পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ কি শুধু প্রতিশ্রুতি!

বিশ্নেষণ

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০১৮      

সমকাল ডেস্ক

সিঙ্গাপুর ঘোষণার মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে বলে দুই দেশের শীর্ষ নেতারা দাবি করলেও তা আসলেই বাস্তবে রূপ নেবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়ে গেছে বিশেষজ্ঞদের। পিয়ংইয়ংয়ের পক্ষ থেকে কোরীয় উপদ্বীপকে সম্পূর্ণ পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের প্রতিশ্রুতিও নতুন নয়। এর আগে এক ঐতিহাসিক বৈঠকেও উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন এবং দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইন পানমুনজুম ঘোষণায় একই কথা উচ্চারণ করেছিলেন। সেই সময়ও প্রশ্ন উঠেছিল, কোরীয় উপদ্বীপকে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের কৌশলপত্র নিয়ে দুই দেশের নেতা কিছু বলেননি। ফলে ধোঁয়াশা রয়ে গেল। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিঙ্গাপুর ঘোষণায় একই ইস্যুতে পানমুনজুম ঘোষণাই পুনর্ব্যক্ত হলো, নতুন কোনো কিছু যোগ হয়নি। অর্থাৎ পরমাণু অস্ত্রমুক্ত করার প্রক্রিয়া সম্পর্কে কিছু উল্লিখিত হয়নি। ফলে সেই পুরনো ধোঁয়াশা কাটেনি। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ার অভাবে এ হয়তো বাস্তবে আলো দেখবে না। এ ঘোষণা স্রেফ ট্রাম্প ও কিমের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক সিদ্ধির প্রপাগান্ডা টুলস হিসেবে ব্যবহূত হবে। ট্রাম্প এর মধ্য দিয়ে তার বিরুদ্ধে চলমান রুশ আঁতাতের তদন্তকে যেমন কিছুদিনের জন্য ধামাচাপা দিয়ে নিজের ভাবমূর্তি রক্ষার চেষ্টা চালানোর সুযোগ পাবেন। সামনে যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন। ট্রাম্প উত্তর কোরিয়াকে বশে আনার দাবি করে একে মহাঅর্জন হিসেবে নির্বাচনী প্রচারের বড় ইস্যু করবেন। অন্যদিকে ট্রাম্প কিমকে 'অসাধারণ মেধাবী' নেতা আখ্যায়িত করে পিঠ চাপড়ে দিয়েছেন। উত্তর কোরিয়ার এই নেতাও বৈঠককে ব্যবহার করে দেশের ভেতরে নাগরিক ক্ষোভ চাপা দিয়ে নিজের স্বৈরশাসনকে আরও পাকাপোক্ত করতে পারেন। অন্যদিকে মুখে সিঙ্গাপুর ঘোষণার প্রশংসা করলেও, মানবাধিকার ইস্যু প্রাধান্য না পাওয়ায়, ৭০ দশকে অপহৃত হওয়া ও উত্তর কোরিয়ায় বন্দি থাকা নিজেদের নাগরিকদের ফিরে পাওয়ার বিষয়টিতে জোর দিয়ে আসছে জাপান। কিন্তু সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু উল্লেখ নেই। অন্যদিকে সমঝোতাপত্রে উল্লেখ না থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, তিনি দক্ষিণ কোরিয়া থেকে কোরীয় উপদ্বীপে শান্তির লক্ষ্যে নিজেদের সেনা সরিয়ে নিতে চান। এটি দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানকে অস্বস্তিতে ফেলবে। দূরত্ব বাড়াতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে। এ এলাকায় চীন নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে মরিয়া। ট্রাম্পের এ ঘোষণা বেইজিংকে সেই সুযোগ করে দেবে। নতুন সমীকরণ শুরু হতে পারে এ অঞ্চলে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমে বলা হচ্ছে, এই বৈঠকের মধ্য দিয়ে বিশ্বশান্তির পথে অগ্রগতি না হলেও, কিমের হয়েছে সবচেয়ে বড় লাভ।
প্রশাসনে ৬ লাখ পদ সৃষ্টি করেছে বর্তমান সরকার

প্রশাসনে ৬ লাখ পদ সৃষ্টি করেছে বর্তমান সরকার

বর্তমান সরকারের সময়ে প্রশাসনে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ছয় লাখ ১৩ হাজার ...

বরিশালের ১৭  রুটের বাস ধর্মঘট প্রত্যাহার

বরিশালের ১৭ রুটের বাস ধর্মঘট প্রত্যাহার

ঝালকাঠি জেলা বাস মালিক সমিতির সঙ্গে বরিশাল, পটুয়াখালী ও বরগুনা ...

যেসব সমস্যা কাটিয়ে উঠতে হবে আর্জেন্টিনাকে

যেসব সমস্যা কাটিয়ে উঠতে হবে আর্জেন্টিনাকে

একেবারে খাদের কিনারে দাঁড়িয়ে আর্জেন্টিনা। মুহূর্তের ভুলে বিশ্বকাপের পরের পর্বটা ...

প্রচারণার শেষ দিনে গাজীপুরে দুই প্রার্থীর ব্যস্ত সময়

প্রচারণার শেষ দিনে গাজীপুরে দুই প্রার্থীর ব্যস্ত সময়

প্রচারণার শেষ দিনে ব্যস্ত সময় কাটালেন গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ...

শুধু একটি লোকের কারণে কেরানীগঞ্জের এই দুরবস্থা: কামরুল

শুধু একটি লোকের কারণে কেরানীগঞ্জের এই দুরবস্থা: কামরুল

কেরানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদকে উদ্দেশ্য করে খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ...

ওসির কাছে চাঁদা দাবি, ছাত্রলীগের ৪ নেতা আটক

ওসির কাছে চাঁদা দাবি, ছাত্রলীগের ৪ নেতা আটক

ময়মনসিংহের নান্দাইল মডেল থানার ওসির কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগে ছাত্রলীগের ...

রাজশাহীতে বিএনপির প্রার্থী বুলবুল, বরিশালে সরোয়ার

রাজশাহীতে বিএনপির প্রার্থী বুলবুল, বরিশালে সরোয়ার

আসন্ন রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দুই সিটির ...

আঞ্চলিক যোগাযোগ জোরদারের ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ

আঞ্চলিক যোগাযোগ জোরদারের ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দক্ষিণ এশিয় দেশগুলোর মধ্যে কানেকটিভিটি জোরদার করার ...