নোয়াখালীতে যুবলীগ নেতাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশ: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮      

নোয়াখালী প্রতিনিধি

নিহত সোহাগ

দলীয় কোন্দল, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব বিরোধের জেরে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে এক যুবলীগ নেতাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। 

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলার আমানতপুর গ্রামের ফরাজী বাড়ির সামনে এই ঘটনা ঘটে। 

নিহতের নাম মো: সোহাগ (৪০)। তিনি বেগমগঞ্জ উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের আমানতপুর গ্রামের মো: সেলিম ড্রাইভারের ছেলে ও বেগমগঞ্জ ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা। 

স্থানীয়রা জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবলীগ নেতা মাছ কালাম ও সোহাগের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ চলছিল। মাছ কালামের মৎস্য খামার থেকে বুধবার রাতে মাছ চুরি হয়। কালাম এই চুরির জন্য সোহাগকে দায়ী করেন। এ নিয়ে বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টার দিকে মাছ কালামের প্রজেক্ট কর্মচারি রুবেলের সঙ্গে সোহাগের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে মাছ কামালের নেতৃত্বে কর্মচারি রুবেল, ভাই সুজন, শুভ ও মামুন ধারালো অস্ত্র দিয়ে সোহাগকে এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করেন। এ সময় প্রাণ বাঁচাতে সোহাগ লাফিয়ে মাছের খামারের পানিতে নেমে যান। কিন্তু সেখানেও ঘাতকরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে সোহাগের মৃত্যু নিশ্চিত হয়ে পালিয়ে যায়।  পরে খবর পেয়ে পুলিশ সোহাগের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। 

বেগমগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মাসুদ পারভেজ ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ খোকন মেম্বার বলেন, মাছ কালাম এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী। দীর্ঘদিন থেকে সোহাগকে হত্যার জন্য চেষ্টা করে আসছে সে। বৃহস্পতিবার প্রকাশ্য দিবালোকে নির্মমভাবে কুপিয়ে সোহাগকে হত্যা করেছে মাছ কালাম ও তার বাহিনীর লোকজন। 

তারা এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত খুনিদের দ্রুত গ্রেফতার করে ফাঁসি দাবি করেন।

নিহতের বাবা সেলিম ড্রাইভার কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, ছেলেকে যারা নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে তাদের ফাঁসি চাই।

বেগমগঞ্জ থানার ওসি ফিরোজ হোসেন মোল্লা বলেন, যুবলীগের দু’পক্ষের অভ্যান্তরীণ কোন্দলের জেরে ও মাছ চুরিকে কেন্দ্র করে সোহাগ নামের যুবলীগের এক নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষ। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টা পর্যন্ত থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে। 

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সৈকত শাহীন বলেন, যুবলীগ নেতার খুনিদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশ ইতোমধ্যে অভিযান শুরু করেছে।

আরও পড়ুন

ক্যান্সারের ঝুঁকি  বাড়ে যেসব কারণে

ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে যেসব কারণে

বিশ্বব্যাপী ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। পুরুষদের মধ্যে ফুসফুস, ...

চুল, ত্বক ও শরীরের যত্নে তেল

চুল, ত্বক ও শরীরের যত্নে তেল

যুগ যুগ ধরে রূপচর্চায় প্রসাধনী হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে ফুল, ...

মিরপুর ও মাদারীপুরে 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত ২

মিরপুর ও মাদারীপুরে 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত ২

রাজধানীর মিরপুরে র‌্যাবের সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' আসাদুল হক (৩০) নামের এক ...

সন্তানদের জন্য দুধ কিনতে গিয়ে লাশ হলেন বাবা

সন্তানদের জন্য দুধ কিনতে গিয়ে লাশ হলেন বাবা

মাগুরায় কাভার্ড ভ্যানের চাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। সোমবার ...

জাতীয় ঐক্যের ভবিষ্যৎ কী

জাতীয় ঐক্যের ভবিষ্যৎ কী

বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক জোট-মহাজোট থাকার পর আবারও নতুন করে 'জাতীয় ...

তবুও জামায়াত ছাড়বে না বিএনপি

তবুও জামায়াত ছাড়বে না বিএনপি

জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার নেতাদের দাবিতে জামায়াতকে ত্যাগ করবে না বিএনপি। ...

সাত বিভাগীয় শহরে হবে সাইবার ট্রাইব্যুনাল

সাত বিভাগীয় শহরে হবে সাইবার ট্রাইব্যুনাল

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের অধীনে সংঘটিত অপরাধের বিচার দ্রুত ...

১৯৩ দেশই ভ্রমণ করবেন নাজমুন

১৯৩ দেশই ভ্রমণ করবেন নাজমুন

লাল-সবুজের পতাকা হাতে পৃথিবীর পথে এখনও হেঁটে চলেছেন নারী পরিব্রাজক ...