দুদকের নামে বেপরোয়া চাঁদাবাজি

নেপথ্যে সংঘবদ্ধ চক্র

প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮     আপডেট: ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮       প্রিন্ট সংস্করণ     

সমকাল প্রতিবেদক

সংঘবদ্ধ একাধিক অসাধু চক্র দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নামে বেপরোয়া চাঁদাবাজি করছে। চক্রের সদস্যরা নিজেদের দুদক কর্মকর্তা হিসেবে উপস্থাপন করে বর্তমান ও অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, ব্যবসায়ী, ঠিকাদার, ব্যাংক-বীমা ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিসহ বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিতদের কাছ থেকে অবৈধ আর্থিক সুবিধা নিচ্ছে। কমিশনের নিজস্ব  গোয়েন্দা ইউনিটের তৎপরতায় বেরিয়ে এসেছে এ ধরনের চাঁদাবাজির ঘটনা।

দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ সমকালকে বলেন, সংঘবদ্ধ চক্রের সিরাজুল হকসহ অন্য সদস্যদের ধরার জন্য দুদক সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে। জনগণের উদ্দেশে তিনি বলেন, টেলিফোনে অভিযোগ অনুসন্ধান ও তদন্ত সংক্রান্ত কোনো কাজ করা হয় না। লিখিত চিঠি বা নোটিশ ছাড়া কেউ তাই সাড়া দেবেন না। তা ছাড়া কোনো ব্যক্তির একক অভিপ্রায় অনুসারে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পাওয়ার অথবা অভিযুক্ত হওয়ার আইনি সুযোগ দুদকে নেই।

দুদক সূত্র জানায়, দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান ও তদন্তের ক্ষেত্রে কাউকে অব্যাহতি দেওয়া বা কারও বিরুদ্ধে মামলা করার ভয় দেখিয়ে ফোন করা হলে তারা যেন তাৎক্ষণিকভাবে দুদকের গোয়েন্দা ইউনিটের প্রধানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। যোগাযোগ :পরিচালক (মনিটরিং), টেলিফোন :৯৩৫২৫৫২, মোবাইল :০১৭১১৬৪৪৬৭৫।

দুদক সূত্র জানায়, সিরাজুল হকসহ সংঘবদ্ধ চক্রের একাধিক সদস্য দুদকের কর্মকর্তা পরিচয়ে টেলিফোনে দুর্নীতির অভিযোগ ও মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার কথা বলে অনৈতিক আর্থিক সুবিধা দাবি করছে। তাদের তৎপরতা বেপরোয়া রূপ নিয়েছে। তারা বিকাশ নম্বর দিয়ে টাকা পাঠাতে বলছে।

অভিযোগ, অভিযুক্ত সিরাজুল ইসলাম ফোনে বিভিন্ন জনের কাছে নিজেকে দুদকের সহকারী পরিচালক (এডি) পরিচয় দিয়ে কল্পিত দুর্নীতির অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার কথা বলে বিকাশে টাকা দাবি করেন। প্রকৃতপক্ষে দুদকে এই নামে কোনো কর্মকর্তা নেই। সিরাজুলের ফোন নম্বর :০১৭৫৬০০৫৮২১ ও ০১৭৮৫৭০৭০২৮। তার বিকাশ নম্বর :০১৭৮৯৫৩৯১৬৪, ০১৭৮৯৫৩৯১৭৫ ও ০১৭৮৯৫৩৯১৬৫।

চক্রের আরেক সদস্য তৌহিদুর রহমান নিজেকে দুদকের উপপরিচালক (ডিডি) পরিচয় দিয়ে থাকে। তবে এই নামে দুদকে কোনো উপপরিচালক নেই। হাজী জহিরুল হুদা নিজেকে ডিডি পরিচয় দিয়ে অনৈতিকভাবে বিভিন্ন জনের কাছে টাকা চেয়ে আসছেন। এ নামেও দুদকে কোনো কর্মকর্তা নেই। এডি পরিচয়ে শফিকুর রহমান চাঁদাবাজির তৎপরতা চালাচ্ছেন। সুশান্ত কুমার দাস এডি পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজির পাঁয়তারা করছেন। সরকারের উচ্চ পর্যায়ের এক কর্মকর্তাকে দুর্নীতির অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার কথা বলে তিনি চাঁদা চেয়েছিলেন। পরে ওই কর্মকর্তা দুদকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে সুশান্তের আসল চেহারা বেরিয়ে আসে

আরও পড়ুন

সর্বত্র নন-লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বিরাজ করছে: মওদুদ

সর্বত্র নন-লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বিরাজ করছে: মওদুদ

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, দেশে নির্বাচনের ...

গম্ভীরের অবসরের কারণ ধোনী?

গম্ভীরের অবসরের কারণ ধোনী?

নাম গম্ভীর হলেও মাঠে তিনি মোটেও গম্ভীর ছিলেন না। গৌতম ...

জামিন পেলেন হুয়াওয়ের সিএফও

জামিন পেলেন হুয়াওয়ের সিএফও

চীনের টেলিকম জায়ান্ট হুয়াওয়ের প্রতিষ্ঠাতা রেন ঝেংফেইয়ের মেয়ে মেন ওয়ানঝো’কে ...

সুখী দাম্পত্যের চাবিকাঠি

সুখী দাম্পত্যের চাবিকাঠি

আপনারা কি এমন দম্পতি যারা নিজেদের মজার কোন ডাক নামে ...

রিকশাচালককে পিটিয়ে আ'লীগ থেকে বহিষ্কার হলেন সেই নারী

রিকশাচালককে পিটিয়ে আ'লীগ থেকে বহিষ্কার হলেন সেই নারী

রিকশাচালককে মারধরের ঘটনায় ঢাকা মহানগর উত্তরের ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী ...

বাশারকে ছাড়ানোর অপেক্ষা মাশরাফির

বাশারকে ছাড়ানোর অপেক্ষা মাশরাফির

বাংলাদেশের সেরা অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা; এ নিয়ে সম্ভবত কোন ...

সেরে উঠছেন টেলি সামাদ, নেয়া হচ্ছে বেডে

সেরে উঠছেন টেলি সামাদ, নেয়া হচ্ছে বেডে

গুরুতর অসুস্থ হয়ে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের ...

শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত কোটালীপাড়া

শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত কোটালীপাড়া

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটের প্রচার শুরু করতে বুধবার গোপালগঞ্জের ...