নেপালের কাঠমান্ডুতে বিধ্বস্ত উড়োজাহাটিতে ছিলেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ইমরানা কবীর হাসি ও তার স্বামী রাকিবুল হাসান।

তিন বছর শিক্ষকতা করার পর শ্রান্তি বিনোদন ছুটিতে তিনি যাচ্ছিলেন নেপাল ভ্রমণে। তিনি ও তার সঙ্গে থাকা স্বামী বেঁচে আছেন না মারা গেছেন তা নিশ্চিত হতে পারেননি তার উৎকন্ঠিত সহকর্মীরা।

রুয়েটের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক কামরুজ্জামান সরকার জানান, হাসি ছিলেন কম্পিউটার সাইন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। তার বাড়ি টাঙ্গাইলে। আর স্বামীর বাড়ি ঢাকায়। তার স্বামী ঢাকার একটি সফটওয়্যার কোম্পানিতে সিনিয়র প্রকৌশলী পদে কর্মরত ছিলেন।

তিনি জানান, গত বুধবার হাসি রুয়েটে শেষ অফিস করেন। এরপর তিনি ১৫ দিনের শ্রান্তি ছুটিতে ঢাকায় স্বামীর বাড়িতে যান। সেখানে দুদিন থাকার পর সোমবার তিনি স্বামীর সঙ্গে ইউএস-বাংলার বিমানে করে নেপালে রওনা হন। এর আগে বিমান বন্দরে বেশকিছু ছবি তিনি তার ফেসবুকে আপলোড করেছিলেন। নেপাল বিমান বন্দরে পৌঁছার পর তাদের বিমানটি দুর্ঘটনা কবলিত হয়।

অধ্যাপক কামরুজ্জামান সরকার বলেন, হাসি বেঁচে আছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নই। কোন সময় খবর পাচ্ছি সে আইসিইউতে আছে। আবার কখনো খবর পাচ্ছি সে স্বামীসহ মারা গেছে। আমরা তার জন্য চিন্তিত।

প্রসঙ্গত, সোমবার দুপুর ১২টা ৫১ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৬৭ জন যাত্রী ও চারজন ক্রু নিয়ে একটি উড়োজাহাজ ছেড়ে যায়।

নেপালের স্থানীয় সময় বেলা ২টা ২০ মিনিটে কাঠমান্ডুতে নামার সময় পাইলট নিয়ন্ত্রণ হারালে উড়োজাজটি রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে এবং তাতে আগুন ধরে যায়। এতে অন্তত ৫০জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে।