ভারতের রাজস্থানের যোধপুরে ঈদের দিন এবং এর আগের দিন দুই সম্প্রদায়ের সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৯৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলোতের নিজ শহর যোধপুরের কয়েকটি এলাকায় মঙ্গলবার জারি করা কারফিউ বুধবারও বলবৎ আছে। কারফিউর আওতায় উদয় মন্দির ও নাগোরি গেট এলাকাও রয়েছে। এ ছাড়া গুজব ছড়ানো ঠেকাতে এলাকাটিতে ইন্টারনেটও বন্ধ রাখা হয়েছে। খবর এনডিটিভির। 

এর আগে সোমবার রাতে যোধপুরের জালোরি গেট এলাকায় ঈদ মোবারক খচিত পতাকা টাঙানো নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়। দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে এবং লাঠিপেটা করে দুই পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। 

এনডিটিভির খবরে বলা হয়, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের তিন দিনব্যাপী পরশুরাম জয়ন্তী উৎসব এবং মুসলিমদের ঈদ উপলক্ষে দুই পক্ষই পতাকা টাঙাতে চায়। এ নিয়ে তর্কে জড়ায় দুই পক্ষ। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।

এদিকে এই সংঘর্ষের ঘটনায় বিজেপির ভূমিকা রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী গেহলোত। মঙ্গলবার এনডিটিভিকে তিনি বলেন, এটি বিজেপির অ্যাজেন্ডা, কারণ তারা লাগামহীন মূল্যস্ফীতি ও বেকারত্ব নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। তাই মনোযোগ অন্যদিকে সরাতে তারা ইচ্ছাকৃতভাবেই এসব করছে।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ভারতের দিল্লি, গুজরাট এবং মধ্যপ্রদেশসহ বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার খবর পাওয়া যাচ্ছিল। যোধপুরের ঘটনাটি সেই সহিংসতার সর্বশেষ ঘটনা।