নড়াইলের আ'লীগ নেতা হত্যায় ৯ জনের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশ: ১৪ জানুয়ারি ২০১৮     আপডেট: ১৪ জানুয়ারি ২০১৮      

খুলনা ব্যুরো

নিহত আওয়ামী লীগ নেতা প্রভাষ রায়

নড়াইল সদর উপজেলার ভদ্রবিলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রভাষ রায় ওরফে হানু হত্যা মামলায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৯ আসামির ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। খুলনা বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম এ রব হাওলাদার রোববার দুপুরে এ রায় দেন। 

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- ভদ্রবিলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. সাহিদুর রহমান মীনা ওরফে শহিদ ও তার ভাই মো. ইলিয়াছ মীনা, সাহিদুর রহমান মীনার ছেলে মো. আশিকুর মীনা ওরফে আশিক, মোশারফ মীনার ছেলে মো. রাসেল মীনা, মৃত হাতেম মোল্লার ছেলে বাশার মোল্লা, মোশারফ মোল্লার ছেলে রবিউল মোল্লা, আটেরহাট এলাকার মৃত হারান মোল্লার ছেলে এনায়েত মোল্লা, পইলডাঙ্গা এলাকার মতিয়ার মোল্লার ছেলে ইয়াসিন মোল্লা এবং মূসা মীনার ছেলে মামুন মীনা। রায় ঘোষণার পর আসামিদের আদালত থেকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

আদালতের বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট মো. এনামুল হক জানান, গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রভাষ রায় নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেন। ওই নির্বাচনে আসামি মো. সাহিদুর রহমান মীনা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। নির্বাচনের পর চেয়ারম্যানের সমর্থকরা প্রভাষ রায়ের বাড়ি ভাংচুর করে। এ ঘটনায় প্রভাষ রায় চেয়ারম্যানসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। 

এরপর ২০১৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে মীরাপাড়া বাজারের একটি চায়ের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে ভদ্রবিলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. খায়রুজ্জামান ফকিরের সঙ্গে কথা বলছিলেন প্রভাষ রায়। এ সময় পূর্বপরিকল্পনা অনুয়ায়ী আসামিরা প্রভাষ রায়ের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তারা প্রভাষ রায়ের পেটে একটি বড় ছোরা ঢুকিয়ে দেয় ও তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। পরে বাজারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে নড়াইল হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখান থেকে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে ওইদিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়। 

এ ঘটনায় তার স্ত্রী টুটুল রানী রায় বাদী হয়ে ৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৫/৭জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ভবতোষ রায় ৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলায় ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৭ জন সাক্ষ্য প্রদান করেন। 

রায় ঘোষণার পর আসামি ও তাদের পরিবারের সদস্যরা আদালত প্রাঙ্গণে কান্নায় ভেঙে পড়েন। 
নিহতের স্ত্রী টুটুল রানী রায় মামলার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে সাংবাদিকদের বলেন, রায় যেন দ্রুত কার্যকর করা হয়, সেই প্রত্যাশা করছি। আর আসামিপক্ষের আইনজীবী মামুনুর রশীদ বলেন, রায়ের বিরুদ্ধে তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।

আরও পড়ুন

আসছে ভোট, প্রস্তুত ইসি

আসছে ভোট, প্রস্তুত ইসি

একাদশ সংসদ নির্বাচনের লক্ষ্যে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তফসিল ঘোষণা এবং ...

রূপালি গিটার ফেলে দূরে বহুদূরে

রূপালি গিটার ফেলে দূরে বহুদূরে

এই রূপালি গিটার ফেলে/একদিন চলে যাব দূরে বহুদূরে/ সেদিন চোখে ...

আজ শুভ বিজয়া দশমী

আজ শুভ বিজয়া দশমী

সব পূজামণ্ডপের বাতাসেই এখন বিষাদের ছায়া। হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষের ঘরে ...

প্রিয়াঙ্কা-নিকের বিয়ে ডিসেম্বরেই

প্রিয়াঙ্কা-নিকের বিয়ে ডিসেম্বরেই

১০ বছরের ছোট মার্কিন সংগীত শিল্পী নিক জোনাসের সঙ্গে বাগদান ...

১০০ আসনে ছাড় দিতে পারে বিএনপি

১০০ আসনে ছাড় দিতে পারে বিএনপি

নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে জোট সম্প্রসারণেরও উদ্যোগ নিচ্ছে ক্ষমতাসীন ...

জসীমের উচ্ছেদ খেলায় নিঃস্ব মানুষ ফেরত চায় জমি

জসীমের উচ্ছেদ খেলায় নিঃস্ব মানুষ ফেরত চায় জমি

কালিয়াকৈরে মূর্তিমান আতঙ্কের নাম ছিল বনখেকো জসীম ইকবাল। পরে তার ...

তৃতীয় সাবমেরিন কেবলে যুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ

তৃতীয় সাবমেরিন কেবলে যুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ

তৃতীয় সাবমেরিন কেবলে সংযুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ। চট্টগ্রাম থেকে সিঙ্গাপুর পর্যন্ত ...

কে এই দুর্ধর্ষ জঙ্গি আবদুল্লাহ

কে এই দুর্ধর্ষ জঙ্গি আবদুল্লাহ

নরসিংদীর শেখেরচরে ভগীরথপুরে অপারেশন গর্ডিয়ান নট পরিচালনায় নিহত জঙ্গি আবু ...