ঢাকা শনিবার, ২৫ মে ২০২৪

পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি চায় বিএফআইইউ

পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি চায় বিএফআইইউ

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২২ | ১১:০৬ | আপডেট: ২৫ অক্টোবর ২০২২ | ১১:০৬

পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধার করতে প্রয়োজনীয় তথ্য, সাক্ষ্যপ্রমাণ ও অন্যান্য সহায়তার জন্য ১০টি দেশের সঙ্গে চুক্তি চায় বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগকে এ চুক্তি সইয়ের যৌক্তিকতা অবহিত করেছে তারা। মঙ্গলবার ইউনিটের প্রধান মো. মাসুদ বিশ্বাস হলফনামার মাধ্যমে একটি অগ্রগতি প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিল করেন।

এই দেশগুলো হচ্ছে- যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সুইজারল্যান্ড, থাইল্যান্ড, হংকং-চায়না। এই দেশগুলোর সঙ্গে মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্টেন্স বা এমএলএ চুক্তির কথা বলা হয় হলফনামায়। আর্থিক গোয়েন্দা প্রতিষ্ঠানটি এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য হাইকোর্টকে জানিয়েছে। বুধবার এ হলফনামা সংশ্নিষ্ট হাইকোর্ট বেঞ্চে উপস্থাপন করা হবে সমকালকে জানিয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক।

ধারণা পাওয়া যাচ্ছে, বাংলাদেশ থেকে ওই দেশগুলোতে অর্থ পাচার হতে পারে। পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা সম্পর্কিত মামলার তথ্য-প্রমাণ বিদেশি রাষ্ট্র থেকে যথাসময়ে না পাওয়ার প্রেক্ষাপটে এই অনুরোধ এসেছিল বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

গত ১০ আগস্ট জাতীয় প্রেস ক্লাবে ডিক্যাবের এক অনুষ্ঠানে ঢাকায় সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত নাথালি শুয়ার্ড বলেন, সুইস ব্যাংকে জমা রাখা অর্থের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির জন্য তথ্য চায়নি। গত বছর সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকে বাংলাদেশ থেকে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা জমা হয়েছে। তবে উভয় দেশের সম্মতিতে ব্যাংকিং তথ্য লেনদেন হতে পারে।

এরপর ১১ আগস্ট বিষয়টি নজরে নিয়ে সুইস ব্যাংকে অর্থ জমাকারীদের তথ্য কেন জানতে চাওয়া হয়নি, তা রাষ্ট্রপক্ষ ও দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) হাইকোর্ট স্বপ্রণোদিত হয়ে জানাতে বলেন। এরপর আদালতে দুদক এবং বিএফআইউর পক্ষে রাষ্ট্রপক্ষ হলফনামা আকারে তথ্য দাখিল করে।

আরও পড়ুন

×