এমপিওভুক্তির দাবি

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ ব্যতীত ঢাকা না ছাড়ার ঘোষণা শিক্ষকদের

প্রকাশ: ২১ মার্চ ২০১৯     আপডেট: ২১ মার্চ ২০১৯      

সমকাল প্রতিবেদক

বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে দ্বিতীয় দিনের মতো সড়কে অবস্থান নেন শিক্ষক-কর্মচারীরা— সমকাল

নন-এমপিও বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির দাবিতে বুধবার থেকে আবারও রাজধানীতে আন্দোলন শুরু হয়েছে।

নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের ব্যানারে বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে দ্বিতীয় দিনের মতো সড়কে অবস্থান নেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। এ সময় সচিবালয় মোড় থেকে কদম ফোয়ারা পর্যন্ত ফুটপাতে নন-এমপিও শিক্ষকদের অবস্থান করতে দেখা যায়। এরপর তারা এমপিওর দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অভিমুখে পদযাত্রা করেন। কদম ফোয়ারার মোড়ে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। কর্মসূচিতে অংশ নেন বিভিন্ন নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শত শত শিক্ষক-কর্মচারী।

পদযাত্রায় শিক্ষক-কর্মচারীরা 'এমপিও চাই, দিতে হবে', 'এমপিও ছাড়া বাড়ি ফিরে যাব না' ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।

শিক্ষকরা বলেন, সারাদেশের বেসরকারি মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে ১০ থেকে ১৫ হাজার শিক্ষক ও কর্মচারী এ আন্দোলনে অংশ নিচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ না পাওয়া পর্যন্ত তারা অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন।

নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক কর্মচারী ফেডারেশন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ গোলাম মাহমুদুন্নবী ডলার বলেন, 'প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আমাদের বঞ্চনা-দুর্ভোগের বাস্তব চিত্র তুলে ধরতে পারলে তিনি (প্রধানমন্ত্রী) দীর্ঘদিনের ঝুলে থাকা নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো একযোগে এমপিওভুক্ত করে আমাদের এই অনিশ্চয়তা থেকে অবশ্যই মুক্ত করবেন।'

তিনি বলেন, 'প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পরও অজানা কারণে এখনও এমপিওভুক্তির বিষয়ে সুস্পষ্ট কোনো অগ্রগতি নেই। তাই দাবি পূরণের জন্য প্রধানমন্ত্রীই আমাদের একমাত্র অবলম্বন।'

শিক্ষকরা জানান, গত বছরের ৭ জুন সংসদে উপস্থাপিত বাজেটে এমপিওভুক্তির কোনো বরাদ্দ না থাকায় ১০ জুন থেকে লাগাতার আন্দোলন শুরু করেন তারা। টানা ৩২ দিন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে তারা অবস্থান ধর্মঘট ও আমরণ অনশন করেন। গত বছর ১১ জুলাই তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। পরবর্তী সময়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনলাইনে এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন গ্রহণ করে। তবে এই এক বছরেও তারা অজ্ঞাত কারণে এমপিওভুক্ত হতে পারেননি।

বিষয় : এমপিওভুক্তি এমপিও শিক্ষকদের আন্দোলন