'টেস্ট কেস' থেকে উন্নয়নের মডেল

প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮     আপডেট: ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮       প্রিন্ট সংস্করণ     

জাকির হোসেন

সাবাস, বাংলা দেশ, এ পৃথিবী/অবাক তাকিয়ে রয় :জ্বলে পুড়ে-মরে ছারখার/তবু মাথা নোয়াবার নয়- সুকান্ত ভট্টাচার্যের 'দুর্মর' কবিতার অংশবিশেষ যেন মাথা না নুইয়ে রুখে দাঁড়ানো আজকের লড়াকু বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি। স্বাধীনতার আগে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বৈষম্যের শিকার এবং পরে যুদ্ধবিধ্বস্ত ভঙ্গুর অর্থনীতির দেশ এখন সারাবিশ্বের কাছে উন্নয়নের উদাহরণ। দারিদ্র্যের হার কমিয়ে আনাসহ সামাজিক বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশ এখন 'মডেল' রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃত। নিজস্ব অর্থে পদ্মা সেতুর মতো বড় প্রকল্প বাস্তবায়নেরও সাহস দেখিয়েছে বাংলাদেশ। ভয়হীন চিত্তে এগিয়ে যাচ্ছে সামনে।

যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, দুর্ভিক্ষ, ঘন ঘন সামরিক ক্যু- এমন হতাশাজনক পরিস্থিতি দেখে ১৯৭৬ সালে অর্থনীতিবিদ জাস্ট ফালান্ড এবং জন রিচার্ড পারকিনসন 'বাংলাদেশ :দ্য টেস্ট কেস ফর ডেভেলপমেন্ট' গ্রন্থে লিখেছিলেন, উন্নয়ন প্রত্যয়টি যদি এ দেশে কাজ করে, অন্য জায়গায়ও করবে। বাংলাদেশ সেই 'টেস্ট কেস' বা পরীক্ষায় শুধু ভালোভাবেই পাস করেনি, বিশ্বব্যাপী  উন্নয়নের আলোচনায় জায়গা করে নিয়েছে। আর সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার বাংলাদেশকে 'বাস্কেট কেস' আখ্যা দিয়েছিলেন এই ভেবে যে, দেশটি তার বৈদেশিক ঋণ ফেরত দিতে পারবে না। তার আশঙ্কাও ভুল প্রমাণ হয়েছে।

মূলত উন্নয়ন অভিযাত্রায় কয়েকটি বড় স্বীকৃতি মিলেছে গত কয়েক বছরে। এ বছর মার্চে জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে বের হয়ে উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। এর আগে ২০১৫ সালের জুলাই মাসে বিশ্বব্যাংক এ দেশকে 'নিম্ন' থেকে 'নিম্ন মধ্যম' আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য বা এমডিজি (২০০০-২০১৫ মেয়াদি বৈশ্বিক উন্নয়ন এজেন্ডা) বাস্তবায়নে সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে জাতিসংঘের অ্যাওয়ার্ড পায় বাংলাদেশ। ২০১৬ সালের অক্টোবর মাসে আন্তর্জাতিক দারিদ্র্য বিমোচন দিবসে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম বাংলাদেশে এসে ঘোষণা দেন, দারিদ্র্য বিমোচনে বাংলাদেশের উদ্ভাবনী দক্ষতা সারাবিশ্বের জন্য শিক্ষণীয়।

নোবেলজয়ী ভারতীয় অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন 'ভারত : উন্নয়ন ও বঞ্চনা' গ্রন্থে লিখেছেন, বাংলাদেশ সামাজিক উন্নয়নের পথে দ্রুত এগিয়ে যাবে, এ কথা তখন কেউ ভাবেনি। দেশ স্বাধীনের পর অনেকেই তখন বলেছিলেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অন্ধকার। কেউ কেউ তাকে 'বাস্কেট কেস' বলে খরচের খাতায় ফেলে দিয়ে বলেছিলেন, এই দেশকে কোনো অর্থনৈতিক সাহায্য দেওয়াই উচিত নয়। কারণ সে জনসংখ্যা বিস্ম্ফোরণের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে খাদ্য উৎপাদন করে উঠতে পারবে না। এই গ্রন্থে তুলনামূলক আলোচনায় অমর্ত্য সেন বলেছেন, জীবনমানের নানা সুপ্রচলিত মাপকাঠিতে বাংলাদেশ কেবল ভারতের চেয়ে অনেক ভালো করছে না, অনেকটা এগিয়েও গেছে। অনেক সামাজিক সূচক, যেমন :গড় আয়ু, শিশুমৃত্যুর হার, টিকা দেওয়ার মাত্রা, সন্তান প্রজননের হার এবং এমনকি স্কুল শিক্ষার কিছু কিছু মাপকাঠিতে বাংলাদেশ ভারতকে ছাড়িয়ে গেছে।

শুধু ভারত নয়, যে রাষ্ট্রের শোষণ ও নিপীড়ন থেকে বেরিয়ে আসতে লাখো প্রাণের বিনিময়ে স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছে, সেই পাকিস্তানের চেয়ে আর্থসামাজিক উন্নয়নের বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এগিয়েছে বাংলাদেশ। বিশ্বে বাংলাদেশ এখন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও দারিদ্র্য বিমোচনের রোল মডেল। আর পাকিস্তানের পরিচিতি দ্বন্দ্ব-সংঘাতময় পিছিয়ে পড়া এক রাষ্ট্র হিসেবে। পঞ্চাশের দশকে পূর্ব পাকিস্তানের গড় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ছিল ১ দশমিক ৯ শতাংশ। একই সময়কালে পশ্চিম পাকিস্তানে প্রবৃদ্ধি ছিল ২ দশমিক ৭ শতাংশ। ষাটের দশকে এ ব্যবধান আরও বেড়ে যায়। এ অঞ্চলের ৪ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধির তুলনায় পশ্চিম পাকিস্তানে ৬ দশমিক ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়। স্বাধীন বাংলাদেশ সেই অবস্থার পরিবর্তন করেছে অনেক আগেই। এক দশক ধরে গড়ে ৬ শতাংশের বেশি থাকার পর গত তিনটি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশ ছাড়িয়েছে। চলতি অর্থবছরে তা ৮ শতাংশ ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। অথচ পাকিস্তান এখনও ৬ শতাংশের নিচে আছে।

পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি অর্থনৈতিক বৈষম্যের নানা তথ্য রয়েছে প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহানের 'বাংলাদেশের অভ্যুদয় :একজন প্রত্যক্ষদর্শীর ভাষ্য' গ্রন্থে। এ গ্রন্থে তিনি লিখেছেন, ১৯৪৭-৭১ কালপর্বে বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের মূলে ছিল আপেক্ষিক অর্থনৈতিক বঞ্চনার অনুভূতি। ১৯৫০-৫৫ সালে সরকারি উন্নয়ন ব্যয়ের ৭০ কোটি টাকা জোটে পূর্ব পাকিস্তানের ভাগ্যে। পশ্চিম পাকিস্তান পায় ২০০ কোটি টাকা। ১৯৫৯ থেকে '৭০ সাল পর্যন্ত সরকারি রাজস্ব থেকে ব্যয়ের মাত্র ২৩ শতাংশ পায় পূর্ব পাকিস্তান। পশ্চিম পাকিস্তানের রাস্তাঘাট, বিদ্যুৎসহ অবকাঠামোর উন্নয়নে ব্যাপক বিনিয়োগ করা হয়। অবহেলিত থেকে যায় এ অঞ্চল।

অগ্রগতির নেপথ্যে : 'টেস্ট কেস' থেকে উন্নয়নের বাংলাদেশ হয়ে ওঠার কারণ জানতে চাইলে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন সমকালকে বলেন, ভঙ্গুর অবকাঠামো ও চরমতম প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতার একটি দেশকে এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ যেসব অগ্রাধিকার নির্ধারণ করেছিল, তা কাজে লেগেছে। বাংলাদেশ উন্নয়নের পথে অনেক দূর এগিয়েছে, যা এক সময় অভাবনীয় ছিল। প্রথম অগ্রাধিকার ছিল কৃষির উৎপাদনশীলতা বাড়ানো। বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করে কৃষি ব্যবস্থাপনায় সংস্কার ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো সম্ভব হয়। দ্বিতীয় অগ্রাধিকার ছিল জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ। তথ্য সরবরাহ, সচেতনতা বাড়ানো ও প্রণোদনা দেওয়ার মাধ্যমে দেশব্যাপী ব্যাপক কার্যক্রম হাতে নিয়ে জনসংখ্যার প্রবৃদ্ধি সফলভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে বাংলাদেশ। এ ছাড়া আশির দশকে তৈরি পোশাক খাতে উদ্যোক্তা শ্রেণির আবির্ভাব ঘটে এবং সরকারের দেওয়া নীতি ও আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে এ খাত দেশকে শিল্প উৎপাদনমুখী অর্থনীতির দিকে নিতে বড় ভূমিকা পালন করে। পোশাকের পাশাপাশি আরও কিছু খাতে অগ্রগতি হয়। কৃষির বাণিজ্যিকীকরণ ও শিল্পের প্রসারের কারণে সেবা খাতের প্রসার ঘটে। আর নব্বইয়ের দশকে এসে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে নেওয়া নানা কর্মসূচি বাংলাদেশকে সামাজিক অগ্রগতিতে অনেকটা এগিয়ে নেয়। বিদ্যুৎ উৎপাদনে অগ্রগতি বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ বলে মনে করেন জাহিদ হোসেন। সরকারের তথ্য অনুযায়ী, স্বাধীনতার পর ২০০৯ সাল পর্যন্ত চার দশকে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা বেড়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার মেগাওয়াট। গত ১০ বছরে তা ২০ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে।

সামাজিক সূচক :  অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ মানব উন্নয়নের অনেক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দ্রুত এগিয়েছে। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের গড় আয়ু ছিল ৪৭ বছর। পাকিস্তানের ছিল ৫৩ বছর। আর ভারতের ছিল ৪৮ বছর। বাংলাদেশ এখন তাদের পেছনে ফেলেছে। বাংলাদেশের গড় আয়ু এখন ৭২ বছর। ভারত ও পাকিস্তানের গড় আয়ু যথাক্রমে ৬৯ ও ৬৬ বছর। পাঁচ বছরের কম শিশু মৃত্যুারেও এক সময় বাংলাদেশ পিছিয়ে ছিল। ২০১৬ সালের হিসাবে বাংলাদেশে জন্মগ্রহণের পর প্রতি ১ হাজার শিশুর মধ্যে ৩৪ জনের মৃত্যু ঘটে। পাকিস্তানে এ সংখ্যা ৭৯ জন। নবজাতক মৃত্যুর হারও বাংলাদেশ তাদের চেয়ে বেশি হারে কমাতে পেরেছে। সর্বশেষ জরিপের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতি ১ হাজার নবজাতকের মধ্যে মারা যায় ২৮ জন। পাকিস্তানে এ সংখ্যা ৬৪ আর ভারতে ৩৫ জন। বাংলাদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হার এক সময় অনেক বেশি ছিল। এ ক্ষেত্রে অভাবনীয় উন্নতি হয়েছে। এখানে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে ৯৮ ভাগ শিক্ষার্থী। পাকিস্তানের ক্ষেত্রে এ হার ৭২ শতাংশ। বাংলাদেশ ২০০০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের হার অর্ধেকে নামিয়ে এনেছে। বাংলাদেশের মতো এত দ্রুত দারিদ্র্য বিমোচন করতে পারেনি কোনো দেশ। ২০১৬ সালের হিসাবে বাংলাদেশের দারিদ্র্যের হার ২৪ দশমিক ৩ শতাংশ। পাকিস্তানে এ হার ২৯ দশমিক ৫ শতাংশ।

আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি :  বাংলাদেশ ২০১৫ সালের ১ জুলাই নিম্ন আয় থেকে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়। নতুন উচ্চতায় পৌঁছে বাংলাদেশের অর্থনীতি। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধিতে ধারাবাহিক উন্নতির কারণে বাংলাদেশ এ তালিকায় আসে। যাদের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১ হাজার ৪৫ ডলার বা তার নিচে, তারা নিম্ন আয়ের দেশ। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে এ তালিকাতেই ছিল। বিশ্বব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে ২০১৪ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় দাঁড়ায় ১০৮০ ডলার। গত কয়েক বছরে মাথাপিছু আয় আরও বেড়েছে।

এ বছরের মার্চ মাসে জাতিসংঘ বাংলাদেশকে এলডিসি থেকে উত্তরণের যোগ্য বলে স্বীকৃতি দেয়। এলডিসি থেকে বের হলে সেই দেশ উন্নয়নশীল হিসেবে পরিচিতি পায়। বাংলাদেশই একমাত্র দেশ, যে মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ ও অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা- এই তিন সূচকেই নির্ধারিত মানদণ্ড অতিক্রম করে। কিছু প্রক্রিয়া শেষে বাংলাদেশ ২০২৪ সালে এলডিসি থেকে বের হয়ে আসবে।

প্রবৃদ্ধির সুষম বণ্টন দরকার : বাংলাদেশে উচ্চ প্রবৃদ্ধি হলেও এর সুফল ঠিকমতো বণ্টন হচ্ছে না বলে অর্থনীতিবিদরা মনে করেন। বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাবেক সভাপতি, অর্থনীতিবিদ মইনুল হোসেন সমকালকে বলেন, বাংলাদেশের ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে, তাতে সন্দেহ নেই। কঠিন কিছু শর্ত পূরণ করে উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে। বাংলাদেশ যে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে, তার বড় উদাহরণ নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের মতো সাহসী পদক্ষেপ। তিনি মনে করেন, দুর্নীতি, পুঁজি লুণ্ঠন ও পুঁজি পাচার ঠেকাতে পারলে উন্নয়নের সুষম বণ্টন হতো। এখন উচ্চ প্রবৃদ্ধি হচ্ছে, তবে আয় বৈষম্য বাড়ছে। প্রবৃদ্ধির ফসল সবার ঘরে যাচ্ছে না। এ অবস্থা থেকে বের হতে আয় পুনর্বণ্টনের শক্তিশালী ভূমিকা নিতে হবে।

আরও পড়ুন

ঘরের মাঠে মস্কোয় বিধ্বস্ত রিয়াল

ঘরের মাঠে মস্কোয় বিধ্বস্ত রিয়াল

রাশিয়া নামক এক জুজু বুড়ির ভয় ভর করেছে রিয়ালের ওপর। ...

হারাচ্ছে জমি, অস্তিত্ব সংকটে সমতলের আদিবাসীরা

হারাচ্ছে জমি, অস্তিত্ব সংকটে সমতলের আদিবাসীরা

'জমি চাই মুক্তি চাই' স্লোগানে ১৮৫৫ সালে সাঁওতাল নেতা সিধু, ...

'কোল্ড আর্মসে' কক্সবাজার সৈকতে দুর্ধর্ষ হামলার ছক

'কোল্ড আর্মসে' কক্সবাজার সৈকতে দুর্ধর্ষ হামলার ছক

দুনিয়াব্যাপী কমান্ডো নাইফ এবং বিশেষ ধরনের ছুরি ও চাকু 'কোল্ড ...

সহিংসতা রোধে ইসিকে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ আওয়ামী লীগের

সহিংসতা রোধে ইসিকে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ আওয়ামী লীগের

দেশের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্ট সহিংসতা ঠেকাতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) আরও ...

গ্রেফতার হামলা বন্ধে সিইসির হস্তক্ষেপ চায় বিএনপি

গ্রেফতার হামলা বন্ধে সিইসির হস্তক্ষেপ চায় বিএনপি

প্রতীক বরাদ্দের পরও বিএনপির নেতাকর্মীদের হয়রানি, গ্রেফতার ও সন্ত্রাসী হামলার ...

বৃহত্তম সমাবেশ যুক্তরাজ্যে

বৃহত্তম সমাবেশ যুক্তরাজ্যে

১ আগস্ট ১৯৭১। যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের ট্রাফালগার স্কয়ারে দুপুর থেকেই ...

চট্টগ্রামে আমীর খসরুর প্রচারে হামলায় আহত ৫

চট্টগ্রামে আমীর খসরুর প্রচারে হামলায় আহত ৫

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর গণসংযোগে হামলার ...

২৪ থেকে ২৬ ডিসেম্বরের মধ্যে সেনা মোতায়েন

২৪ থেকে ২৬ ডিসেম্বরের মধ্যে সেনা মোতায়েন

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আগামী ...