরকে সমৃদ্ধ ও সম্ভাবনাময় করতে পারি। আদিবাসীদের আমরা অনেক কিছু দিতে পারি, আবার ওদেরও অনেক কিছু আছে, যা আমাদের দেওয়ার মতো।'

মহাশ্বেতা দেবী লিখেছেন, 'আদিবাসীদের সমাজব্যবস্থা, মূল্যবোধ, সংস্কৃতিচেতনা, সভ্যতা- সব মিলিয়ে যেন নানা সম্পদে শোভিত এক মহাদেশ। আমরা, মূল স্রোতের মানুষরা, সে মহাদেশকে জানার চেষ্টা না করেই ধ্বংস করে ফেলেছি, তা অস্বীকার করার পথ নেই। মূল স্রোতের ধাক্কায় এদের বারবার দেশান্তরী হতে হয়েছে। ফলে অনেক কিছু গেছে হারিয়ে। মূল স্রোত এই বিষয়ে যে অপরাধে অপরাধী তার ক্ষমা নেই।'

নচিকেতার গান আছে- একদিন ঝড় থেমে যাবে/পৃথিবী আবার শান্ত হবে/বসতি আবার উঠবে গড়ে/আকাশ আলোয় উঠবে ভরে/জীর্ণ মতবাদ সব ইতিহাস হবে/পৃথিবী আবার শান্ত হবে। তখন হয়তো আদিবাসী জীবনেও সত্যি হবে, 'সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই'। সেই আশায় পথ চেয়ে আছি।

লেখক



প্রাবন্ধিক

মানবাধিকারকর্মী

ম্যানইউয়ের জয়ের দিনে হোঁচট ম্যানসিটির

ম্যানইউয়ের জয়ের দিনে হোঁচট ম্যানসিটির

প্রতিপক্ষের মাঠে যেয়ে ৩-০ গোলের বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে মরিনহোর ...

পেনাল্টিতে জয় জুভদের, লাল কার্ড রোনালদোর

পেনাল্টিতে জয় জুভদের, লাল কার্ড রোনালদোর

স্প্যানিশ ক্লাব ভ্যালেন্সিয়ার মাঠ থেকে ২-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ...

রোমাকে সহজে হারাল রিয়াল

রোমাকে সহজে হারাল রিয়াল

রিয়াল মাদ্রিদ চ্যাম্পিয়নস লিগের ফেবারিট। রোনালদোকে নিয়ে পরপর তিনটি চ্যাম্পিয়নস ...

রোনালদোর চ্যাম্পিয়নস লিগ শুরু লাল কার্ডে

রোনালদোর চ্যাম্পিয়নস লিগ শুরু লাল কার্ডে

ঘর্মাক্ত মুখ-চোখ-কপাল। তাতে এক ফোন চোখের পানি পড়লে কি সহজে ...

নির্ভার টাইগারদের সামনে আফগান

নির্ভার টাইগারদের সামনে আফগান

হোটেল থেকে মাঠের দূরত্ব ১৩৯.৫ কিলোমিটার! ঢাকা থেকে এই দূরত্বে ...

বাস্তুচ্যুত শব্দে আপত্তি মিয়ানমারের নিবন্ধন কার্যক্রম বন্ধ

বাস্তুচ্যুত শব্দে আপত্তি মিয়ানমারের নিবন্ধন কার্যক্রম বন্ধ

নিবন্ধন সম্পন্ন করার পর রোহিঙ্গাদের দেওয়া স্মার্টকার্ডের নাগরিক পরিচিতি কলামে ...

রক্ষা পাক জাম্বুরি পার্ক

রক্ষা পাক জাম্বুরি পার্ক

চট্টগ্রামে প্রথমবারের মতো সাড়ে আট একর জায়গায় নির্মাণ করা হয়েছে ...

ক্ষমতার সঙ্গে থাকার দৌড়ে ধর্মভিত্তিক দলও

ক্ষমতার সঙ্গে থাকার দৌড়ে ধর্মভিত্তিক দলও

সংসদে প্রবেশের দৌড়ে নেমেছে ধর্মভিত্তিক দলগুলোও। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির ...