রোহিঙ্গাদের জন্য খাদ্যশস্য ধার দিচ্ছে সরকার: খাদ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯      

সমকাল প্রতিবেদক

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার- ফাইল ছবি

সরকারের খাদ্য অধিদপ্তর ও জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির মধ্যে সমঝোতা স্মারকের আওতায় রোহিঙ্গাদের ধারে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হচ্ছে বলে সংসদকে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।  

মঙ্গলবার সংসদের বৈঠকে মন্ত্রীদের জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তরে খাদ্যমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

এর আগে বিকেল সাড়ে ৪টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়। জাতীয় পার্টির সাংসদ ঢাকা-৪ আসনের সৈয়দ আবু হোসেন বাবলার প্রশ্নের জবাবে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে খাদ্য উদ্বৃত্তের দেশে পরিণত হয়েছে। সরকারের খাদ্য অধিদপ্তর ও জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির মধ্যে সমঝোতা স্মারকের আওতায় রোহিঙ্গাদের ধারে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হচ্ছে।

নেত্রকোনা-৫ আসনের ওয়ারেসাত হোসেন বেলালের প্রশ্নের জবাবে খাদ্যমন্ত্রী জানান, দেশে বর্তমানে মোট খাদ্য মজুদ রয়েছে ১৫ লাখ ৩০ হাজার ৩১৭ টন। এর মধ্যে ধান এক হাজার ৩৪৯ টন, চাল ১৩ লাখ ৫৩ হাজার ৪৪২ টন ও গম এক লাখ ৭৫ হাজার ৫২৬ টন।

কুষ্টিয়া-৪ আসনের সেলিম আলতাফ জর্জের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, সরকারের নিবিড় তদারকিতে চালসহ নিত্যপণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রয়েছে।

নেত্রকোনা-৩ আসনের অসীম কুমার উকিলের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা ফোরাম টিকফা কাউন্সিল চুক্তির অধীনে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্ক্কমুক্ত প্রবেশের সুবিধা লাভের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের নজরুল ইসলাম বাবুর প্রশ্নের জবাবে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান জানান, জি টু জি প্রক্রিয়ায় সরকারিভাবে মালয়েশিয়ায় নয় হাজার ৯৩৩ জন শ্রমিক পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া জি টু জি প্লাস প্রক্রিয়ায় ২০১৮ সালে এক লাখ ৭৫ হাজার ৯২৭ জন কর্মী মালয়েশিয়ায় গেছেন।

জাতীয় পার্টির সাংসদ রুস্তম আলী ফরাজীর প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, ২০১৮ সালে মোট সাত লাখ ৩৪ হাজার ১৮১ জন কর্মী বিদেশ গেছেন। এ সময় প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ ১৫ হাজার ৪৯৭ দশমিক ৬৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।