একাত্তর থেকে দুই হাজার বাইশ। একান্নটা বছর কেটে গেল পঁচিশে মার্চের সেই কালরাত্রিতে বিভীষিকাময় গণহত্যার সূচনা, ছাব্বিশে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা, তারপর হানাদার বাহিনীর হাত থেকে দেশমাতৃকাকে মুক্ত করার প্রাণপণ যুদ্ধের সময় থেকে। এখনও ভুলতে পারি না প্রতিদিন শুধু নিষ্ঠুর মৃত্যু সংবাদ পাওয়া- একা, পরিবার-পরিজনসহ। মা-বাবা, স্বামী-স্ত্রী, সন্তান-সন্ততি কেউ কাউকে বাঁচাতে পারে না। একে অপরের সামনে ঝাঁজরা হয়ে যাচ্ছে বুলেটের আঘাতে, বেয়নেটের খোঁচায়, হচ্ছে ধর্ষণের শিকার। জ্বলছে ফসলের ক্ষেত, বাড়িঘর, দোকানপাট। রাস্তায়, নদীর ধারে লাশের ওপর লাশ। গুম হয়ে যাচ্ছে মানুষ। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে হত্যা, নির্যাতন আর ধর্ষণের তাণ্ডবে একটা জাতিকে সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করে দেওয়ার কী ভয়াবহ দক্ষযজ্ঞ। বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর আক্রমণ, জগন্নাথ হলের গণকবর, ইকবাল হলের দাউ দাউ আগুন, মানুষের পর মানুষের সীমান্তমুখী মিছিল শুধু প্রাণটুকু বাঁচানোর জন্য- সে দৃশ্যও এখনও সরাতে পারি না চোখের সামনে থেকে। এর সঙ্গে রাজাকার, আলবদর-আলশামসের নৃশংস হত্যাকাণ্ডে কত আত্মীয়-স্বজন বন্ধুহারা হয়ে, কত নারীর ওপর নির্যাতনের বিনিময়ে নয়টা মাস পার করে শোকে- বেদনায় আর আনন্দ গৌরবে বিজয় অর্জন করা। স্বাধীনতার অর্ধশতক পেরিয়ে একান্ন বছর পূর্ণ করা। এক জীবনে এ তো কম বড় অভিজ্ঞতা নয়। ভাবতে ভাবতে কত কথাই না মনে আসে ঘুরেফিরে।

এ কথা তো সত্য, আমাদের সবচেয়ে বড় এবং মূল্যবান প্রাপ্তি আমাদের নিজেদের এই স্বাধীন দেশটি। মনে পড়ে উনিশশ তিরানব্বই সালে দক্ষিণ আফ্রিকা ভ্রমণে গিয়ে নেলসন ম্যান্ডেলার নৈশভোজে আমন্ত্রিত হওয়ার স্মৃতি। তার সঙ্গে করমর্দন করে বাংলাদেশ থেকে এসেছি সেই পরিচয় দিতেই তিনি বলেছিলেনচ্ আপনি সেই দেশ থেকে এসেছেন, যে দেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছে! ম্যান্ডেলার চোখ ছলছল করে উঠেছিল, আমার অশ্রু বাঁধ মানে নাই। আজকে কেমন আছে সেই মানুষেরা?

বিশ্বের দরবারে নানা সূচকেই তো অগ্রসরতার স্বাক্ষর রেখে চলেছি আমরা। আশপাশের অনেক শক্তিধর দেশও অনেক ক্ষেত্রে আমাদের চেয়ে পিছিয়ে আছে। তাদের অনেকের কাছেই উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ অনুকরণযোগ্য হয়ে উঠেছে। রাস্তা-ঘাট, সেতু আর আকাশছোঁয়া ইমারতের দৃশ্যমানতা বদলে দিয়েছে দেশের অবয়ব। কৃষি বিপ্লব, বহুমুখী শিল্পোদ্যোগ, বিদ্যুতায়ন, ডিজিটালাইজেশন আর ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের কাতারে স্থান করে নেওয়ার অপেক্ষার দিনও শেষ হয়ে এলো বলে। কভিড অতিমারির বিপর্যয়ের মধ্যেও প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার সক্ষমতা দেখাতে পেরেছে দেশটি। তারপরও প্রশ্ন ওঠে, এত যে উন্নয়নের আড়ম্বর ঘটে চলেছে, তার সুফল কি আমরা পৌঁছে দিতে পারছি সবার কাছে? অতি দ্রুত ধনী হওয়ার দৌড়ে শীর্ষে থাকা বাংলাদেশের সব মানুষ কি স্বাদ পেল সার্বিক স্বাধীনতার, স্বনির্ভরতার, নিরাপত্তার আর মর্যাদাপূর্ণ জীবনের? স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের 'সাম্য, সামাজিক ন্যায়বিচার আর মানবমর্যাদা' সমুন্নত রাখার প্রত্যয় কতজনের জীবনে সত্য হলো? সকল প্রকার বৈষম্য, বঞ্চনা, অধিকারহীনতা আর অমর্যাদা থেকে মুক্তির আকাঙ্ক্ষায় যুদ্ধ করে যে দেশটির স্বাধীনতা অর্জিত হলো সেই দেশটি কি জাতি, ধর্ম, সম্প্রদায়, নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠী, নারী-পুরুষ বা যে কোনো পরিচয় নির্বিশেষে সব মানুষের হলো? এই নিরিখে কথা বলতে গেলে বিরাট প্রেক্ষাপটে ফেলে বিষয়গুলোকে দেখতে হবে। এবারের মতো নয়তো দেখি এই একান্ন বছরে স্বপ্নের বাংলাদেশে আমরা নারীরা কোথায় দাঁড়িয়ে আছি।


এত যে রাস্তাঘাট, সেতু, মেট্রোরেল- এমনকি দৃষ্টিনন্দন আকাশছোঁয়া বাড়িঘর, সেখানে নারীরা কেমন আছেন? ছায়া সুনিবিড় পল্লির নীড়ে? নারীর হাতের কাজে যে শিল্পের এত উল্লম্ম্ফন- সেই কর্মক্ষেত্রে? শিক্ষায়তন, অফিস-আদালত কোর্ট-কাচারিতে? যে বাংলাদেশের রাজনীতি আজ নারীর হাত ধরে এগিয়ে চলেছে, সেই রাজনীতিতেও নারী একেবারে তার নিজস্ব পরিচয়ে কতটা স্থিত ও নিশ্চিত?

মানবাধিকারের হিসাব-নিকাশে যে তথ্য উঠে আসে, তাতে নারীর অবস্থান অধিকাংশ ক্ষেত্রে মোটেই উজ্জ্বল বলা চলে না বরং কিছু কিছু ক্ষেত্রে গভীর উদ্বেগের। হত্যা, ধর্ষণ, অপবাহন, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, যৌন হয়রানি, কুৎসিত গালাগাল যেন নারী মাত্রেরই অবশ্য পাওনা। নারী নির্যাতনের অপ্রতিরোধ্য ক্রমবর্ধমান হার এবং প্রকট মাত্রা দুর্ভাগ্যজনকভাবে এই বক্তব্যের পক্ষে সাক্ষ্য দিচ্ছে। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের পঞ্চাশ বছর পূর্তি, বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী- দেশের এই মাহেন্দ্রক্ষণেও, আজও সব ছাড়িয়ে ঘরে এবং বাইরে নিজেদের নূ্যনতম নিরাপত্তার দাবি নিয়ে ভাবতে হচ্ছে নারী সমাজকে। অধিকার বঞ্চনা আর অমর্যাদার প্রশ্ন তো রয়েছেই।

নারীর নিরাপত্তার কথা দিয়েই যদি শুরু করি। কভিডের প্রকোপ কমে যাওয়ার পর আমাদের সব মেয়েরা বিদ্যালয়ে ফিরতে পারল না কেন? কেন শত শত মেয়েশিশুকে বাল্যবিয়ে আর অকাল মাতৃত্বের দিকে ঠেলে দেওয়া হলো? শুধু কভিডকালে নয়, যে কোনো অবস্থাতেই এই বেআইনি, অমানবিক কাজের সঙ্গে মূলত কিন্তু যুক্ত থাকেন মেয়েদের বাবা-মা বা অন্য কোনো অভিভাবক। ছলে বলে কৌশলে মেয়েটিকে কোনোক্রমে হস্তান্তর করে দিতে পারলে যেন তারা বেঁচে যান। কেন এহেন আচরণ সেই প্রশ্নের সাধারণ উত্তরে উচ্চারিত হয় কন্যাশিশুর নিরাপত্তার অভাব। এই কন্যারা কেউ নারীর প্রথাগত ভূমিকার বাইরে যায়নি, তাদের বয়সই হয়নি বহির্জগতের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক গড়ার। সামাজিক ধারণার কোনো মাপকাঠিতেই তারা 'নিজেদের জন্য কোন বিপদ ডেকে আনার' মতো কোনো অবস্থা তৈরি করেনি। তারপরও একেবারে পরিবারের বৃত্তের মাঝে থাকা এই কন্যাশিশুদের নিরাপত্তাটুকু পর্যন্ত আমরা বিধান করতে পারিনি বা করতে চাইনি। তাই যে মা-বাবা পরম মমতায় তাদের কন্যাসন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখান, আদরে-যত্নে বড় করে তোলেন তারাও যেনতেন প্রকারে তাদের সন্তানের নিরাপত্তার দায় অন্যের ওপর চাপিয়ে দিয়ে নিশ্চিত হতে চান। মেয়েটির আশা-আকাঙ্ক্ষা, শৈশব, বেড়ে ওঠা, গড়ে ওঠার সুযোগ সবকিছু কেড়ে নেওয়া হয় ওই নিরাপত্তা বোধের অভাবে এবং তা সত্য ধনীদরিদ্র, গ্রামশহর সবকিছু ব্যতিরেকেই। একজন কন্যাসন্তানের জন্য এর চেয়ে দুর্ভাগ্যের আর কী হতে পারে? আমাদের সংবিধান নারীকে জনজীবনে সমান অধিকার দিয়েছে। কিন্তু তার ব্যক্তিজীবন আজও, স্বাধীনতার একান্ন বছর পরেও পুরুষনির্ভর, পুরুষনিয়ন্ত্রিত। অঙ্গীকার অনুযায়ী সংবিধান বলবৎ হওয়া মাত্র সবরকম বৈষম্যমূলক আইন বাতিল বলে গণ্য করার নির্দেশনা থাকলেও আজ পর্যন্ত আমরা নারীর প্রতি চরম বৈষম্যমূলক পারিবারিক আইনের দায় বহন করে চলেছি। নারীর ব্যক্তি বা নাগরিকসত্তার কোনো স্বীকৃতি এখনও আমরা প্রতিষ্ঠিত করতে পারিনি। নারীর ক্ষমতায়নের সঙ্গে সমতায়নের বিষয়টিকে একই গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হয়নি। নারীর আত্মনিয়ন্ত্রণের বা একজন স্বনির্ভর নাগরিক হিসেবে জীবন গড়ার এবং যাপন করার অধিকারের গ্রহণযোগ্যতার সংস্কৃতি তৈরিতে আমরা মনোযোগ দিইনি। সেই বায়ান্ন থেকে শুরু করে একাত্তরের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের সব পর্যায়ে নারীর সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং স্বাধীনতার ঘোষণা ও সংবিধানে সমতার অঙ্গীকার থাকা সত্ত্বেও রাষ্ট্রপরিচালক ও নীতিনির্ধারকদের পুরুষতান্ত্রিক চিন্তাভাবনার ঊর্ধ্বে উঠতে না পারা, সহিংস ধর্ম ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর সঙ্গে আপসের পন্থা বেছে নেওয়া ইত্যাদি কারণে নারীর সমঅধিকারের প্রশ্নে রাষ্ট্র অনবরত পিছু হটেছে। ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের সরকারও দুঃখজনকভাবে একই আচরণ করেছে। নারী সমাজের দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও দাবীর পরিপ্রেক্ষিতে পারিবারিক আইন সংশোধনের উদ্যোগ নিয়ে তারা তা সম্পন্ন করেনি, যার ফলে শুধু একই ধর্মের নারী-পুরুষের অধিকারে যে বৈষম্য রয়েছে তা নয়, ধর্মবিশেষে নারীদের অধিকারেও তারতম্য বিরাজমান। এরা নিজেদের ঘোষিত নারীনীতির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করেনি, বরং বাল্যবিয়ে নিরোধ আইনে অযাচিত নেতিবাচক ধারা সংযোজন করে আরও পশ্চাদপদ চরিত্র আরোপ করেছে। প্রায় দশ বছর আগে নারীর প্রতি যৌন হয়রানি রোধে আদালতের যে নির্দেশনা পাওয়া গিয়েছিল, আজ পর্যন্ত সেই আলোকে কোনো আইন তৈরি করা হয়নি। শুধু কি তাই? পারিবারিক আইনের বাইরে কোনো কোনো দেওয়ানি আইনেও নারীর প্রতি যে বৈষম্য দেখানো হয়েছে তা বিস্ময়কর। শুধু কন্যাসন্তান রেখে মা-বাবা মারা গেলে সেই কন্যাসন্তানেরা তাদের মা-বাবার মৃত্যুসনদ পর্যন্ত উত্তোলন করতে পারবেন না যতক্ষণ না সমস্ত উত্তরাধিকারীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা যায়। অথচ পুত্রসন্তানের বেলায় এই নিয়ম প্রযোজ্য নয়। এমন অসংখ্য নারীর প্রতি বৈষম্যমূলক আইন-কানুন-প্রথার প্রকোপে সামগ্রিক উন্নয়নের সুফল থেকে নারী বঞ্চিতই থেকে যাচ্ছে। শ্রেণি, ধর্ম, সম্প্রদায়, নৃতাত্ত্বিক পরিচয় বিশেষে তা অধিকাংশ ক্ষেত্রে আরও প্রকট রূপ ধারণ করে। এসব কারণে নারী সমাজে, রাষ্ট্রে উচ্চতম দায়িত্বশীল অবস্থানে আসীন হলেও ব্যাক্তিজীবনে সমঅধিকারের দাবিদার হতে পারে না। এবং সমঅধিকারের সঙ্গে যেহেতু সমমর্যাদার প্রশ্ন জড়িত, সেখানেও নারী ঘাটতির মুখে পড়তে বাধ্য হয়। আইনে নারীর প্রতি সরাসরি বৈষম্য থাকাতে এবং একই সঙ্গে নারীর সমঅধিকারের অস্বীকৃতির মানসিকতার প্রতি রাষ্ট্রপরিচালকদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সমর্থনের কারণে পরিবার, সমাজ, প্রশাসন এবং প্রতিটি পেশার ক্ষেত্রে নারীকে পদে পদে হয়রানি ও অবমাননার শিকার হতে হয়। জনজীবনে যে অবস্থানেই পৌঁছে যাক না কেন, একটি নির্যাতনমুক্ত জীবনের নিশ্চয়তা অধিকাংশ নারীর জন্য যেন প্রায় অবাস্তব চিন্তা। যারা বিভিন্ন পর্যায়ে নারীর অধিকারের সুরক্ষা এবং নির্যাতনের প্রতিকার দেওয়ার দায়িত্বে নিযুক্ত হন, একেবারে প্রাথমিক স্তর থেকে শীর্ষ পর্যন্ত, তাদেরও অনেকে এই দায়িত্ব আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করতে যে দায়বদ্ধ বোধ করেন না, এমন দৃষ্টান্ত বিরল নয়। দেখে ব্যথিত হতে হয় যে অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনকভাবে নারী অধিকার সংক্রান্ত বিষয়গুলোকেই মূলত রাজনীতিতে ক্ষমতার গুটি হিসাবে দাঁড় করানো হয়েছে। প্রগতিবিরোধী অগণতান্ত্রিক ধর্মব্যবসায়ী গোষ্ঠী, যারা ঐতিহাসিকভাবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই নারীবিদ্বেষ এবং নারী অধিকার বিরোধিতাকে তাদের রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ারে পরিণত করেছে। অন্যদিকে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের দাবিদার রাজনীতিকদের নারী অধিকার প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে দ্বিধাদ্বন্দ্ব এবং আপসকামিতার কারণে ওই গোষ্ঠী অনবরত রাজনৈতিক ফায়দা লুটে চলেছে। নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্র যদি দৃঢ়তার সঙ্গে যথাযথ পদক্ষেপ নিত তাহলে আজ স্বাধীনতার একান্ন বছরে নারীদের নির্যাতনমুক্ত নিরাপদ জীবন- যা মানুষের অন্যতম মৌলিক অধিকার, তা আদায়ের দাবিতে রাজপথে নামতে হতেি না। স্বাধীনতা দিবসের উদযাপন নিষ্প্রাণ অর্থহীন আচারসর্বস্ব আনুষ্ঠানিকতায় পর্যবসিত না করে আমরা যেন সত্যিকার অর্থে আমাদের স্বপ্নের বাংলাদেশকে সব অধিকারবঞ্চিত মানুষের জন্য বাসযোগ্য করে যেতে পারি, আজকের দিনে এই হোক আমাদের প্রত্যয়।

সবাইকে জানাই স্বাধীনতা দিবসের আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

লেখক
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও
মানবাধিকার ব্যক্তিত্ব