স্বাস্থ্য অধিদপ্তর-সমকাল-ব্র্যাক গোলটেবিল বৈঠক

চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেই দেশ ম্যালেরিয়ামুক্ত হবে

প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০১৮      

সমকাল প্রতিবেদক

বুধবার ব্র্যাক সেন্টারে 'ম্যালেরিয়া নির্মূলে বাংলাদেশ : বাস্তবতা ও প্রতিবন্ধকতা' শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তৃতা করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম -সমকাল

লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী দেশ থেকে ম্যালেরিয়া নির্মূল করতে হলে সরকারকে বেশকিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের অভিমত, ম্যালেরিয়া নির্মূল কর্মসূচি সফল করতে হলে এই কাজের সঙ্গে যুক্ত থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয়কে নজরদারি বাড়াতে হবে। যেসব জায়গায় কার্যক্রম বাড়ানো প্রয়োজন, তা চিহ্নিত করে এগোতে হবে। তাহলেই ম্যালেরিয়া নির্মূলে সাফল্য আসবে।

বুধবার রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে 'ম্যালেরিয়া নির্মূলে বাংলাদেশ : বাস্তবতা ও প্রতিবন্ধকতা' শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় তারা এসব অভিমত ব্যক্ত করেন। এ অনুষ্ঠানের যৌথ আয়োজক ছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জাতীয় ম্যালেরিয়া নির্মূল কর্মসূচি, সমকাল ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক।

ম্যালেরিয়া নির্মূলে শতভাগ সাফল্যের জন্য কয়েকজন বিশেষজ্ঞ নিজ নিজ প্রস্তাবনা তুলে ধরে বলেছেন, ১৩ জেলাকে ঝুঁকিপূর্ণ বলা হলেও এর মধ্যে কয়েকটি জেলায় বর্তমানে ম্যালেরিয়া সংক্রমণ নেই বললেই চলে। তবে পার্শ্ববর্তী দেশের সীমান্ত থেকে সংক্রমিত হয়ে ওইসব জেলায় ম্যালেরিয়ার প্রকোপ বাড়ছে। এজন্য সীমান্তবর্তী ও পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করে ম্যালেরিয়া নির্মূলে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে দুর্গম এলাকায় চিকিৎসাসেবা পৌঁছানোর পাশাপাশি মশারির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। পার্বত্য জেলায় গহিন বনে কাঠ কাটতে গিয়ে এবং জুম চাষিরা ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছেন, তাদের কথাও ভাবতে হবে।

সমকালের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মুস্তাফিজ শফির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই ম্যালেরিয়া নির্মূলের আশাবাদ ব্যক্ত করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার নেতৃত্বে আমরা অল্প সময়ের মধ্যে স্বাধীনতা লাভ করেছি, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দারিদ্র্য বিমোচনের মাধ্যমে অন্ধকার থেকে দেশকে উন্নয়নের মহাসড়কে পৌঁছাতে পেরেছি। তাহলে ম্যালেরিয়া কেন নির্মূল করতে পারব না? ২০৩০ সালের মধ্যে ম্যালেরিয়া নির্মূলের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, আশা করি তা সফল হবে। তবে এই লক্ষ্য অর্জনে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে ম্যালেরিয়া নির্মূলে মশারি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ম্যালেরিয়াপ্রবণ এলাকাগুলোতে মশারি শুধু বিতরণের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলেই হবে না, মানুষ সেই মশারি ব্যবহার করছে কি-না তা ও দেখতে হবে।

সংক্রামক ব্যাধিকে সরকার অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে জানিয়ে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, এজন্য সংসদে একটি আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। ওই আইনে ম্যালেরিয়া নির্মূল কর্মসূচি সবার ওপরে রয়েছে। গত কয়েক বছরের পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করলে বিষয়টি স্পষ্ট হবে যে, ধারাবাহিকভাবে ম্যালেরিয়া নির্মূলে সাফল্য এসেছে। পোলিওসহ অনেক রোগের মতো লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়েই ম্যালেরিয়াও নির্মূল হবে।

এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ছাড়া কোনো দেশ উন্নয়নের শিখরে পৌঁছাতে পারে না। শেখ হাসিনা একটানা ১০ বছর দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন বলেই বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে পৌঁছাতে পেরেছে। সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, চীন, ভারতসহ অনেক দেশের সরকার একটানা দীর্ঘদিন ক্ষমতায় ছিল বলেই ওইসব দেশ উন্নয়নের শিখরে পৌঁছেছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত এক সপ্তাহে স্বাস্থ্য খাতে সাড়ে চার হাজার কোটি টাকার উন্নয়নমূলক কাজের উদ্বোধন করেছেন। শিগগিরই গোপালগঞ্জে রাষ্ট্রায়ত্ত ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ইডিসিএল কারখানা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। উন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত রাখতে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই। আরও ৭ হাজার চিকিৎসক ও ৫ হাজার নার্স নিয়োগ করে তাদের গ্রামের হাসপাতালে পদায়ন করা হবে বলেও জানান তিনি।

মুস্তাফিজ শফি বলেন, একটি দায়িত্বশীল গণমাধ্যম হিসেবে সমকাল শুধু সংবাদ প্রকাশেই নিজেদের কর্মপরিধি সীমাবদ্ধ রাখেনি বরং সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক কাজও করে থাকে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ নির্মাণে যে ঘুনপোকা বাধা হিসেবে কাজ করে, তা সারানোর জন্য সমকাল কাজ করছে। ম্যালেরিয়া, যক্ষ্ণার মতো শারীরিক রোগব্যাধি নির্মূলের পাশাপাশি জঙ্গিবাদ, সাম্প্রদায়িকতা, নারী নির্যাতনের মতো সামাজিক ব্যাধি নির্মূলের কথাও বলছি আমরা। এসব কাজ একা করা যায় না। সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ, গণমাধ্যমসহ সবাইকে মিলে করতে হয়। এজন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন রাজনৈতিক অঙ্গীকার। আশা করি, আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে ম্যালেরিয়াসহ অন্যান্য রোগ নির্মূলের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (সিডিসি) জাতীয় ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. এমএম আক্তারুজ্জামান। তিনি বলেন, বাংলাদেশে ম্যালেরিয়াপ্রবণ জেলা ১৩টি। ম্যালেরিয়া নির্মূল কর্মসূচির উদ্দেশ্য হচ্ছে ২০২১ সালের মধ্যে এসব জেলার মধ্যে ৮টিতে ম্যালেরিয়া সংক্রমণ রোধ করা এবং অবশিষ্ট ৫টি জেলাকে ম্যালেরিয়ামুক্তকরণ নিশ্চিত করা।

ম্যালেরিয়া কর্মসূচির প্রতিবন্ধকতা তুলে ধরে আক্তারুজ্জামান বলেন, সীমান্তবর্তী দেশগুলোয় ম্যালেরিয়ার প্রকোপ এবং আন্তঃসীমান্ত চলাচলকারীদের মধ্যে ম্যালেরিয়ায় আক্রান্তের প্রবণতা, বাহক মশার আচরণগত পরিবর্তন, বাহক মশা সম্পর্কিত তথ্যের সীমাবদ্ধতা, নির্মূল এলাকার জনগণের মধ্যে ম্যালেরিয়া সম্পর্কিত ভীতি কমে যাওয়া এবং জলবায়ু পরিবর্তন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ও লাইন ডিরেক্টর কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোল (সিডিসি) অধ্যাপক ডা. সানিয়া তহমিনা, ব্র্যাকের পরিচালক (কমিউনিকেবল ডিজিজেস, ওয়াশ ও ডিএমসিসি কর্মসূচি) ড. আকরামুল ইসলাম, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কমিউনিকেবল ডিজিজেস সার্ভাইল্যান্স শাখার ডা. মিয়া সেপাল। অনুষ্ঠানে আরও বক্তৃতা করেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাবেক এনপিও ডা. এ মান্নান বাঙ্গালী, জাতীয় ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির ইভালুয়েটর ডা. আবু নয়িম মো. সোহেল ও মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশন বিশেষজ্ঞ ডা. নজরুল ইসলাম, চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. আজিজুর রহমান সিদ্দিকী, খাগড়াছড়ির সিভিল সার্জন ডা. শাহ আলম, রাঙামাটির সিভিল সার্জন ডা. শহীদ তালুকদার, আইসিডিডিআর,বির সহকারী বিজ্ঞানী ডা. ওয়াসিফ আলী খান, ব্র্যাকের ম্যালেরিয়া ও ওয়াশ কর্মসূচির প্রধান ডা. মোকতাদির কবির, সংস্থাটির ম্যালেরিয়া নির্মূল কর্মসূচির প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. সামসুন নাহার, হীড বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক আনোয়ার হোসেন ও মমতার প্রধান নির্বাহী রফিক আহমেদ।

অধ্যাপক ডা. সানিয়া তহমিনা বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকাতে ম্যালেরিয়ার প্রাদুর্ভাব বেশি। পার্বত্য অঞ্চলের যেসব এলাকা সীমান্তবর্তী, সেখানেও এর প্রাদুর্ভাব বেশি। তাই প্রতিবেশী ভারত, মিয়ানমারসহ ত্রিপক্ষীয় উদ্যোগে ম্যালেরিয়া নির্মূল কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে হবে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে কাজের সুবিধার্থে নৌ-অ্যাম্বুলেন্সের ঘাটতি পূরণের জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

ম্যালেরিয়া নির্মূলে কয়েকটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে ড. আকরামুল ইসলাম বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলে ম্যালেরিয়া শনাক্তকরণে গুণগত মান ঠিক রাখতে হবে। একই সঙ্গে সীমান্তবর্তী দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা জোরদারের পাশাপাশি চিকিৎসাসেবায় প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রশিক্ষিত জনবল নিয়োগ করে তাদের প্রণোদনা দিতে হবে।

ডা. মিয়া সেপাল বলেন, ম্যালেরিয়া নির্মূলে সরকারের কার্যক্রমে সাফল্য এসেছে। তবে আরও সাফল্যের জন্য সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি অংশীদারিত্বের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

ডা. আবদুল মান্নান বাঙ্গালী বলেন, আমরা ম্যালেরিয়া নির্মূলের খুব কাছাকাছি। ইতিমধ্যে ১৩ জেলার মধ্যে ৮টিতে এটি নির্মূল হয়ে গেছে। অন্য ৫টি জেলাকে অধিক গুরুত্ব দিলে ২০২১ সালের মধ্যে ম্যালেরিয়া নির্মূল সম্ভব। এসব জেলায় বাফার জোন তৈরি করতে হবে যাতে পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলোতে ম্যালেরিয়া ছড়াতে না পারে।

ডা. আবু নয়িম মো. সোহেল বলেন, বাংলাদেশে এখনও এমন ম্যালেরিয়া পাওয়া যায়নি, যা ওষুধ দিয়ে চিকিৎসাযোগ্য নয়। এটা একটি সুখবর। ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, ৮ জেলায় ম্যালেরিয়া নির্মূলের দ্বারপ্রান্তে রয়েছি। স্থানীয় পর্যায়ে এই ৮ জেলায় ম্যালেরিয়া সংক্রমণ হয় না। পার্শ্ববর্তী দেশ ও সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে এটি সংক্রমিত হচ্ছে।

ডা. আজিজুর রহমান সিদ্দিকী বলেন, চট্টগ্রাম জেলায় ম্যালেরিয়া পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। ডা. শাহ আলম বলেন, খাগড়াছড়ির ৮ উপজেলায়ই রোগী সংখ্যা কমেছে। ৯ মাসে মাত্র ৩৩৬ জন ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে। তবে লক্ষ্মীছড়ি ও দীঘিনালা- এ দুই উপজেলা দুর্গম হওয়ার কারণে স্বাস্থ্যকর্মীরা পৌঁছাতে পারেন না। ফলে এই দুই উপজেলায় ম্যালেরিয়া পরিস্থিতি কিছুটা উদ্বেগজনক। এজন্য সরকারের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ দরকার।

ডা. শহীদ তালুকদার বলেন, ম্যালেরিয়া নির্মূলের জন্য রাঙামাটির ৪ উপজেলায় কাজ করতে হবে। এগুলো দুর্গম। সাধারণত আমরা বর্ষা মৌসুমে কাজ করে থাকি। তবে এবার বর্ষার আগেই কাজ শুরু করে ভালো ফল পেয়েছি। ম্যালেরিয়া ৬৫ শতাংশ কমে গেছে। মশা থেকে বাঁচতে জুম চাষি ও কাঠুরিয়াদের জন্য স্প্রের বদলে অন্য বিকল্প পদ্ধতিগুলো ব্যবহারের সুপারিশ করেন তিনি।

ডা. ওয়াসিফ আলী খান বলেন, ম্যালেরিয়ার প্রথম লক্ষণ জ্বর হওয়া। কিন্তু গত কয়েক বছরে এই ধারণা কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। তারা গবেষণা করে দেখেছেন যে, প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হলেও তাদের শুরুতে কোনো লক্ষণ প্রকাশ পায়নি। এ বিষয়টি নিয়ে ভাবতে হবে। ডা. মোকতাদির কবির বলেন, এতদিন ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণে কাজ হয়েছে। এখন নির্মূলে কাজ চলছে। এজন্য ১৬টি এনজিও কাজ করছে। সরকারেরও অগ্রাধিকার রয়েছে ম্যালেরিয়া নির্মূলে।

ডা. সামসুন নাহার বলেন, ম্যালেরিয়া আক্রান্ত কমিউনিটিগুলোতে আমরা মোবাইল নম্বর দিয়েছি। জ্বর হলে তারা যাতে ফোন করে, সেজন্য এই উদ্যোগ। ফোন পেলে ওষুধ সরবরাহ করা হয়। এ ছাড়া কাঠুরিয়ারা জঙ্গলে যাওয়ার সময় যাতে মশারি নিয়ে যায়, সেজন্য সচেতন করা হচ্ছে। মশারি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

আনোয়ার হোসেন বলেন, আমাদের কাজের ক্ষেত্রে জনবল সংকট রয়েছে। জনশক্তি বাড়ালে ও দুটি ল্যাব প্রতিষ্ঠা করে দিলে কাজের অগ্রগতি সম্ভব। রফিক আহমেদ বলেন, চন্দনাইশসহ চট্টগ্রামের তিনটি উপজেলায় কাজ করছে মমতা। সিভিল সার্জন তাদের সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করছেন।

ট্রাম্প-কিম দ্বিতীয় বৈঠক ফেব্রুয়ারিতে

ট্রাম্প-কিম দ্বিতীয় বৈঠক ফেব্রুয়ারিতে

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম ...

বাংলাদেশ দূতাবাসে ভাঙচুর তদন্ত করছে কুয়েত

বাংলাদেশ দূতাবাসে ভাঙচুর তদন্ত করছে কুয়েত

বাংলাদেশ দূতাবাসে ভাঙচুর এবং কর্মকর্তাদের নির্যাতনের ঘটনা তদন্ত করছে কুয়েত ...

আজ ঢাকার সড়ক ব্যবস্থাপনা যেমন

আজ ঢাকার সড়ক ব্যবস্থাপনা যেমন

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের নিরঙ্কুশ বিজয় উদযাপনে বিজয় সমাবেশ ...

আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশ আজ

আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশ আজ

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের নিরঙ্কুশ বিজয় উদযাপনে বিজয় সমাবেশ ...

ইউএনও আসার খবরে বাবা-মেয়ে উধাও

ইউএনও আসার খবরে বাবা-মেয়ে উধাও

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বড়গাঁও ইউনিয়নে বড়গাঁও গ্রামে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ...

ভূমির রাজস্ব যায় কই

ভূমির রাজস্ব যায় কই

ভূমি খাত থেকে আদায় হওয়া রাজস্বের একটি বড় অংশ সরকারি ...

ছয় বছরে প্রাণহানি ২৪০ নিখোঁজ দুই শতাধিক

ছয় বছরে প্রাণহানি ২৪০ নিখোঁজ দুই শতাধিক

২০১২ সালের ১২ মার্চ থেকে চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত ...

হাওরে পাখি নেই আগের মতো

হাওরে পাখি নেই আগের মতো

একসময় শীত এলেই পরিযায়ী পাখির কলরবে মুখর হতো নাসিরনগরের মেদীর ...