খালেদা জিয়ার মামলার শুনানি হবে কারাগারে

প্রকাশ: ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮      

 সমকাল প্রতিবেদক

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া -ফাইল ছবি

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বিশেষ আদালত বকশীবাজারের আলিয়া মাদ্রাসার পরিবর্তে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া যেখানে বন্দি, সেই পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে বসতে যাচ্ছে। বুধবার রাজধানীর নাজিম উদ্দিন রোডের পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে এই মামলার শুনানি হবে।

মঙ্গলবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার শুনানির জন্য ৫ সেপ্টেম্বর নির্ধারিত দিন। সে অনুযায়ী বুধবার কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতরে এ মামলার শুনানি  হবে। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার শুনানির তারিখে খালেদা জিয়া আদালতে হাজির হননি। গত ৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপি চেয়ারপারসনকে ঢাকার পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়ার পর থেকে তিনি অন্য কোনো মামলায় আর হাজিরা দেননি অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে। বিচার বিলম্বিত হচ্ছে। এ কারণে কারাগারের ভেতরেই আদালত বসবেন।

তিনি জানান, তাদের (দুদকের) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আইন মন্ত্রণালয় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যে কোনো সময় এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হবে।

তবে একে ‘আইন পরিপন্থী’ বলেছেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া। তিনি বলেন, কারাগারের ভেতর আদালত করা আইনের পরিপন্থী, এটা হতে পারে না।

বুধবার জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার শুনানির তারিখ ধার্য রয়েছে। মামলাটি যুক্তিতর্ক পর্যায়ে শুনানির জন্য রয়েছে।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় এ মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলায় মোট আসামি চারজন। খালেদা জিয়া ছাড়া অভিযুক্ত অপর তিন আসামি হলেন—খালেদা জিয়ার তৎকালীন রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান। এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে সাক্ষ্য দিয়েছেন মোট ৩২ জন।

২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক হারুন-অর-রশীদ সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি দুদকের দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক ড. আখতারুজ্জামান। এ মামলায় খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমানসহ অন্য আসামিদের ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া অর্থদণ্ডও করা হয়। রায়ের পর থেকে খালেদা জিয়া পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের কারাগারে রয়েছেন।

আরও পড়ুন

এমসি কলেজ ছাত্র সংসদ ভবনই বেদখলে

এমসি কলেজ ছাত্র সংসদ ভবনই বেদখলে

প্রায় তিন দশক পর দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু ...

ইটভাটায় আইন লঙ্ঘনের জরিমানা বাড়ছে

ইটভাটায় আইন লঙ্ঘনের জরিমানা বাড়ছে

পরিবেশ বিপর্যয় ঠেকাতে ইটভাটা নির্মাণ ও ইট প্রস্তুতের ক্ষেত্রে আইন ...

শাঁখারি কার্ত্তিকের 'বাড়ি' বাঁচানোই দায়

শাঁখারি কার্ত্তিকের 'বাড়ি' বাঁচানোই দায়

শাঁখারি কার্ত্তিক চন্দ্র সেন। বাড়ি ডেফলচড়া শাঁখারিপাড়া। পাবনার চাটমোহর উপজেলার ...

মন্ত্রিসভায় উঠছে যুদ্ধাপরাধীদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত আইন

মন্ত্রিসভায় উঠছে যুদ্ধাপরাধীদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত আইন

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধীদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে নতুন আইন করছে সরকার। ...

নতুন নৌবাহিনী প্রধান আওরঙ্গজেব চৌধুরী

নতুন নৌবাহিনী প্রধান আওরঙ্গজেব চৌধুরী

নৌবাহিনীর প্রধান হিসেবে নিয়োগ পেলেন এ এম এম এম আওরঙ্গজেব ...

অন্যকে ফাঁসাতে গর্ভের সন্তানকে হত্যা!

অন্যকে ফাঁসাতে গর্ভের সন্তানকে হত্যা!

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় ১ মাসের শিশু সন্তানকে পানিতে ফেলে হত্যার অভিযোগে ...

মাদ্রাসা শিক্ষকের একী কাণ্ড!

মাদ্রাসা শিক্ষকের একী কাণ্ড!

সিলেবাস দেওয়ার কথা বলে বাসায় ডেকে নিয়ে অষ্টম শ্রেণি পড়ূয়া ...

ভুয়া ভোটে নির্বাচিতরা ভুয়া প্রতিনিধি: সেলিম

ভুয়া ভোটে নির্বাচিতরা ভুয়া প্রতিনিধি: সেলিম

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম একাদশ জাতীয় ...