প্রচ্ছদ

পুরনো বইয়ের রাজ্যে

প্রকাশ: ১১ আগস্ট ২০১৮      
বই নতুন হোক আর পুরনো, বই-তো বই-ই। বইয়ের আবেদন শেষ হয় না কখনও। ঢাকার বেশ কয়েকটি অঞ্চলে পুরনো বইয়ের কেনাবেচায় গড়ে উঠেছে ভিন্নমাত্রার ব্যবসাকেন্দ্র। ক্লাসের বই আর আউট বই সব ধরনের বই সাশ্রয়ী মূল্যে পাওয়া যায় বলে এ জায়গাগুলো প্রায় সারাদিনই মুখর থাকে বইপ্রেমীদের আনাগোনায়। ঢাকার এমন কয়েকটি স্থান ঘুরে এসে প্রচ্ছদ প্রতিবেদন লিখেছেন গোলাম কিবরিয়া

রাজধানীর বাংলাবাজার, পল্টন মোড়, নীলক্ষেত ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ সংলগ্ন ফুটপাতে স্থায়ী আসন নিয়েছেন বই বিক্রেতারা। সারা বছরই এসব ফুটপাতে বইয়ের পসরা সাজিয়ে বসেন দোকানিরা। এ ছাড়া রাজধানীর অন্যান্য ফুটপাতেও বই বিক্রেতাদের দেখা মেলে।

তবে ফুটপাতে সবচেয়ে বেশি বই বিক্রেতাদের দেখা মেলে প্রতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলা একাডেমির সামনে। বাঙালির বই উৎসবের একটি বড় অংশ হয়ে ওঠে একাডেমি সংলগ্ন ফুটপাত। অস্থায়ী হলেও মাসব্যাপী ক্রেতাদের ভিড় দেখা যায় এসব দোকানে। মেলার তুলনায় ফুটপাতে দাম কম হওয়ায় এসব বইয়ের বিক্রিও ভালো হয়।

খিলগাঁওয়ের রহমান সবুর ব্যবসা করেন। মতিঝিলে অফিস। দরকারি কাজে আসতে হয়েছিল পুরানা পল্টনে। ফেরার পথে থমকে দাঁড়ালেন মুক্তি ভবনের সামনে। ফুটপাতে হরেক বইয়ের পসরা। তার চোখ আটকে গেছে জহির রায়হানের উপন্যাসসমগ্রের দিকে। বেশ ঝকঝকেই আছে বইটি। কোনো এক মাহফুজুল হক খন্দকারকে উপহার দিয়েছিলেন তার বন্ধু তারিক। সেটা ১৯৯৮ সালের ঘটনা। তারপর কেমন করে সেই উপহার সামগ্রী এলো ফুটপাতে, তা নিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতা কারোরই মাথাব্যথা নেই। বইটির 'কন্ডিশন' ভালো। শেষ পর্যন্ত রফা হলো ৭৫ টাকায়।

গত বৃহস্পতিবার দুপুরে চোখে পড়ল পুরানা পল্টনের ফুটপাতে পুরনো বই কেনাবেচার এই দৃশ্য। ঢাকার ফুটপাতে পুরনো বইয়ের লেনদেন অনেক কালের পুরনো। এক সময় অনেক দুর্লভ বই সুলভ দামে পাওয়া যেত ফুটপাতের পসরায়। অনেক খ্যাতিমান কবি, লেখক, গবেষক, শিক্ষাবিদ থেকে শুরু করে গ্রন্থানুরাগী আমজনতাও নিয়মিত ক্রেতা ছিলেন এসব বইয়ের। তবে হালে অবস্থা পাল্টেছে। বইয়ের জোগানও যেমন কমেছে, তারচেয়ে বেশি কমেছে ক্রেতার সংখ্যা।

ঢাকায় পুরনো বইয়ের বিখ্যাত বাজার তিনটি- পুরানা পল্টন, বাংলাবাজার ও নীলক্ষেত মোড়। খোঁজ নিয়ে দেখা গেল, পুরনো বইয়ের বাজারের বৈশিষ্ট্যও বদলে যাচ্ছে। পুরানা পল্টনের মোড় থেকে হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন কার্যালয় পর্যন্ত উত্তর দিকের ফুটপাতে বইয়ের দোকান প্রায় ৪০টি। এর মধ্যে গুটিকয়েক দোকানে নতুন বই ও পুরনো অফিস ফাইল, ক্লিপ ইত্যাদি বিক্রি হয়। বাদ বাকি দোকানগুলোতে গল্প, উপন্যাস কবিতা, প্রবন্ধ, শিশুতোষসহ বিভিন্ন ধরনের সৃজনশীল বই, দেশি-বিদেশি পত্রপত্রিকার রকমারি সমারোহ। পুরানা পল্টনের এই বইয়ের ব্যবসা শুরু হয়েছিল পাকিস্তান আমলে বলে জানালেন বিক্রেতা মজিদ। তার বাবা আবদুস সালাম ছিলেন প্রথমদিকের ব্যবসায়ীদের একজন। প্রয়াত হয়েছেন। এখন প্রথমদিকের ব্যবসায়ীদের মধ্যে আছেন হাবিব খন্দকার ও শাহাবুদ্দিন। তাদের কাছে জানা গেল, এককালে বিখ্যাত সাহিত্যিক সত্যেন সেন, রণেশ দাশগুপ্ত, সন্তোষ গুপ্ত, কবি হাসান হাফিজুর রহমান, সরদার ফজলুল করিম, বশীর আল হেলাল, হুমায়ুন আজাদ তাদের কাছ থেকে বই কিনেছেন। তবে ইদানীং বিক্রি কমে গেছে অনলাইনের ব্যাপক প্রসারের ফলে। যে কোনো দরকারি রেফারেন্স এখন সহজেই অনলাইনে পাওয়া যায়। তা ছাড়া লোকের পাঠাভ্যাসও কমেছে বলে মনে করেন পুরনো বইয়ের এই বিক্রেতারা।

আগে যেখানে রোজ শ'খানেক বই অনায়াসে চলে যেত, এখন পঞ্চাশটি বিক্রি করাই দুরূহ। এত এত পুরনো বই তারা কেমন করে সংগ্রহ করেন? এক প্রজন্ম সংগ্রহ করে, পরের প্রজন্ম 'জঞ্জাল' মনে করে ঘর থেকে বিদায় করে- এই হলো সহজ প্রক্রিয়া। বিক্রেতারা জানালেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এমন হয়- বাবা হয়তো বই সংগ্রহ করেন, তার ছেলেমেয়েদের বইয়ের প্রতি আগ্রহ নেই। বাবার মৃত্যুর পরে তারা ঘর পরিস্কার করতে পুরো সংগ্রহটাই বিক্রি করে দেন। আবার অনেকে বাড়ি বদল করার সময়ও বাড়তি বই বিক্রি করে দেন। ফেরিওয়ালারা এসব বই কিনে তাদের কাছে এনে বিক্রি করেন। অনেকে আবার সরাসরি পল্টনে এনেও পুরনো বই বিক্রি করে যান। এ ছাড়া অনেক প্রকাশক তাদের পুরনো বইয়ের লটও এখানে বিক্রি করেন। এভাবেই জোগান আসে।

পুরান ঢাকার পুরনো বইয়ের বাজারের বৈশিষ্ট্য পুরো বদলে গেছে। আগে পসরা ছিল গির্জার সামনের ফুটপাতে। এখন সেটি সরে এসেছে সদরঘাটের দিকে। লিয়াকত আলী অ্যাভিনিউতে। পদচারী সেতুর তলায় পূর্ব দিকের ফুটপাতে কাঠের র‌্যাকে সাজানো বিভিন্ন শ্রেণির গাইড বই। এখানে পুরনো বইয়ের দোকান প্রায় ত্রিশটি। বিক্রেতা রানা, দুলাল, মুক্তার হোসেনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, পাঠ সহায়ক পুরনো বইয়ের ব্যবসা বেশ ভালো। তবে একটু বিপদও আছে। ঘন ঘন সিলেবাস বদলে যায়। এর ফলে বদলে যাওয়া সিলেবাসের পুরনো বইগুলো আর চলে না। নীলক্ষেতের পুরনো বইয়ের বাজারটি মিশ্র বৈশিষ্ট্যের। এখানে বাজারও বিশাল। এখানে ফুটপাতে দোকান আছে দুই শতাধিক। ভেতরে বইয়ের মার্কেটে দোকান ছয় শতাধিক। ফুটপাতে তিন ধরনের বই পাওয়া যায়। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের লেখকদের গল্প, উপন্যাস, কবিতার পাইরেসি বইয়ের বিপুল সমারোহ। এগুলো আকারভেদে যে কোনো বই ৬০ টাকা ও ১০০ টাকা দরে বিক্রি হয়। এ ছাড়া আছে নতুন বিভিন্ন শ্রেণির নোট-গাইড, চাকরির পরীক্ষার গাইড এবং পুরনো সৃজনশীল বই। এখানে প্রায় ২৫ বছর ধরে পুরনো সৃজনশীল বই বিক্রি করেন হুমায়ুন সরকার। আগে তার দোকান ছিল বলাকা সিনেমা হলের সামনের ফুটপাতে। তিন দফায় উচ্ছেদের কবলে পড়ে এখন দোকান সরে এসেছে পূর্ব দিকের সড়কের শেষ মাথায়। তিনি জানালেন, পাইরেসি বইয়ের দাপটে এখানে পুরনো বইয়ের বিক্রি কমে গেছে। এসব দোকানে নতুন ও পুরনো উভয় ধরনের বই পাওয়া যায়। বই পুরনো হয়, জ্ঞান পুরনো হয় না। হয়তো সে কারণেই ঢাকার ফুটপাতে পুরনো বইয়ের বেচাকেনা চলছে এখনও।

বইয়ের বাজারের জন্য নীলক্ষেত বেশ পরিচিত। এর নামকরণ সম্পর্কে জানা যায়, ব্রিটিশরা এ দেশে আসার পর থেকেই ইউরোপিয়ানরা বিভিন্ন এলাকায় নীল চাষ শুরু করে। সেই সময় ঢাকার নীলক্ষেত এলাকার বিরাট প্রান্তরজুড়ে নীল চাষ করা হতো। দীর্ঘকাল ধরে সেই নীল চাষ চলে। সেই এলাকাটিতে নীল উৎপন্ন হতো প্রচুর। প্রচুর নীল উৎপন্ন হতো বলেই আজও নীলক্ষেতের নামের সঙ্গে নীল শব্দটি জড়িয়ে আছে। লোকজন এলাকাটিকে চিনেছেও এ নামে। নীলক্ষেত এলাকার নামকরণ করা হয় নীল চাষের স্থান থেকে। যেসব জমিতে চাষাবাদ করা হয় সেই জমিকে ক্ষেত নামে অবহিত করা হয়। এটা বেশ আগের রীতি। নীল এবং চাষাবাদের ক্ষেত এই দুয়ের মিশ্রণে নাম হয় নীলক্ষেত।

ব্রিটিশদের প্রত্যাবর্তনের পর ১৯৬১ সালে নীলক্ষেত এলাকায় গড়ে ওঠে বস্তি। এই বস্তিকে ঘিরে গড়ে উঠেছিল ছোটখাটো দোকান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ আশপাশের প্রসিদ্ধ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠ্যবই বিক্রি শুরু হয় ১৯৬৬ সালে। ধীরে ধীরে জমে উঠতে শুরু করে বইয়ের মার্কেট। ১৯৭৪ সালে এখানের সব বস্তি ভেঙে দেওয়া হয়। কিছুদিন পর পর্যায়ক্রমে গড়ে ওঠে বাকুশাহ মার্কেট ও গাউছুল আযম মার্কেট। যার প্রায় পুরোটাই লেখাপড়ার সামগ্রী নিয়ে। নীলক্ষেত এলাকাটি ঢাকা শহরের পুরনো বই বেচাকেনার কেন্দ্রস্থল। সিটি করপোরেশন মার্কেটের বিপরীত পাশে, নীলক্ষেত মোড় থেকে শুরু করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের 'মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণ' পর্যন্ত বিস্তৃত নীলক্ষেতের পুরনো এ বইয়ের বাজার। এখানে শতাধিক বইয়ের দোকান রয়েছে, যা বই কেনাবেচার ব্যবসায় জড়িত। দেশের কোথাও কোনো বই না পাওয়া গেলে শেষ ভরসা নীলক্ষেত! বাংলাদেশে পঠন-পাঠন হয়, এমন সব ধরনের বই-ই মিলে এখানে। মূল বই না হোক, ফটোকপি পাওয়া যাবেই, যেটা 'নীলক্ষেত ভার্সন' হিসেবে পরিচিত! এসব দোকানে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি পাওয়া যায় দেশি-বিদেশি ম্যাগাজিন, উপন্যাস, রিসার্চ পেপার, জার্নাল, রেফারেন্স বই, নামিদামি দেশি-বিদেশি লেখকের বই। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদন, বিশ্বখ্যাত নতুন-পুরনো সাহিত্যগুলোর বাংলা অনুবাদসহ বিভিন্ন দেশি-বিদেশি ক্যাটালগ ও ইংরেজি, ফরাসি, আরবিসহ বিভিন্ন ভাষা শিক্ষার বই। আরও পাওয়া যায় বিভিন্ন ধরনের থ্রিলার ও আত্মোন্নয়নমূলক দেশি-বিদেশি লেখকের বই। 'আমরা বই বেইচ্চা ভাত খাই, তবে বইরে অনেক ভালোবাসি। বই আমগো মনের লগে মিইশ্যা গেছে। ফাইভ পাস কইর‌্যা আর পড়বার পারি নাই। এই বই বেইচ্যা আর বই নাড়ায়া অনেক কিছু শিখছি। অনেক ইংরেজি বইয়ের নাম, লেখকের নাম হুনলেই বুঝবার পারি।' বলছিলেন নীলক্ষেতের পুরনো বই বিক্রেতা জসিম।

নীলক্ষেতের পুরনো বই ব্যবসায়ীরা জানালেন, বইগুলো বিভিন্ন মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়। সবই যেহেতু পুরনো বই, তাই এগুলো কেউ না কেউ বিক্রি করার পরই নীলক্ষেতের বাজারে আসে। সাধারণত ভাঙারির দোকান, বাংলাবাজার ও ফেরিওয়ালার কাছ থেকেই বইগুলো বাজারে ওঠে। মাঝেমধ্যে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং গ্রন্থাগার থেকেও পুরনো সংস্করণের বইগুলো আনা হয়। অনেকে আবার ব্যক্তিগত সংগ্রহের বইও বিক্রি করেন। কোনো এক অশিক্ষিত জাতিকে যদি মানসিকভাবে শিক্ষিত করতে চাও তাহলে তাদের দিকে কিছু বই ছুড়ে দাও। প্রবাদটি নেহায়েত ভুল নয়। মানবজীবনে বই এক পরম বন্ধু, পরম আশ্রয়। দার্শনিক মার্কাস টুলিয়াস সিসারোর মতে, বই ছাড়া একটি কক্ষ আত্মা ছাড়া দেহের মতো। আর তাই বইয়ের ভুবন নিয়ে কাজ করে যাওয়া পুরনো বইয়ের বিক্রেতারা দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে মিশে আছে পুরোপুরি। এদের পৃষ্ঠপোষকতা করা এখন সময়ের দাবি।
নিয়ম রক্ষার ম্যাচে বিকেলে মুখোমুখি ভারত-আফগানিস্তান

নিয়ম রক্ষার ম্যাচে বিকেলে মুখোমুখি ভারত-আফগানিস্তান

এশিয়া কাপের সুপার ফোরে ভারত-আফগানিস্তানের আজ মঙ্গলবারের ম্যাচটি শুধুই নিয়ম ...

গভীর সমুদ্রে ৪৯ দিন ভেসে থেকে বেঁচে ফিরলেন যিনি

গভীর সমুদ্রে ৪৯ দিন ভেসে থেকে বেঁচে ফিরলেন যিনি

গভীর সমুদ্রে টানা ৪৯ দিন ভেসে ছিলেন ইন্দোনেশিয়ার আলদি নোভেল ...

ফিফার ‘দ্য বেস্ট’ মডরিচ

ফিফার ‘দ্য বেস্ট’ মডরিচ

রোনালদো ফিফার বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে যান নি। তাতেই ...

ঐক্যের চাপে বিএনপি

ঐক্যের চাপে বিএনপি

সব দলের অংশগ্রহণে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে 'বৃহত্তর জাতীয় ...

কোটি টাকায় কেনা দীর্ঘশ্বাস

কোটি টাকায় কেনা দীর্ঘশ্বাস

ধানমণ্ডিতে সুপরিসর একটি ফ্ল্যাট কেনার উদ্যোগ নিয়েছিলেন ব্যবসায়ী আহাদুল ইসলাম। ...

বিএনপির জনসভায় আমন্ত্রণ পাচ্ছে না জামায়াত

বিএনপির জনসভায় আমন্ত্রণ পাচ্ছে না জামায়াত

বিএনপির বৃহস্পতিবারের সম্ভাব্য জনসভায় ২০ দলের শরিক জামায়াতে ইসলামীকে কৌশলগত ...

প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটের ক্রুর মাদক সেবন

প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটের ক্রুর মাদক সেবন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফ্লাইটের এক কেবিন ক্রুর মাদক সেবন ও ...

দুদককে পঙ্গু করতে চায় একটি মহল

দুদককে পঙ্গু করতে চায় একটি মহল

দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) একটি অথর্ব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে অপতৎপরতা ...