ঈদ শেষে ঢাকায় ফিরে আসার জন্য মোটিভেশনাল স্পিকারের মোটিভেশনাল স্পিচ

প্রকাশ: ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮      

রাজীব দেবনাথ

ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়ি গিয়ে তোমরা অনেকেই হয়তো জীবনটাকে অনেক উপভোগ করছ। ভাবছ এটাই তো জীবনের প্রকৃত স্বাদ। খাচ্ছি-দাচ্ছি, ঘুমাচ্ছি, ঘুরছি...আহা! আর কী চাই জীবনে।

কিন্তু তোমাদের ভুলেও ভুলে গেলে চলবে না যে, এটা আসলে কোনো জীবন নয়। তোমাকে সিক্স ডিজিটের স্যালারি পেতে হলে যে করেই হোক এই ঢাকা শহরে ফিরে আসতেই হবে। জীবনে কিছু করতে চাইলে গ্রামের ওই টিনের ঘরে বসে থেকে তা হবে না। এই শহরের অট্টালিকায় না পার ঘুপচি ঘরে হলেও থাকতে হবে।

লাইফে কিছু করতে হলে স্ট্রাগল করতে হয়। তোমার বাসা মিরপুর হলে রোজ তোমাকে কোমর সমান পানি মাড়িয়ে অফিসে যেতে হবে। বাসে ওঠার জন্য লম্বা লাইন দিতে হবে। তারপর বাসে সিট না পেলেও হাসি-হাসি মুখে বাদুড়ঝোলা হয়ে থাকতে হবে। কাউকে এটা বুঝতে দেওয়া যাবে না যে, তুমি চরম বিরক্ত। এমন একটা ভাব নিয়ে থাকবে যে তোমার থেকে সুখী এ জগতে দ্বিতীয়টি আর নেই।

তারপর অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে যখন অফিসে পৌঁছাবে তখনও চেহারায় এই সুখী-সুখী ভাবটা ধরে রাখবে। আর অফিসে পৌঁছতে দেরি হওয়ার কারণে বস যদি বকাঝকা করে তারপরও তোমাকে সুদক্ষ বিক্রয় কর্মীর মতো মুখের ওই তেলতেলে ভাবটা ধরে রাখতে হবে। মনে রাখবে বসের মন পাওয়ার জন্য এই তেলতেলে চেহারাটা খুব জরুরি। বসকে বশে আনার জন্য তাকে দিন-রাত এই তেল দেবে। দরকার হলে তার বাসার বাজার পর্যন্ত করে দিতে দ্বিধাবোধ করবে না। তবে বসকে যে তেল দেবে তা যেন অবশ্যই সস্তা হয়। বসকে দামি তেল দিয়ে নিজে লসে পড়ার চেয়ে বড় বোকামি আর কিছুই হতে পারে না।

তারপর রাতে যখন অফিস থেকে ফেরার সময় হবে তখন তোমার অনেক নারী সহকর্মীই বাসায় ফেরার ব্যাপারে তোমার কাছে বিভিন্ন সাহায্য-সহযোগিতা চাইতে পারে। খবরদার, ভুলেও এ কাজ করতে যাবে না। কারণ জীবনে কিছু করতে হলে কখনও-কখনও একটু-আধটু নিষ্ঠুর হতে হয়। এই স্ট্রাগলের সময়টাতে কাউকে প্রশ্রয় দিতে নেই। যা করবে খুব ভেবে-চিন্তে করবে, শুধু নিজের জন্য করবে।

এরপর রাতে যখন বাসায় বা মেসে ফিরবে তখনও সময় নষ্ট করবে না। পরের দিনের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করবে। কীভাবে বসকে আরও বেশি ইমপ্রেস করতে পার তা নিয়ে রীতিমতো ছোটখাটো একটা গবেষণা করে ফেলতে পার।

তো আর দেরি করছ কেন? আজই ঢাকার পানে ছোটো। মায়ের আঁচলতলে বসে থাকলে তো কেউ আর তোমাকে সিক্স ডিজিটের স্যালারি দিয়ে যাবে না। মনে রাখবে, পাত্তা কেউ দেয় না, পাত্তা আদায় করে নিতে হয়। ভাগো...ভাগো, লাইফ ইজ অ্যা রেস। এই রেসে টিকে থাকতে হলে তোমাকে অবশ্যই ঢাকার গাড়িটা ধরতে হবে। আর ঢাকায় ফেরার টিকিট না পেলে অথবা পকেটে টিকিট কাটার টাকা না থাকলে সত্যি-সত্যি দৌড়ে-দৌড়ে হলেও তোমাকে ঢাকায় পৌঁছাতে হবে। সো এখনও বসে আছ কী জন্য? কোন আশায়? কার প্রতীক্ষায়? আর এক মুহূর্তও দেরি নয়, লেট'স স্টার্ট।
প্রার্থীদের হলফনামায় চোখ রাখবে দুদক

প্রার্থীদের হলফনামায় চোখ রাখবে দুদক

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের হলফনামার সম্পদের হিসাবে নজর ...

সময় শেষ ব্যানার-পোস্টার সরেনি

সময় শেষ ব্যানার-পোস্টার সরেনি

সুষ্ঠু নির্বাচন ও প্রার্থীদের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির জন্য ...

হাল ছাড়েননি বাদপড়ারা চলছে চেষ্টা-তদবির

হাল ছাড়েননি বাদপড়ারা চলছে চেষ্টা-তদবির

আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য তালিকা থেকে বাদ পড়া দলের মনোনয়নপ্রত্যাশীরা এখনও ...

মিশ্র প্রতিক্রিয়া আইনজ্ঞদের

মিশ্র প্রতিক্রিয়া আইনজ্ঞদের

দুর্নীতির দুটি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ১০ ও ৭ ...

বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়া যাবে না

বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়া যাবে না

দল থেকে যাকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে, তার পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে ...

ধানের শীষের প্রতীক্ষায় শতাধিক ব্যবসায়ী

ধানের শীষের প্রতীক্ষায় শতাধিক ব্যবসায়ী

জাতীয় সংসদে ব্যবসায়ী সাংসদের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বর্তমান সংসদে ব্যবসায়ীদের ...

কিশোরগঞ্জের ৬ আসনের তিনটিতেই প্রার্থী পুত্ররা

কিশোরগঞ্জের ৬ আসনের তিনটিতেই প্রার্থী পুত্ররা

আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে কিশোরগঞ্জের ৬টি সংসদীয় আসনের তিনটিতেই উত্তরাধিকার আজ ...

বিএনপির অভিযোগ তদন্তে পুলিশ

বিএনপির অভিযোগ তদন্তে পুলিশ

প্রধানমন্ত্রী ও নির্বাচন কমিশনের কাছে বিএনপির পক্ষ থেকে 'গায়েবি ও ...