গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর বিষয়ে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

বিদ্যুতে দাম বাড়ানো বিষয়ে এখনই সিদ্ধান্ত আসছে না জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিইআরসি বিষয়টি পর্যালোচনা করছে।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর তেজগাঁওসহ ডিপিডিসি’র আওতাভুক্ত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন শেষে বিদুৎ প্রতিমন্ত্রী এসব কথা জানান। এ সময় ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী বিকাশ দেওয়ান উপস্থিত ছিলেন।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজধানীর বেশিরভাগ বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা ভূর্গভস্থ করা হবে। আগামী ২-৩ বছরের মধ্যে ধানমন্ডি এলাকার বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভূর্গভস্থ করা হবে। আগামী ৫-৬ বছরের মধ্যেই রাজধানী ঢাকার বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার বড় অংশ আন্ডারগ্রাউন্ডে যাবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি সরবরাহ বাড়াতে এরই মধ্যে ব্রুনাই, কাতার এবং সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে। আগামী বছর যেন লোডশেডিং না হয় সরকার সেই চেষ্টা করছে।

আগামীতে লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে থাকবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার যে প্রভাব সেটা অস্বীকার করার উপায় নেই। এই পরিস্থিতিতে থেকেও আমরা জনসাধারনের ভোগান্তি কমাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।

নসরুল হামিদ বলেন, ২০২৪ সালের মধ্যে ডিপিডিসি এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত হবে। এ প্রকল্পে ৫২টি আধুনিক সাবস্টেশন নির্মাণ করা হবে। স্ক্যাডা (কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ সিস্টেম) সেন্টার তৈরি করা হবে। মাটির নিচ দিয়ে সরবরাহ লাইন নেওয়া হবে।