দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে মৃত্যু ও সংক্রমণ আগের দিনের চেয়ে বেড়েছে। কিন্তু কমেছে নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্ত হার। রোববার এ হার দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৬২ শতাংশে, যা আগের দিন ৬ দশমিক ০৫ শতাংশ ছিল। অবশ্য গত ১৬ সেপ্টেম্বরই শনাক্ত হার পাঁচের ঘরে নামে। তবে এতটা নয়; তখন ছিল ৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, রোববার পরীক্ষার বিপরীতে যে শনাক্ত হার দাঁড়িয়েছে, তা গত সাড়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। অর্থাৎ দেশে করোনার ডেলটা ধরন দেখা দেওয়ার পর শনাক্ত হার আর এত নিচে নামেনি। প্রথমে ভারতের এ ধরনটি ছড়িয়ে পড়ার পর দেশে দ্রুত বাড়ছিল করোনা সংক্রমণ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ২৪ হাজার ৬২৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এরমধ্যে ৫ দশমিক ৬২ শতাংশ অর্থাৎ সংক্রমণ ধরা পড়ে এক হাজার ৩৮৩ জনের মধ্যে। আর এই সময়ে মৃত্যু হয় ৪৩ জনের।

রোববার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নতুন আক্রান্তদের নিয়ে দেশে মোট শনাক্ত কভিড রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৪২ হাজার ৬৮৩ জনে। আর তাদের মধ্যে মোট মৃত্যু হয়েছে ২৭ হাজার ২২৫ জনের।

এর আগে শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আগের ২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ১৯০ জন নতুন রোগী শনাক্ত হওয়ার খবর দিয়েছিল, যা ১৬ সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন। আর শনিবার একদিনে মৃত্যু হয়েছিল ৩৫ জনের। সে হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় কভিডে মৃত্যু ও নতুন রোগীর সংখ্যা- দুটোই বেড়েছে।

এদিকে স্বাস্থ্য ও রোগতত্ত্ব বিশেষজ্ঞরা বলে আসছেন, দেশে যদি করোনা শনাক্ত হার পাঁচ শতাংশে নেমে আসে এবং পর পর চার সপ্তাহ তা অব্যাহত থাকে, তাহলে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে বিবেচিত হবে।

গতবছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।