স্থপতি

প্রকাশ: ১৫ আগস্ট ২০১৮      

আবদুল্লাহ আল রাফি সরোজ

তিনি একজন স্থপতি। একটি স্বতন্ত্র জাতির জন্য স্বাধীন রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে তা বাস্তবায়নের মূল পরিকল্পনা তৈরি করা এবং অর্জনের জন্য পুরো জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার যে রাজনৈতিক প্রজ্ঞা তিনি দেখিয়েছিলেন, তা তো একজন দক্ষ স্থপতিই পারেন। বাঙালি জাতির জন্য নির্মিত এ রাষ্ট্রটির নামও তিনি নিজেই দিয়েছেন- বাংলাদেশ। হ্যাঁ, আমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কথা বলছি। আমি বা আমরা অর্থাৎ এই প্রজন্মের কেউই তো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে দেখিনি। তাকে যারা দেখেনি, তারা মূলত বঙ্গবন্ধুকে জেনেছে বইয়ের পাতায়। একটা সময় পর্যন্ত খুব পরিকল্পিতভাবেই স্বাধীনতাবিরোধীরা বঙ্গবন্ধুকে নতুন প্রজন্মের কাছ থেকে আড়াল করার চেষ্টা করেছে বারবার। ক্ষমতার পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধ ও এর ইতিহাসের যাবতীয় দলিল-দস্তাবেজের পরিবর্তন হতে দেখে হোঁচট খাই বারবার। মানুষ হোঁচট খেতে খেতে শেখে, জানে। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে পাওয়া আজকের আমাদের এই ছোট্ট সুন্দর দেশটির নেপথ্যের পৃষ্ঠাগুলো উল্টাতে গিয়ে আমার কাছে বঙ্গবন্ধুর উপস্থিতি এত ব্যাপক ও কার্যকরী মনে হয়েছে যে, নিজের অজান্তেই বঙ্গবন্ধুর একজন অনুসারী হয়ে গিয়েছি।

বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে প্রণীত বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানে স্থান পাওয়া গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও জাতীয়তাবাদ- এই চারটি মূল ভিত্তিই প্রমাণ করে, এই মহান স্থপতির স্থাপত্যশৈলীর কাঠামো কতটা আধুনিক ও মজবুত। ধর্মনিরপেক্ষতা মানেই যে ধর্মহীনতা নয় তা তিনি তার কাজের মাধ্যমে দেখিয়ে দিয়েছেন।

সম্প্রতি জাতীয় শোক দিবসগুলোয় বঙ্গবন্ধুর নিজের দলের কিছু নেতা-কর্মী শোক প্রকাশের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে যেভাবে আত্ম-প্রচারণায় মেতে ওঠে, দেখে মনে হয় শোক যেন উৎসবে পরিণত হয়েছে। তাদের বোঝা উচিত দেশের মানুষ এত বোকা নয়। বঙ্গবন্ধু তার স্বতন্ত্র চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ও রাজনৈতিক দূরদর্শিতার জন্য আপন মহিমায় স্থির। তার উচ্চতার মাপকাঠি তিনি নিজেই। বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে বঙ্গবন্ধুকে যেমন এতটুকু খাটো করা যাবে না, ঠিক তেমনই তাকে সবকিছুতে টেনে আনাও ঠিক হবে না। প্রকৃতপক্ষে আমাদের বঙ্গবন্ধু কিউবার ফিদেল কাস্ত্রো বা দক্ষিণ আফ্রিকার নেলসন ম্যান্ডেলার মতো একজন অবিসংবাদিত নেতা। পার্থক্য এটাই যে, কাস্ত্রো বা ম্যান্ডেলাকে দেশের মানুষ তাদের জীবনের প্রায় শেষ বেলা পর্যন্ত দেশের জন্য কাজ করে তৃপ্ত মনে অবসর নেওয়ার সুযোগ দিয়েছে। দুর্ভাগ্যবশত আমাদের দেশের মানুষ বঙ্গবন্ধুকে সেই সুযোগ দেয়নি।

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে জানার এখনও আমাদের অনেক বাকি। সেটা জানার মাধ্যম হতে পারে চলচ্চিত্র। মহাত্মা গান্ধীর জীবন, কর্ম ও রাজনৈতিক দর্শন নিয়ে নির্মিত একাধিক চলচ্চিত্র যখন দেখি, তখন মনে হয় বঙ্গবন্ধুকে কবে আমরা চলচ্চিত্রের পর্দায় দেখতে পাব। বঙ্গবন্ধুকে নতুন প্রজন্মের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য চলচ্চিত্রের পর্দা নিঃসন্দেহে একটি শক্তিশালী মাধ্যম হতে পারে। আমাদের মধ্যে কাউকে না কাউকে এই দায়িত্বটুকু তো নিতে হবে। যে চলচ্চিত্র নতুন প্রজন্মের কাছে, বিশ্বের কাছে পরিচয় করিয়ে দেবে বাংলাদেশের স্থপতিকে।

হ সুহৃদ নওগাঁ
খালেদা জিয়ার সঙ্গে স্বজনদের সাক্ষাৎ

খালেদা জিয়ার সঙ্গে স্বজনদের সাক্ষাৎ

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা। ...

'নায়ক' গেলো সেন্সরে

'নায়ক' গেলো সেন্সরে

ঢাকাই ছবির জনপ্রিয় নায়ক বাপ্পি ও নবাগতা অধরা খান জুটির ...

সোনাহাট স্থলবন্দরে শ্রমিকদের সংঘর্ষ, ১৪৪ ধারা জারি

সোনাহাট স্থলবন্দরে শ্রমিকদের সংঘর্ষ, ১৪৪ ধারা জারি

কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার সোনাহাট স্থলবন্দরে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। ...

পাকিস্তানের বিপক্ষে ব্যাট করছে আফগানিস্তান

পাকিস্তানের বিপক্ষে ব্যাট করছে আফগানিস্তান

এশিয়া কাপের সুপার ফোরে একই দিনে চলছে দুই ম্যাচ। সুপার ফোরের ...

চার জাতির টুর্নামেন্টে দর্শক মেসি

চার জাতির টুর্নামেন্টে দর্শক মেসি

আগামী মাসে সৌদি আরবে চার জাতির একটি টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। ...

নির্বাচনের আগে সিনহা অপপ্রচারে উসকানি না দিলেও পারতেন: কাদের

নির্বাচনের আগে সিনহা অপপ্রচারে উসকানি না দিলেও পারতেন: কাদের

সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা নির্বাচনের আগে বই প্রকাশ ...

ভারতকে ১৭৪ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ

ভারতকে ১৭৪ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ

ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ সুপার ফোরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভালো শুরু ...

আমিরাতকে বড় ব্যবধানে হারাল মেয়েরা

আমিরাতকে বড় ব্যবধানে হারাল মেয়েরা

ছুটির দিনে গ্যালারিতে বসে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৬ মেয়েদের খেলা দেখছেন বেশ ...