ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মবর্হিভূত ভাবে পুরনো জিনিস বিক্রির অভিযোগে এস্টেট দপ্তরের পরিচালক উপ-রেজিস্ট্রার টিপু সুলতানকে তার পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। 

মঙ্গলবার এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানান রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) আতাউর রহমান। আর ঘটনার তদন্তে টিপুসহ চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

অফিস আদেশে বলা হয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় স্টোরে রক্ষিত অব্যবহৃত মালামাল কম্পিউটার, পুরাতন কাগজ ইত্যাদি বিক্রির বিষয়ে সম্প্রতি বিভিন্ন পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে এস্টেট অফিসের উপ-রেজিস্ট্রার টিপু সুলতানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। এর জবাব কর্তৃপক্ষের নিকট সন্তোষজনক না হওয়ায় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাকে দাপ্তরিক কাজ থেকে বিরত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। 

এছাড়া টিপু সুলতানসহ সহকারী রেজিস্ট্রার বকুল হোসেন, শাখা কর্মকর্তা উকিল উদ্দিন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা নাজমুল হোসেন সাবুকে কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাবের বক্তব্য, ঘটনার বস্তুনিষ্ঠতা নিরূপণ ও লেকের পাশের গাছ বিক্রির টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ফান্ডে জমা দেওয়ার বিষয়টি অনুসন্ধানের জন্য পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করেছে কর্তৃপক্ষ।

কমিটিতে ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক মামুনুর রহমানকে আহ্বায়ক করে আইন বিভাগের অধ্যাপক রেবা মন্ডল, অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক দেবাশীষ শর্মা, গণিত বিভাগের অধ্যাপক আসাদুজ্জামানকে সদস্য করা হয়েছে। এ ছাড়া রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) আতাউর রহমানকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিকে জরুরিভিত্তিতে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) আতাউর রহমান বলেন, আজ অনেকগুলো ফাইল সাইন করেছি। চিঠিতে যা লেখা আছে তাই। এর বাইরে কিছু বলতে পারছি না।